একদম স্বল্পমূল্যে কার্যকরী ফেসবুক বিজ্ঞাপন কিভাবে প্রচার করবেন?

একদম স্বল্পমূল্যে কার্যকরী ফেসবুক বিজ্ঞাপন কিভাবে প্রচার করবেন?

সদ্য মাত্র খোলা আপনার ইন্ড্রাস্ট্রি কিংবা কোম্পানিতে একদম শুরুর দিকে হয়তো খুব বেশি সংখ্যক কাস্টমার আপনি নাও পেতে পারেন।

এটা কেন হয় তা আমরা সকলেই জানি, কারণ প্রথমত আপনাকে আপনার কোম্পানি কিংবা বিজনেস  হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে এবং তারপর ওই গুটি কয়েক হাজার মানুষ আপনার কোম্পানিকে লক্ষ কিংবা কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিবে।

কিন্তু বিজনেস শুরু করার একদম প্রথম দিকে আপনার বিজনেস এর জন্য এরকম হাজার খানেক কাস্টমার পাওয়া দুঃসাধ্য ব্যাপারে পরিণত হবে।

তবে সে যাই হোক, যতই কষ্ট হোক না কেন আপনার বিজনেস কে বড় করতে হলে কাস্টমারের অবশ্যই প্রয়োজন রয়েছে। শুরুর দিকে কিভাবে আপনি কাস্টমার বাড়ানোর পদক্ষেপ নিবেন?

আপনি হয়তো লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন অনেক বড় কোম্পানি তারা তাদের কোম্পানির শুরুর একদম প্রথম দিকে বিভিন্ন টিভিতে এডভেটাইজ দিয়ে থাকে।

শুধু টিভি নয় তারা বিভিন্ন ওয়েব পোর্টালে বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে তাদের বিজনেস পরিচিতি লাভ করাতে সক্ষম হয়। এতে করে যখন তাদের কোম্পানি সম্পর্কে লোক জানাজানি হয়ে যায় তখন তা একদম সহজ হয়ে যায়।

তবে আপনি একটি বিষয় অবশ্যই লক্ষ্য করেছেন যে বর্তমানে টিভির সামনে যতজন আগ্রহী দর্শককে খুঁজে পাবেন, তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দর্শক ফেসবুকে প্রতিনিয়ত ভিজিট করে থাকেন।

শুধু তা নয় ফেসবুকে প্রতিদিনই কয়েক বিলিয়ন ইউনিক এবং অ্যাক্টিভ ভিজিটরের সমাগম ঘটে। যাদের কাছে আপনি বিজনেস প্রচার করা মানেই আপনার বিজনেস টিকে একদম শূন্য থেকে শিখরে নিয়ে যাওয়া।

এজন্য সবচেয়ে সহজ এবং সর্বোত্তম পদ্ধতি হল ফেসবুক বিজ্ঞাপন দেয়া। আপনি যদি আপনার বিজনেস কোম্পানি রিলেটেড কোন বিজ্ঞাপন তৈরি করে থাকেন, তাহলে তা ফেসবুকে প্রচার করা সর্বাপেক্ষা বুদ্ধিমানের কাজ।

এক্ষেত্রে আপনি চাইলে প্রথমত একটি ফেইসবুক পেইজ তৈরী করতে পারেন এবং তারপর তাতে শেয়ার করতে পারেন। এটা একদম ফ্রি তবে এতে আপনি খুব বেশি সফলতা পাওয়ার জন্য, অবশ্যই আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।

আপনি যদি অপেক্ষার প্রহর না গুনতে চান তাহলে এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হল ফেসবুক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আপনার বিজনেস প্রচার করা।

ফেসবুকের একটি ভালো এবং উত্তম দিক রয়েছে, তার মধ্যে থেকে একটি হল শেয়ার করা। আপনি যদি আপনার পণ্য ফেসবুকে প্রচারণা করেন তাহলে এটি যে কারো ভালো লাগলে সে তার টাইমলাইনে রেখে দিতে পারে।

অনেকেই আবার এটিকে তাদের টাইমলাইনে রেখে দেয়াতেই যথেষ্ট বোধ করেন না, তারা বিভিন্ন বড় বড় গ্রুপ কিংবা পেয়েছে এটি শেয়ার করে এবং বিনামূল্যে আপনাকে কাস্টমার এনে দেয়।

তবে এক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয় হলো আপনার প্রোডাক্ট এবং বিজনেসের ফেসবুক বিজ্ঞাপন কে অবশ্যই ইন্টারেস্টিং করে গড়ে তুলতে হবে।

কিভাবে ফেসবুক বিজ্ঞাপন দিবেন?


