ইউটিউব চ্যানেল সেটিং | জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |



আপনার ইউটিউব চ্যানেলের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য কিংবা এই চ্যানেলটিকে খুব তাড়াতাড়ি রেংক করার জন্য আপনার ইউটিউব চ্যানেলের কিছু সেটিং করতে হয়।

এটি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিজিটর বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে, এবং এই চ্যানেল খুব সহজেই যেকোনো ধরনের ভিজিটরের কাছে পরিবেশন করতে সাহায্য করে।

এটিকে সাধারণত বলা হয় ইউটিউব চ্যানেলটিকে এসইও ফ্রেন্ডলি করে গড়ে তোলার জন্য ইউটিউব এর কিছু সেটিং।

এসইও ফ্রেন্ডলি বলতে আপনি যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেল রেংক করাতে চান এবং এটি তাড়াতাড়ি যেকোনো ভিজিটরের কাছে পৌঁছে দিতে চান তাহলে আপনাকে এই ইউটিউব ওয়েবসাইট এসইও ফ্রেন্ডলি করে গড়ে তুলতে হয়।

আর এটা করতে হলে আপনাকে ইউটিউব এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং করতে হয়, যা আসলে আমরা অনেকেই জানিনা, আর আপনিও যদি ইউটিউব চ্যানেল সেটিং সম্পর্কে না জানেন তাহলে এই পোস্টটি দেখতে পারেন।

আপনার দেশ নির্বাচন করাঃ


এই বিষয়টা আসলে এরকম যে আপনি কোন দেশ থেকে ইউটিউব ব্যবহার করছেন এবং এই দেশের সুযোগ সুবিধা কি কি এই সম্পর্কে আপনি ইউটিউবে একটি ধারণা দিতে পারেন। 

আপনার বর্তমান লোকেশন এর কান্ট্রি থেকে আপনি যে ইউটিউব ব্যবহার করছেন সেই সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই ইউটিউব চ্যানেল সেটিং এর মধ্যে আপনার কান্ট্রি সিলেক্ট করে নিতে হয়।

এটি সিলেক্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে Your YouTube Channel অপশনে ক্লিক করতে হবে, এবং এতে ক্লিক করার পরে আপনাকে  customize অপশনটিতে ক্লিক করে নিতে হবে।

আর আপনি যখনই কাস্টমাইজড সেকশনের ক্লিক করবেন অথবা না আপনি আপনার লোকেশন টি সিলেক্ট করে নিতে পারবেন, ঠিক আছে আপনি যে দেশের অধিবাসী সেই দেশের নাম টি সিলেক্ট করে তারপর সেটিং সেভ করে নিন। 

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং |  জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |


আর এভাবেই মূলত আপনি যে দেশের অধিবাসী এবং যে দেশ থেকে ইউটিউব ব্যবহার করছেন সেই দেশের লোকেশন সিলেক্ট করে নিতে পারেন।

কিইওয়ার্ডঃ


এই বিষয়টি বলতে মূলত আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল কোন ধরনের কিওয়ার্ড নির্ভর চ্যানেল হিসেবে গড়ে তুলেছেন সেটা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন।

বিষয়টা এরকম যে আপনি ইউটিউব চ্যানেলে সবসময় যে রিলেটেড কনটেন্ট আপলোড দিয়ে থাকেন, সেই রিলেটেড কিওয়ার্ড এখানে আপনি সেভ করে রেখে দিতে পারেন যা আপনার ইউটিউব চ্যানেল সেটিং এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন।

কিওয়ার্ড বলতে সাধারণত আপনি যদি ফেসবুক সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল এখানে পাবলিশ করেন তাহলে আপনি কিওয়ার্ড হিসেবে এই সেকশনে Facebook লিখে তারপরে সেভ করে দিতে পারেন।

এছাড়াও আপনি যখন আপনার চ্যানেলে একটি কীওয়ার্ডস সিলেক্ট করে নিবেন তখন সার্চ ইঞ্জিন এটি খুব সহজেই ইনডেক্স করে নিতে পারবে, এবং আপনার ওয়েবসাইটের রেংকিং বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং |  জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |


আর এভাবেই আপনি চাইলে খুব সহজেই আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য একটি কি ওয়ার্ড সিলেক্ট করে নিতে পারবেন।

একটি ওয়েবসাইট যুক্ত করাঃ


আপনার যদি নিজস্ব কোন ওয়েব সাইট থাকে তাহলে আপনি এটি ইউটিউবে খুব সহজেই যুক্ত করে নিতে পারেন, আর  যুক্ত করার মাধ্যমে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেতে পারে।

