জানতে চান ফেসবুকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

জানতে চান ফেসবুকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বর্তমানে ইন্টারনেটের জগতে সোসিয়াল গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে সবাই যেটা কে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয় তার মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছে ফেসবুক নামক একটি সোসিয়াল গণমাধ্যম।

তবে এই ফেসবুক সংক্রান্ত অনেক প্রশ্ন আমাদের মনের মধ্যে প্রায় ঘুরপাক খায়। যেগুলো আমাদের কাছে শুধুমাত্র প্রশ্ন হিসেবেই থাকে যার যার সমাধান আমরা খুঁজে পাইনা।

কাহন ফেসবুক এতটাও ছোট সোসিয়াল গণমাধ্যম নয় যে এর সম্পর্কে আপনার কাছে এক ডজন কিংবা  দুই ডজন প্রশ্ন সীমাবদ্ধ থাকবে।

আপনি হয়তো এটা নিয়ে নিজের অজান্তেই হাজারো প্রশ্নের বেড়াজালে আটকে ফেলে নিজেকে। আর এর মত একটি হল- ফেসবুকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

আপনি হয়তো এটা জানার জন্য আজকের এই পোষ্ট টির মধ্যে এসে পৌঁছেছেন, খুবই সহজ এবং কমন একটি প্রশ্ন?

ফেসবুকের সদর দপ্তর অবস্থিত-
প্যালো আট্রো ক্যালিফোর্নিয়া যুক্তরাষ্ট্র"

আপনি হয়তো আপনার প্রশ্নের সঠিক জবাব পেয়েছেন।

ডাউনলোড করুন সর্বকালের সর্বসেরা কয়েকটি ফেসবুক ফটো ভেরিফিকেশন VPN|

ডাউনলোড করুন সর্বকালের সর্বসেরা কয়েকটি ফেসবুক ফটো ভেরিফিকেশন VPN|

ফেসবুকে অনেক রকমের সিকিউরিটি জনিত ভেরিফিকেশন সমস্যার মধ্যে একটি হল ফটো ভেরিফিকেশন।

যখন এই সমস্যাটি আপনার ফেসবুক আইডিতে দেখা দিবে তখন আপনি ইচ্ছা করলেই এটি এড়িয়ে লগইন করতে পারবেন না, এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে তাদের সিকিউরিটি কোয়েশ্চেনের জবাব দিতে হবে।

আর যখনই আপনি তাদের সিকিউরিটি প্রশ্নের জবাব যথাযথভাবে দিতে পারবেন তখনই আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

অন্যথায় আপনার ফেসবুক আইডি ফটো ভেরিফিকেশন অ্যাক্টিভিটির মধ্যে সারা জীবন বন্দী হয়ে থাকবে।

আর খুব বেশি দিন ধরে যদি আপনার ফেসবুক আইডি এই ফেসবুক ফটো ভেরিফিকেশন সমস্যার জর্জরিত থাকে তাহলে একসময় দেখা যাবে যে ফেসবুকে স্টরেজ থেকে আপনার আইডি মুছে যাবে।

যখনই আপনার ফেসবুক আইডিতে ফটোভেরিফিকেশন নামক সমস্যাটি দেখা দেয় তখন আপনাকে আপনার ছবি আপলোড দিতে হয়।

এক্ষেত্রে আপনি যখন একটি ক্লিয়ার ছবি আপলোড দেয়ার পরে চাইলেই কিন্তু আপনি লগইন করতে পারেন না।

এক্ষেত্রে যখন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আপনার অ্যাকাউন্ট রিভিউ করবে তখন আপনার ছবিটি যদি তাদের পলিসি মান্য করে, তাহলে আপনি কয়েক দিনের মধ্যে একটি নোটিশ পেয়ে যাবেন।

আর এটা কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে না, এক্ষেত্রে আপনাকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কিছু সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে যে সময় গুলোর মধ্যে আপনি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন করতে পারবেন না।

যখন সময় শেষ হয়ে যাবে তখন তারা আপনার ফেসবুক আইডি রিভিউ করবে এবং একটি রিপোর্ট দিয়ে দিবে,  আপনি আদৌ ফেসবুক আইডিতে লগিন করতে পারবেন কিনা?

