Banglalink Free Net | সারা জীবনের জন্য ব্যবহার করুন Free net |


ফ্রী বিষয়গুলো আসলে আমাদের সকলের কাছে অন্যরকম আনন্দের একটি বিষয়। 

আপনি যে কোন কিছুর মূল্য দিয়ে ব্যবহার করাতে যতটা না ভালবাসবেন, তার চেয়েও কয়েক হাজার গুণ বেশি ভালোবাসবেন যখন আপনি এটা একদম ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন।

ঠিক এরকম ভাবে আপনি যদি ইন্টারনেটে বিচরণ করেন তাহলে হয়তো আপনারা সবাই অনেক টাকার মেগাবাইট খরচ করে তারপর এখানে বিচরণ করতে হয়, যা আমাদের অর্থের অপচয় অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়।

শুধু তাই নয় আপনি প্রতিদিন ইন্টারনেটের খরচ বাবদ অনেকগুলো টাকা পরিশোধ করতে বিরক্ত বোধ করে একসময় ইন্টারনেটের বিচরণ করা বন্ধ করে দেন।

তবে আপনি চাইলে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের সিম অপারেটর ব্যবহার করে ফ্রী নেট ব্যবহার করতে পারবেন যাতে আপনার কোন টাকা খরচ হবে না।

ঠিক একই রকম ভাবে বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় সিম অপারেটর হলো বাংলালিংক

আর আপনি যে বাংলালিংক সিম অপারেটরের ব্যবহারকারী হন,তাহলে আপনি Banglalink Free Net খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন।

আপনি যদি বাংলালিংক ফ্রি নেট ব্যবহার করতে চান তাহলে আজকের এই পোস্টটি একদম শেষ পর্যন্ত ফলো করুন, তাহলে আপনি আজীবন আপনার বাংলালিংক সিমে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

আপনি যদি আপনার বাংলালিনক সিমে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে যে বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ রাখতে হবে সেগুলো হলো।

▪  ব্রাউজিং করার সময় আপনার সিমে কোন টাকা রাখবেন না।
▪ অবশ্যই আপনার অ্যাকাউন্টের মেয়াদ থাকতে হবে।
▪ একটি ভাল ব্রাউজার থাকতে।

Banglalink Free Net এর মাধ্যমে আপনি যা যা ব্যবহার করতে পারবেন: 


আপনি যদি আজকের এই পোস্টটি ফলো করে বাংলালিংক সিমে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাহলে আপনি যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন সেগুলো হলো।

▪ ইউটিউবে যে কোন ভিডিও দেখতে পারবেন।
▪ আপনার পছন্দের বিষয়গুলো ডাউনলোড করতে পারবেন।
▪ ইচ্ছামত যে কোন ওয়েব সাইটে ব্রাউজ করতে পারবেন।

Banglalink Free Net কিভাবে ব্যবহার করবেন? 


বাংলালিংকে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে নিচের দেয়া লিঙ্কে ভিজিট করতে হবে এটা আপনি একদম ফ্রিতে করতে পারবেন।


আপনি যখনই উপরোক্ত লিংকে প্রবেশ করবেন তখন আপনি নিম্নোক্ত স্ক্রীনশটএর মত একটি পেইজ দেখতে পারবেন।

 এই পেজের উপরের দিকে আপনি অনেকগুলো অপশন এর মধ্যে থেকে সার্চ বার নামক একটি অপশন পাবেন।

এই সার্চ বার ব্যবহার করে আপনি আপনার পছন্দের যেকোন বিষয়বস্তুর খুব সহজেই আপনার হাতের নাগালে পেয়ে যেতে পারেন।

Banglalink Free Net | সারা জীবনের জন্য ব্যবহার করুন Free net |


এছাড়াও আপনি এই ওয়েবসাইটে যখন প্রবেশ করবেন তখন উপরের দিকে ইউটিউব সহ নানা ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও প্ল্যাটফর্মের লিংক সহজে পেয়ে যাবেন।

আপনাকে শুধুমাত্র যে কোন একটি প্লাটফর্মের ওপর ক্লিক করতে হবে এবং তারপর এখান থেকে যেকোন ভিডিও ডাউনলোড আপলোড সহ যেকোন কাজে লিপ্ত হতে হবে।

বলাবাহুল্য আপনি এখান থেকে ভিডিও একদম বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনি যদি ইউটিউবে ভিডিও দেখতে চান তাহলে ইউটিউব সিলেক্ট করুন এবং তারপরেই আপনি দেখতে পারবেন যেটি যথাযথভাবে কাজ করছে এবং ইউটিউব এ থাকা সমস্ত ভিডিও গুলো আপনার সামনে শো করছে।

