ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার | পছন্দের ভিডিও কনভার্ট করুন|



আপনি যদি আপনার যে কোন পছন্দের ভিডিও ফাইলকে অডিও ফরমেটে শুনতে চাই যাতে করে আপনার ফোনের চার্জ অনেকটাই সাশ্রয়ী হয়, এক্ষেত্রে আপনি ওই ভিডিও ফাইলকে অডিও করার জন্য এটিকে খানিকটা এডিট করতে পারেন।

আর আপনি যদি আপনার যেকোনো ধরনের ভিডিও ফাইলকে অডিও ফরমেটে শুনতে চান তাহলে আপনাকে ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করতে হয়, যেগুলো আপনি আপনি ফ্রিতে করতে পারেন।

তবে আজকের এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা করব কিভাবে আপনি ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করতে পারবেন এবং এছাড়াও আরও বিকল্প কয়েকটি ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার সম্পর্কেও।

আপনি যদি যেকোনো ধরনের ফাইল ফরমেট কে ভিডিওতে কনভার্ট করতে চান এছাড়াও কনভার্ট করার পরে এই অডিও ফাইল  এর কোয়ালিটি যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে।

সে জন্য যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ এন্ড্রোয়েড অ্যাপস রয়েছে তার মধ্যে সেরা একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসের লিঙ্ক আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি।


অ্যাপটি ডাউনলোড করা হয়ে গেলে প্রথমেই অ্যাপসটির মধ্যে প্রবেশ করুন এবং তারপরে আমার দেয়া ইনফর্মেশন অনুযায়ী কাজ করুন তাহলে আপনি ভিডিওকে অডিও করতে পারবেন।

আপনি যখন এই অ্যাপসটিতে প্রবেশ করবেন তখন এখানে অনেকগুলো অপশন দেখতে পারবেন এই অপশন গুলো থেকে আপনাকে তৃতীয় অপশনটি অর্থাৎ Video to audio অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার | পছন্দের ভিডিও কনভার্ট করুন|


এবার আপনাকে আপনার ফোনের স্টোরেজ কিংবা মেমোরি কার্ড থেকে ওই ভিডিও ফাইল চয়েস করে নিতে হবে যে ভিডিও ফাইলকে আপনি অডিও ফরমেটে ব্যবহার করতে চান।

এবং আপনি আপনার ফোনে থাকা যে ফোল্ডারে আপনার পছন্দের ভিডিওটি রেখে দিয়েছেন সেই ভিডিও এখান থেকে চয়েজ করে নিন।

ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার | পছন্দের ভিডিও কনভার্ট করুন|


আপনি যখনই আপনার পছন্দের ভিডিও ফাইলটিকে সিলেক্ট করে নিবেন তখন আপনার পাশে আরেকটি নতুন পেজ ওপেন হবে, এখান থেকে আপনাকে আপনার ওই ভিডিও ফাইলকে অডিওতে কনভার্ট করার ক্ষেত্রে যে কোয়ালিটি মেইনটেন্স করতে হবে তা সিলেক্ট করতে হবে।

এখানে দেয়া তিনটি অপশনের মধ্যে আপনাকে প্রত্যেকটি অপশন ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে এবং এগুলো ভালোভাবে কন্ট্রোল করার মধ্যেই আপনার ভিডিও কোয়ালিটি ডিপেন্ড করবে।

Mode:  ওখান থেকে আপনাকে দুইটা অপশনের মধ্যে একটি সিলেক্ট করে নিতে হবে, প্রথমত আপনি দেখতে পারেন দুইটি অপশন এর মধ্যে দ্বিতীয় অপশন সিলেক্ট করা রয়েছে, আপনাকে অবশ্যই Advance অপশনে ক্লিক করতে হবে।

format: এখানে থাকা দুইটি অপশন এর মধ্যে আপনি যেহেতু আপনার ফাইলটি কে অডিও ফরমেটে করতে চান তাই mp3 সিলেক্ট করে নিন।

Quality: কোয়ালিটি নামের এই অপশন থেকে সর্বোচ্চ যে রেটিং হয়েছে অর্থাৎ 9 রেটিং সিলেক্ট করে নিতে হবে।

Encoding: এই অপশনটি যেরকম আছে ঠিক সেরকম রেখে দিন।

Bit rate: আপনি যদি আপনার ভিডিও ফাইল এর ফরমেট খুব ভালোভাবে অডিও ফাইলে রুপান্তর করতে চান যাতে করে কোয়ালিটি নষ্ট না হয় তাহলে এখানে আপনাকে সবচেয়ে ভাল কোয়ালিটি নির্বাচন করতে হবে।

উল্লেখযোগ্য ব্যাপার এটা যে এখানে দেয়া কোয়ালিটি গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ কোয়ালিটি যেটা রয়েছে 320 kbps , আর এটা আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে।

উপরে উল্লেখিত সেটিং গুলো করার পরে আপনাকে সর্বশেষে Convert বাটনে ক্লিক করতে।

ভিডিও অডিও করার সফটওয়্যার | পছন্দের ভিডিও কনভার্ট করুন|


এবং তারপরে আর কিছু সময় পরে আপনি ভিডিও ফাইল অডিও করার সফটওয়্যার এর মাধ্যমে খুব সহজেই এটি কে পরবর্তী সময়ে শুনতে পারবেন।