এছাড়াও একটি ওয়েবসাইটে সফলতা অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিনে খুব ভালো রেঙ্ক করানোর জন্য গুগলের যেই 200 টিরও অধিক ফ্যাক্টর রয়েছে সেই ফ্যাক্টর গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ব্যাকলিংক তৈরি করা। 

আর আপনি যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেল আপনার ওয়েবসাইট যুক্ত করে নেন তাহলে আপনি এখান থেকে খুব সহজেই একটি ডুফলো ব্যাকলিংক পেয়ে যাবেন।

যে ব্যাকলিংক আসলে অনেকটা পাওয়ারফুল হবে এবং এটি আপনার সার্চ রেংকিং বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।

ওয়েবসাইট যুক্ত করার পর আপনাকে অবশ্যই সাইট ভেরিফাই করে নিতে হবে তারপরে আপনার ওয়েবসাইট এখানে প্রদর্শন করবে।

আপনার আরো ইউটিউব চ্যানেল যুক্ত করাঃ


আপনি যদি এটা চান যে আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেলে আপনি যে সমস্ত ইউটিউব চ্যানেল মালিক সেই সমস্ত ইউটিউব চ্যানেল গুলো কে যুক্ত করার তাহলে আপনি তা খুব সহজেই করতে পারবেন।

এতে করে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা খুব সহজেই বৃদ্ধি পাবে, এবং আপনার অন্যান্য চ্যানেল প্রমোট খুব সহজেই আপনি করতে পারবেন। 

এজন্য শুধুমাত্র আপনাকে আপনার ইউটিউব চ্যানেল সেটিং অপশনে যেতে হবে এবং তারপরে ক্লিক করতে হবে Discussion নামের অপশন এরমধ্যে।

তাহলে আপনি এর ডান পাশের বিভিন্ন ধরনের চ্যানেল যুক্ত করার জন্য একটি অপশন পেয়ে যাবেন এই অপশনটির উপরে ক্লিক করুন,  Featured Channel অপশনের ওপর ক্লিক করুন।

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং |  জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |


এরপর আপনাকে আপনার যেকোনো ধরনের ইউটিউব চ্যানেলের বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট দেয়ার মাধ্যমে এখানে অ্যাড করে নিতে পারবেন। 

আপনাকে প্রথমে ইউটিউব চ্যানেলের নাম অথবা ইউআরএল দিয়ে যাচাই করে তারপর এখানে যুক্ত করে নিতে হবে।

এই অপশনটি তে আপনার যতগুলো ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে সমস্ত ইউটিউব চ্যানেল যুক্ত করে নিতে পারবেন এবং ওই চ্যানেলগুলো সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা বৃদ্ধি করে নিতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং |  জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |


আর এভাবে আপনি খুব সহজেই আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেলে বিভিন্ন ধরনের ইউটিউব চ্যানেল যুক্ত করে নিতে পারবেন এবং চ্যানেলগুলো প্রমোটের কাজ সহজ ভাবে করতে পারবেন।

আর মূলত উপরে উল্লেখিত সেটিং গুলো  একটি ইউটিউব চ্যানেল সেটিং গুলোর মধ্যে অন্যতম কিছু সেটিং, আশা করি এগুলো আপনার কাজে আসবে।

ফেসবুক গ্রুপ থেকে আপনি কি আয় করতে চান?

ফেসবুক গ্রুপ থেকে আপনি কি আয় করতে চান?

আপনার ফেসবুক গ্রুপ  আপনি কিভাবে ব্যবহার করেন? শুধুমাত্রই কি বিনোদন পাওয়ার একমাত্র মাধ্যম হিসেবে?

কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে আপনি কিন্তু খুব ভালো আয় করতে পারেন? 

এখন আপনার মনের মধ্যে হয়তো একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে আর সেটা হলো, কিভাবে আপনি ফেসবুক গ্রুপ থেকে আয় করবেন?