এবং এখান থেকে আপনি আপনার পছন্দের যেকোন ভিডিও ওপেন করে তারপরে ইচ্ছা করলে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

Banglalink Free Net | সারা জীবনের জন্য ব্যবহার করুন Free net |


আপনি যদি আপনার যেকোন পছন্দের গান কিংবা ভিডিও ডাউনলোড করতে চান তাহলে আপনি একদম সিম্পল একটি প্রসেস ফলো করার মাধ্যমে থাকতে পারবেন।

এক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে যে বিষয়টি ডাউনলোড করতে হবে তা নিশ্চিত হতে হবে, এবং তারপরে আপনি যখনই এটা ডাউনলোড করতে চাইবেন তখন আপনি এর নিচে ডাউনলোড লিঙ্ক পেয়ে যাবেন।

ডাউনলোড করার জন্য শুধুমাত্র আপনাকে Tap Download নামের অপশনটির উপরে ক্লিক করতে হবে এবং তারপরে Download Original File বাটনের উপর ক্লিক করে ডাউনলোড নিশ্চিত করতে হবে।

Banglalink Free Net | সারা জীবনের জন্য ব্যবহার করুন Free net |


আর মূলত এভাবেই আপনি যেকোন ধরনের পছন্দের ভিডিও কিংবা গান কতবার ইউটিউবে লাইভ স্ট্রিমিং আপনি এই ফ্রী ওয়েবসাইট এর সহযোগিতায় দেখতে পারবেন।

আপনি যদি সবচেয়ে কার্যকরী উপায় Banglalink Free Net ব্যবহার করতে চান তাহলে উপরে উল্লেখিত পদ্ধতি ফলো করুন এবং 100 ভাগ কার্যকরী উপায় বাংলালিংকে ফ্রি নেট ব্যবহার করুন।

ফেসবুক চালু করার পরে যে কাজগুলো ডেকে আনবে বিপদ |


ইন্টারনেটের জগতে যতগুলো মানুষের বিচরণ করার এবং অন্যান্যদের সাথে কমিউনিকেশন করার প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে আপনি যদি ব্যবহারের মাপকাঠি নির্বাচন করতে চান তাহলে প্রথম স্থানে আপনি ফেসবুকে দিতে বাধ্য হবেন।

কারণ বর্তমান সময়ের সোসিয়াল গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেইসবুক অ্যাক্টিভিটি অকল্পনীয় স্থান ধরে রেখেছে এবং দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আপনি যদি ফেসবুকের নাম প্রথমত শুনেন তাহলে এটি ব্যবহার করার জন্য আপনার মনের মধ্যে কৌতূহল জাগতে পারে, তবে আপনি এটি ব্যবহারের অনেক প্রয়োজনীয় তথ্যাদি জেনেছিলেন।

ফেসবুক চালু করার ক্ষেত্রে আমরা অনেক সময় নানা রকমের ভুল ভ্রান্তি করে থাকি, কিন্তু আপনি যদি ফেসবুক চালু করে এই সমস্ত ভ্রান্তি করে থাকেন তাহলে এগুলো আপনার মানব জীবনের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

আর ফেসবুক চালু করার আগে আপনাকে যে বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে হয় এবং যে বিষয়গুলোকে ফেসবুকে কখনো শেয়ার করা উচিত হবে না, এই সমস্ত বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য হিসেবে আপনাকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

ফেসবুক ব্যবহার করার আগে আপনাকে প্রথমত যে বিষয়গুলোর উপর সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য রাখতে হয় সে বিষয়গুলো সম্পর্কে আজকের এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা করব।

আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য:


আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ফেইসবুক ব্যবহার করার পরই তাদের টাইমলাইনে বিভিন্ন ধরনের তথ্যাদি দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা তাদের সঠিক তথ্য গুলো এখানে সেভ করে রেখে দেন।

তবে অনেক সময় আপনার সঠিক তথ্য গুলো দেয়া আপনার বিপদের কারণ হতে পারে, আর কিভাবে আপনার প্রদানকৃত সঠিক তথ্য গুলো বিপদের কারন হবে তা প্রমাণিত।

তাই আপনি যখনই ফেসবুক চালু করবেন এবং তারপরে ফেসবুক যখন আপনার কাছ থেকে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো জানতে চাইবে তখন এগুলো এড়িয়ে না চলে সবগুলো সঠিক তথ্য দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

