ফেসবুক স্পামিং কি? আপনি কি একজন ফেসবুক স্প্যামার হতে চান?

ফেসবুক স্পামিং কি? আপনি কি একজন ফেসবুক স্প্যামার হতে চান?

ফেসবুকে স্প্যামারদের কথা কখনো শুনেছেন? হয়তো আপনি কখনো তাদের ধারে কাছে যাওয়ার সুযোগ পান না, কারণ আপনি তাদের ভয় পান?

যখনই আপনি ফেসবুক নামক প্ল্যাটফর্মটিতে কোন স্প্যামারদের কথা শুনেন তখনই আপনি গুটিয়ে যান, এটা মনে করেন যে ওর সাথে লাগতে গেলেই আমার সব শেষ।

আমরা এটা বিশ্বাস করি যে যদি আমরা কোন ফেইসবুক স্প্যামার সাথে টক্কর দিতে চাই তখনই আমরা আমাদের আইডিটা হারিয়ে ফেলবো,।

তারা করে কি জানেন? এই ফেসবুক স্প্যামার আপনার ফেসবুক আইডি দিকে যখন একটু নজর দিবে, তারা রিপোর্ট করার মাধ্যমে আপনার ফেসবুক আইডি নষ্ট করে দিবে।

কারণ এই স্প্যামারদের আমাদের একটি টিম থাকে, যেই টিমে  একদম কম হলে দশজন থেকে কয়েক শত মেম্বার্স থাকতে পারে, শুধু তাই নয় আপনি যদি এই টিমে যুক্ত করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার কাছে পুরাতন ফেসবুক আইডি প্রয়োজন হবে।

আর এই আইডি সংখ্যা একটি হলে আপনি কিন্তু স্প্যামারদের জগতের জন্য প্রযোজ্য নয়, আপনাকে অবশ্যই এক্ষেত্রে চার পাঁচটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এর মালিক থাকা অবশ্যই প্রয়োজন।

আর যখন এই 10-15 জন কিংবা 100 জনের কাছে এরকম চার-পাঁচটি করে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকবে, আপনি তখন যদি তাদের টিমের কারো  সাথে ফাপরবাজি করেন তাহলে তারা কি করবে?

নিশ্চয়ই ওই সমস্ত ফেসবুক স্প্যামার টিমের লোকেরা এর লোকেরা একত্র হয়ে আপনার ফেসবুক আইডিতে রিপোর্ট করবেন।

আর একইসাথে এই মাত্রাতিরিক্ত রিপোর্ট ফেসবুক কর্তৃপক্ষ যখনই রিভিও করবে তখন কোনো কিছু না ভেবেই আপনার ফেসবুক একাউন্ট ডিজেবল করে দিবে।

কারণ 100 জন খারাপ লোকের সামনে আপনি যদি একা ভাল থাকেন তাহলে ওই খারাপ দলের লোকেরাই আপনার চেয়ে এগিয়ে থাকবে এবং তারা আপনার সাথে জিতে যাবে।

আপনি কি ফেসবুক স্প্যামার হবেন?

এই প্রশ্নের জবাব একদম সোজা, কারণ ফেসবুকে যে কোন স্প্যামার গ্রুপের দিকে নজর করলে আপনি ঐ সমস্ত গ্রুপের যেকোনো পাবলিশ করা পোস্টে কমেন্ট বক্সে পাবেন- "ভাই আমি স্প্যামার হব"

আপনি অবশ্যই একজন ফেসবুক স্প্যামার হতে চান, যাতে করে যে কেউ আপনাকে দেখলেই ভয় পায় এবং আপনাকে সম্মানের চোখে দেখে।

স্প্যামার হতে হলে আপনাকে কি কি করতে হবে জানেন? প্রথমত অবশ্যই আপনি সিকিউর থাকতে হবে, এখানে সিকিউর বলতে আপনার ফেসবুক আইডি অবশ্যই ভেরিফাই করতে হবে।

আর যদি ভেরিফাই করতে না পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার ফেসবুক আইডি নিয়ে আপনি শঙ্কায় থাকবেন, কারণ  ফেসবুক স্পামিং জগতে গেলে আপনার শত্রুর অভাব হবে না।