ফেসবুক বিজ্ঞাপন যা রীতিমত একটি সহজ কাজ। আর বিজ্ঞাপন দিতে হলে আপনাকে প্রথমে একটি বিজনেস ফেইসবুক পেজ কিংবা সাধারণ ফেসবুক পেজ তৈরি করতে হবে।

পেজ যখন তৈরি করা হয়ে যাবে তখন আপনার ওই বিজ্ঞাপন রিলেটেড একটি সুন্দর আর্টিকেল লিখতে হবে এবং তা পেইজে শেয়ার করতে হবে।

যেকোনো ইন্টারেস্টিং টাইপের একটি বিজ্ঞাপন লেখার পর আপনাকে এটি পাবলিশ করতে হবে এবং তারপর এটিকে ফেসবুকে প্রচারণার জন্য, এর নিচে থেকে Boost Post অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

একদম স্বল্পমূল্যে কার্যকরী ফেসবুক বিজ্ঞাপন কিভাবে প্রচার করবেন?

এরপর এখানে আপনাকে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী যেকোন একটি ডলারের পরিমাণ সিলেক্ট করতে হবে। এছাড়াও আপনি এটি  কতদিনের জন্য ফেসবুক বিজ্ঞাপন হিসেবে দেখাতে চান তা সিলেক্ট করে নিবেন।

একদম স্বল্পমূল্যে কার্যকরী ফেসবুক বিজ্ঞাপন কিভাবে প্রচার করবেন?

এরপর যখন আপনি Boost নামক অপশনটিতে ক্লিক করবেন তখনই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আপনার ডেবিট কার্ড কিংবা ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে তাদেরকে টাকা পরিশোধের অপশনটি পেয়ে যাবেন।

এটা অনেক কার্যকরী এবং পরীক্ষিত যে এতে আপনার বিজনেস প্রোডাক্টে অনেক বেশি কাস্টমারের সমাগম ঘটবে। শুরুর দিকে ডিউরেশন বাড়িয়ে নিলে আপনার বিজনেস বহুলাংশ কাস্টমারের কাছে পৌঁছে যাবে।

আর উপরে উল্লেখিত উপায়ে আপনি ফেসবুক বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন। 

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের কত খরচ?


এবার এক নজরে দেখে নিন ফেসবুকে কতদিনের জন্য বিজ্ঞাপন দিতে হলে আপনার কত ডলার খরচ হবে।
একদম স্বল্পমূল্যে কার্যকরী ফেসবুক বিজ্ঞাপন কিভাবে প্রচার করবেন?

উপরের স্ক্রীনশট এর মত প্রতিদিন আপনার পছন্দ অনুযায়ী যতজন মানুষের কাছে আপনি এটি পৌঁছে দিতে চান ঠিক তত বেশি ডলার খরচ করতে হবে।

এছাড়াও আপনি চাইলে এটা পরিবর্তন করার মাধ্যমে আপনার টাকার অংকে সমীকরণ পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে শুরুর দিকে এটিকে যেরকম আছে ঠিক এরকমই রেখে দিন।

এবং শুরুর দিকে কাস্টমারের সমাগম ঘটানোর জন্য বেশি সংখ্যক মানুষ যেভাবে আপনার বিজ্ঞাপন দেখতে পায় সেই ব্যবস্থা করে রাখুন।

কিভাবে সফল ফেসবুক বিজ্ঞাপন দিবেন?


এক্ষেত্রে আপনাকে একটি সিক্রেট বিষয় অবশ্যই ফলো করতে হবে। আপনার বিজনেস শুরু করার শুরুর দিকে আপনার কাস্টমারদের জন্য ফ্রিতে কিছু দিতে হবে।

এতে করে কাস্টমারের দৃষ্টি আকর্ষণ হবে এবং তারা এটিকে খুব বড় বড় গ্রুপ এবং পেইজে শেয়ার করার মাধ্যমে আপনার বিজনেস কে উন্নতির চরম শিখরে নিয়ে যাবে।

