জেনে নিন ফেসবুক ফাইল কিভাবে শেয়ার করা যায়?

জেনে নিন ফেসবুক ফাইল কিভাবে শেয়ার করা যায়?

আপনি চাইলে অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম গুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে যেভাবে যেকোনো ধরনের ফাইল শেয়ার করতে পারেন। 

তবে অন্যান্য সব প্লাটফর্ম এর মতো ঠিক একইরকম ভাবে ফেসবুকে তা করতে পারেন না, কারণ ফেসবুকে এরকম কোন ফিচারস নেই। 

যার মাধ্যমে আপনি চাইলে আপনার যেকোনো ধরনের ফাইল গুলোকে ফেসবুকে যে কারো সাথে শেয়ার করতে পারেন

তবে আপনি চাইলে ফেসবুক ব্যবহার করার মাধ্যমে ফটো ভিডিও এগুলো যে কারো সাথে শেয়ার করতে পারেন। 

কিন্তু অন্যান্য যে সমস্ত যাবতীয় জিনিস যেমন  পিডিএফ ফাইল কিংবা অন্য যেকোন সমস্ত ফাইলগুলো আপনি চাইলে ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার বন্ধু বান্ধবের সাথে শেয়ার করতে পারেন না।

এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু টেকনিক ফলো করতে হয় যার মাধ্যমে আপনি চাইলে ফেসবুক মেসেঞ্জারে যেকোনো ধরনের ফাইল গুলোকে শেয়ার করতে পারবেন।

তাহলে কিভাবে ফেসবুক ফাইল শেয়ার করবেন এটা জানতে হলে আজকের এই পোস্টটি একদম শেষ পর্যন্ত দেখুন আশা করি আপনার কাজে আসবে।

ফেসবুকের মাধ্যমে যে কারো কাছে ফাইল পাঠানোর জন্য আপনাকে প্রথমে একটি ফ্রী অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে হবে। 
ডাউনলোড করা হয়ে গেলে প্রথমে এই অ্যাপসটির মধ্যে প্রবেশ করুন। এবং তারপরে আপনি আপনার ফোনের ফাইল ম্যানেজার এর মত সমস্ত ফাইল গুলোকে এখানে দেখতে পারবেন।

এবার আপনি যে ফাইল টি কে আপনার বন্ধু বান্ধবের সাথে শেয়ার করতে চান সেই ফাইলটি সিলেক্ট করে নিন,।

যখন এটি সিলেক্ট করে নিবেন তখন উপরের দেয়া থ্রি ডট ক্লিক করুন, তাহলেই আপনি Send নামক একটি অপশন পেয়ে যাবেন।

জেনে নিন ফেসবুক ফাইল কিভাবে শেয়ার করা যায়?

Send নামের অপশনটির উপর ক্লিক করার পরে আপনি এই ফাইলটি পেয়েছে সমস্ত প্লাটফর্মে শেয়ার করতে চান তার সমস্ত এপস গুলোর আইকন গুলো পেয়ে যাবেন।

এবার আপনি যেহেতু এটি ফেসবুকে শেয়ার করতে চান তাই মেসেঞ্জার আইকন ক্লিক করুন।

জেনে নিন ফেসবুক ফাইল কিভাবে শেয়ার করা যায়?


মেসেঞ্জার আইকনের উপর ক্লিক করার পরে আপনি এবার আপনার ফেসবুক মেসেঞ্জারে যে সমস্ত ব্যক্তিবর্গের সাথে চ্যাটিং করেছিলেন তাদের লিস্ট পেয়ে যাবেন। 

এবার এখান থেকে যাকে সেন্ড করতে চান তার উপরে ক্লিক করে থাকে এটি সেন্ড করে দিন।

জেনে নিন ফেসবুক ফাইল কিভাবে শেয়ার করা যায়?