আর এভাবেই আপনি খুব সহজে আপনার যেকোনো ধরনের ভিডিও ফরম্যাট এর ফাইল কে অডিওতে কনভার্ট করতে পারবেন।

এছাড়াও ভিডিওকে অডিও করার যে সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস রয়েছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি লিংক আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি আপনি চাইলে এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।



তাহলে আর দেরি না করে এখুনি উপরে উল্লেখিত অ্যাপস গুলো ডাউনলোড করে নিন এবং তারপর আপনার পছন্দের ভিডিও ফাইল টিকে অডিও ফরমেটে কনভার্ট করুন।

মোবাইল ট্র্যাকিং সফটওয়্যার | মোবাইল নাম্বার থেকে লোকেশন বের |


আপনার ফোন যদি চুরি হয়ে যায় এবং আপনি যদি এই চোরকে ধরতে চান অথবা আপনি যদি পুলিশের মত যে কারো লোকেশন মোবাইল দিয়ে বের করতে চান। 

তাহলে আপনাকে সীমাবদ্ধ কিছু কাজ করতে হয় যা আমরা অনেকেই জানিনা।

এভাবে আমরা অনেকেই এটা চাই যে  পুলিশ যেভাবে অপরাধীদের লোকেশন ট্রাক করে ঠিক সেরকম ভাবে আমরাও যাতে অপরাধীদের লোকেশন খুঁজে বের করতে পারি।

আর আপনি যদি পুলিশের মত অপরাধীদের কিংবা আপনার প্রিয়জনের লোকেশন ট্র্যাক করতে চান তাহলে বিভিন্ন ধরনের কার্যকরী অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসের সহযোগিতা নিতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনি অনেক টিউটোরিয়াল দেখে হয়তো ইতিমধ্যে এটা প্রমাণিত করে ফেলেছেন যে মোবাইল দিয়ে যে কারো লোকেশন বের করা প্রায় অসাধ্য কাজ।

বিষয়টা আসলে মোটেই এরকম হয়, আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট বা এপস এর সহযোগিতা আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী কিংবা শত্রুর মোবাইলের লোকেশন সহজেই বের করে ফেলতে পারেন।

এই সমস্ত সফটওয়্যারগুলোকে সাধারণত মোবাইল ট্রাকিং সফটওয়্যার বলা হয়,  যেগুলোর মাধ্যমে আপনি মোবাইল নাম্বার দিয়ে লোকেশন খুব সহজেই বের করতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনি যদি মোবাইল দিয়ে যে কারো লোকেশন বের করতে চান তাহলে আপনাকে প্রথমে নিচের দেয়া ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে হবে।


আপনি যখনই উপযুক্ত লিংকে প্রবেশ করবেন তখন এখানে অনেকগুলো অপশন দেখতে পারবেন, যার মাধ্যমে আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ড কিংবা শুভাকাঙ্ক্ষী মোবাইল নাম্বার লোকেশন ট্র্যাক করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে এখানে জব প্রথম বক্সটিতে মোবাইল নাম্বারের দশটি ডিজিট লিখতে হবে।

মোবাইল ট্র্যাকিং সফটওয়্যার | মোবাইল নাম্বার থেকে লোকেশন বের |


এক্ষেত্রে আপনি যখনই আপনার টার্গেটকৃত ব্যক্তির মোবাইল নাম্বারে 10 টি ভিজিট দিয়ে Trace  বাটনে ক্লিক করবেন তখনই আপনি ওই ব্যক্তির বর্তমান লোকেশন দেখতে পারবেন।

আর উপরে উল্লেখিত উপায়ে আপনি খুব সহজেই মোবাইল নাম্বার দিয়ে যে কারো লোকেশন খুব করতে পারবেন, যা আপনার সমস্ত বিভ্রান্তি দূর করে কারো লোকেশন ট্র্যাক করতে সহায়তা করবে।
 
আরেকটি পদ্ধতিতে মোবাইল নাম্বার থেকে লোকেশন বেরঃ

এছাড়াও আরেকটি উপায় আপনি চাইলে মোবাইল নাম্বার দিয়ে লোকেশন ট্র্যাক করতে পারবেন সেটি হলো গুগল ম্যাপের দ্বারা।

এজন্য আপনাকে প্রথমে নিচের দেয়া লিঙ্কে ভিজিট করতে হবে এবং তারপরে আমার দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী সমস্ত কাজ পরিচালনা করতে হবে।


ভিজিট করার পরে এবার আপনি বামদিকে একটি বক্স দেখতে পারবেন, যেখানে আপনাকে ওই ব্যক্তির ফোন নাম্বার দিতে হবে যার নাম্বার দিয়ে লোকেশন বের করতে চান।

তবে এখানে আপনি যখন একটি ফোন নাম্বার দিবেন সেটি যে দেশেরই হোক না কেন সেই দেশের কান্ট্রি কোডসহ ফোন নাম্বারটি আপনাকে এখানে দিতে হবে।

আপনি যদি বাংলাদেশের হন তাহলে বাংলাদেশি নাম্বারে কান্ট্রি কোড সহকারে নাম্বারের প্রথম অংশে আপনাকে ডায়াল করতে হবে " +880 " এরপরে নাম্বারের বাকি ডিজাইনগুলো বসিয়ে দিলেই আপনার কাজ হয়ে যাবে।