আর তারা যখনই আপনার ফেসবুক আইডি সঙ্গে লেগে পড়ে থাকবে, তখনই আপনি হারিয়ে ফেলবেন আপনার ফেসবুক আইডি।

তবে আপনি যদি আপনার রিয়েল আইডি ভেরিফাই করতে না পারেন তাহলে আপনার বাবা কিংবা মায়ের নামে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে, তাদের নেশনাল আইডি কার্ড দিয়ে এটা ভেরিফাই করে নিন।

তারপরে আপনাকে কমপক্ষে ১০ টি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মালিক হতে হবে, এই সমস্ত ফেসবুক আইডি অবশ্যই স্ট্রং হতে হবে, আর কিভাবে আপনি আপনার ফেসবুক আইডি স্ট্রং করতে পারবেন এটা জানতে হলে নিচের পোস্টটি দেখে আসুন।
ফেসবুক আইডি শক্ত করা হয়ে গেল, এবার আপনাকে অবশ্যই রিপোর্ট করা শিখতে হবে। কারণ  যে কেউ যখন আপনাকে একজন ভালো ফেসবুক স্প্যামার হিসেবে জানবে, তখনই সে আপনার কাছে সাহায্য চাইবে।

আরে সাহায্যটা হলো কেউ হয়তো ওই ব্যক্তিটি কে বিরক্ত করছে, আপনাকে বলবে যে ওই ব্যক্তির আইডি রিপোর্ট করে ডিজেবল করে দিন।

আর আপনি যদি রিপোর্ট করা না জানেন তাহলে কিভাবে ফেসবুক আইডি রিপোর্ট করবেন? এতে আপনাকে জেনে নিতে হবে।
শুধু তা নয় নিয়মিত ফেসবুক সংক্রান্ত যেকোন সমস্যা ভাবনায় রাখবেন এবং এই সমস্যাগুলো নিজে থেকে সলভ করার চেষ্টা করবেন।

এবং ফেসবুকের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সম্পর্কে জেনে রাখবেন, ফেসবুক আইডি ডিজেবল হলে কিভাবে  তা ফেরত আসবেন এগুলো জেনে রাখবেন।

আর এই সমস্ত যেকোনো ধরনের স্টেপ সম্পর্কে জানতে হলে আপনি আমাদের ওয়েবসাইট টি সাবস্ক্রাইব করুন, আর আগের দেয়া ফেসবুক সংক্রান্ত সমস্ত আর্টিকেলগুলো কমপক্ষে একবার হলেও পড়ে নিন।

আর এই ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা সমস্ত আর্টিকেলস যখন আপনি পড়ে নিবেন, তখনই আপনি শুধু ফেইসবুক স্প্যামার হিসেবে গণ্য হবেন যে তা নয়, আপনি একজন ফেসবুক বস হিসেবে বিবেচিত হয়ে যাবেন।

একদম শেষে আমাদের সবার একটি ভুল ধারণা ভেঙ্গে ফেলা যাক, অনেকেই মনে করেন যে ফেসবুক স্প্যামাররা হয়তো হ্যাকার, এটা আসলে সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা।

এই ফেসবুক স্প্যামাররা শুধুমাত্র আপনার ফেসবুক আইডি রিপোর্ট করে ডিজেবল করে দিতে পারে, আর হ্যাকিং বলতে খুব বেশি হলে তারা আপনার ফেসবুক আইডি রিকভার করতে পারে।

তবে সমস্ত ফেসবুক স্প্যামাররা  কোনরকম হ্যাকিং এর সাথে সংযুক্ত নয়, তারা ফেসবুকে হ্যাকার নয়।

জেনে নিন ফেসবুক ব্যবহারের অপকারিতা এবং ভয়ানক পরিণতি সম্পর্কে|

জেনে নিন ফেসবুক ব্যবহারের অপকারিতা এবং ভয়ানক পরিণতি সম্পর্কে|

ফেসবুক নামক সোসিয়াল গণমাধ্যমের জনপ্রিয়তার প্রতিনিয়ত বিপুল হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফেসবুকের শুধু উপকারিতা আছে এটা নয়, এর অপকারিতা ও বিদ্যমান।

এই পৃথিবীতে যত কিছুই বিদ্যমান থাকুক না কেন, এর একটি ভালো দিক এবং ন্যূনতম একটি খারাপ দিক বিদ্যমান।

তেমনি ফেইসবুকেও কিছু অপকারিতা বিদ্যমান যা আমাদের মানবজাতির জন্য হুমকি স্বরূপ, আর কি সেই অপকারিতা গুলো?