কারণ অনেক সময় এই তথ্যগুলোর কারণে আপনি হয়তো বিভিন্ন ধরনের ঝামেলার মুখোমুখি হতে পারেন, আর এই তথ্যগুলো না দেয়ার কারণে আপনি প্রাণে বেঁচে যেতে পারেন।

ফেসবুকে আপনি যদি যেকোনো ধরনের ভুয়া ইনফর্মেশন দেন যেমন আপনার এড্রেস কিংবা আপনার জীবনে বিবরণ, তাহলে ফেসবুক কখনো এগুলো যাচাই করতে চাইবে না কিংবা এগুলো ভেরিফাই করার কোনো চাপ আপনার উপরে দিবে না।

কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড


আমরা প্রায়শই ফেসবুকে যখনই ভিজিট করি তখনই বিভিন্ন ধরনের পেজ কিংবা গ্রুপে যে কারো সাথে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার ঘটনা আমরা দেখতে পারি।

বিষয়টা এরকম যে আপনি যখনই কোন ফেসবুক গ্রুপে কিংবা পেজে ভিজিট করেন তখনই কোন একটি চক্র এই ফেসবুক ব্যবহার করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা সহ নানা ধরনের খারাপ কর্মকান্ড পরিচালনা করে।

আপনি যদি এই সমস্ত কর্মকান্ডের সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন তাহলে এগুলো আপনার জীবনে মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।


এছাড়াও ফেসবুকে যে কোন ধরনের অপপ্রচার সহ খারাপ কর্মকাণ্ড করা থেকে বিরত থাকুন এবং অন্যকে বিরত রাখতে চেষ্টা করুন, কারণ আপনার একটি মাত্র চেষ্টা বাঁচিয়ে দিতে পারে হাজারো মানুষের জীবন।

অপপ্রচার এবং ভুয়া তথ্যঃ


ফেসবুকে আপনি যখনই বিচরন করবেন তখনই আপনার টাইমলাইনে বিভিন্ন ধরনের ভুয়া সংবাদের আনাগোনা দেখতে পারবেন, যে সংবাদমাধ্যমের সংবাদদাতা আসলে নিজেই জানে না যে এই সংবাদের পেছনে কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।

অনেকেই এই সমস্ত ভুয়া সংবাদ গুলো ছড়িয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে, আর আমরা এগুলোকে যাচাই না করেই তা আমাদের ফেসবুক টাইমলাইন সহ বিভিন্ন পেইজ বা গ্রুপে শেয়ার করে দিতে মোটেও দ্বিধাবোধ করিনা।

তবে আপনার এই সমস্ত অপপ্রচার এবং অপকর্মের ফলাফল কিন্তু মোটেও ভালো হবে না, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক এই সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। 

আর আপনি যদি এটা অমান্য করেন তাহলে নিঃসন্দেহে আপনাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

বাচতে হলে আপনাকে প্রথমত এই ফেসবুক চালু করার পরে যেকোনো ধরনের সংবাদ যখন আপনার টাইমলাইনে দেখতে পারবেন তখন একটি যাচাইকরণ এবং তারপরে অন্যান্যদের কাছে ছড়িয়ে দিন।

ফেসবুক হল এমন একটি প্ল্যাটফরম যেখানে সংবাদ অবশ্যই প্রচার হয়, কিন্তু  একজন যোগ্য নাগরিক হিসেবে আপনার কর্তব্য যে সংবাদ আপনার চোখের সামনে ভাসছে সে সংবাদের সত্যতা যাচাই করা।

নাস্তিকতা কিংবা ধর্মে আঘাতঃ


ফেসবুক বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় গণমাধ্যম হয় এবং এতে প্রতিদিন প্রায় কয়েক বিলিয়ন মানুষের আনাগোনা হওয়ার কারণে এটি বর্তমানে সকলের যেকোনো কিছু প্রচারের মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

তবে এক্ষেত্রে আপনি যখনই বিভিন্ন ধরনের ফেইসবুক গ্রুপ কিংবা পেইজে ভিজিট করেন তখন আপনি হয়তো নাস্তিকতা কিংবা ধর্মে আঘাত করা রিলেটেড বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট দেখতে পান।

এই কনটেন্ট বিভিন্ন নাস্তিকের হাতে লেখা এবং তাদের কাজই হল ধর্মকে বিশ্বাস না করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা।