তবে আপনি যদি এটা মনে করেন যে ফ্রিতে কোন প্রোডাক্ট দেয়ার মাধ্যমে আপনার ব্যবসার ক্ষতি হতে পারে তাহলে আপনি বেশকিছু শতাংশ ডিসকাউন্ট দেয়ার মাধ্যমে এটি প্রচার করতে পারেন।

এক্ষেত্রে একটা মূলমন্ত্র হলো: শুরুর দিকে আপনি নতুন কাস্টমারদের কিছু ফ্রিতে দেয়ার চেষ্টা করুন পরবর্তীতে ওই কাস্টমাররা আপনার ভাগ্য খুলে দেবে।

একটি সফল ফেসবুক বিজ্ঞাপন থেকে আপনার পাওয়া


▪ বহুসংখ্যক কাস্টমার
▪ ব্যবসার সফলতা
▪ বিজনেস প্রচারের সফলতা
▪ নতুন কাস্টমারদের সমাগম

উপরে উল্লেখিত সমস্ত বিষয়ে আপনার বিজনেসে পরিলক্ষিত হবে যদি আপনি একটি সফল ফেসবুক বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।

ফেসবুক পেজ কিভাবে ডিলিট করে জেনে নিন সহজেই|




আপনি যে উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য ফেসবুকে একটি পেজ তৈরী করেছিলেন উদ্দেশ্যটা যদি আপনার সফল না হয় তাহলে তো শুধু শুধু এই পেইজটি রেখে কোন লাভ নেই।

এক্ষেত্রে আমরা প্রত্যেকেই ফেসবুক পেজ ডিলিট করার জন্য কোন না কোন মাধ্যম খুঁজে থাকি, কিভাবে ডিলিট করবেন আপনার ফেসবুক পেইজ?
ফেসবুক পেজ ডিলিট করার ক্ষেত্রে অনেক ছোট অ্যাডভান্স টিপস ফলো করতে পারেন, যার দ্বারা আপনি মাত্র কয়েকটি ক্লিক অকার্যকর হয়ে যাওয়া আপনার ফেসবুক পেজ ডিলিট করতে পারবেন।

আরেকটি কথা নিয়ে আলোচনা করা যাক আর সেটা হল- যদি আপনি ভুলবশত আপনার ফেসবুক পেজ ডিলিট করার মুডে ফেলে দেন তাহলে আপনি এটা আবার রিপেয়ার করতে পারবেন।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আপনি ফেসবুক ডিলিট করার জন্য ১৪ দিন সময় পাবেন, এই ১৪ দিনের মধ্যে আপনি আপনার সিদ্ধান্তকে আবার বদলাতে পারবেন।

উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি ভুলবশত কিংবা হঠাৎ করে কোনো একটি খারাপ পারফরমেন্সের কারণে আপনার ফেসবুক পেজ ডিলিট করতে চান, এবং কিছুদিন পর লক্ষ্য করলেন এটা আবার সচরাচর হয়ে গেছে, তাহলে আপনি আবার ক্যানসেল করতে পারবেন।
আর তাই ফেসবুকে আপনাকে পেজটি ডিলিট করার ক্ষেত্রে ১৪ দিন ভাবার সময় দিবে, এই ১৪ দিনের আগে আপনার ফেসবুক পেজ ডিলিট হবে না।

ফেসবুক পেজ ডিলিট করার জন্য আপনাকে প্রথমে আপনার ফেসবুক পেইজে Edit setting অপশনে যেতে হবে, তারপর এখান থেকে generel Setting এর উপর ক্লিক করতে হবে।




এরপর যথাক্রমে আপনি remove page নামক সেকশন থেকে Delete  বাটন পেয়ে যাবেন, এতে ক্লিক করার পর আপনি এটাকে কনফার্ম করে দিন।
ফেসবুক পেজ কিভাবে ডিলিট করে জেনে নিন সহজেই|

তারপর আপনার ফেইসবুক পেইজ টি ১৪ দিনের জন্য ডিলেট করার মুডে থাকবে, ১৪ দিন আগে আপনি আপনার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারবেন।

আর যখনই ১৪ দিন পূর্ণ হয়ে যাবে তখন আপনি আবার আপনার ফেসবুক পেজে ডিলেট করার মুডে চলে আসলে এটা পার্মানেন্টলি ডিলিট করার অপশন পেয়ে যাবেন।