মোবাইল ট্র্যাকিং সফটওয়্যার | মোবাইল নাম্বার থেকে লোকেশন বের |


আপনি যখনই আপনার নাম্বারটি দিয়ে দিবেন তখন আপনি কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরে ওই নাম্বারের সমস্ত লোকেশন এবং ডিটেলস আপনার হাতের মুঠোয় পেয়ে যাবেন।

আর এভাবে আপনি খুব সহজে যেকারো মোবাইল নাম্বার দিয়ে লোকেশন ট্র্যাক করতে পারবেন।

আর মোবাইল নাম্বার দিয়ে লোকেশন ট্র্যাক করার ক্ষেত্রে উপরে উল্লিখিত দুটি পদ্ধতি আপনি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

আশা করি পোস্টটি আপনার কাজে এসেছে।

মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি | কিভাবে তৈরি করবেন খুব সহজেই|


আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে এ কাজে আপনি অনেকটা পিছু হটে যান যখন আপনার কাছে এটা মনে হয়েছে আমার কাছে তো কোন পিসি বা ল্যাপটপ নেই। 

এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে কিভাবে আমি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারব? এবং এই ওয়েবসাইট কে খুব ভালোভাবে মেনটেন করতে পারব? 

এই সমস্ত বিষয় গুলো যখনই আমাদের মনের মধ্যে আসে তখনই আমরা ওয়েবসাইট তৈরি করা থেকে পিছপা হয়ে যাই।

অর্থাৎ আমাদের মনের মধ্যে এরকমটা মনোভাব  আসে না,  আমরা চাইলে মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে তারপর আয় করতে সক্ষম হব।

এক্ষেত্রে আমরা প্রায় সকলেই এটা মনে করি এই ধ্যান-ধারণায় বসে থাকি যে আমাদের হাতে যেহেতু মোবাইল তাহলে আমরা মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবোনা, এছাড়া কিছুটা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠবে।

তবে বিষয়টা যদি আপনি কিছুটা হলেও পর্যালোচনা করেন তাহলে আপনি মনে করবেন যে এটা আসলে একটি ভুল এবং বিভ্রান্তকর ধারণা যে আপনি চাইলে মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন না।

এক্ষেত্রে অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যে প্ল্যাটফর্ম গুলো থেকে আপনি মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। এবং তারপরে আপনার মনের মত এটিকে কন্ট্রোল করে নিতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই একটি যথাযথ প্ল্যাটফর্ম বেছে নিতে হবে, যার মাধ্যমে আপনি মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।

এছাড়া ওয়েবসাইট তৈরি করে আপনার কাজটি সীমাবদ্ধ হয়ে থাকবে না, এর পরে আপনি চাইলেএটিকে ভালোভাবে কাস্টমাইজ করে এতে আর্টিকেল পাবলিশ করবেন। 

এবং তারপরে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটটিকে সার্থক করে তুলবেন।

মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার মত প্লাটফর্ম গুলো যদি আপনি প্রতিনিয়ত খুঁজে,  থাকেন তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য।

মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার প্ল্যাটফর্মঃ

আপনি যদি মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে একটি প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতা নিতে হবে.

এ প্লাটফর্ম থেকে আপনি চাইলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস দিয়ে খুব সহজেই যেকোনো ধরনের কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারবেন।

ওয়েবসাইট তৈরি করা প্ল্যাটফর্মটিতে আপনি যখন প্রবেশ করবেন তখন এখান থেকে আপনি কিভাবে একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করবেন আপনার এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে, সেটি আমি আর একটি পোস্টে বর্ণনা করেছি। 

আপনি চাইলে নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে পুরোপুরি দেখে আসতে পারেন।


আশাকরি উপরে দেয়া আর্টিকেল দ্বারা আপনি খুব সহজে বিভিন্ন ধরনের তথ্য অনুযায়ী আপনার জীবনের প্রথম ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন। 

ওয়েবসাইট কাস্টমাইজেশন এবং এইচটিএমএল এডিটিং কিভাবে?

তবে মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনাকে প্রায় সময় যেকোনো ধরনের এইচটিএমএল এডিটিং সহ নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। 

আপনি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস দিয়ে যদি করেন তাহলে আপনাকে আপনার এন্ড্রয়েড ফোন হ্যাং হয়ে যাওয়া সহ নানা ধরনের যাবতীয় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

তবে এই সংক্রান্ত সমস্যা থেকে উত্তোলনের জন্য আপনি চাইলে একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডাউনলোড করে নিতে পারেন। 

যার মাধ্যমে আপনি চাইলে যেকোনো ধরনের বড় এইচটিএমএল কোডিং খুব সহজেই এডিট করতে পারবেন।


উপরে উল্লেখিত অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডাউনলোড করার পরে আপনি যেকোন ধরনের বড় করতে যদি এখানে পেস্ট করে দেন। 

তাহলে আপনি বিভিন্ন ধরনের ফিচারস সহযোগিতায় খুব সহজেই আপনার ফোন হ্যাং হওয়া সংক্রান্ত সমস্যা ছাড়াই যেকোনো ধরনের এইচটিএমএল এডিট করতে পারবেন।

কিভাবে দ্রুততার সাথে ওয়েবসাইট কাস্টমাইজ করব?