আপনি যদি এই সমস্ত অপপ্রচার কিংবা ধর্মের বিরুদ্ধে লেখালেখি কাজে লিপ্ত হয়ে যান তাহলে এর ফলস্বরূপ আপনাকে চরম  মূল্য দিতে হবে।

কারণ প্রত্যেক ধর্মের লোকই তাদের নিজস্ব ধর্ম কে নিজের মনে লালন করেছে এবং তা জন্মের পর থেকেই বিশ্বাস করে আসছে, আপনি যদি এভাবে ধর্মের মধ্যে আঘাত যার মত চেষ্টা করেন তাহলে ফলপ্রসূ আপনার জীবনে অন্ধকার নেমে আসতে পারে।

আর উপরের উল্লেখিত কাজগুলো ফেসবুক চালু করার পরে কখনোই করবেন না, করলেই বিপদ অনিবার্য।

ই কমার্স এর সুবিধা | যা জানলে আপনি নিশ্চিত ই-কমার্সের প্রেমে পড়বেন|



একেবারে সহজ অর্থে ই-কমার্স বলতে আমরা যা বুঝি সেটা হলঃ ইন্টারনেটকে কাজে লাগে আমাদের নিত্য
প্রয়োজনীয় পণ্য গুলো ঘরে বসে আপনার হাতের নাগালে নিয়ে আসা।

আর এই ই-কমার্সের মাধ্যমে যেহেতু আপনি ইন্টারনেট কে কাজে লাগিয়ে আপনার পণ্য গুলো নিজের কাছে নিয়ে আসবেন তাই এখান থেকে অনেক ভাল রকমের সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

আর এ ই কমার্স এর সুবিধা নিয়ে আজকের এই পোষ্টটি খুব ভালো ভাবে সাজানো হয়েছে আশা করি আপনার কাজে আসবে।

ই-কমার্স এর নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা রয়েছে যে সুযোগ-সুবিধা গুলোর মধ্যে অন্যতম কয়েকটি সুযোগ সুবিধা নিয়ে আজকের এই পোস্টটি সাজানো হয়েছে।

ই-কমার্স এর সুবিধা:


আপনি যদি ই কমার্স ব্যবহার করেন তাহলে ই কমার্স এর মাধ্যমে যে সমস্ত সর্বাপেক্ষা ভালো সুযোগ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো।

▪  সময় সাশ্রয়
▪ অর্থের অপচয় রোধ
▪ সবচেয়ে ভালো প্রোডাক্ট পাওয়া
▪ নতুন উদ্ভাবিত প্রোডাক্ট
▪ ধোঁকাবাজি শিকার না হওয়া
▪ বিভিন্ন সময় অনেক বড় ডিসকাউন্ট পাওয়া ইত্যাদি

আর আপনি যদি এটা ব্যবহার করেন তাহলে মূলত যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন সেগুলোর মধ্যে সর্বাপেক্ষা উত্তম যে সুযোগ সুবিধা গুলো রয়েছে সেগুলো আংশিক আমি উপরে তুলে ধরেছি,  এবার  বর্ণনা করা যাক।

সময় সাশ্রয়


আপনি যদি কমার্স ব্যবহার করেন তাহলে আপনার কিভাবে সময় সাশ্রয় হয় এটা ডিটেইলে আলোচনা করলে আপনি বুঝতে পারবেন।

উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি এমনিতেই ভাল কোন মার্কেটপ্লেসের ধারে কাছে না থাকে না, আপনার বাড়িটা যদি কোন একটি উন্নতমানের মার্কেটপ্লেস থেকে খুব বেশী দূরে অবস্থান রত হয়ে থাকে। 

তাহলে আপনাকে আপনার পছন্দের যেকোনো ধরনের প্রোডাক্ট কিনতে হলে হয়তো বহুদূর জার্নি করে তারপর এখানে আসতে হয়।

তার পরেও আপনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে এখানে আপনি যদি ট্রাফিক জ্যামের মধ্যে একবার পড়ে যান, তাহলে ঘন্টার পর ঘন্টা এখানে আপনাকে আঙ্গুল চুষতে হবে, হঠাৎ এখান থেকে আপনি বের হবার কোন রাস্তায় খুঁজে পাবেনা।

ফলশ্রুতিতে কি হবে আপনাকে অবশ্যই প্রয়োজনের চেয়ে অধিক সময় খরচ করার পরে ওই নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে। 