ফেসবুক পেজ কিভাবে ডিলিট করে জেনে নিন সহজেই|

আর  এতে ক্লিক করলেই আপনার ফেসবুক পেইজ চিরতরে ডিলিট হয়ে যাবে, আর এভাবেই সহজেই আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক পেজ ডিলিট করতে পারবেন।

ফেসবুকে কমেন্ট পিকচার বা ছবি|ফেসবুকে কমেন্ট অপশন হাইড করার উপায়|

ফেসবুকে কমেন্ট পিকচার বা ছবি|ফেসবুকে কমেন্ট অপশন হাইড করার উপায়|

অনেকেই আছেন ফেসবুকে কমেন্ট করতে চান ছবি দিয়ে, যাতে করে অন্যদের তুলনায় আপনার কমেন্টটি খুব বেশি সুন্দর দেখায়।

শুধু যে সুন্দর দেখায় তা কিন্তু নয় ছবিতে কমেন্ট করার কারণে অন্যদের তুলনায় আপনার কমেন্টটি সবার চোখে দৃষ্টিপাত হওয়ার আশঙ্কা আরও বেশি বেড়ে যায়।

এতে করে যে কেউ আপনাকে ফলো করতে পারে কিংবা যে কেউ আপনাকে পছন্দ করতে পারে, এবং আপনার ফেসবুক একাউন্টে ভিজিট করতে পারে, আর পরিশেষে সে আপনাকে তার ফ্রেন্ডলিস্টে এড করতে পারে।
ব্যাপারটা এরকম যে যখনই আপনি যেকারো স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্ট করতে চাইবেন কিংবা অন্য কারো কমেন্ট দেখবেন তখন তার মধ্যে প্রায় ৯৯% কমেন্ট কোন শব্দ কিংবা বর্ণ দিয়ে লেখা হয়।

এটা আসলে রীতিমতো অনেক সহজ একটি ব্যাপার, যে কারো স্ট্যাটাস ভালো বা খারাপ  হলে আপনি তার কমেন্ট বক্সে খুব সিম্পল ভাবে লেখে দিতে পারেন Nice Post, Wow এ ধরনের কমেন্ট গুলো।

আর এরকম কমেন্ট ওই একই পোস্টে যদি ১০০টি হয় তাহলে কতটা সম্ভাবনা আছে আপনার কমেন্টটি যে কারো দৃষ্টি নন্দিত হওয়ার?

অবশ্যই না। এক্ষেত্রে আপনি ছবি দিয়ে কমেন্ট করার জন্য অনেক সুযোগ-সুবিধা খুঁজছেন হয়তো।

তাহলে কোথায় পাবেন ফেসবুকে কমেন্ট করার মত অনেক ফানি ছবি? 
এজন্য আপনাকে প্রথমে নিচে থেকে একটি অ্যাপস ডাউনলোড করতে হবে, যে অ্যাপটির মধ্যে আপনি কয়েক শত ধরনের ফেসবুক কমেন্ট উপযোগী ফানি পিকচার দেখতে পারবেন।

এটি বাংলাদেশি তৈরি করা অ্যাপস যার কারণে এর ভাষা গুলো বাংলায় আপনি পাবেন, এতে যে কারো পক্ষে  আপনার করা কমেন্টটি বুঝতে সুবিধা হবে।

ফানি ফটো কমেন্ট ফেসবুক

অ্যাপটির মধ্যে আপনি নিচের দেয়া স্ক্রিনশটগুলো অনুরূপ কয়েক শত ফানি পিকচার দেখতে পারবেন। যা ফেসবুকে কমেন্ট করার জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত।

ফেসবুকে কমেন্ট পিকচার বা ছবি|ফেসবুকে কমেন্ট অপশন হাইড করার উপায়|



 ফেসবুকেে কমেন্ট অপশন হাইড  


অনেক সময় দেখা যায় যে নানা ধরনের দুষ্টচক্রের কারণে আমাদের ফেসবুক স্ট্যাটাসের কমেন্ট বক্সটি নানা ধরনের অশ্লীল ভাষায় ভরপুর হয়ে যায়।

ফলশ্রুতিতে আমরা এটা চাই যে কীভাবে আমাদের ফেসবুকের কমেন্ট অপশন হাইড করা যায়? যাতে করে যে কেউ চাইলে এই পোস্টটি আর কোন কমেন্ট করতে পারবে না ।
এক্ষেত্রে আপনাকে সেই পোস্ট টি সিলেক্ট করতে হবে যেই পোস্টটিতে আপনি কমেন্ট সেকশন বন্ধ করতে চান,  যে এই পোষ্টটিতে আর কেউ কমেন্ট না করুক।