ফেসবুকে সম্পূর্ণ অপকারিতা সম্পর্কে আজকের এই পোস্টটি, আশাকরি আপনি এটি শেষ পর্যন্ত দেখবেন।

শিক্ষাক্ষেত্রে 


ফেসবুক আমাদের জীবনের সাথে এত জোরালোভাবে জায়গা দখল করে নিয়েছে যে এটা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতেও ছাড় দেয় না।

অনেক সময় দেখা যায় আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অর্থাৎ যখন আমরা পড়তে বসি তখনি ফেসবুকে দুই একবার চেক না করলে হয়না।

আর এটা আমাদের জীবনে সবচেয়ে খারাপ প্রভাব ফেলে, আমরা আমাদের প্রতিদিনের পড়া শেষ না করেই ফেইসবুক হাতে নিয়ে বসে যায়।

এটি আমাদের লেখাপড়ার উপর বিরাট প্রভাব ফেলে, দেখা যায় যে বহু সংখ্যক সময় ফেসবুক ব্যবহার করার ফলে আমরা লেখাপড়ায় অনেকটা পিছিয়ে যায়।


 মানব জীবনের প্রতি


সারাক্ষণ ফেসবুক নিয়ে বসে থাকার  কারণে এটা আমাদের শরীরের প্রতি খারাপ প্রভাব বয়ে আনতে পারে।

যেমন আপনি যখনই ফোনের স্ক্রিনের দিকে খুব বেশি সংখ্যক সময় চেয়ে থাকবেন তখনই দেখতে পারবেন যে চোখের মধ্যে মারাত্মক সমস্যা দেখা দিবে।

যার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে আপনি কখনো বাচতে পারবেনা, সবমিলিয়ে এটা আমাদের জীবনের জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি।

শুধু তা নয় সময়ে-অসময়ে ফেসবুক ব্যবহারের ফলে আমাদের অনেক কাজে বিঘ্ন ঘটতে পারে, যা আপনি কখনও সামাল দিতে পারবেন না।

তাছাড়াও মাত্রাতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহারের ফলে আমাদের অনেক সময়ই বন্ধু-বান্ধবের আড্ডাতে যাওয়া হয়না, ফলে আস্তে আস্তে বন্ধুরা আমাদের কাছ থেকে অনেক দূরে চলে যায়।

এছাড়াও ফেসবুকে আমাদের হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময়ই ফেসবুকে আমরা কোন ধরনের প্রেম করে ফেলি, আর প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মরে যাওয়ার উপক্রম হয়।
শুধু এটা নয় ফেইসবুক আমাদের কাছ থেকে যতগুলো সময় কেড়ে নিবে এইগুলো আমাদের জীবনের খাতায় আর কখনো যুক্ত হবে না।

শুধু উপরের সমস্যাগুলোই নয়, ফেসবুকের অপকারিতা গুলো মাধ্যমে আমাদের জীবনে অনেক সমস্যা দেখা দিবে।

তাই ফেসবুকের অপকারী দিকগুলো বিবেচনা করে, ফেসবুক এমনভাবে ব্যবহার করবেন যাতে করে এই ফেসবুক থেকে আপনি কখনোই কোন সমস্যার সম্মুখীন না হন।

অন্যদের মতো আপনিও কি খুঁজছেন বাংলা চটি গল্প?

অন্যদের মতো আপনিও কি খুঁজছেন বাংলা চটি গল্প?