তারপরে আপনার পছন্দের জিনিসটি কিনে আবার বাসায় ফিরে আসতে হবে, আপনি যদি ফিরতি পথে আবার কোন ট্রাফিক জামের মুখোমুখি হয়ে যান, তাহলে মনে করবেন যে আপনার জীবনের পাতা থেকে একটি  দিন শেষ হয়ে গেল।

আর আপনি যদি ই-কমার্স ব্যবহার করেন তাহলে কিন্তু আপনাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যামে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় না। 

আপনি শুধুমাত্র যেকোনো ধরনের একটি ট্রাস্টেড e-commerce প্লাটফর্ম এর কাছে আপনার পছন্দের পণ্যটি চেক আউট করার জন্য পাঠিয়ে দিতে পারেন, এবং তার পরে তারা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই পণ্যটি আপনার ঘরের সামনে নিয়ে হাজির হবে।

আর এভাবে খুব সহজেই আপনি আপনার সময় সাশ্রয় করার মাধ্যমে ই-কমার্স ব্যবহার করতে পারবেন।


অর্থের অপচয় রোধ


ই-কমার্স আপনার অর্থের অপচয় রোধ করে এই অর্থের অপচয় রোধের ব্যাপারটা আসে সাধারণত আপনার গাড়ি ভাড়ার খরচের হিসাব থেকে, ওখান থেকেই আপনার অর্থের অপচয় রোধের সমীকরণটা শুরু হয়।

আপনি যদি এক ই কমার্স এর কোন একটি প্ল্যাটফরম ব্যবহার করেন তাহলে আপনি এখান থেকে ক্রয় কৃত যে কোন একটি প্রোডাক্ট এর সঠিক মূল্য নির্বাচন করে তারপরে আপনি আপনার প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি যখনই একটি ইকমার্স প্লাটফর্ম এর কাছ থেকে যে কোন একটি প্রোডাক্ট কেনার ক্ষেত্রে একটি অ্যামাউন্ট থাকবে, তখনই আপনি অন্য আরেকটি ই কমার্স সাইটের অ্যামাউন্টের সাথে মিলিয়ে এর ব্যবধানটা খুব ভালোভাবে  উপলব্ধি করতে পারবে।

এছাড়াও আপনি যদি এমনিতেই কোনো শপিং মল থেকে কোন একটি পোশাক কিংবা যে কোন একটি প্রোডাক্ট ক্রয় করেন, তখনই হয়তো আপনার কাছ থেকে ওই ব্যক্তিবর্গ প্রয়োজনের অধিক টাকা নিয়ে নিতে পারে যা মোটেও কাম্য নয়।

তাই আপনি আপনার অর্থের অপচয় রোধ করার জন্য এবং নির্দিষ্ট মূল্যে যেকোনো একটি প্রোডাক্ট কয় করার জন্য এ কমার্স সাইট এর সুবিধা গুলো ব্যবহার করুন।

সবচেয়ে ভালো প্রোডাক্ট পাওয়া:


আপনি যদি একটি অরিজিনাল প্রডাক্ট নিজের কাছে নিয়ে আসতে চান এবং প্রোডাক্ট ক্রয় করার ক্ষেত্রে যাতে কোনরকম ধোঁকাবাজি শিকার হতে না চান তাহলে আপনি ই-কমার্স সাইটগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি যদি কমার্স সাইট গুলো ব্যবহার করেন তাহলে আপনার পছন্দের পণ্যটির অরিজিনাল কপি আপনার নিজের হাতে নিয়ে আসতে পারবেন।

কিন্তু আপনি যদি  যেকোনো ধরনের শপিংমলে যান তাহলে ডুপ্লিকেট কপি নিজের হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।

এছাড়াও প্রোডাক্ট ক্রয় করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো প্রোডাক্ট আপনি যদি নিজের কাছে নিয়ে আসতে চান তাহলে ই-কমার্স সাইটগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

নতুন উদ্ভাবিত প্রোডাক্ট


আপনি যদি সবেমাত্র রিলিজ হওয়া প্রোডাক্টগুলো নিজের কাছে পেতে চান এছাড়া এরকম প্রোডাক্ট আপনি পেতে চান যেগুলো অন্যান্য প্রোডাক্ট এর তুলনায় অনেকটা ভিন্ন। 

এবং কম ব্যবহারকৃত মনে হয় তাহলে আপনি ই কমার্স সাইট গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

ই-কমার্সের সুবিধা যতগুলো রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এই সাইট গুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি সবচেয়ে নতুন উদ্ভাবিত প্রোডাক্ট গুলো দেখতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি গুগলে সার্চ করার মাধ্যমে নতুন প্রোডাক্ট গুলোর নাম কপি করে এনে তারপরেও ই-কমার্স সাইটে সার্চ বক্সে ব্যবহার করে খুঁজে নিতে পারেন।