এরপরে আপনাকে ওই স্ট্যাটাসের উপরে থাকা তিন ডটে ক্লিক করতে হবে তাহলেই আপনি অনেকগুলো অপশন দেখতে পারবেন। আর এই অপশন গুলোর মধ্যে একটি হলো "Turn Of Commenting"


ফেসবুকে কমেন্ট পিকচার বা ছবি|ফেসবুকে কমেন্ট অপশন হাইড করার উপায়|

যখনই আপনি এতে ক্লিক করবেন তখনই এই পোস্টটিতে আর কেউ কমেন্ট করতে পারবে না।

যার মানে হল আপনি সফলভাবে ফেসবুকে কমেন্ট অপশন হাইড করতে পেরেছেন।

জানেন কি ফেসবুক পেজের এই গুরুত্বপূর্ণ সেটিং গুলো সম্পর্কে?

জানেন কি ফেসবুক পেইজের এই গুরুত্বপূর্ণ সেটিং গুলো সম্পর্কে?

আপনার ফেসবুক পেইজে সফলতা নিশ্চিত করার জন্য আপনাকে অবশ্যই এটাকে ব্যবহারকারীদের উপযোগী করে তুলতে হবে।

আর যখনই এটা আপনার ফেসবুক পেইজের ফ্যানদের উপযোগী হয়ে উঠবে তখনই এর সফলতা আপনি সচক্ষে দেখতে পারবেন।

আপনার ফেসবুক পেইজের ফ্যান ফলোয়ার্স এর উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য অবশ্যই আপনাকে ফেসবুক পেইজে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেটিং চালু রাখতে হয়।

যাতে করে যে কোন ভিজিটর আপনার পেইজের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং এর সাথে সারাজীবন সংযুক্ত থাকার ইচ্ছা পোষণ করে।

ফেসবুক পেইজের এই গুরুত্বপূর্ণ সেটিং গুলো কি? আর কিভাবে এগুলো চালু করবেন এটা জানতে হলে আজকের এই পোস্টটি দেখুন।


 পেজে অটো রিপ্লে 


যখনই নতুন কোন ভিজিটর আপনার ফেসবুক পেজ সংক্রান্ত কোন বিষয় নিয়ে আপনাকে কোন প্রশ্ন করতে চাইবে, তখনই সে আপনার ফেসবুক পেইজের ইনবক্সে একটি মেসেজ দিবে।

আপনাদের টিম যদি খুব বেশি বড় হয় তাহলে তো আপনি যদি অনলাইনে না থাকেন তাহলে অন্যান্য টিমের লোকেরা মেসেজের রিপ্লাই দিয়ে দিতে পারে।

তবে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে টিম অনেক বড় থাকার পরেও এমন এক সময় মেসেজ আসে যে সময়টিতে এর রিপ্লাই দেয়া সম্ভব হয়না।

এতে করে যেকোন ভিজিটর এটা মনে করে নিতে পারে যে হয়তো আপনার ফেসবুক পেইজটি খুব বেশি একটিভ নয়।

এটা আপনার পেইজের প্রতি বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে, তাহলে কিভাবে আপনার ফেসবুক পেইজের একটি অটো রিপ্লাই বুট চালু করবেন?

আর এটা একদম ফ্রিতে করতে চাইলে আপনি নিচের দেয়া ২ টি পোস্ট দেখে আসতে পারেন।


 অশ্লীল কমেন্ট ঠেকানো   


অনেকেই আছেন আপনি একটি ভালো স্ট্যাটাস লেখার পরেও কোন রকমের কারণ ছাড়াই আপনার কমেন্ট বক্সে অশ্লীল শব্দ নিয়ে গালাগালি করতে পারে।

আর আপনি হয়তো এরকম ভাষায় গালাগালি কখনো চাইবেন না, অবশ্য আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক পেইজ থেকে এরকম  ১০-২০ জন জনকে ব্লক করে দিতে পারেন।

কিন্তু আপনি এটি একেবারে নির্মূল করতে সক্ষম হবেন না। তবে আপনি চাইলে পেইজ এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সেটিং এর মাধ্যমে আপনার ফেসবুক পেজ থেকে এরকম অশ্লীল ভাষা দূর করতে পারেন।