তবে এটা সত্য যে আপনি যদি এরকম 100 টি ফেসবুক আইডি রিভিউতে পাঠান তাহলে খুব বেশি সংখ্যক হলে পাঁচটি কিংবা দশটি ফেসবুক আইডি ফেরত আসবে।

কিন্তু আপনি যদি ফেসবুক ফটো ভেরিফিকেশন বাইপাস করার জন্য ভিপিএন ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে কিন্তু আপনি শতভাগ নিশ্চয়তা নিয়ে আপনার ফেসবুক আইডি ফেরত আনতে পারবেন।

তবে অনেকেই আছেন ফটোভেরিফিকেশন বাইপাস করার জন্য কোন ধরনের ভিডিও গুলো সবচেয়ে বেশি কার্যকরী এবিষয়ে ধারণা খুবই কম।

এখানে ভিপিএন বলতে আপনি যদি অন্য কোন ভিপিএন এ কোন একটি প্রক্সি কানেক্ট করেন, এবং ওই একি proxy যদি আপনি আরেকটি ভিপিএন কানেক্ট করেন, তাহলে কিন্তু একই রকম কাজ করবে।

তাহলে কেন আপনাকে ভিন্ন ধরনের ভিপিএন সিলেক্ট করতে হবে ফটো ভেরিফিকেশন এর জন্য?

ভিপিএন গুলোর কাজ একই রকমের থাকলেও এখানে ডিফারেন্ট বিষয়গুলো হলো ভিপিএন এর ব্যবহার করা প্রক্সি  কতটা স্ট্রং বা দুর্বল এটার উপর।

আর এই বিষয়টা বিবেচনা করে আপনাকে এরকম কোন স্ট্রং ভিপিএন ব্যবহার করতে হয় ফেসবুকের ফটো ভেরিফিকেশন বাইপাস করার জন্য।

 তাহলে এই পোষ্টটির মাধ্যমে জেনে নিন কোন ভিপিএন গুলো ফেসবুক ফটো ভেরিফিকেশন এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।

আপনি চাইলে নিচে দেয়া প্রত্যেকটি ভিপিএন ব্যবহার করতে পারেন ফেসবুক ফটো ভেরিফিকেশন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য।

Touch VPN
Turbo VPN
Hola Free VPN
Super VPN

ভিপিএন গুলো ডাউনলোড করা হয়ে গেলে আপনার যে আইডিতে ফটোভেরিফিকেশন সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিয়েছে ওই আইডিতে লগইন করার চেষ্টা করুন।

তবে এই ভিপিএন গুলোর মধ্যে অনেকগুলো ফ্রী প্রক্সি থাকতে পারে, যে প্রোগ্রামগুলো কাজ করে সেই প্রোগ্রামগুলোকে ক্রমান্বয়ে ব্যবহার করতে হবে।

যেমন প্রথমে যদি আপনি আমেরিকার প্রক্সি কানেক্ট করেন এবং দেখতে পারেন এটি কাজ না করে তাহলে আপনি এটাকে পরিবর্তন করে অন্য আরেকটি দেশের লোকেশনে কানেক্ট করে দিতে পারেন।

এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে আপনি পূর্বে যে দেশের প্রক্সি কানেক্ট করে আপনার ফেসবুক আইডি ফটো ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন, এর পরবর্তীতে এটি কাজ নাও করতে পারে।

এক্ষেত্রে আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন দেশের প্রক্সি ব্যবহার করতে হবে। এবং ফটোভেরিফিকেশন সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ করতে হবে।

দেখতে চান ফেসবুকে কে কে আপনাকে ফলো করছে?

দেখতে চান ফেসবুকে কে কে আপনাকে ফলো করছে?

কখনো কি এরকম ইচ্ছা জাগে, এটা দেখবেন ফেসবুকে কে কে আপনাকে ফলো করেছে? কারণ আপনি হয়ত চিনতে চান আপনার কার্যাদি কারনে কে কে আসলে আপনাকে ফলো করছে?

আপনি হয়তো পূর্বে এরকম অনেক টুলস কিংবা ওয়েবসাইটের সহযোগিতা নিয়েছেন এটা দেখার জন্য যে ফেসবুকে আসলে কে আপনাকে ফলো করে?