এবং অনেকে কমার্স সাইট এ আপনি এই সুযোগ সুবিধা পাবেন যে নতুন প্রবেশ করা প্রোডাক্টগুলো আসলে কি?  এবং সবশেষে আপনি এগুলো বাছাই করে নিজের কাছে নিয়ে আসতে পারবেন।

ধোঁকাবাজি শিকার না হওয়া


আপনি যদি এমনিতেই যেকোনো ধরনের শপিং মল থেকে কোন একটি প্রোডাক্ট করেন তাহলে অরিজিনাল প্রোডাক্ট হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বৃদ্ধি পায়।

অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় আপনি যখন শপিং  মল ব্যবহার করে কোন একটি প্রোডাক্ট নিজের কাছে নিয়ে আসেন এবং তারপরে বাড়ি অবধি পৌঁছে দেখেন যে আপনি যা ক্রয় করে নিয়েছেন সেটি আসলে ডুপ্লিকেট প্রোডাক্ট। 

পরবর্তী সময়ে আপনি যদি এই প্রোডাক্ট পরিবর্তন করার জন্য ওই শপিংমলে আবার যান তাহলে তারা অস্বীকার করতে পারে।

ফলশ্রুতিতে আপনি আপনার টাকা অপচয় হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই বাড়িয়ে ফেলেন, এবং অনেকটা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে যান।

তবে আপনি যদি কমার্স সাইট ব্যবহার করেন তাহলে এই সমস্ত ধোঁকাবাজি আপনাকে কখনোই হতে হবে না কারণ আপনি প্রথমে যখন একটি প্রোডাক্ট করবেন তখনই এর সত্যতা যাচাই করে নিতে পারবেন।

আর উপরে উল্লেখিত সমস্ত বিষয়গুলি কমার্সের সুযোগ-সুবিধা গুলোর মধ্যে অন্যতম, এছাড়াও আপনি ই-কমার্স সাইট ব্যবহার করে আরো নানামুখী সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। 

আর এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ইকমার্স সাইট আপনি ব্যবহার করার পরে উপলব্ধি করতে পারবেন।

ভালোবাসার মজার ছন্দ | সমগ্র ভালোবাসার ভালোবাসার ছড়া |



আপনি যদি আপনার ভালবাসার মানুষের কাছে সমস্ত ধরনের নতুন ভালোবাসার ছন্দ গুলো পৌঁছে দিতে চান তাহলে হয়তো এগুলো মিলাতে গিয়ে অনেকটাই হিমশিম খেয়েছেন।

কারণ ভালোবাসার ছন্দ গুলো এরকম হওয়া প্রয়োজন যার মাধ্যমে আপনার ভালোবাসার মানুষটি ইমপ্রেস হয়, এবং আপনার দামটা অনেকটাই বৃদ্ধি পায়।

আর আপনি যদি সমস্ত ধরনের নতুন ভালোবাসার ছন্দ গুলো নিজের কাছে নিয়ে আসতে চান তাহলে আজকের এই পোস্টটি আপনি ফলো করতে পারেন।

 আম মিষ্টি, জাম মিষ্টি, তেঁতুল বড় টক। তোমার সঙ্গে প্রেম করতে আমার ভারি সখ।

  গোলাপ ফুল তুলতে গেলে হাতে লাগে কাঁটা। তোমার কথা মনে পরলে মনে লাগে ব্যাথা।

  প্রথম সেই দেখা যায় কি কখনো ভোলা। প্রেমের বাঁধনে বেঁধে তোমায়, গাঁথবো স্মৃতির মালা।

   মিষ্টি তোমার মুখখানি, সুন্দর তোমার রূপ। তাই না দেখে এ মন আমার দিয়েছে প্রেমে ডুব।

  সুন্দরী গো- রূপ যে তোমার অপরুপা, ভুলতে পারি না সেই এক পলকের দেখা।

  দু চোখ ভোরে দেখি শুধু তোমার সুন্দর মুখখানা। পাগল হয়ে দেখে আঁখি, পলক আর পরে না।

  তোমার দুটি ডাগর চোখে আমার মনের ছবি। এসো প্রিয়া কাছে এসো, দেখে যাও সবই...