আর এভাবে আপনি চাইলে যেকোনো ধরনের ফাইল গুলো কি আপনার বন্ধু বান্ধবের সাথে শেয়ার করে দিতে পারেন ফেসবুক ব্যবহার করার মাধ্যমে।

আশা করি ফেসবুক ফাইল কিভাবে শেয়ার করতে হয় সে সম্পর্কে আপনার বিন্দুমাত্র কোন প্রশ্ন নেই, ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।

জানতে চান ফেসবুকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

জানতে চান ফেসবুকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বর্তমানে ইন্টারনেটের জগতে সোসিয়াল গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে সবাই যেটা কে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয় তার মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছে ফেসবুক নামক একটি সোসিয়াল গণমাধ্যম।

তবে এই ফেসবুক সংক্রান্ত অনেক প্রশ্ন আমাদের মনের মধ্যে প্রায় ঘুরপাক খায়। যেগুলো আমাদের কাছে শুধুমাত্র প্রশ্ন হিসেবেই থাকে যার যার সমাধান আমরা খুঁজে পাইনা।

কাহন ফেসবুক এতটাও ছোট সোসিয়াল গণমাধ্যম নয় যে এর সম্পর্কে আপনার কাছে এক ডজন কিংবা  দুই ডজন প্রশ্ন সীমাবদ্ধ থাকবে।

আপনি হয়তো এটা নিয়ে নিজের অজান্তেই হাজারো প্রশ্নের বেড়াজালে আটকে ফেলে নিজেকে। আর এর মত একটি হল- ফেসবুকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

আপনি হয়তো এটা জানার জন্য আজকের এই পোষ্ট টির মধ্যে এসে পৌঁছেছেন, খুবই সহজ এবং কমন একটি প্রশ্ন?

ফেসবুকের সদর দপ্তর অবস্থিত-
প্যালো আট্রো ক্যালিফোর্নিয়া যুক্তরাষ্ট্র"

আপনি হয়তো আপনার প্রশ্নের সঠিক জবাব পেয়েছেন।

ফেসবুকে কমেন্ট করতে পারছেন না? তাহলে জেনে কিভাবে এটা দূরীকরণ করবেন?

ফেসবুকে কমেন্ট করতে পারছেন না? তাহলে জেনে কিভাবে এটা দূরীকরণ করবেন?

অনেক সময় এটা দেখা যায় যে আমার ফেসবুকে যে কারো স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্ট করতে পারিনা। 

যখনই আমরা যে কারো স্ট্যাটাসে নিচে কমেন্ট করতে চাই,তখনই এটা দেখা যায় যে কমেন্টটি করার পরে যখন আমরা পেইজটিকে একটু রিফ্রেশ করি তখনই তা রিমুভ হয়ে যায়।

কেন আপনি যে কারো স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্ট করতে পারেন না? আর কোন পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনি আবার কারো ফেসবুক স্ট্যাটাস এর নিচে কমেন্ট করতে পারবেন?

প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক কেন আপনি অন্য কারো স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্ট করার পরে তা অটোমেটিক রিমুভ হয়ে যায়?

এই সমস্যাটি হওয়ার কারণ হল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একশন ব্লকের সম্মুখীন হওয়া। একশন ব্লক হলো আপনার বিভিন্ন  কার্যকলাপের কারণে ফেসবুক এর কাছ থেকে কয়েক দিনের জন্য, আপনার জন্য কিছু ফিচারস ব্লক হয়ে যাওয়া।

এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের একশন ব্লক এর আওতাধীন আপনি পড়তে পারেন, তবে ফেসবুকে যখন আপনি কমেন্ট করতে পারেন না তখন এটি কমেন্ট ব্লক এর মধ্যে পড়ে।

প্রথমেই জেনে নেয়া যাক, কেন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কমেন্ট ব্লক হতে পারে?

এটার সবচেয়ে বড় কারণটি হলো আপনি যদি যে কারো ফেসবুক স্ট্যাটাসের নিচে এরকম কোন ভাষায় কমেন্ট লিখেন যা ফেসবুক পলিসির মধ্যে কখনো পড়ে না। 

তারপর কোন ব্যক্তি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের শরণাপন্ন হলেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট কমেন্ট ব্লক হতে পারে।

শুধু তাই নয় আপনি যদি কোনো স্ট্যাটাসের নিচে একই কমেন্ট বারবার করেন তাহলে আপনার ফেসবুক এ কমেন্ট ব্লক হতে পারে।

যেমন কমেন্ট হিসেবে আপনি যদি এরকম কোন নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ব্যবহার করেন যা আমরা  যে কোন কমেন্ট বক্সে নিচের দেখে থাকি ব্যবহার করি- nice all ,wow এই টাইপের কমেন্ট গুলো।