আপনি যদি এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারী হন তাহলে আপনি হয়তো বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক জনিত সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। 

এটা দেখা যেতে পারে যে অনেক সময় যেকোনো কিছু কাস্টমাইজ করার সময় আপনার ব্রাউজার ঠিকমতো কাজ করছে না, কিংবা এটি অধিকতর ধীরগতিতে কাজ করছে।

আর আপনি যদি এই সংক্রান্ত জটিলতা ভোগার মত আশঙ্কায় থাকেন তাহলে আপনি চাইলে এন্ড্রয়েড ফোনের জন্য সবচেয়ে দ্রুতগতির ব্রাউজার এপস টি নিচে থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।


এই ব্রাউজার অ্যাপস টি সহযোগিতায় আপনি নানামুখী সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এবং অনেকটা অ্যান্ড্রয়েড কিংবা পিসির মতো বিভিন্ন ধরনের ফিচারস উপভোগ করতে পারবেন।

যেগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো এই ব্রাউজারে আপনি মাউস এর মত একটি অপশন পাবেন, যার মাধ্যমে আপনার ব্লগার এর গেজেট গুলোকে আপনি ইচ্ছামত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরাতে পারবেন।

বলা বাহুল্য যে আপনি যদি আপনার ব্লগারে যেকোনো গেজেট কে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিবর্তন করতে চান অর্থাৎ স্থান পরিবর্তন করতে চান তাহলে আপনাকে একটি পিসির সহযোগিতা নিতে হতো। যা আপনি এই ব্রাউজারটি দ্বারা করতে সক্ষম হবেন।

মোটামুটি মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে যে সংক্রান্ত সমস্যাগুলো হয়, তা আমি উপরে আলোচনা করেছি এবং এর থেকে পরিত্রাণের উপায় আলোচনা করেছি।

আশাকরি মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনারা কোন ধরনের সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

মোবাইল রিচার্জ সফটওয়্যার | কিভাবে ফ্রিতে রিচার্জ নিবেন?

মোবাইল রিচার্জ সফটওয়্যার | কিভাবে ফ্রিতে রিচার্জ নিবেন?

ইন্টারনেটের জগতে এরকম অনেক অ্যাপস রয়েছে যেগুলো সহযোগিতায় আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে আপনার মোবাইল ফোনে রিচার্জ নিতে পারেন।

মোবাইল রিচার্জ সফটওয়্যার এর মধ্যে অনেক সফটওয়্যারই আপনার কর্ম ক্ষমতাকে কমিয়ে দিতে পারে। 

অর্থাৎ এদের দেয়া ভুয়া ইনফরমেশনের  এর পথে পা বাড়িয়ে কাজ করতে চান তাহলে আপনি কাজ করবেন ঠিকই তবে এখান থেকে আপনি কোন রকমে রিচার্জ পাবেন না।

এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এ ক্ষেত্রে পা বাড়ানোর আগে যে সমস্ত সফটওয়্যারগুলো কার্যকরী অর্থাৎ যে সমস্ত সফটওয়্যারগুলোর দ্বারা আপনি নিশ্চিত মোবাইল রিচার্জ পাবেন সেই সমস্ত সফটওয়্যারগুলোকে ভালোভাবে শনাক্ত করে নিতে হবে। 

এবং তার পরে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

আজকের এই পোস্টটিতে আমি মোবাইল রিচার্জ সফটওয়্যার এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী সফটওয়্যার সম্পর্কে আলোচনা করবো। 

এবং এখান থেকে আপনি রিচার্জ পেতে হলে কোন কোন কাজ সম্পাদন করতে হবে সে সম্পর্কে আমি পুরোপুরি আলোচনা করব।

আপনি যদি মোবাইল রিচার্জ সফটওয়্যার খুঁজে থাকেন, এবং একটি কার্যকরী সফটওয়্যার এর সন্ধান করেন তাহলে আপনি চাইলে নিচের দেয়া অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

DOWNLOAD

এই অ্যাপটি যখন আপনি ডাউনলোড করে নিবেন তারপর আপনাকে এতে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। 

রেজিস্ট্রেশন করার পরে আপনাকে এই অ্যাপসটিতে দেয়া বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হবে,  এবং তারপরে কাজ করার মাধ্যমে আপনার একাউন্টে জমা হবে।

আর এই পয়েন্টগুলো থেকে আপনি খুব সহজেই আপনার যেকোনো সিমে রিচার্জ করে নিতে পারবেন।

মোবাইল রিচার্জ সফটওয়্যার | কিভাবে ফ্রিতে রিচার্জ নিবেন?


এছাড়াও আপনি এই অ্যাপসটির সাহায্যে রেফার করে খুব ভালো পরিমানে আয় করতে পারবেন।  

আপনি যদি আপনার লিঙ্ক থেকে কোন বন্ধুর সাথে রেফার করে নেন তাহলে আপনি প্রতি রেফারে 10 টাকা করে মোবাইল রিচার্জ পাবেন।

মোবাইল রিচার্জ সফটওয়্যার | কিভাবে ফ্রিতে রিচার্জ নিবেন?