  আমার এ ভালোবাসা করো নাকো অবহেলা। আমার হৃদয় নিয়ে করো নাকো খেলা।

  নিজেকে আড়াল করে রেখো না আর লুকিয়ে, এবারে ধরা দাও আমার এ হৃদয়ে...

  কাছেতে যদি না আসো, গোপন কথা বলি কেমন করে... আমার যত প্রেম পিরিত, রেখেছি তা তোমার তরে...

  কণ্ঠে পরে ফুলের মালা, অভিসারে এসো প্রিয়। বসে আছি দুয়ার খুলে, আমি তোমার পথ চেয়ে।

  আরও একটু কাছে এসো, বলবো দুটো মনের কথা। দূরে থেকে আর তুমি দিও নাকো মনে ব্যাথা।

  তোমার নুপুর ধ্বনি আমি যখন শুনতে পাই। প্রেমের আবেগে আমি তখন ডুবে যাই...

  হে প্রেয়সী মিষ্টি হাঁসি, জাগায় প্রাণে সাড়া। আবার কবে দেখবো তোমায়, তাইতো এতো তাড়া।

  আমার মনের মাধুরী মিশায়ে তোমার মূর্তি গড়েছি। তোমার লাগি ওগো প্রিয় মোর ফুলের শয্যা পেতেছি।

  প্রেমের সাথী চির সাথী, থাকে চিরকাল। সাদা নয় প্রেমের রং, রং যে তার লাল...

   রাগ করোনা রাধিকা, তোমায় বড়ো ভালোবাসি। তাইতো কত দূরে থেকে তোমার কাছে আসি।

  চিরটা কাল থেকো আমার, এমন করে কাছে। ডাকলে যেন কাছে এসো, আমায় ভালোবেসে।

  রাত আরও বাকি, আছে অনেক কথা। জানি না এমনভাবে, কবে হবে দেখা...!!!

  চাঁদের মতো মুখ তোমার দেখে আমি প্রথমবার, আপন শাখায় ফুল হয়ে তোমায় চায় মন আমার।

  সারাদিনে কাজের ফাঁকে যখন সময় পাই, মনে পরে বারে বারে, তোমার মুখটাই।

  তুমি আমার প্রেম সাগরে, তুলেছো যে তরঙ্গ। মাথার দিব্যি শেষে রণে দিও নাগো ভঙ্গ।

  আজ এই সময় আমার থাকবে মনে, তোমার আমার মিলন হলো এই শুভ দিনে।

  কত তোমায় চিঠি দিলাম, দিলে না কেন জবাব। এমন করে ছলনা করা মেয়েদের কি স্বভাব...!!!

   অনেক কথা বলার ছিল আজকের এ রাতে। এমনি করে চিরটা কাল থাকবে আমার সাথে।

  এসেছ যখন আর যেও না চলে। একা আমি ওগো প্রিয়া, যেওনা আমারে ফেলে...

তাহলে আর দেরি না করে এখুনি উপরে উল্লেখিত সমস্ত নতুন ভালোবাসার ছন্দ গুলো আপনার প্রিয়জনের কাছে পৌঁছে দিন আর উপভোগ করুন অন্য রকম অনুভূতি।

ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার | পছন্দের ভিডিও কনভার্ট করুন|



আপনি যদি আপনার যে কোন পছন্দের ভিডিও ফাইলকে অডিও ফরমেটে শুনতে চাই যাতে করে আপনার ফোনের চার্জ অনেকটাই সাশ্রয়ী হয়, এক্ষেত্রে আপনি ওই ভিডিও ফাইলকে অডিও করার জন্য এটিকে খানিকটা এডিট করতে পারেন।

আর আপনি যদি আপনার যেকোনো ধরনের ভিডিও ফাইলকে অডিও ফরমেটে শুনতে চান তাহলে আপনাকে ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করতে হয়, যেগুলো আপনি আপনি ফ্রিতে করতে পারেন।

তবে আজকের এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা করব কিভাবে আপনি ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করতে পারবেন এবং এছাড়াও আরও বিকল্প কয়েকটি ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার সম্পর্কেও।

আপনি যদি যেকোনো ধরনের ফাইল ফরমেট কে ভিডিওতে কনভার্ট করতে চান এছাড়াও কনভার্ট করার পরে এই অডিও ফাইল  এর কোয়ালিটি যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে।

সে জন্য যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ এন্ড্রোয়েড অ্যাপস রয়েছে তার মধ্যে সেরা একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসের লিঙ্ক আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি।