ইন্টারনেটের এই বিশাল জগত কে আপনি চাইলে দুইভাবে ব্যবহার করতে পারেন, প্রথমত ভালো কাজে আর দ্বিতীয়ত মন্দ কাজে।

আর আপনি যদি গুগল সার্চ বারে বাংলা চটি গল্প লিখে সার্চ করে থাকেন তাহলে অনেক ধরনের চটি গল্প সমন্বিত ওয়েবসাইট আপনি দেখতে পারবেন।

এগুলো পড়া কি আসলেই বৈধ? আজকের এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা করব বাংলা চটি গল্প এর আসল রহস্য সম্পর্কে।

এগুলো হলো কাল্পনিক চরিত্রের সমন্বয়ে গঠিত গল্প বিশেষ। আপনি যখনই এরকম কোন গল্প পড়ে থাকবেন তখনই আপনার মধ্যে একটি উত্তেজনা বিরাজমান করবে।

আর এই উত্তেজনার বসে আপনি যে কোন ধরনের খারাপ কাজে লিপ্ত হয়ে যেতে পারেন। তবে আমরা যখন এই সমস্ত গল্পসমূহ পড়ি তখন আমাদের কাছে মনে হয়, হয়তো এই গল্প লেখক এর জীবনে এই ঘটনাটি ঘটেছে।

আচ্ছা কারো জীবনে এতটা খারাপ ঘটনা ঘটে যাবে এটা কখনো কি সম্ভব?? অবশ্যই না! এই চটি গল্প এর নামে প্রতিনিয়ত আমরা সম্মুখীন হচ্ছি বিভ্রান্তির।

এই গল্পগুলো পড়ার কোন সুফল আছে কি? নাকি এগুলো শুধুমাত্র কুফলে ভর্তি?

 বাংলা চটি গল্পের ইতিহাস


গল্পগুলো আসলে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মানুষ তাদের মত অন্যদেরকে খারাপ পথে পরিচালিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি করে রেখেছে।

এই গল্প গুলো আসলে অনেকটা রূপকথার গল্পের মতো, আর গল্পের সমস্ত চরিত্র গুলো রূপকথার গল্পকেও হার মানায়।

আর যখনই আপনি এগুলো খুব ভালো ভাবে মনোযোগ সহকারে পড়বেন, তখন আপনার কাছে এই অকল্পনীয় গল্পগুলোকে সত্যি বলে মনে হবে।
আর আপনি যখনই এই গল্পগুলোকে সত্যি  হিসেবে বিবেচনায় রাখবেন, তখনই এটা আপনার জীবনের উপর অনেক খারাপ একটি প্রভাব ফেলবে।

আপনি ওই সময় গুলোতে আপনার আশেপাশের যে সমস্ত মানুষেরা আছে, চটি গল্পের চরিত্র অনুযায়ী আপনি তাদেরকে বিবেচনা করবেন। এটা একটি ভয়ঙ্কর বিবেচনা।

 মানবজীবনেে চটি গল্পের প্রভাব


এ বাংলা চটি গল্প গুলো আপনার জীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে, এর মধ্যে থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিচে তুলে ধরা হলো।

যখনই আপনি অবাস্তব গল্পগুলোকে বাস্তবে আপনার চারপাশের মানুষের চরিত্রকে সেই অনুযায়ী ভাববেন, তখনই এটা আপনার জীবনের জন্য হুমকি ডেকে আনতে পারে।

এই গল্পগুলোর মধ্যে প্রায় গল্পের হেডলাইন গুলো এরকম দেয়া থাকে- পাশের বাড়ির ভাবির সাথে সেক্স, কিংবা ছেলে এবং মায়ের, ভাই এবং বোনের ইত্যাদি অবাস্তব হেডলাইন।

আপনি একবার আপনার নিজের পরিবারের দিকে নজর দিয়ে দেখুন, কিংবা আপনার প্রতিবেশি কয়েকটি পরিবারের দিকে নজর দিয়ে দেখুন।
এগুলো সম্ভব হবে কখনো? তাছাড়া
 যৌক্তিকতা হিসাব করলে এগুলো প্রায় একেবারেই অবাস্তব বললে কোন মতেই ভুল হবেনা।

আপনি কি কখনো এটা ভেবে দেখেছেন যে এই অবাস্তব গল্পগুলো আপনার মানসিকতার কতটা আঘাত হানতে পারে?