এক্ষেত্রে আপনি যদি 10 জনকে রেফার করেন তাহলে 100 টাকা সহজে আয় করতে পারবেন এবং এই আয়কৃত টাকা গুলো কে আপনি মোবাইল রিচার্জ হবে আপনার ফোনে নিয়ে আসতে পারবেন।

এছাড়া আপনি ঘরে বসেই যেকোনো ধরনের বাসের টিকেট ক্রয় করতে পারবেন এই অ্যাপসটি সহযোগিতায়।

এবং আপনি কোন কোন স্থানে ভ্রমণ করতে চান সেটি নির্বাচন করার মাধ্যমে আপনার বাসের টিকেট ক্রয় করা আপনার জন্য আরও বেশি সহজতর হয়ে উঠবে।

এছাড়াও আপনি এই সফটওয়্যার এর সহযোগিতায় আপনি কখন কত টাকা রিচার্জ নিয়েছিলেন তাঁর হিস্টরি পেয়ে যাবেন। 

এছাড়াও বর্তমানে আপনার জন্য কি কি ধরনের গিফট অপেক্ষা করছে সেই সমস্ত গিফটের অনুসন্ধান করতে পারবেন? 

এই সমস্ত কাজগুলো আপনি একদম ফ্রিতে সম্পাদন করতে পারবেন, তাই সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার জন্য আর দেরি না করে এখনি উপরে উল্লেখিত ফ্রী অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিন।

সব মিলিয়ে আপনি যদি একটি কার্যকর মোবাইল রিচার্জ সফটওয়্যার এর অনুসন্ধান করেন তাহলে এটি আপনার জন্য যথেষ্ট। এবং নিশ্চিত ভাবে আপনি সফটওয়ারের মাধ্যমে মোবাইল রিচার্জ পাবেন।

Android Apps দিয়ে টাকা আয় করুন প্রতিমাসে ১৫-২০ হাজার ঘরে বসে |

Android Apps দিয়ে টাকা আয় করুন প্রতিমাসে ১৫-২০ হাজার ঘরে বসে |

ইন্টারনেট কে আপনি নানাভাবে কাজে লাগিয়ে টাকা আয় করতে পারেন, তবে এই টাকা আয় করার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে যেগুলো রীতিমতো কঠিন মনে হয়।

তবে আয় করার ক্ষেত্রে যে আপনি শুধুমাত্র কঠিন পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করে টাকা আয় করবেন তা কিন্তু নয়।

কঠিন পদ্ধতিগুলোর সাথে কিছু অভিনব সহজ পদ্ধতি রয়েছে যে পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করে আপনি খুব সহজেই স্বল্প সময়ে অধিক টাকা আয় করতে পারবেন।

আর অনলাইনে আয় করার সহজ যতগুলো পদ্ধতি রয়েছে তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ্ধতি হলো Android apps দিয়ে টাকা আয় করা।

এটি এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনি শুধুমাত্র অন্যান্য ডেভেলপারদের তৈরি অ্যাপস কিছু সময় কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনি স্বল্প সময় ব্যয় করার মাধ্যমে এমন কিছু কাজ করতে হবে, যাতে আপনার কাজ দ্বারা ওই অ্যাপ তৈরিকারী ডেভলপারদের আপনি লাভ করিয়ে দিতে পারেন।

এবং এতে করে আপনি যখন তাদের দেয়া রুলসগুলো মেনে কিছু সময় একসাথে কাটাবেন এবং বর্ণিত সমস্ত কাজগুলো সম্পাদন করবেন, তখনই আপনি ঐ সমস্ত Android apps দ্বারা টাকা আয় করতে পারবেন।

তাহলে কি সেই কার্যকরী অ্যাপস গুলো? যেগুলোকে কাজে লাগিয়ে আপনি স্বল্প সময়ে টাকা আয় করতে পারবেন? জানতে হলে এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।


Mcent browser


আপনি হয়তো তাড়াতাড়ি যে কোন ওয়েবসাইটে ফাস্ট লোডিং এর সহকারে ভিজিট করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ব্রাউজারের সহযোগিতা নেন।

কিন্তু আপনি যখন ঐ সমস্ত ব্রাউজার গুলো ব্যবহার করেন তখন এগুলো থেকে কোন ধরনের টাকা আয় করতে পারেন কি? অবশ্যই এটা সম্ভব নয়।

তবে এ সমস্ত ব্রাউজার গুলোর মধ্যে একটি ব্রাউজার রয়েছে যার সহায়তায় আপনি খুব সহজেই আয় করতে সক্ষম হবেন, এবং যতগুলো টাকা আপনি আয় করবেন সেগুলো কি আপনি মোবাইল রিচার্জ হিসেবে আপনার কাছে নিয়ে আসতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনি যখনই প্রথমে ব্রাউজারটি ডাউনলোড করবেন এবং তারপর আপনার ফোন নাম্বার দিয়ে ভেরিফাই করে নিবেন তখন আপনি এর কাছ থেকে 75 পয়েন্ট পেয়ে যাবেন।

এক্ষেত্রে আপনি বেশি পয়েন্ট আর্নিং করতে হলে আপনাকে এই অ্যাপসটি রোজ ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি প্রতিদিন প্রায় 3000 পয়েন্ট বোনাস পাবেন।

আপনার যখন 98000 পয়েন্ট হয়ে যাবে তখন আপনি 199 টাকা থেকে 1699 টাকা পর্যন্ত ফ্রি রিচার্জ নিতে পারবেন। যেগুলো নিতে হলে আপনাকে তেমন কোনো কষ্টই করতে হবে না।

এজন্য প্রথমে এই অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিন এবং তারপরে ব্রাউজারটি ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌঁছে যান, Android apps দিয়ে টাকা আয় করার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ুন।