তবে একটা কথা স্পষ্ট করে বলা যাক ফেসবুক গ্রুপ থেকে আপনি যেমন তেমনভাবে আর করতে পারবেন না, এক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে আপনার ফেসবুক গ্রুপ কে আয় করার উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
আর এক্ষেত্রে প্রধান শর্তের মধ্যে একটি হল আপনার গ্রুপের মেম্বারস, এবং অপরটি হলো আপনার গ্রুপ কতটা অ্যাক্টিভ।

যখনই আপনি আয় করতে চাইবেন তখন এই গ্রুপ থেকে আপনি কতটুকু সাড়া পাবেন তা সিংহভাগ নির্ভর করবে আপনার গ্রুপের মেম্বারদের উপর।

আর আপনার গ্রুপের মেম্বাররা কিভাবে এতে ভূমিকা রাখবে, এটা নিয়ে একটু পরে আলোচনা করা যাবে। তবে জেনে রাখেন গ্রুপের মেম্বার যত বেশি হবে ততবেশি আপনি আয় করতে পারবেন।

আর আরেকটা হল আপনার গ্রুপ কতটা একটিভ এই সম্পর্কে? ফেসবুক গ্রুপ একটিভ বলতে সাধারণত এটা বুঝায় যে আপনার গ্রুপে প্রতিদিন কতটি পোস্ট হয়।

এক্ষেত্রে যে কেউ চাইলেই কিন্তু একাই নিজে প্রতিদিন 10 টা থেকে 15 টা পোস্ট করতে পারে, আপনার গ্রুপে যদি প্রত্যহ 20-25 টা পোস্ট হয়ে যায় তাহলে আর কিছুরই দরকার নেই।

এক্ষেত্রে আপনার গ্রুপটি কতটা অ্যাক্টিভ এই মর্মে আরেকটি বিষয় বোঝানো হয়েছে আর সেটি হল,  আপনার ফেসবুক গ্রুপে প্রত্যেকটি পোস্টে মেম্বার এরা কি রকম সাড়া দেয়।

এই গ্রুপে পাবলিশ করা প্রত্যেকটি স্ট্যাটাসে লাইক কমেন্ট কিংবা রিএকশন কত গুণ বেশি সেটা দ্বারাই অনুমান করা যাবে আপনার ফেসবুক গ্রুপ কতটা অ্যাক্টিভ।
আর যখনই আপনার ফেসবুক গ্রুপ উপরে দেয়া দুইটি শর্ত মেনে চলবে তখনই আপনার ফেসবুক গ্রুপ আয় করার জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত হয়ে উঠবে।

এবার এই টপিক নিয়ে কিছু আলোচনা করা যাক কিভাবে আপনার ফেসবুক গ্রুপ থেকে আপনি আয় করবেন?

আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক গ্রুপ থেকে বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে সক্ষম হবেন। তবে এই পোস্টটিতে আমি আয় করার কয়েকটি কার্যকরী উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব।


 বিজনেস প্রোডাক্ট


আপনি এরকম অনেক কোম্পানি খুঁজে পাবেন যে সমস্ত কোম্পানিগুলোর প্রোডাক্ট এর রিভিউ দেয়ার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারেন।

তবে যেকোনো পণ্যের প্রচার আপনাকে মানসম্মতভাবে করতে হবে, এখন আপনি যদি আপনার বিনোদনমূলক ফেসবুক গ্রুপে শুধুমাত্র পণ্যের প্রচার করেন তাহলে খুব সম্ভবত প্রায় সংখ্যক মেম্বার আপনার গ্রুপ থেকে লিভ নিবে।
এক্ষেত্রে পণ্যের প্রচারণা করার জন্য আপনি চাইলে ফেসবুক গ্রুপ থেকে পাওয়া দুটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচারস এর সহযোগিতা নিতে পারেন।

💡আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক গ্রুপে একটি ইভেন্ট তৈরি করতে পারেন আর এই ইভেন্টের মাধ্যমে আপনার পণ্যের প্রচারণা চালাতে পারেন।

💡অথবা ফেসবুক গ্রুপে একটি এনাউন্সমেন্ট যুক্ত করতে পারেন, যাতে আপনি আয় করার জন্য অন্যের বিজনেস প্রমোট করতে পারেন।

আর এভাবেই আপনি খুব সহজেই আপনার ফেসবুকের মাধ্যমে যেকোনো বিজনেস প্রোডাক্টের প্রচারণা করে খুব ভালো পরিমাণ আয় করতে পারেন।


 ওয়েবসাইট 


আপনি হয়তো এটা জানেন যে আপনি যদি ফ্রিতে একটি ব্লগ কিংবা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট খুলে থাকেন তাহলে এখানে প্রতিনিয়ত নতুন আর্টিকেল লিখার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারেন।

এক্ষেত্রে  খুব বেশি সংখ্যক মেম্বারকে সমন্বয় যদি আপনার একটি ফেসবুক গ্রুপ থাকে তাহলে  আয় করার কাজটি আরও বেশি সহজতর হয়ে উঠে।