আর এই মানসিক বিপর্যয়ের কারণ গুলো এরকম হতে পারে, উদাহরণস্বরূপ আপনি ঐ সমস্ত গল্পে একটি চরিত্র পড়লেন ছেলে এবং মায়ের দৃশ্য নিয়ে।

তখন আপনি ঘরে এসে আপনার মাকে কি এভাবে বিচার করবেন? যেরকমটা আপনি চটি গল্প নামক অবাস্তব গল্পগুলো পূর্বে পড়েছিলেন।

ভেবে দেখুন আপনার মানসিকতা কতটা খারাপের দিকে অতিবাহিত হচ্ছে। শুধু এই চরিত্র ছাড়াও আপনি এরকম আরো অনেক অবাস্তব চরিত্র দেখতে পারবেন। সেগুলো পড়লে আপনি রীতিমতো চমকে উঠবেন।

শুধু মাত্র এই বিষয়গুলোই না, এগুলো যখনই আপনি পড়বেন, তখনই আপনার মনের মধ্যে এক ধরনের খারাপ কামনা এবং উত্তেজনা বিরাজমান করবে।

আর ততক্ষন পর্যন্ত এই কামনা-বাসনা গুলো শেষ হবে না যতক্ষণ না আপনি আপনার যৌন ক্ষুধা মেটাতে না পারছেন।

ফলে আপনি আপনার নিজের সাথে এরকম খারাপ কিছু করে বসবেন, যার মূল্য আপনাকে সারা জীবন ধরে দিতে হবে।

শুধু এটা নয় এ চটি গল্প নামক খারাপ বিষয়গুলো আপনার ব্যক্তিগত জীবনে অনেক বেশি ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলবে। আপনি ড্রাগস নামক অ্যাডিকশন এর মতই এই চটি গল্পের দুনিয়া পুরোপুরি আসক্ত হয়ে যেতে পারেন।

অন্যদের মতো আপনিও কি খুঁজছেন বাংলা চটি গল্প?

এছাড়াও এই গল্পগুলো পড়ার কারণে আপনি হস্তমৈথুন নামক এক মারাত্মক নেশায় আসক্ত হয়ে যেতে পারেন। এতে আপনার সমস্ত যৌন শক্তি চলে যাবে।

এই চটি গল্প নামক গল্প গুলো হয়তো আপনি খুব বেশি হলে আপনার বিয়ে না হওয়া অবধি পড়তে পারেন। কিন্তু যে যৌন শক্তি আপনি এই গল্প পড়ে হারিয়ে ফেলবেন, তাকে আর কখনো ফিরে পাবেন?

তাই সময় থাকতে আপনাকে অবশ্যই এই নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

৬টি লাইফ হ্যাকস যা আপনাকে ব্যক্তিত্ববান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে|

৬টি লাইফ হ্যাকস যা আপনাকে ব্যক্তিত্ববান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে|

আপনি আসলে কি ধরনের মানুষ বা কেউ আপনার কাছ থেকে কতটুকু ইম্প্রেশন আদায় করে নিতে পারবে এবং আপনার প্রিয় মানুষ হতে পারবে, এটা একান্তই নির্ভর করে আপনার ব্যবহারের উপরে।

ব্যক্তিত্ব বলতে আসলে একদম সোজা এবং স্পষ্ট অর্থ  যে ব্যাপারটি বুঝা যায় সেটা হল আপনার চরিত্রের সমষ্টি।

আর এই কঠোর এবং প্রতিনিয়ত অনিয়মের বেড়াজালে আটকে সমাজে আপনি তখনই টিকে থাকতে পারবেন, যখন আপনি একজন ব্যক্তিত্ববান মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে সক্ষম হবেন।

সমাজের নিয়ম কানুনের বেড়াজালে চলার পথে আপনাকে নানান রকমের  মানুষের সাথে  পরিচয় হতে পারে। আর আপনাকে এই মানুষগুলোকে অবশ্যই এড়িয়ে চললে হবে না।