তবে আপনি প্রায় সবক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়েছেন এই বিষয়টি দেখার জন্য। তবুও আপনি হাল ছাড়েননি, আপনি চলে এসেছেন একদম আদর্শ জায়গায়।

যেখান থেকে আপনি অবশ্যই এটা জানতে সক্ষম হবেন যে ফেসবুকে আসলেই কে কে আপনাকে ফলো করে?

এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ফেসবুকে ফলোয়ার অপশন ওপেন করতে হবে, আর ফেসবুকে ফলোয়ার অপশন কিভাবে অপেন করবেন এটা নিয়ে আমি একটি টিউটোরিয়ালে আলোচনা করেছি?

আপনি চাইলে সম্পর্কে পুরোপুরি  জানার জন্য শুধুমাত্র নিচের দেয়া পোস্টটি প্রথম থেকে শেষ অব্দি  দেখে আসুন তাহলেই বুঝে নিবেন।
আর যখনই আপনি ফেসবুকে ফলোয়ার অপশন ওপেন করবেন তখন আপনি দেখতে পারবেন যে যতজন আপনাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট দিছে তারা আপনার ফলোয়ার হিসেবে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে।

আর যখনই তা ফলোয়ার সংযুক্ত হবে তখনই তা সংখ্যা হিসেবে কাউন্ট হবে, যেমন- Followed by 100 People's 

দেখতে চান ফেসবুকে কে কে আপনাকে ফলো করছে?

এক্ষেত্রে আপনার  ফলোয়ার এর প্রাইভেসি যদি পাবলিক করে দিয়ে দেন তাহলে, তাহলে আপনি ফেসবুক অফিশিয়াল অ্যাপস এর সাহায্যে তা দেখতে পারবেন।

প্রথমে আপনাকে ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপসে আপনার অ্যাকাউন্ট লগিন করতে হবে, তারপর যখনই আপনি Edit more details এ ক্লিক করবেন তখনই Followers বলে একটি অপশন পাবেন।

এই অপশনটি ঠিক নিচের দিকে আপনি ঐ সমস্ত ব্যক্তিদের দেখতে পারবেন যে সমস্ত ব্যক্তিবর্গ আপনাকে ফলো করছে।
দেখতে চান ফেসবুকে কে কে আপনাকে ফলো করছে?

আর এভাবেই আপনি চাইলে ফেসবুকে আপনাকে কে কে ফলো করছে এই বিষয়টিকে দেখতে পারবেন।

ফেসবুকে কমেন্ট করতে পারছেন না? তাহলে জেনে কিভাবে এটা দূরীকরণ করবেন?

ফেসবুকে কমেন্ট করতে পারছেন না? তাহলে জেনে কিভাবে এটা দূরীকরণ করবেন?

অনেক সময় এটা দেখা যায় যে আমার ফেসবুকে যে কারো স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্ট করতে পারিনা। 

যখনই আমরা যে কারো স্ট্যাটাসে নিচে কমেন্ট করতে চাই,তখনই এটা দেখা যায় যে কমেন্টটি করার পরে যখন আমরা পেইজটিকে একটু রিফ্রেশ করি তখনই তা রিমুভ হয়ে যায়।

কেন আপনি যে কারো স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্ট করতে পারেন না? আর কোন পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনি আবার কারো ফেসবুক স্ট্যাটাস এর নিচে কমেন্ট করতে পারবেন?

প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক কেন আপনি অন্য কারো স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্ট করার পরে তা অটোমেটিক রিমুভ হয়ে যায়?

এই সমস্যাটি হওয়ার কারণ হল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একশন ব্লকের সম্মুখীন হওয়া। একশন ব্লক হলো আপনার বিভিন্ন  কার্যকলাপের কারণে ফেসবুক এর কাছ থেকে কয়েক দিনের জন্য, আপনার জন্য কিছু ফিচারস ব্লক হয়ে যাওয়া।

এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের একশন ব্লক এর আওতাধীন আপনি পড়তে পারেন, তবে ফেসবুকে যখন আপনি কমেন্ট করতে পারেন না তখন এটি কমেন্ট ব্লক এর মধ্যে পড়ে।

প্রথমেই জেনে নেয়া যাক, কেন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কমেন্ট ব্লক হতে পারে?