কারণ শুধুমাত্র একটি ওয়েবসাইট খোলার মাধ্যমে কিন্তু আপনি আয় করতে পারবেন না, আয় করার জন্য অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ইউনিক ভিজিটর  প্রয়োজন হবে প্রয়োজন হবে।

এক্ষেত্রে আপনি যদি সম্পূর্ণ একটি নতুন ওয়েবসাইট খুলেন এবং এটি আপনার গ্রুপের মাধ্যমে  আপনার পোস্টগুলো শেয়ার করেন,তাহলে এখান থেকে আয় করা আপনার কাছে আরো বেশি সহজতর হয়ে উঠবে।
গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল তো আপনি খুব সহজেই নিয়ে নিতে পারবেন, এতে আপনার মুখ্য উদ্দেশ্য হবে কয়েকটি ইউনিক কনটেন্ট লিখে তারপর এগুলো আপনার ব্লগ সাইটে পাবলিশ করা।


 ভিডিও 


আপনি যদি ইউটিউবে একটি চ্যানেল খুলে থাকেন এবং এখানে যদি আপনি ইন্টারেস্টিং এবং ইউনিক ভিডিও পাবলিশ করে তার গ্রুপে প্রচার করেন, তাহলে এর সুফল আপনি দেখতে পারবেন।

আর আপনি যদি আপনার ফেসবুক গ্রুপের ভালো মানের ভিডিও গুলো প্রতিনিয়ত ও শেয়ার করে থাকেন তাহলে এটি আপনার ফেসবুক গ্রুপের সৌন্দর্য কোনমতেই নষ্ট করবে না।

আর ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে আপনার ইউটিউবে পাবলিশ করার বিষয়টিকে খুব সহজেই ভাইরাল করে দিতে পারবেন, তাছাড়াও আপনার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়াতে পারবেন।


 লিঙ্ক শর্ট করে 


ইন্টারনেটের জগতে আপনি এরকম অনেক ওয়েব সাইটের সন্ধান পাবেন যে সাইটগুলো থেকে আপনার প্রয়োজনীয় লিংক ছোট করে এটা অন্যদের মাঝে শেয়ার করার মাধ্যমে আয় করতে পারেন।
তবে লিংক ছোট করার ক্ষেত্রে আপনার লিংকটি কিন্তু পূর্বের মতোই কাজ করবে, এক্ষেত্রে এই লিংকের মাধ্যমে যে কেউ যেকোনো কাজ সম্পাদন করলে এগুলো আপনার একাউন্টে ডলার হিসেবে যুক্ত হবে।

কারণ আপনি যখনই এরকম লিংক শর্ট ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে চাইবেন তখনি এখানে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করে একটি একাউন্ট খুলতে হবে, তবে এটা আপনি একদম ফ্রিতে পারবেন।

আর উপরের উল্লেখিত উপায়ই শুধুমাত্র নয় আপনি চাইলে আরো বিভিন্ন উপায়ে ফেসবুক গ্রুপ থেকে খুব ভালো মানের আয় করতে পারবেন।

ফেসবুক গ্রুপে মেম্বার এড হচ্ছে না? নিয়ে নিন সমাধান |

ফেসবুক গ্রুপে মেম্বার এড হচ্ছে না? নিয়ে নিন সমাধান |

বর্তমান সময়ে ফেসবুকের  আপডেটের কারণে একটি সমস্যা দেখা দিয়েছে, যে সমস্যাটি সম্মুখিন আমরা পায় একটা গ্রুপ এডমিন এবং মডারেটর হচ্ছে।

সমস্যাটি এরকম যে যখন আমাদের গ্রুপে কোন মেম্বার রিকোয়েস্ট আসে এবং আমরা এটাকে অ্যাপ্রুভ করে নেয়, তবুও দেখা যায় আমাদের গ্রুপের আগে যতগুলো মেম্বারস আছে ঠিক ততগুলো ই থেকে যায়।

উদাহরণস্বরূপ আপনার গ্রুপে যদি ১০০ টি মেম্বার রিকুয়েস্ট আসে, এবং আপনার গ্রুপে থাকা পূর্বের মেম্বারের সংখ্যা যদি ২৫০ হয় তাহলে আপনি ওই ১০০ জনের মেম্বার রিকুয়েস্ট একসেপ্ট করার পরেও এগুলো কাউন্ট হয় না।
এই সমস্যাটি হওয়ার কারণ প্রধানত দুইটি, এখান থেকে একটি কারণ হলো কয়েক বছর আগের ফেসবুকের নতুন আপডেট করার রুলস।