এই মানুষগুলোর সাথে আপনাকে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করতে হবে, যাতে করে আপনি তার মন জয় করে নিতে পারেন। এটা একটা লাইফ হ্যাকস বললেও ভুল হবে না।

কারণ চলার পথে আপনি যখন পূর্বের মতই অনেকগুলো মানুষের মন জয় করে নিতে পারবেন, তখন এই সমাজে আপনার অন্যরকম স্থান প্রতিষ্ঠিত হবে।
সমাজের মানুষগুলো আপনাকে বসিয়ে রাখবে শ্রদ্ধার চরম সিংহাসনে। আর এগুলো কখন হবে জানেন কি? অবশ্যই যখন আপনি একজন ব্যক্তিত্ববান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবেন?

 এবার আপনার মনের মধ্যে একটু হলেও কি ব্যক্তিত্ববান মানুষ হওয়ার ইচ্ছা জেগেছে? আপনি কি ব্যক্তিত্ববান মানুষ হয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে চান?

তাহলে আজকের দেয়া এই পুরোপুরি গাইডলাইন দেখে নিতে পারেন। যাতে করে আপনিও হয়ে উঠবেন একজন সফল ব্যক্তিত্ববান মানুষ।


 সব সময় পজিটিভলি ভাবুন


আপনি যদি এরকম কোন সিচুয়েশনে মধ্যে পড়েন , যেখানে এমন একটি অবস্থা তৈরি হয় এটা করত  হবে নয়ত মরতে হবে। 

তাহলে এই অবস্থার মধ্যে থাকলে আপনি কি করবেন? অবশ্যই আপনি ভয়ে বিভ্রান্ত হয়ে বলবেন- যেখানে হারা সম্ভাবনাটাই বেশি, সেখানে এই কাজটি জীবন বাজি রেখে করে কি লাভ হবে?

আপনার মধ্যেও যদি এরকম কোন ইচ্ছা তখনকার সময় লাগে তাহলে ভেবে নিবেন আপনি কখনোই একজন ব্যক্তিত্ববান মানুষ হয়ে উঠতে পারবেন না।

কারণ সমস্ত ব্যক্তিত্ববান মানুষেরা এই সময় গুলোকে  নিজের সফল হওয়ার একমাত্র চাবিকাঠি হিসেবে বেছে নিয়েছিল।

তাছাড়া যেকোন সময় ইতিবাচক মনোভাব পোষন করেছিলো, আর আপনিও তখনই একজন ব্যক্তিত্ববান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবেন যখন আপনি আপনার মনের মধ্যে সবসময় ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করবেন।

এরকম শুধু সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় নয়, জীবনে চলার পথে আপনি ঠিক একই রকম অনেক অবস্থার সম্মুখীন হতে পারেন। এ সময় গুলোতে আপনার হাল ছেড়ে দেয়া কখনোই ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে  তুলতে সাহায্য করবেনা।


 অন্যদের কথার গুরুত্বারোপ করুন


এরকম অনেক ব্যক্তি আছে তাদের মনের মধ্যে এই কথাটি পোষণ করে যে- সবার বক্তব্য শোনার কি দরকার? আমি যতটা পারি কিংবা বুঝি ততটা ও কি বুঝে?

একজন ব্যক্তিত্ববান মানুষ কখনো এটা করবে না। কারণ আপনি যদি ব্যক্তিত্ববান মানুষ হতে চাইবে পরক্ষণেই  আপনাকে অবশ্যই একজন ভালো শ্রোতা হতে হবে।

আর আপনি যখন একজন ভালো শ্রোতা হয়ে গড়ে উঠবে তখনই দেখবেন যে আপনি এরকম অনেক কিছু শিখে গেছেন, যা আপনি আগে কখনোই জানতেন না।
আর তাই আপনি চারিদিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন ব্যক্তিত্ববান মানুষেরা সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় কিংবা সফলতার দিক থেকে অন্যদের তুলনায় বহুগুণ এগিয়ে।