এটার সবচেয়ে বড় কারণটি হলো আপনি যদি যে কারো ফেসবুক স্ট্যাটাসের নিচে এরকম কোন ভাষায় কমেন্ট লিখেন যা ফেসবুক পলিসির মধ্যে কখনো পড়ে না। 

তারপর কোন ব্যক্তি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের শরণাপন্ন হলেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট কমেন্ট ব্লক হতে পারে।

শুধু তাই নয় আপনি যদি কোনো স্ট্যাটাসের নিচে একই কমেন্ট বারবার করেন তাহলে আপনার ফেসবুক এ কমেন্ট ব্লক হতে পারে।

যেমন কমেন্ট হিসেবে আপনি যদি এরকম কোন নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ব্যবহার করেন যা আমরা  যে কোন কমেন্ট বক্সে নিচের দেখে থাকি ব্যবহার করি- nice all ,wow এই টাইপের কমেন্ট গুলো।

তবে বিষয়টা এরকম নয় যে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কোনরকম একশন ব্লক হলে এগুলো সারাজীবনের জন্য থেকে যাবে, একশন ব্লক কয়েকদিনের মধ্যে আবার শেষ হয়ে যায়।

ফেসবুকের একশন ব্লক এর লিমিট সাধারণত তিনদিন পাঁচদিন এরকম হতে পারে, পরে দেখা যাবে যে আপনি আবার পুনরায় ওই ফিচারস গুলো ব্যবহার করতে পারছেন।

তবে আমরা কোনোক্রমে অপেক্ষা করতে পারি না, আমাদের একটাই ইচ্ছা যে ফেসবুকে যখন অ্যাকশন ব্লক হবে তখন অপেক্ষা না করেই এগুলোকে আবার কিভাবে খোলা যায়?

এক্ষেত্রে আপনাকে ফেসবুক হেল্প সেন্টারে সহযোগিতা নিতে হবে। এই কাজটি খুবই সহজ হয়ে যাবে যদি আপনি ফেসবুক লাইট ইউজার হন।

আপনি যদি ফেসবুক লাইট এপ্স এখনো ব্যাবহার করে না থাকেন তাহলে নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিন।

ফেসবুক লাইট

যখনই আপনি ফেসবুক লাইট এপ্স এ লগিন করবেন তখন এর মেনুবার থেকে পেইজটিকে একটু নিচের দিকে নিলে আপনি দেখতে পারবেন Report and problem-others  নামক একটি অপশন ।

এতে ক্লিক করার পর আপনি আপনার সমস্যাটি যখন জানিয়ে তাদের কাছে সাবমিট করবেন তখন কয়েক ঘন্টার মধ্যে আপনি আবার স্বাভাবিক ভাবে ফেসবুকে কমেন্ট করতে পারবেন।
ফেসবুকে কমেন্ট করতে পারছেন না? তাহলে জেনে কিভাবে এটা দূরীকরণ করবেন?

উপরে দেয়া রিপোর্ট এন্ড প্রবলেম এই বক্সটিতে সমস্যাটির কথা আপনি চাইলে নিচের দেয়া লেখাগুলো কপি করে জানিয়ে দিতে পারেন।

Dear Facebook

From today all of a sudden, my Facebook comment features have been discontinued, I can't understand why?  Please remove this as soon as I can and allow me to use Facebook again.

Thanks

 আর যখনই আপনি এটা ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে সাবমিট করে দিবেন তখনই দেখবেন সেই সমস্যাটি আর নেই

তার মানে হল আপনি আবার ফেসবুকে পূর্বের ন্যায় যে কারো স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্ট করতে পারবেন।

তবে যখনই এই সময়ের সাথে দূরীকরণ হয়ে যাবে তখন চেষ্টা করবেন যে কারণে এই সমস্যাটি হয় তা করা থেকে বিরত থাকতে। 

কারণ এই একই সমস্যার সম্মুখীন যখন আপনি কয়েক বার হয়ে যাবেন তখন আপনার ফেসবুক একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যেতে পারে।

ফেসবুকে কেউ ব্লক দিলে তাকে আবার মেসেজ পাঠান খুব সহজেই|


আপনার কোন কার্যকলাপের কারণে অথবা আপনার উপর বিরক্ত বোধ করে কেউ যদি ফেসবুকে আপনাকে ব্লক করে দেয়, তাহলে কি আপনি তার কাছে কোন মেসেজ দিতে পারেন?