আর দ্বিতীয়ত হলো, আপনার ফেসবুক গ্রুপে একটি সিক্রেট সেটিং, যেই সেটিং টি আপনার গ্রুপে না করার কারণে আপনার গ্রুপে মেম্বার এড হচ্ছে না।

 ফেসবুক আপডেট   


প্রথমে আমি যে বিষয়টি বলেছি সেটা হল ফেসবুক নতুন অ্যালগরিদম সম্পর্কে, আপনি হয়তো একটি বিষয় পরিলক্ষিত করেছেন আর সেটা হল আগে আপনি চাইলে ফেসবুক গ্রুপে আপনার ফ্রেন্ডলিস্টের সমস্ত মেম্বারকে অ্যাড করতে পারতেন।

আর এখন যখন আপনি আপনার ফ্রেন্ড লিস্টের কোন মেম্বার এড করেন তাহলে দেখা যায় যে এই সমস্ত মেম্বারদের অ্যাড করার পরেও, তাদের সংখ্যা কাউন্ট হয় না।

আর এটাই হলো ফেসবুক প্রদত্ত সর্বশেষ আপডেট, ফেসবুকের বর্তমান আপডেট এইরকম যে আপনি যাকে আপনার গ্রুপে এড করবেন, সে আপনার রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করতে হবে।

বিষয়টা এরকম যে যদি আপনি আমাকে আপনার গ্রুপে মেম্বার রিকুয়েস্ট দেন তাহলে আপনার মেম্বার রিকুয়েস্ট আমার কাছে নোটিফিকেশন আকারে চলে আসবে, আর যখনই আমি এটাকে অ্যাপ্রুভ করব তখনি আমি আপনার গ্রুপের সদস্য হয়ে যাবো।
আর এটাই হল ফেইসবুক প্রদত্ত সর্বশেষ অ্যালগরিদম আপডেট। আপনি যে কালকে আপনার গ্রুপে এড করতে হলে তার পারমিশন অবশ্যই লাগবে।

এছাড়াও গ্রুপে মেম্বার এড না হওয়ার কারণ আরেকটি আছে, যদি আপনার গ্রুপের কোন মেম্বার তার ফ্রেন্ডলিস্টের কাউকে এড করে নেয় তাহলে এটাও আপনার কাছে ইনভাইটেশন হিসেবে আসবে।

আপনার গ্রুপে নোটিফিকেশন অপশনে আপনি দেখতে পারবেন, মেম্বার এড হওয়ার রিকোয়েস্টগুলো, আর এগুলো প্রধানত আপনার নোটিফিকেশন বারে মেম্বার রিকুয়েস্ট হিসেবে আসবে।


ফেসবুক গ্রুপে মেম্বার এড হচ্ছে না? নিয়ে নিন সমাধান |

আর এগুলো যখন আপনি এপ্রুভ করবেন তখন কিন্তু এই মেম্বার গুলো আপনার গ্রুপে সরাসরি কাউন্ট হবে না, এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিটি রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করতে হবে।

 গ্রুপ সেটিং


আপনার গ্রুপে এই সমস্যাগুলো হওয়ার মূল কারণ প্রধানত একটি সেটিং, যার কারণে আপনি প্রতিনিয়ত এই সমস্যাটির সম্মুখীন হচ্ছেন।
আর এই সেটিং টি পরিবর্তন করলে এই সমস্যাটি আপনি আর কখনো দেখতে পারবেন না, এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে আপনার গ্রুপের ড্যাশবোর্ডে চলে যেতে হবে।

এরপর আপনি যখন More-Edit group setting নামক অপশনটিতে ক্লিক করবেন তখন আপনাকে পেইজটিকে একটু নিচের দিকে স্ক্রলিং করতে হবে।


ফেসবুক গ্রুপে মেম্বার এড হচ্ছে না? নিয়ে নিন সমাধান |

তাহলে আপনি দেখতে পারবেন Membership Approval নামক একটি অপশন,  আর যদি আপনাদের গ্রুপে উপরোক্ত সমস্যাটি হয় তাহলে আপনি দেখতে পারবেন এই অপশনটি Only Admin And moderator  সিলেক্ট করে সেভ করা।
এই সমস্যাটি থেকে উত্তোলনের জন্য আপনাকে অবশ্যই Anyone in group এটাকে সিলেক্ট করতে হবে। তাহলে আপনি আর এই সমস্যাটি কখনো দেখতে পারবেন না।