তবে বিষয়টা এরকম নয় যে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কোনরকম একশন ব্লক হলে এগুলো সারাজীবনের জন্য থেকে যাবে, একশন ব্লক কয়েকদিনের মধ্যে আবার শেষ হয়ে যায়।

ফেসবুকের একশন ব্লক এর লিমিট সাধারণত তিনদিন পাঁচদিন এরকম হতে পারে, পরে দেখা যাবে যে আপনি আবার পুনরায় ওই ফিচারস গুলো ব্যবহার করতে পারছেন।

তবে আমরা কোনোক্রমে অপেক্ষা করতে পারি না, আমাদের একটাই ইচ্ছা যে ফেসবুকে যখন অ্যাকশন ব্লক হবে তখন অপেক্ষা না করেই এগুলোকে আবার কিভাবে খোলা যায়?

এক্ষেত্রে আপনাকে ফেসবুক হেল্প সেন্টারে সহযোগিতা নিতে হবে। এই কাজটি খুবই সহজ হয়ে যাবে যদি আপনি ফেসবুক লাইট ইউজার হন।

আপনি যদি ফেসবুক লাইট এপ্স এখনো ব্যাবহার করে না থাকেন তাহলে নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিন।

ফেসবুক লাইট

যখনই আপনি ফেসবুক লাইট এপ্স এ লগিন করবেন তখন এর মেনুবার থেকে পেইজটিকে একটু নিচের দিকে নিলে আপনি দেখতে পারবেন Report and problem-others  নামক একটি অপশন ।

এতে ক্লিক করার পর আপনি আপনার সমস্যাটি যখন জানিয়ে তাদের কাছে সাবমিট করবেন তখন কয়েক ঘন্টার মধ্যে আপনি আবার স্বাভাবিক ভাবে ফেসবুকে কমেন্ট করতে পারবেন।
ফেসবুকে কমেন্ট করতে পারছেন না? তাহলে জেনে কিভাবে এটা দূরীকরণ করবেন?

উপরে দেয়া রিপোর্ট এন্ড প্রবলেম এই বক্সটিতে সমস্যাটির কথা আপনি চাইলে নিচের দেয়া লেখাগুলো কপি করে জানিয়ে দিতে পারেন।

Dear Facebook

From today all of a sudden, my Facebook comment features have been discontinued, I can't understand why?  Please remove this as soon as I can and allow me to use Facebook again.

Thanks

 আর যখনই আপনি এটা ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে সাবমিট করে দিবেন তখনই দেখবেন সেই সমস্যাটি আর নেই

তার মানে হল আপনি আবার ফেসবুকে পূর্বের ন্যায় যে কারো স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্ট করতে পারবেন।

তবে যখনই এই সময়ের সাথে দূরীকরণ হয়ে যাবে তখন চেষ্টা করবেন যে কারণে এই সমস্যাটি হয় তা করা থেকে বিরত থাকতে। 

কারণ এই একই সমস্যার সম্মুখীন যখন আপনি কয়েক বার হয়ে যাবেন তখন আপনার ফেসবুক একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যেতে পারে।

ফেসবুক ডিপি কি? কিভাবে ফেসবুকে একটি ফুলসাইজ প্রোফাইল পিকচার দিবেন?

ফেসবুক ডিপি কি? কিভাবে ফেসবুকে একটি ফুলসাইজ প্রোফাইল পিকচার দিবেন?

ফেসবুকে ডিপি নামক কোন শব্দ কখনো কি শুনেছেন? এটা শুনামাত্রই হয়তো আপনার মনের মধ্যে একটা আতঙ্ক শুরু হয়ে যায়, ফেসবুক ডিপি আসলে কি?