4 fun apk 


আপনি যদি মজার মজার ফানি ভিডিও গুলো দেখতে পছন্দ করেন, তাহলে এই ফানি ভিডিও গুলো দেখার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনি যখন একটি ফানি ভিডিও দেখবেন এবং এটিকে আপনার বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার করবেন তখন আপনি প্রত্যেকটি শেয়ারের জন্য 6 টাকা করে পাবেন।

এছাড়াও মজার ব্যাপার হলো আপনি যখন গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে অ্যাক্টিভ করবেন তখন আপনার একাউন্টে 50 টাকা জমা হয়ে যাবে।

শুধু এতেই আপনার কাজগুলো সীমাবদ্ধ থাকবে না, এছাড়াও আপনি এই অ্যাপসটি রেফার করার মাধ্যমে প্রতি রেফারে 5 টাকা করে আয় করতে পারবেন।

তাই অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম গুলোতে ভিডিও দেখার কাজে মেগাবাইট এবং সময় খরচ না করে এই অ্যাপসটির মাধ্যমে ফানি ভিডিও দেখুন, এবং শেয়ার করার মাধ্যমে জিতে নিন, অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস দিয়ে আয় করার সুযোগ।

Appkarma Rewards


এটাও একটি অসাধারন এপস, এক্ষেত্রে আপনি প্রতি কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও দেখার মাধ্যমে 1 পয়েন্ট  আয় করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে প্রথমে অ্যাপস ফ্রী ডাউনলোড করা হয়ে গেলে, আপনাকে অ্যাপসটির মধ্যে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এবং তারপর আয় করার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

আর আপনার আয় করা পয়েন্টগুলো মাধ্যমে টাকা আপনার কাছে নিয়ে আসতে হলে আপনাকে আপনার পেপাল অ্যাকাউন্ট অথবা আমাজন গিফট কার্ড এর সহযোগিতা নিতে হবে।

সবমিলিয়ে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস দিয়ে টাকা আয় করার ক্ষেত্রে আপনি এই অ্যাপসটি কে চেক আউট করে দেখতে পারেন। কারণ এটি অনেক কার্যকরী এবং কম সময়ের মধ্যে আপনাকে টাকা আয় করিয়ে দেবে।


Dent


এটা অসাধারণ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস যার মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনে ফ্রিতে মোবাইল রিচার্জ এবং ডাটা প্যাক পেয়ে যাবেন।

গুগোল প্লায় স্টরে এর রেটিং প্রায় 3.4 এবং এটি ডাউনলোড করা হয়েছে প্রায় 5 মিলিয়নের অধিক সময়। এই অ্যাপসটি থেকে আয় করার শর্ত হলো এটিকে আপনার বন্ধু মহলে ছড়িয়ে দিতে হবে।

ছড়িয়ে দিতে হলে আপনি অবশ্যই যখন ডেন্ট অ্যাপসটিতে সাইন আপ করবেন তখনই তারা আপনাকে একটি রেফারেল লিংক দিয়ে দিবে।

এবং আপনি যদি ওই রেফারেল লিংক অন্যান্য বন্ধুদের সাথে শেয়ার করেন এবং তারা এই লিংক এর সহযোগিতায় অ্যাপসটিতে প্রবেশ করে তাহলে আপনি আয় করতে পারবেন।


Android Apps দিয়ে টাকা আয় করুন প্রতিমাসে ১৫-২০ হাজার ঘরে বসে |

এছাড়াও আপনি প্রতিদিন  ফ্রিতে কিছু ক্রেডিট রিওয়ার্ড পাবেন যার মাধ্যমে আপনি আপনার সিমের জন্য ডাটা প্যাক ক্রয় করতে পারবেন।

এছাড়াও আপনার যতগুলো ফোন নাম্বার হয়েছে ওই সমস্ত ফোন নাম্বারগুলো সহযোগিতায়, এই অ্যাপসটি ব্যবহার করে আপনি আয় করতে পারবেন।



Ring ID


এটা একটি অসাধারণ এন্ড্রয়েড এপস যেটার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন। তবে আয় করা ছাড়াও আপনি এই অ্যাপসটির সহযোগিতায় নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

অ্যাপসটি সহযোগিতায় আপনি লাইভ চ্যানেল অডিও ভিডিও কল সহ আপনার প্রিয়জনের সাথে চ্যাটিং এর কাজে ব্যস্ত হতে পারেন।

Android Apps দিয়ে টাকা আয় করুন প্রতিমাসে ১৫-২০ হাজার ঘরে বসে |

এছাড়াও এই অ্যাপসটির মাধ্যমে আয় করতে হলে আপনাকে অ্যাপসটিতে প্রবেশ করার পর সাইনআপ করে তারপরে রেফার করতে হবে।

আপনি যত বেশি এই অ্যাপসটি কে আপনার রেফারেল লিংকের মাধ্যমে অন্যান্য বন্ধুদের কাছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিবেন ততবেশি এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর সহযোগিতায় আপনি আয় করতে পারবেন।



বিশেষ দ্রষ্টব্য: যদি এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস গুলো আপনার দেশে কাজ না করে, তাহলে আপনি ভিপিএন ব্যবহার করার মাধ্যমে এই অ্যাপস গুলো ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