আপনি ওই পেইজের সেটিং-এ যতগুলো শব্দকে ব্লক করে দিবেন এই শব্দগুলো সমন্বয় কেউ আপনার ফেসবুক পেইজের কমেন্ট বক্সে গালাগালি করতে পারবে না।

সে যদি চায় এরকম গালাগালি সমন্বয় আপনার ফেসবুক পেইজের কমেন্ট বক্সে কোন কমেন্ট লিখতে তাহলে এটি কখনোই পাবলিশ হবে না।

আর খুব বেশি একই কমেন্ট বারবার পাবলিশ করার চেষ্টা করলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তার একাউন্টে টেম্পোরারি লক করে দিতে পারে।

আর এটা নিয়ে বিশদ আলোচনা সহকারে এই ব্লগে একটি আর্টিকেল লেখা হয়েছে। নিচে থেকে এটি পড়ে আসতে পারেন।


 পেইজ ডিটেইলস 


যখনই কেউ আপনার ফেসবুক পেইজে ভিজিট করবে তখন অবশ্যই এই পেইজটি কোথা থেকে কন্ট্রোল করা হয়েছে তা দেখতে চাইবে।

এজন্য আপনাকে তাই সেটিং-এ গিয়ে অবশ্যই এর হোম অ্যাড্রেস এবং ফোন নাম্বার যুক্ত করতে হবে। যাতে করে যে কেউ যোগাযোগ করতে পারে।

এজন্য আপনাকে আপনার ফেইসবুক পেইজের হোম সেকশন থেকে Edit Setting- About এ প্রসেসটি ফলো করে এগুলো এডিট করতে পারেন।

মনে রাখবেন আপনার ফেইসবুক পেইজের এই ডিটেলস গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে আপনার ওয়েবসাইট থাকলে তার লিংক যুক্ত করে দিন।

আর আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক যুক্ত করলে ফেসবুক পেইজ থেকে আপনি খুব বেশি সংখ্যক ভিজিটর পাবেন।


 পেজ প্রোমোট


আপনার ফেসবুক পেইজে থাকা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেটিং এর মাধ্যমে আপনার ফেসবুক পেইজটি ফ্রিতে প্রমোট করতে পারবেন।

আর আপনি যখন আপনার ফেসবুক পেইজ ফ্রিতে প্রমোট করবেন তখন এই পেইজটির পোস্ট রিচ সহ ফ্যান ফলোয়ার্স অনেকাংশে বেড়ে যাবে।

আর কিভাবে এটা করবেন এর জন্য আপনি চাইলে নিচের দেয়া পোস্টটি দেখে আসতে পারেন।
আর উপরে দেয়ার গুরুত্বপূর্ণ ফেসবুক পেজ সেটিং এর মাধ্যমে আপনার বিজনেস আরো বেশি এগিয়ে নিতে পারবেন।

৫ টি কার্যকরী উপায়ে ফেসবুক পেজ থেকে আয় করুন আপনিও |

৫ টি কার্যকরী উপায়ে ফেসবুক পেজ থেকে আয় করুন আপনিও |

একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আপনি যেমন বেশ ভালো বিনোদন নিতে পারবেন, ঠিক তেমনি ভাবে এই ফেসবুক পেজকে গড়ে তুলতে পারেন আপনার অনলাইনে আয় করার একমাত্র কারখানা হিসেবে।

অনেকেই এটা মনে করেন যে ফেসবুক শুধুমাত্র বিনোদনের জায়গা। এখানে আপনি আপনার অবসর কিংবা অন্য যে কোন সময় কাটিয়ে বিনোদন ছাড়া আর কিছুই পাবেননা।

উপরের কথাটা আসলে কতটা যৌক্তিক? সমস্ত জিনিসেরই অপকারী দিক যেমন আছে তেমনি উপকারী দিকও আছে। উপকার কিংবা অপকার এর হিসাব সমীকরণে ফেসবুক অনেক ধাপ এগিয়ে।

আর ফেসবুকের মাধ্যমে আয় করার উপায় যতগুলো আছে তার মধ্যে একটি উপায় হল ফেসবুকের পেইজ থেকে টাকা আয় করা।

তাহলে আপনি কি পুরোপুরি তৈরি ফেসবুক পেইজ থেকে টাকা আয় করার জন্য? অথবা আপনি কি এটা ভাবছেন যে এটা আপনার দ্বারা হবে না? 