আপনি হয়তো জানেন না ফেসবুক ডিপি মানে আসলে কি? ফেসবুক ডিপি এর পূর্ণরূপ হল Display Picture"

এই বিষয়টিকে আরেকটু ক্লিয়ার করা যাক, এই ডিসপ্লে পিকচার মানে হলো যখনই আপনি কারো প্রোফাইলে ঢুকেন তখনই আপনার চোখের সামনে তার প্রোফাইল এর প্রথম ছবিটা ভেসে উঠে।

এই ছবিটাই হলো ডিসপ্লে পিকচার বা ডিপি। এ নামটি আসলে ভিন্ন ভাবে প্রকাশ করা হলেও আমরা আসলে ডিপি বলতে ফেসবুক প্রোফাইল পিকচার কে বুঝে থাকি।

তবে একটা বিষয় একেবারে সত্য যে আপনি যখন আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে, ডিপি পরিবর্তন করতে চাইবেন তখন  এটি ছোট আকারে হয়ে যায়।

আপনি চাইলেও আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের ডিপি একেবারে ফুল সাইজ দিতে পারেন না, এটি নির্ধারন করার সময় তা অটোমেটিকলি ছোট সাইজ ধারণ করে।

আজকের এই পোষ্টের আরেকটি আলোচ্য বিষয় হলো কিভাবে আপনার ফেসবুক প্রোফাইল পিকচার ফুল সাইজ হিসেবে প্রকাশ করবেন?

এজন্য প্রথমে আপনার গ্যালারিতে চলে যান এবং এখান থেকে যে ছবিটি কে আপনি প্রোফাইল পিকচার হিসেবে যুক্ত করতে চান সেটি সিলেক্ট করুন।

সিলেক্ট করলে একদম নিচের দিকে আপনি শেয়ার নামক একটি অপশন খুজে পাবেন, এই শেয়ার নামক অপশন থেকে ফেসবুক সিলেক্ট করলেই ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার হয়ে যাবে।


ফেসবুক ডিপি কি? কিভাবে ফেসবুকে একটি ফুলসাইজ প্রোফাইল পিকচার দিবেন?

তবে আপনি যদি ফেসবুক প্রোফাইলের জন্য সিলেক্ট করা পিকচারটি কে প্রথমে সবাইকে দেখাতে না চান তাহলে এটিকে অনলি মি করে দিন।

কারণ এটি শেয়ার করলেই ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়বে কিন্তু ওই সময়টাতে এই ছবিটি আপনার ফেসবুক প্রোফাইল পিকচার হিসেবে যুক্ত হবে না।

ছবিটি শেয়ার করা হয়ে গেলে এবার আপনাকে একটি অ্যাপস ডাউনলোড করতে হবে, অ্যাপটির নাম অপেরা মিনি যে অ্যাপস সম্পর্কে আমাদের সবারই ধারনা আছে।

অপেরা মিনি ডাউনলোড

যখনই এই অ্যাপটি ডাউনলোড করা হয়ে যাবে তখন এতে আপনার ফেসবুক আইডি লগইন করুন, এবং প্রোফাইলে চলে গেলে যে ছবিটি আপনি শেয়ার করেছেন সেটি পেয়ে যাবেন।

এবার আপনি ওই ছবিটির উপর ক্লিক করলেই নিচের দেয়া অনেকগুলো অপশনের মধ্যে একটি অপশনের মধ্যে পেয়ে যাবেন-Make Profile Picture" আর এতে  ক্লিক করলেই ছবিটি আপনার প্রোফাইল পিকচার হিসেবে যুক্ত হয়ে যাবে।
ফেসবুক ডিপি কি? কিভাবে ফেসবুকে একটি ফুলসাইজ প্রোফাইল পিকচার দিবেন?

এবার আপনি আপনার প্রোফাইলে যখনই ভিজিট করবেন তখন দেখতে পারবেন যে আপনার প্রোফাইল পিকচারটি পূর্বের মত ছোট সাইজের নয়।

যার মানে হল আপনি আপনার ডিপি বা প্রোফাইল পিকচার ফুল সাইজ হিসেবে যুক্ত করতে পেরেছেন।

ফেসবুক সিকিউরিটি টিপস যেগুলো সম্পর্কে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে|

ফেসবুক সিকিউরিটি টিপস যেগুলো সম্পর্কে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে|

ফেসবুকে আপনি যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার সিকিউরিটি সম্পর্কে সর্বোচ্চ পর্যায়ে না পৌঁছাবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি এখানে মোটেও নিরাপদ নয়।

বিষয়টা এরকম যে আপনি যখনই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সিকিউরিটি সম্পর্কে খুনসুটি করবেন, তখনই আপনি হ্যাকিংয়ের সম্মুখীন হতে পারেন।

কারণ হ্যাকার কিংবা স্প্যামাররা আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ছোট ছোট সিকিউরিটি দুর্বলতা গুলো খুজে, তারপর আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এর উপর আঘাত আনতে পারে।

কারণে হ্যাকিংয়ের সম্মুখীন হওয়ার আগে আপনাকে আপনার ফেসবুক আইডির সিকিউরিটি নিয়ে ভীষণ ভাবতে হয়, কেমন করা দরকার আপনার ফেসবুক আইডির সিকিউরিটি কে?