ফেসবুক গ্রুপে মেম্বার এড হচ্ছে না? নিয়ে নিন সমাধান |

এর মানে হলো আপনার গ্রুপে পূর্বে যে সমস্যাটি হয়েছিল অর্থাৎ গ্রুপে মেম্বার এড হচ্ছে না? এই সমস্যাটি থেকে আপনি সফলভাবে মুক্তি লাভ করেছেন।

ফেসবুকে ট্যাগ বন্ধ করার উপায় এবং ফেস ট্যাগ বন্ধ করার উপায়|

ফেসবুকে ট্যাগ বন্ধ করার উপায় এবং ফেস ট্যাগ বন্ধ করার উপায়|

ফেসবুক একাউন্টে অনেক সময়ই আমরা  বন্ধুদের বিরক্তির ট্যাগের স্বীকার হই,আর আমরা যখনই এরকম কিছু একটা বিষয়ের সম্মুখীন হই তখনই আমাদের এগুলো থেকে মুক্তির পথ খুঁজতে হয়।

আর কিভাবে বিরক্তির ট্যাগ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন এটা নিয়ে আজকের এই পোস্টটি? তাছাড়াও এই পোস্টে আলোচনা করেছি কিভাবে ফেইস ট্যাগ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন?

ট্যাগ আসলে কি? 

যখনই আপনার কোন ফ্রেন্ড কোন কিছু শেয়ার করে, তখন সে চাইলে আপনার টাইনলাইনে তা শেয়ার করতে পারে।এবং তা খুবই সহজে।

শুধু আপনার টাইমলাইনে নাহ, সে চাইলে তার যেকোন ফ্রেন্ডস এর টাইমলাইনে  শেয়ার করতে পারে, তবে অনেক সময়ই এটা বিরক্তির কারন হয়ে দাড়ায়। 
আর আমরা এইসমস্ত অযাচিত ফেসবুক ট্যাগিং সমস্যা থেকে চিরদিনের জন্য মুক্তি পেতে চাই।  তাহলে কিভাবে মুক্তি পাবেন ফেসবুকের ট্যাগ এর সমস্যা থেকে? 

এজন্য প্রথমে আপনাকে ফেসবুক একাউন্ট সেটিং অপশনে যেতে হবে এবং তারপর Timeline and Taging- Review Tags people and to your posts before the tags appear  on Facebook- এবং এর পর এটাকে on করে দিতে হবে। 


ফেসবুকে ট্যাগ বন্ধ করার উপায় এবং ফেস ট্যাগ বন্ধ করার উপায়|


তাহলেই যেকেউ ট্যাগ করতে চাইলে তা সোজাসোজি আপনার টাইমলাইনে এসে যুক্ত হবে নাহ। যখনই আপনি তা এপ্রোভ করবেন তখনই তা এসে যুক্ত হবে। 

ফেস ট্যাগিং-

অনেক সময়ই দেখা যখন আমাদের কোন বন্ধুবান্ধব তার সাথে যুক্ত করে আমাদের কোন ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে তখনই তার নোটিফিকেশনে আমাদের কাছে চলে আসে। 

আর অন্যথায় দেখা যায় যে আমাদের ছবির সামনে আমাদের নাম দেখা যায়,  এটা অনেক সময়ই বিভ্রান্তি কারন হয়ে দাড়ায়। 
আর এটা থেকে মুক্তি পেতে হলে আপনাকে প্রথমে ফেসবুকের সেটিং অপশনে যেতে হবে তারপর Setting-Face Recognition তারপর এটাকে অফ করে দেন। 


ফেসবুকে ট্যাগ বন্ধ করার উপায় এবং ফেস ট্যাগ বন্ধ করার উপায়|

তাহলে এই সমস্যাটি আপনি আর কখনও দেখতে পারবেননা। 

ফেসবুক গ্রুপ সেটিং এবং গ্রুপে মডারেটরদের কাজ সম্পর্কে পরিপূর্ণ আলোচনা|

ফেসবুক গ্রুপ সেটিং এবং গ্রুপে মডারেটরদের কাজ সম্পর্কে পরিপূর্ণ আলোচনা|

ফেসবুক গ্রুপে এমন কিছু সেটিং আছে সেগুলো সম্পর্কে আপনাকে অবশ্যই মোটামুটি ধারণা রাখা লাগে।