অবশ্যই না। কারণ এটি ফেসবুকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা, আপনার কথাই একবার খেয়াল করে দেখুন- যদি আপনি মেয়ে হয়ে থাকেন আর কেউ আপনাকে যদি বিরক্ত করে ফেসবুকে মেসেজ দেয়ার মাধ্যমে তাহলে আপনি কি চাইবেন?

আপনি নিশ্চয়ই ঐ সময়টাতে ঐ ব্যক্তিটি কে ব্লক করবেন, আর এই ব্লক করার একটি মাত্র উদ্দেশ্য থাকবে যাতে করে ওই ব্যক্তিটি আপনাকে আর বিরক্ত না করে।

আর এটাই হবে যখন আপনাকে কোন ব্যক্তি ব্লক করবে তখন আপনি ফেসবুকে ওই ব্যক্তিটি কে আর কখনোই কোন মেসেজ কিংবা তার স্ট্যাটাসে লাইক কমেন্ট করতে পারবেন না।

এটাই ফেসবুকের অপ্রিয় সত্য, তবে আপনি যদি তাদের রুলস কে টেকনিক্যাল এভোয়েড করতে চান তাহলে কিন্তু আপনি তা করতে সক্ষম হবেন।

এক্ষেত্রে আপনি এই টিপসটি যদি মেনে চলেন তাহলে যে কেউ ফেসবুকে আপনাকে ব্লক করলেও আপনার কিছু বন্ধুর সহযোগিতায় তাকে আপনি আবার মেসেজ করতে পারবেন।

কেউ যদি আপনাকে ব্লক করে দেয় এবং আপনি যদি থাকে আবার পুনরায় মেসেজ দিতে চান তাহলে আজকের এই পোস্টটি শুধুমাত্র আপনার জন্য।

এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি আপনার আপনাকে ফেসবুকে ব্লক করবে ওই ব্যক্তি আপনার অন্যান্য ফ্রেন্ডসদের বন্ধু হতে হবে। তাহলেই আপনি তা করতে সক্ষম হবেন।

যখন ওই ব্যক্তি আপনার অন্যান্য ফ্রেন্ডসদের বন্ধু হবে তখন তারা যদি মেসেঞ্জারে চ্যাট গ্রুপ খুলে, এবং আপনাকে আর ঐ ব্যক্তিকে যুক্ত করে তাহলে আপনারা দুজনে কথা বলতে পারবেন।

এক্ষেত্রে অবশ্যই ব্যক্তি হিসেবে তিনজনের দরকার হবে, যেমন আপনাকে যে ব্লক করেছে ওই ব্যক্তি আপনি এবং তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে সেই যে একটি চ্যাট গ্রুপ খুলবে এবং আপনাদের দুজনকে অ্যাড করবে।

আর কিভাবে ফেসবুকে একটি চ্যাট গ্রুপ খুলতে হয় তা আসলে আমরা সকলেই কমবেশি জানি।


ফেসবুকে কেউ ব্লক দিলে তাকে আবার মেসেজ পাঠান খুব সহজেই|

এরপর এখান থেকে আপনি যতজন বন্ধুকে সিলেক্ট করবেন সেই সমস্ত বন্ধুরা আপনার ফেসবুকে চ্যাট গ্রুপে যুক্ত হয়ে যাবে।

এক্ষেত্রে যদি আপনাদের দুজনকে কেউ অ্যাড করে নেয় তাহলে আপনারা চাইলে আবার একজন আরেকজনের সাথে কনভার্সেশনে জড়াতে পারেন।

এভাবে ফেসবুকে যদি কেউ আপনাকে ব্লক করে দেয় তাহলে আপনি পুনরায় তার কাছে মেসেজ পাঠাতে পারবেন।