তাহলে আর দেরি না করে এখনি উপরের দেয়া কয়েকটি মূল্যবান এন্ড্রোয়েড অ্যাপস ডাউনলোড করে রেখে দিন আপনার ফোনে।

আর এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস গুলো কে কাজে লাগিয়ে দিন আপনার আয় করার একমাত্র হাতিয়ার হিসেবে। আর এটি হলো Android apps দিয়ে টাকা আয় করার একটি পরিপূর্ণ গাইড।

5 ভিপিএন সফটওয়্যার যা আপনাকে গুপ্তধনের মত রাখবে অনলাইনে |

5 ভিপিএন সফটওয়্যার যা আপনাকে গুপ্তধনের মত রাখবে অনলাইনে |

ভিপিএন এর নাম কখনো শুনেছেন? হয়তো আপনিও অনলাইন জগতে আপনারা নিজেকে ঢাকতে কিংবা এরকম কিছু ওয়েবসাইটের এক্সেস নেয়ার কথা যখন ভাবছেন, যে ওয়েবসাইট গুলো আপনার নির্দিষ্ট লোকেশনে কখনো এক্সেস নেয়া যায়না, তখনই ভিপিএন এর কথা শুনেছেন।

তবে এই সমস্ত ভিপিএন গুলোর মধ্যে অনেক ভিপিএন রয়েছে যেগুলো আপনাকে পুরো সেফটি দিবে আর অনেক ভিপিএন রয়েছে যেগুলো কানেক্টেড থাকা সত্বেও কোন কাজের নয়।

এক্ষেত্রে আপনি প্রায় সময় ভয়াবহ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারেন, এগুলো ঠিক মত কাজ না করলে আপনার পুরো কার্যকে ব্যর্থ করে দিতে পারে।

তাই এগুলো থেকে ভালো পারফরম্যান্স পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই এরকম কিছু ভিপিএন সিলেক্ট করতে হবে যেগুলো অবশ্যই কার্যকরী।

আজকের এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা করব দশটি ভিপিএন সফটওয়্যার নিয়ে যেগুলো অবশ্যই আপনার ক্ষেত্রে কার্যকরী ভুমিকা পালন করবে।

Turbo Vpn

আপনি যখন গুগল প্লে স্টোরে ভিপিএন সফটওয়্যার লিখে সার্চ করবেন তখন প্রথম রেজাল্ট এই ভিপিএন আপনি পেয়ে যাবেন।

এই ভিপিএন এর অসাধারণ কার্যকরী দক্ষতা এবং ইউজার এক্সপেরিয়েন্স সবাইকে মুগ্ধ করেছে। গুগল প্লে স্টোরে এর রেটিং 4.6।

এছাড়াও এটি প্রায় 100 মিলিয়নের বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে। নির্মাণ করেছে ইনোভেটিভ কানেকশন সফটওয়্যার কোম্পানি।

Touch Vpn

এটিও একটি অসাধারণ ভিপিএন সফটওয়্যার। আপনি যদি এই ভিপিএন এর এক্সেস নিতে চান তাহলে আপনাকে কোন লগইন কিংবা রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত সমস্যায় পড়তে হবে না।

তাছাড়াও আপনি এই ভিপিএন এর মধ্যে অনেক ফ্রী প্রক্সি পাবেন যেগুলো আপনি সারাজীবনের জন্য ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন।

গুগল প্লে স্টোরে অ্যান্ড্রয়েড 4.4 এবং ডাউনলোড করা হয়েছে 10 মিলিয়নের অধিক সময়।

Psiphon

অসাধারণ ভিপিএন সফটওয়্যার যার মাধ্যমে আপনি শুধু ফ্রী প্রক্সি ব্যাবহার করতে পারবেন তা কিন্তু নয়, তাছাড়াও আপনি এই ভিপিএন এর সহযোগিতায় ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

এটি খুবই তাড়াতাড়ি কানেক্ট হয়ে যায় এবং এর মধ্যে থাকা সমস্ত প্রক্সি আপনি একদম ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন।

অসাধারণ মনমুগ্ধকর ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এবং 4.2 রেটিং নিয়ে বর্তমানে এই অ্যাপসটি ডাউনলোড করা হয়েছে প্রায় 50 মিলিয়নের অধিক সময়।

Hola Vpn

এটি একটি ফ্রি ভিপিএন যাতে থাকা সমস্ত প্রক্সি আপনি একদম ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোরে এই ভিপিএন এর রেটিং 4.5।

এবং এটি শতভাগ ফ্রিতে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। তাছাড়াও আপনাকে কোন ধরনের লগইন এবং রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত সমস্যায় পড়তে হবে না।

এই অ্যাপসটি সর্বপ্রথম রিলিজ করা হয়েছিল 2012 সালে এবং আজ অব্দি এটা আপডেট দিয়ে, এর কার্যকরী দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

Panda Vpn

এটাও একটি অসাধারন ফ্রি ভিপিএন সফটওয়্যার, এই ভিপিএন প্রায় 5 মিলিয়ন এর অধিক সময় ডাউনলোড করা হয়েছে।

এটি কতটা কার্যকরী তা আপনি ভিপিএন এর রেটিং দেখলে বুঝতে পারবেন, এছাড়াও আপনি এটি ডাউনলোড করার আগে এর গুরুত্বপূর্ণ ফিডব্যাক গুলো দেখে নিতে পারেন।

আর উপরে উল্লেখিত ভিপিএন সফটওয়্যার গুলো আপনি ডাউনলোড করে রেখে দিতে পারেন ভার্চুয়াল জগতে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে, যেগুলো আপনার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে।

কারণ আপনি যে দেশে অবস্থান করেন সেই দেশে অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা আপনি ভোগ নাও করতে পারেন, সেক্ষেত্রে ওই দেশের লোকেশন পরিবর্তন করার জন্য আপনি ভিপিএন ব্যবহার করতে পারেন!