আর এতে আপনার গ্রুপটি খুব বড় হবে এবং এই গ্রুপ আপনি যে উদ্দেশ্যে খুলেছেন সেটা সার্থক হবে।

আজকের এই পোস্টটিতে আমি এরকম গ্রুপের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং এবং এই গ্রুপের মডারেটর এর কাজ সম্পর্কে আলোচনা করব।

  অ্যাপ্রভালস 


আপনার গ্রুপে যদি সমস্ত গ্রুপ মেম্বারস  গুরুত্বহীন  পোস্ট সর্বদা শেয়ার করে থাকে, যা আপনি মনে করেন আপনারা গ্রুপের জন্য এগুলো উপযুক্ত নয় তাহলে আপনি একটি সিস্টেম চালু করতে পারেন।

আর সেটা হলো যেকোনো মেম্বারদের পোস্ট অ্যাপ্রভাল, এতে করে শুধুমাত্র এডমিন এবং মডারেটর যে পোস্ট অ্যাপ্রুভ করবে সেটি গ্রুপে পাবলিশ হবে।

এতে করে আপনার গ্রুপে অযাচিত পোষ্টগুলো শেয়ার করা আপনি বন্ধ করতে পারবেন, এবং আপনার গ্রুপের মেম্বারদের আপনার গ্রুপ রুলস গুলো ভালোভাবে বুঝিয়ে দিতে পারবেন।

আর এই পোস্ট অ্যাপ্রভাল সেটিং চালু করতে হলে আপনাকে অবশ্যই গ্রুপের এডমিন হতে হবে, Setting-Modarate-Post Approval- এটাতে ক্লিক করে অপেন করে দিন।


ফেসবুক গ্রুপ সেটিং এবং গ্রুপে মডারেটরদের কাজ সম্পর্কে পরিপূর্ণ আলোচনা|



 খারাপ শব্দ বাছাই করুন


যদি আপনার ফেসবুক গ্রুপে কেউ এরকম কোন শব্দ দিয়ে গালাগালি করা হয় যা আপনি বন্ধ করতে চান, তাহলে একটি ছোট সেটিং এর মাধ্যমে তা করতে পারবেন।

আর এখানে আপনি যে শব্দগুলো দিয়ে সেভ করবেন এই শব্দগুলো যখনই কমেন্ট করা হবে তখনই আপনি নোটিফিকেশন আকারে তা পেয়ে যাবেন।
আর এতে করে আপনি চাইলে তাদেরকে আপনার গ্রুপ থেকে ব্যান করতে পারেন, অথবা তাদেরকে সতর্কবাণী দিতে পারেন।

আর এজন্য আপনাকে পূর্বের মতো গ্রুপে সেটিং এ যেতে হবে তারপর Moderate -Keyword Alert- এখানে যে শব্দগুলো আপনি লিখতে চান তা লিখে তারপর অ্যাড করে দিন।


2ফেসবুক গ্রুপ সেটিং এবং গ্রুপে মডারেটরদের কাজ সম্পর্কে পরিপূর্ণ আলোচনা|

আর এভাবেই আপনি যতগুলো শব্দ এড করবেন, তার প্রত্যেকটির নোটিফিকেশন পেয়ে যাবেন।


 নতুন মেম্বার্সদের  প্রশ্ন


অনেক গ্রুপে আপনি মেম্বার রিকুয়েস্ট দেয়ার সময় অনেক ক্ষেত্রে হয়তো প্রশ্ন দেখতে পারেন, তারা আপনাকে কিছু প্রশ্ন করে যার উত্তর আপনাকে দিতে হয় কিংবা এড়িয়ে চলতে হয়।

কিন্তু এগুলো গ্রুপের সৌন্দর্য এবং গ্রুপ এর একটিভিটি কে আরো বহুলাংশে বাড়িয়ে দেয়, আর আপনিও এটা চাইলে আপনার ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত  করতে পারেন।
Setting-Moderate -Membership Request -Ask Question -Add Question - এখানে আপনি যেকোন ধরনের প্রশ্ন আপনার নতুন জয়েন গ্রুপ মেম্বারদের কাছে করতে পারেন।
ফেসবুক গ্রুপ সেটিং এবং গ্রুপে মডারেটরদের কাজ সম্পর্কে পরিপূর্ণ আলোচনা|

তাই আর দেরি না করে আপনার কাছে যদি এরকম কোন প্রশ্ন থেকে থাকে যা আপনি নতুন জয়েন করা গ্রুপ মেম্বারদের কাছে করতে চান, তাহলে উপরের দেয়ার নিয়ম অনুযায়ী সেটিং করে ফেলুন।