অ্যাপটি ডাউনলোড করা হয়ে গেলে প্রথমেই অ্যাপসটির মধ্যে প্রবেশ করুন এবং তারপরে আমার দেয়া ইনফর্মেশন অনুযায়ী কাজ করুন তাহলে আপনি ভিডিওকে অডিও করতে পারবেন।

আপনি যখন এই অ্যাপসটিতে প্রবেশ করবেন তখন এখানে অনেকগুলো অপশন দেখতে পারবেন এই অপশন গুলো থেকে আপনাকে তৃতীয় অপশনটি অর্থাৎ Video to audio অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার | পছন্দের ভিডিও কনভার্ট করুন|


এবার আপনাকে আপনার ফোনের স্টোরেজ কিংবা মেমোরি কার্ড থেকে ওই ভিডিও ফাইল চয়েস করে নিতে হবে যে ভিডিও ফাইলকে আপনি অডিও ফরমেটে ব্যবহার করতে চান।

এবং আপনি আপনার ফোনে থাকা যে ফোল্ডারে আপনার পছন্দের ভিডিওটি রেখে দিয়েছেন সেই ভিডিও এখান থেকে চয়েজ করে নিন।

ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার | পছন্দের ভিডিও কনভার্ট করুন|


আপনি যখনই আপনার পছন্দের ভিডিও ফাইলটিকে সিলেক্ট করে নিবেন তখন আপনার পাশে আরেকটি নতুন পেজ ওপেন হবে, এখান থেকে আপনাকে আপনার ওই ভিডিও ফাইলকে অডিওতে কনভার্ট করার ক্ষেত্রে যে কোয়ালিটি মেইনটেন্স করতে হবে তা সিলেক্ট করতে হবে।

এখানে দেয়া তিনটি অপশনের মধ্যে আপনাকে প্রত্যেকটি অপশন ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে এবং এগুলো ভালোভাবে কন্ট্রোল করার মধ্যেই আপনার ভিডিও কোয়ালিটি ডিপেন্ড করবে।

Mode:  ওখান থেকে আপনাকে দুইটা অপশনের মধ্যে একটি সিলেক্ট করে নিতে হবে, প্রথমত আপনি দেখতে পারেন দুইটি অপশন এর মধ্যে দ্বিতীয় অপশন সিলেক্ট করা রয়েছে, আপনাকে অবশ্যই Advance অপশনে ক্লিক করতে হবে।

format: এখানে থাকা দুইটি অপশন এর মধ্যে আপনি যেহেতু আপনার ফাইলটি কে অডিও ফরমেটে করতে চান তাই mp3 সিলেক্ট করে নিন।

Quality: কোয়ালিটি নামের এই অপশন থেকে সর্বোচ্চ যে রেটিং হয়েছে অর্থাৎ 9 রেটিং সিলেক্ট করে নিতে হবে।

Encoding: এই অপশনটি যেরকম আছে ঠিক সেরকম রেখে দিন।

Bit rate: আপনি যদি আপনার ভিডিও ফাইল এর ফরমেট খুব ভালোভাবে অডিও ফাইলে রুপান্তর করতে চান যাতে করে কোয়ালিটি নষ্ট না হয় তাহলে এখানে আপনাকে সবচেয়ে ভাল কোয়ালিটি নির্বাচন করতে হবে।

উল্লেখযোগ্য ব্যাপার এটা যে এখানে দেয়া কোয়ালিটি গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ কোয়ালিটি যেটা রয়েছে 320 kbps , আর এটা আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে।

উপরে উল্লেখিত সেটিং গুলো করার পরে আপনাকে সর্বশেষে Convert বাটনে ক্লিক করতে।

ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার | পছন্দের ভিডিও কনভার্ট করুন|


এবং তারপরে আর কিছু সময় পরে আপনি ভিডিও ফাইল অডিও করার সফটওয়্যার এর মাধ্যমে খুব সহজেই এটি কে পরবর্তী সময়ে শুনতে পারবেন।

আর এভাবেই আপনি খুব সহজে আপনার যেকোনো ধরনের ভিডিও ফরম্যাট এর ফাইল কে অডিওতে কনভার্ট করতে পারবেন।

এছাড়াও ভিডিওকে অডিও করার যে সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস রয়েছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি লিংক আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি আপনি চাইলে এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।



তাহলে আর দেরি না করে এখুনি উপরে উল্লেখিত অ্যাপস গুলো ডাউনলোড করে নিন এবং তারপর আপনার পছন্দের ভিডিও ফাইল টিকে অডিও ফরমেটে কনভার্ট করুন।