আর কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডি সিকিউরিটিকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাবেন, যাতে করে কোন হ্যাকারের পক্ষে সাধ্য হবে না আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাকিং করার।

আজকের এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা পুরোপুরিভাবে সিকিউরিটি দিবেন, যাতে করে কেউ আপনার ফেসবুক আইডির দিকে চোখ তুলে  না তাকাতে পারে।

 পাসওয়ার্ড 


আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এর সিকিউরিটির সর্বোচ্চ পর্যায় হলো আপনার পাসওয়ার্ড, এটা আপনি যতটা স্ট্রং ভাবে দিবেন আপনার ফেসবুক একাউন্টে সিকিউরিটি ঠিক ততটাই শক্ত হবে।

অনেকে আসলে ফেসবুকের একটি পাসওয়ার্ড চয়েজ করার ক্ষেত্রে অনেক ভুল-ভ্রান্তি করে থাকে, যা তাদের ফেসবুক আইডির সিকিউরিটিকে দুর্বল করে দেয়।

যখনই আপনি একটু দুর্বল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন তখন  হ্যাকার কিংবা ছোটখাটো স্প্যামার Bruce Force attack দিয়ে আপনার ফেসবুক আইডি তার নিজের দখলে নিবে।

আর কিভাবে আপনি একটি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা মূলক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন? এটা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে নিচের পোস্টটি দেখে আসুন।


 ট্রাস্টেড কন্টাক্টস  


এটি ফেসবুকে ল্যান্ডিং করা একটি চরম ফিচার, এই একটিমাত্র সেটিং আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়ার আগে  প্রটেক্ট করবে এবং হ্যাক হওয়ার পরেও আপনার কাছে আইডি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

শুধু তা নয় এই ট্রাস্টেড কন্ট্যাক্টস যদি আপনি ওপেন করে আপনার তিনজন থেকে 5 জন বন্ধুকে যুক্ত কি করে নেন তাহলে আপনি কখনও ফেসবুকে ডিজেবল সংক্রান্ত কোন সমস্যার সম্মুখীন হবেন না।

আর কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডিতে ট্রাস্টেড কন্ট্যাক্টস যুক্ত করবেন? এবং এটি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা পাওয়ার জন্য আপনি চাইলে, নিচের দেয়া পোস্টটি দেখে আসতে পারেন।


 টু স্টেপ ভেরিফিকেশন  


যখনই কোন দুষ্কৃতিকারী আপনার ফেসবুক আইডিতে আপনার অনুমতি ছাড়া লগইন করতে চাইবে তখনই সে চাইলে সহজেই লগইন করতে পারবে।

কিন্তু আপনি যদি আপনার ফেসবুক আইডিতে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন অপশন টি অপেন করে নেন, তাহলে সে কখনো যদি আপনার অনুমতি ছাড়া লগইন করতে চায় তখন একটি রিকভারি কোড দিতে হবে।

কিংবা আপনি আপনার ব্রাউজার অথবা ফেসবুকে অফিশিয়াল অ্যাপস থেকে যদি তার লগইন অ্যাপ্রুভ করেন তাহলে সে লগইন করতে সক্ষম হবে।

এখানে মজার ব্যাপার হলো এই যে যখনই আপনি এরকম অস্বাভাবিক কোনো কিছু আপনার ফেসবুকের নোটিফিকেশন বারে দেখতে পাবেন, তখনই আপনি এ বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতে পারবেন।

আর কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডিতে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন' অপশন ওপেন করবেন এজন্য আপনাকে একটি প্রসেস করতে হবে।

প্রথমে আপনার ফেসবুক আইডিতে লগিন করুন তারপর Security And Login -Use two factor authentication -Enter Password - এরপর আপনার ফোন নাম্বার দিয়ে  টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করুন।

 লগ ইন এলার্ট


প্রথমেই জেনে নিন এই লগইন অ্যালার্ট এর কাজ কি?