আপনি যদি এটা ভেবে থাকেন যে ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন না তাহলে এটা নিতান্তই ভুল ধারণা।

তাহলে কিভাবে আপনি ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয় করবেন? আর কিভাবেই বা আপনার অবসর সময় ফেসবুকে কাটানো যেকোনো কাজকে আপনার জীবনের মূল্যবান উপহার হিসেবে দিবেন?
এই সমস্ত কিছু জানতে হলে আজকে আপনাকে এই পোস্টটি একদম শেষ পর্যন্ত দেখতে হবে। তাহলেই আপনি এটা জানতে পারবেন কিভাবে ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয় করবেন?

আপনি চাইলে নানা ধরনের সিক্রেট টিপস ফলো করে ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয় করতে পারেন।


 লিঙ্ক শেয়ার করে


আপনি হয়তো ইন্টারনেটের জগতে এরকম অনেক প্ল্যাটফর্মের শরণাপন্ন হয়েছে যেগুলোতে আপনি লিঙ্ক শেয়ার করার মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

যখনই কেউ আপনার প্রদত্ত লিংকে ক্লিক করবেন তখন এই ডলারগুলো আপনার পূর্বের করা একাউন্টে জমা হবে।

উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি ad fly নামক ওয়েবসাইটটিতে প্রথমে একটি একাউন্ট খুলে তারপর লিংক শর্ট করেন এবং এগুলো ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে, তাহলে আপনি আয় করতে পারবেন ।

শুধুমাত্র Ad fly নামক ওয়েবসাইটটি নয়, এরকম আরো অনেক ওয়েবসাইট আছে যে সাইটগুলোর মাধ্যমে আপনার গুরুত্বপূর্ণ লিংক থেকে শর্ট করার মাধ্যমে অন্যদের কাছে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

আপনি হয়তো এটা প্রশ্ন করতে পারেন, আপনার যদি আপনার প্রধান লিঙ্ক ছোট করে দেন  তাহলে এর কাজ করা কি বন্ধ হয়ে যাবে?
তাহলে আমি বলব এটা কখনোই হবে না।

আপনি যখনই আপনার কোন ফাইল এর লিংকটি কে ছোট করে নিবেন তখন এর সাইজ শুধু ছোটো হবে কিন্তু লিংকটি পূর্বের ন্যায় কাজ করবে।
আর আপনি যদি এমনিতে একটি লিংক দিয়ে দিন তাহলে এই লিংকটিতে কেউ ক্লিক করবে না।

এর আগে আপনি যে সম্পর্কিত লিংক দিয়েছেন সে সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা করুন। তারপর লিংক দিলে ১০০০ ভাগ নিশ্চয়তা সহকারে আপনি আপনার লিংকে অনেকগুলো ক্লিক দেখতে পারবেন।

আর এই লিংক শর্ট করার মাধ্যমে কতটুকু আয় করা যায় তা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।

আপনি যদি Ad fly নামক লিংক শর্ট করার ওয়েবসাইট থেকে আপনার লিঙ্ক 
 ছোট করেন, তাহলে আপনি তাদের প্রদত্ত লিংকটি তে ১০০০ ক্লিকের জন্য ১৫ ডলার পাবেন।
৫ টি কার্যকরী উপায়ে ফেসবুক পেজ থেকে আয় করুন আপনিও |

তবে এর জন্য অবশ্যই আপনাকে অন্যান্য আট-দশটি ওয়েবসাইটের মতোই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আর সবগুলো কাজ আপনি একদম ফ্রিতে করতে পারবেন।

সেরকম লিংক শর্ট করার কয়েকটি ওয়েবসাইটের লিঙ্ক আপনি চাইলে নিচে থেকে দেখে আসতে পারেন।

Linkvertis
shrink-service.it
Shrinkearn


 অন্যের পন্য প্রমোট করে


এরকম কয়েক লক্ষ ওয়েবসাইট আছে যাদের প্রোডাক্ট আপনি যদি প্রচার করেন  এবং আপনার প্রচারণার মাধ্যমে কেউ যদি তাদের প্রোডাক্ট কিনে তাহলে তারা আপনাকে খুব ভালো মুনাফা দিয়ে থাকে।