 গ্রুপ অ্যাড্রেস


আপনি চাইলে আপনার গ্রুপটিকে আরও সহজভাবে শেয়ার করার জন্য আপনার ফেসবুক গ্রুপের লিংক টি পরিবর্তন করতে পারেন।

এতে করে যে কেউ খুব সহজে আপনার ফেসবুক গ্রুপ কে খুঁজে পাবে, এক্ষেত্রে আপনাকে setting- moderate - web address - customize address এখানে ক্লিক করলেই আপনার পছন্দমত লিংক দিতে পারবেন ।
ফেসবুক গ্রুপ সেটিং এবং গ্রুপে মডারেটরদের কাজ সম্পর্কে পরিপূর্ণ আলোচনা|

মনে রাখবেন যখন আপনার গ্রুপের মেম্বার ৫০০০ হয়ে যাবে তখন আপনি এটি আর পরিবর্তন করতে পারবেন না, এর আগে যতবার ইচ্ছে ততবার পারবেন।


 জরুরি অবস্থা


ফেসবুকে অনেক অ্যালগরিদম চেঞ্জ হয়, এই কয়েকদিন আগে দেখা গেছে অনেক সংখ্যক খুব ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ডিলিট করে দিয়েছে।
আর এরকম কোন সমস্যার মধ্যে যদি কখনো আপনাকে পড়তে হয় তাহলে অবশ্যই আপনার গ্রুপে একটি সেটিং ওপেন করে দিতে হয়,

আর এটি হল Group Archive ' যখনই আপনি এটিকে ওপেন করে দিবেন তখনই আপনার গ্রুপের সমস্ত মেম্বার যে কোন পোস্টে লাইক কমেন্ট করতে পারবে।

এক্ষেত্রে কোন মেম্বার আপনার গ্রুপে কোন নতুন পোস্ট করতে পারবে না। আর এই অপশনটি ওপেন করলেই আপনার ফেসবুক গ্রুপ অনেকটা ঝুঁকিমুক্ত হয়ে যাবে।

এক্ষেত্রে আপনি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস দিয়ে ফেসবুক গ্রুপে ড্যাশবোর্ড থেকে যখনই সেটিং অপশনটিতে ক্লিক করবেন তখনই Archive Group এটি পেয়ে যাবেন।

এবং এটাতে ক্লিক করার পরে আপনাকে কনফার্ম করতে হবে, তাহলে আপনার ফেসবুক গ্রুপ কে কয়েকদিনের জন্য আর্কাইভ হয়ে যাবে।


ফেসবুক গ্রুপ সেটিং এবং গ্রুপে মডারেটরদের কাজ সম্পর্কে পরিপূর্ণ আলোচনা|

যখনই আপনি যখনই মনে করবেন যে এবার আপনার গ্রুপটিকে আর্কাইভ থেকে মুক্ত করতে হবে, তাহলে আপনি এটা খুব সহজেই করতে পারবেন।

এজন্য আপনাকে শুধুমাত্র Unarchive Group এতে ক্লিক করতে হবে, তাহলে আপনার গ্রুপটি পূর্বের মত হয়ে যাবে।

আর এভাবেই আপনি আপনার ফেসবুক গ্রুপে গুরুত্বপূর্ণ সেটিং গুলো খুব সহজেই করতে পারবেন।



এবার জেনে নেয়া যাক ফেসবুক গ্রুপের মডারেটর এর কাজ কি?

ফেসবুক গ্রুপে এডমিনদের পরেই মডারেটরের স্থান, তারা অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেতে পারে। এবং গ্রুপটিকে কন্ট্রোল করতে পারবে।
আর গ্রুপের মডারেটর কি কি ধরনের কাজ করতে পারবে অর্থাৎ তাদের কাজের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে নিচে উল্লেখ করা হলো:

▪ কিছু সীমাবদ্ধ সেটিং করতে পারবে
▪ পোস্ট এপ্রুভ করতে পারবে
▪ গ্রুপে মেম্বার যুক্ত করতে পারবে
▪ মেম্বার অ্যাপ্রভাল করতে পারবে
▪ গ্রুপ থেকে কাউকে ব্যান করতে পারবে

আর উপরে দেয়া সুবিধাগুলো একজন গ্রুপ মডারেটর এর দখলে থাকে। এছাড়াও আরও অনেক সুবিধা আছে যা একজন গ্রুপ মডারেটর হিসেবে আপনি উপভোগ করতে পারবেন।