যখনই কেউ আপনার ফেসবুক আইডির কোন স্থান থেকে লগইন করবেন যেখান থেকে আগে কখনো লগইন করা হয়নি কিংবা হয়েছে, তখনই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এটা আপনাকে এসএমএস আকারে জানিয়ে দেবে।

এতে করে আপনি খুব সহজেই সতর্ক হয়ে যেতে পারবেন, এবং এ ক্ষেত্রে কার্যকরী পদক্ষেপ অনুযায়ী আপনি আপনার ফেসবুক একাউন্টে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারবেন।

এই সেটিং টি ওপেন করতে হলে আপনাকে আগের মত Security And Login -Get alert about unrecognized login - এরপর আপনি যেভাবে নোটিফিকেশনগুলো পেতে চান সেগুলো সেটআপ করুন।

এখানে আপনি চাইলে একটি ইমেইল এড্রেস যুক্ত করতে পারেন যার মাধ্যমে আপনি নোটিফিকেশন পাবেন, তাছাড়া আপনি চাইলে ফোন নাম্বার কিংবা মেসেঞ্জার যুক্ত করতে পারেন।
ফেসবুক সিকিউরিটি টিপস যেগুলো সম্পর্কে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে|

যখনই আপনি এ অপশনটি চালু করে দিবেন, তখনই কোন লোকেশন থেকে আপনার ফেসবুক আইডি লগইন করা হলে তা ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নোটিফিকেশন আকারে জানিয়ে দিবে।

 ফোন নাম্বার 


অনেকেই আছেন ফেসবুক আইডিতে শুধুমাত্র ইমেইল যুক্ত করে রাখেন, ওই সমস্ত ব্যক্তিরা ফেসবুকে ফোন নাম্বার যুক্ত করাতে খুব বেশি একটা প্রাধান্য দেন না।

তবে আপনি কি জানেন আপনার ফেসবুক আইডি  ফেসলক  ডিজেবল সংক্রান্ত সমস্যা হওয়ার সিংহভাগ নির্ভর করে আপনার ফোন নাম্বার না দেয়ার উপর?

আপনি যদি আপনার ফেসবুক আইডিতে ফোন নাম্বার না যুক্ত করেন তাহলে শুধু ফেস লক ডিজেবল সংক্রান্ত সমস্যাই নয়, আরো অনেক টেম্পোরারি লক সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে।

আর তাই অবশ্যই আপনার ফেসবুক আইডি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি ফোন নাম্বার যুক্ত করতে হবে।

 আর উপরের দেয়া বিষয়গুলো যখনই সেটাপ ফেসবুক আইডিতে আপনি পুরোপুরি এপ্লাই করতে পারবেন তখনই আপনার ফেসবুক একাউন্টে আর কখনো সিকিউরিটি জনিত কোন সমস্যা হবে না।

কিভাবে চিরদিনের জন্য আপনার ফেসবুক আইডি ডিলিট করবেন?


আপনার ফেসবুক আইডি যখনই আপনার কাছে মূল্যহীন হয়ে উঠবে তখনই আপনি চাইবেন এই ফেসবুক আইডি ডিলিট করতে।

অনেকেই আছেন ফেইসবুক আইডি ডিলিট করার ক্ষেত্রে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন, দেখা যায় যে ডিলিট করার সিচুয়েশনে ফেলার পরেও আমরা আমাদের ফেসবুক আইডিতে লগইন করতে পারি।

তবে ফেসবুক আইডি ডিলিট করার ক্ষেত্রে আমাদের উদ্দেশ্য কিন্তু এটা কোন মতেই থাকে না, যে আমরা পুনরায় ফেসবুক আইডিতে লগইন করব এবং যে কেউ এটা দেখতে পারবে।

তাহলে কিভাবে সবচেয়ে কার্যকরী উপায়ে ডিলিট করবেন আপনার ফেসবুক একাউন্ট? যাতে করে যে কেউ চাইলেও আর খুঁজে পাবেনা আপনার ফেসবুক আইডিতে।

এক্ষেত্রে প্রথমেই আপনাকে আপনার ফেসবুক আইডি সেটিং অপশনে যেতে হবে, এবং তারপর পেজটিকে একটু নিচের দিকে স্ক্রল করলে পাবেন Account Ownership And control এটাতে ক্লিক করুন।

কিভাবে  চিরদিনের জন্য আপনার ফেসবুক আইডি ডিলিট করবেন?