আর আপনি যদি আপনার ফেসবুক পেজে তাদের দেয়া প্রোডাক্ট খুব ভালোভাবে বর্ণনা করে আপনার ভিজিটর এর সামনে তুলে ধরেন।

তাহলে অনেক সম্ভাবনা থাকে আপনার প্রদানকৃত প্রোডাক্ট ভিজিটররা কিনে নিবে। আর এগুলোকে বলা হয় এফিলিয়েট মার্কেটিং।
আর আপনার ফেসবুক পেইজের ফ্যান এবং ফলোয়ার যদি যথেষ্ট পরিমাণ থাকে তাহলে এটি আরো সহজতর।

কারণ আপনি যত বেশি সংখ্যক ফ্যান ফলোয়ার্স এর সামনে আপনার প্রোডাক্ট টি ফুটিয়ে তুলবেন, আপনার প্রোডাক্ট টি কিনার পার্সেন্টেজ ঠিক ততটাই বৃদ্ধি পাবে।


 বিজ্ঞাপন 


এরকম অনেক ছোট ছোট কোম্পানি আছে যারা ভিডিও দ্বারা স্পনসর্ড করার মতোই কোন কিছু লিখে স্পনসর্ড করে। আর এক্ষেত্রে তারা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয় ফেসবুক নামক জনপ্রিয় সোসিয়াল গণমাধ্যমকে।

এখন একটি কথা হল যখন আপনার ফেসবুক পেজটির ফ্যান ফলোয়ার্স খুব বেশি হবে তখনি ঐ সমস্ত কোম্পানিগুলো নজর আপনার দিকে থাকবে।
এটা হয়তো আপনাকে তাদের সাইটের বর্ণনা দিয়ে স্পনসর্ড করার মত অফার করতে পারে। তাহলে আপনার কি হবে? লাভ ছাড়া আর কি।

দেখেন, আপনি যদি অন্য কোন কোম্পানি স্পন্সর আপনার ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে করেন তাহলে কিন্তু আপনার কোন ক্ষতি হচ্ছে না।

আর যখনই এগুলো আপনার ফেসবুক পেইজের ফ্যান ফলোয়ার্স এর মন জয় করতে পারবে তখনই সে এটাকে শেয়ার করবে। তাহলে আপনার প্রফিট এর পরিমাণ আরো বেশি বেড়ে যাবে।

আর এই স্পনসর্ড করার সময় আপনাকে অবশ্যই ওই কোম্পানির দেয়া বিষয়টিকে খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে আপনার পেইজের ফ্যান ফলোয়ার্স দের সামনে ফুটিয়ে তুলতে হবে।


 আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক 


আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন ধরনের ইন্টারেস্টিং পোস্ট আপনার ফেসবুক পেইজে শেয়ার করতে পারেন।

আর যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট থেকে আয় করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে গুগল এডসেন্স এর এড দেখিয়ে আয় করা।

আর আপনি গুগল এডসেন্স থেকে তখনই খুব বেশি আয় করতে পারবেন যখন আপনার সাইটের খুব বেশি সংখ্যক ভিজিটরের আনা গোনা হবে।
যখনই আপনার ফেসবুক পেইজে আপনার ব্লগ সাইটের পোস্ট শেয়ার করবেন তখন এটা কোন ভিজিটর ভালো লাগলে তাতে অবশ্যই ক্লিক করে আপনার সাইটে প্রবেশ করবে।

এতে করে অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং  গুগল এডসেন্স থেকে আয় করার পরিমানও বৃদ্ধি পাবে।


 পেজ বিক্রি করে 


যখনই আপনার ফেসবুক পেইজ অনেক বড় হয়ে যাবে তখন আপনি চাইলে এই পেইজটিকে বিক্রি করার মাধ্যমে অনেক টাকা আয় করতে পারেন।

সেজন্য আপনি যখনই আপনার পেইজে টাইমলাইনে বিক্রি করার মত একটি পোস্ট করবেন তখন দেখবেন অনেক কিছুই তো এটা কেনার আগ্রহ দেখাচ্ছে।

তবে এটা তখনই সার্থক হবে যখন আপনি আপনার ফেসবুক পেইজটি অনেক বেশি বড় করতে পারবেন। যখনই আপনার যেকোনো স্ট্যাটাসের reached অনেক বেশি হবে।

আর উপরুক্ত উপায়ে আপনি খুব সহজেই আপনার ফেসবুক পেজ থেকে আয় করতে পারবেন।