অকার্যকর হয়ে যাওয়া গুগল একাউন্ট ডিলিট করবেন কিভাবে?


অকার্যকর হয়ে যাওয়া গুগল একাউন্ট ডিলিট করবেন কিভাবে?

বর্তমান সময়ে একটি গুগল অ্যাকাউন্ট আপনার বিভিন্ন রকমের উপকারে আসতে পারে। গুগল একাউন্ট ছাড়া আপনার ইন্টারনেটের জগতে বিচরণ করা দুঃসাধ্য ব্যাপার।

কেন আমি আবার এই কথাটি বললাম যে গুগল একাউন্ট ছাড়া আপনি অনলাইনে বিচরণ করতে পারবেন না?

কারণ অনলাইনে জগতে এরকম অনেক ধরনের সেবাদানকারী ওয়েবসাইট আছে যেগুলো অ্যাক্সেস নিতে হলে আপনাকে আপনার গুগল একাউন্ট দ্বারা সাইন আপ করতে হয়।

আপনি যতক্ষণ পর্যন্ত ওয়েবসাইটে সাইনআপ না করছেন ততক্ষণ পর্যন্ত এই ওয়েবসাইট থেকে আপনি কোনরকমে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারেন না।

তবে অনেক সময় দেখা যায় আমরা আমাদের গুগল অ্যাকাউন্ট নিয়ে শঙ্কিত অবস্থায় পড়ে যাই, এবং অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য গুগল একাউন্ট ডিলিট করার জন্য উঠে পড়ে লেগে যাই।

কিভাবে ডিলিট করবেন আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট? যখন এটি অকার্যকর হয়ে পড়বে।

গুগল একাউন্ট ডিলিট করার জন্য আপনাকে অবশ্যই আমার প্রদত্ত নিয়মগুলো একদম শেষ অব্দি দেখতে হবে, তাহলে আপনি সফল হবে গুগল অ্যাকাউন্ট ডিলিট করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে আপনার জিমেইল একাউন্ট সিলেক্ট করতে হবে, আর এটা সিলেক্ট করতে হলে আপনাকে অবশ্যই জিমেইল এর অফিশিয়াল অ্যাপসে আপনার গুগল একাউন্ট লগইন করা থাকতে হবে।

আর যখন আপনি জিমেইল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করবেন তখন বামপাশে দেয়া 3 ডট ক্লিক করতে হবে, তাহলে আপনি এখানে সেটিং অপশন পেয়ে যাবেন।

আর সেটিং অপশনে ক্লিক করার পরে আপনার ফোনে যদি খুব বেশি সংখ্যক গুগল অ্যাকাউন্ট লগ ইন করা থাকে তাহলে এখান থেকে একটি গুগোল অ্যাকাউন্ট সিলেক্ট করার অপশন পেয়ে যাবেন।

অকার্যকর হয়ে যাওয়া গুগল একাউন্ট ডিলিট করবেন কিভাবে?


সেটিং অপশনে পৌঁছাতে হলে যখনই আপনি আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট সিলেক্ট করবেন তখন একটি নতুন পেজ এ প্রবেশ করবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে সবচেয়ে উপরের একটি অপশন সিলেক্ট করতে হবে।  আর সেটা হলো 'Manage Your Google account '

অকার্যকর হয়ে যাওয়া গুগল একাউন্ট ডিলিট করবেন কিভাবে?


এবং তারপরে আপনি যেখান থেকে আপনার গুগোল অ্যাকাউন্ট ডিলিট করতে পারবেন সেই অবস্থানে পৌঁছে দেয়া হবে।

এখান থেকে আপনাকে Data and personalization অপশনটিতে ক্লিক করার পর নিচে থেকে Delete service or your account অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

অকার্যকর হয়ে যাওয়া গুগল একাউন্ট ডিলিট করবেন কিভাবে?


এরপর যথাক্রমে আপনাকে Delete your Google account অপশনটিতে ক্লিক করার পর আপনার জিমেইল একাউন্টে পাসওয়ার্ড দিয়ে তা ডিলিট করার মুডে পাঠিয়ে দিতে হবে।

অকার্যকর হয়ে যাওয়া গুগল একাউন্ট ডিলিট করবেন কিভাবে?

এবং তারপরে আপনাকে ইলেকশন উঠে যখন পরিচয় দেয়া হবে তখন পেইজটিকে একটু নিচের দিকে নেয়ার পর আপনাকে দুইটি অপশন সিলেক্ট করে তারপর Delete Account এরপর ক্লিক করে দিলেই আপনার গুগোল অ্যাকাউন্ট ডিলিট হয়ে যাবে।

অকার্যকর হয়ে যাওয়া গুগল একাউন্ট ডিলিট করবেন কিভাবে?


আর এভাবেই আপনি চাইলে খুব সহজেই আপনার গুগল একাউন্ট ডিলিট করতে পারবেন।