এবং তারপর Deactivation and deletion- delete Facebook Account - continue to account deletion এই প্রসেসগুলো পর্যায়ক্রমে ফলো করতে হবে।

কিভাবে  চিরদিনের জন্য আপনার ফেসবুক আইডি ডিলিট করবেন?

এক্ষেত্রে আবার আপনাকে ডিলিট অপশন এ ক্লিক করতে হবে এবং তারপর আপনার ফেসবুক একাউন্টের পাসওয়ার্ড দিয়ে তা একেবারে কনফার্ম করতে হবে।

কিভাবে  চিরদিনের জন্য আপনার ফেসবুক আইডি ডিলিট করবেন?


তাহলে ৩০ দিনের মধ্যে আপনার ফেসবুক একাউন্ট অবশ্যই ডিলিট হয়ে যাবে। আর এভাবেই আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট অকার্যকর হয়ে গেলে তা ডিলিট করে দিতে পারবেন।

ফেসবুকে অটো ভিডিও প্লে বন্ধ করুন খুব সহজে|

ফেসবুকে অটো ভিডিও প্লে বন্ধ করুন খুব সহজে|

অনেক সময় দেখা যায় আমরা ফেসবুক আমাদের টাইমলাইনে যে সমস্ত ভিডিও গুলো আসে তা অটোমেটিক চালু হয়ে যায়।

আর ভিডিও অটো প্লে হওয়ার কারণে আমাদেরকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, আমাদের এটা নিয়ে ভাবতে হয় যে কিভাবে ফেসবুকে অটো প্লে হওয়া ভিডিও বন্ধ করব?

এটা খুব বেশি দেখা যেত শুধুমাত্র ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপস দিয়ে আপনি যখন আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে ব্যবহার করতেন তখন।
কিন্তু বর্তমানে দেখা যায় শুধু ফেসবুক অফিশিয়াল অ্যাপস নয় বরং আপনি যদি ফেসবুক লাইট ব্যবহার করেন তাও ভিডিও অটোমেটিকলি প্লে হয়ে যায়।

আর আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে ভেসে ওঠা ভিডিওগুলো অটোমেটিকলি ওপেন হওয়ার কারণে, আপনি নানা ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন।

তার মধ্যে একটি হলো আপনার ডাটা চার্জ। যখনই ফেসবুক টাইমলাইনের কোন ভিডিও অটো প্লে হয় তখন এগুলো আপনার ডাটা খরচ হওয়ার জন্য দায়ী হতে পারে।

আর এই ভিডিওগুলো সাইজ যদি অনেক বেশি হয় আর আপনার ডাটা কানেকশন যদি খুব ভালো হয়, তাহলে তো আপনার ডাটা খরচের পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে।
তাহলে কিভাবে বন্ধ করবেন ফেসবুকে অটো প্লে হওয়ার ভিডিও গুলো? 

এক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সেটিংস অপশনে যেতে হবে, তবে এজন্য অবশ্যই আপনাকে ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপস ব্যবহার করতে হবে।

 আপনি যদি ফেসবুক লাইট ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই অপশন গুলো কখনোই পাবেন না, এরপর কিছুটা নিচের দিকে স্ক্রল করলে দেখতে পাবে Media and contacts

আর Media and contacts এটাতে ক্লিক করলেই পাবেন Auto play- never auto play videos- এই অপশনটি সিলেক্ট করে দিলে আর কখনো কোন ভিডিও অটো প্লে হবে না।
ফেসবুকে অটো ভিডিও প্লে বন্ধ করুন খুব সহজে|

আর এভাবেই আপনি ফেসবুকে আপনার টাইমলাইনে অটোমেটিকলি ওপেন হওয়া ভিডিও গুলো বন্ধ করতে পারবেন। যাতে করে আপনার ডাটা খরচ হওয়ার পরিমাণ কমে যাবে।