এজন্য আপনি যখনই ব্যক্তিত্ববান হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করবেন তখনই আপনাকে অন্যদের সমস্ত কথা কে প্রাধান্য দিতে হবে। এবং এরপর যে কথাগুলোকে আপনার ভাল মনে হয় সে কথাগুলোকে মান্য করার চেষ্টা করবেন।

ব্যক্তিত্ববান মানুষ হতে গেলে আপনাকে অবশ্যই সমস্ত বিষয় একজন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে করতে হবে।


 হয়ে উঠুন আত্নবিশ্বাসী 


কখনো সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এরকম টা কি মনে হয়-আমি কি পারব? এরকম চিন্তা ভাবনা যদি আপনার মনের মধ্যে একটু থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি আত্মবিশ্বাসী মানুষের অন্তর্ভুক্ত নন।

কারণ ব্যক্তিত্ববান মানুষেরা অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী দের মধ্যে অন্যতম হয়ে থাকে। যখনই আপনি কোন সিদ্ধান্ত নিবেন এই সিদ্ধান্তগুলো সত্যতা যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে আপনি আত্মবিশ্বাসী দের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন।

বিষয়টিকে একেবারে কি আর করা যাক পড়াশুনার ব্যাপারে মাধ্যমে।তাহলে আপনি হয়তো এটা নিয়ে আরেকটু বেশি ভাবার চেষ্টা করবেন।

উদাহরণস্বরূপ আপনি একজন ছাত্র, পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন আপনার হয়তো কমন এসেছে। কিন্তু আপনি আত্মবিশ্বাসী নন।
ফলে আপনি আপনার নিজের জানা উত্তরটি না লিখে অন্যদের খাতা দেখে লেখা শুরু করলেন, এবং বাড়িতে এসে দেখলেন সবগুলোই ভুল। আর আপনি যেটা জানতেন সেটাই সঠিক ছিল।

এবার আপনার অবস্থাটা ভাবুন। আপনি ওই সময় গুলোতে কতটা খারাপ জীবন যাপন করবেন, যে সময় আপনার কাছে বিন্দুমাত্র আত্মবিশ্বাস থাকবে না।

আর যখনই আপনি খারাপ জীবন যাপন করবেন তখন এটা ভেবে নিবেন যে, আপনি ব্যক্তিত্ববান মানুষের অন্তর্ভুক্ত নন।( বিষয়টা তীষ্নভাবে ভাবুন)


 সময়ের যথাযথ মুল্যায়ন 


একটি প্রবাদ বাক্য আমরা প্রায় সকলেই জানি- সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না" আপনি যখন ব্যক্তিত্ববান মানুষ একজন সফল মানুষ হতে চাইবেন, তখনই আপনাকে সময়ের দিকে বেশি নজর রাখতে হবে।

কারণ আপনি হয়তো এটা জানেন যে সময়টা চলে যাবে সেটা আর কখনো হাজার-লক্ষ চেষ্টার পরেও ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।

আপনি যখন এই সময়টিতে আজকের এই পোস্টটি পড়ছেন, তখন হয়তো আপনার জীবন থেকে আরও কিছু সময় চলে যাচ্ছে। এই সময় গুলোকে আর কি ফিরে পাবেন?

তাই সবারই উচিত সময়কে যথাযথ মূল্যায়ন করে সৎ ভাবে একজন ব্যক্তিত্ববান মানুষের পথ মতই সর্বদা ভালো পথে চলা।

আর ব্যক্তিত্ববান মানুষের সময় কে যথাযথ মূল্যায়ন করেছে, এবার আপনি যদি ব্যক্তিত্ববান মানুষ হতে চান তাহলে আপনাকেও তা মূল্যায়ন করতে হবে।


বাড়িয়ে দিন সহযোগিতার হাত  


আপনি যদি সমাজে এরকম অসহায় নিরস্ত্র মানুষদের কে দেখতে পারেন এবং আপনার তাদের জন্য কিছু করার মত সামর্থ্য থাকে তাহলে আপনি তাদের পাশে দাঁড়ান।

এতে করে আপনি যখন অন্যের দিকে সহানুভূতিশীল নজরে দেখবেন তখন সৃষ্টিকর্তা আপনার উপর রহমত বর্ষিত করবেন।



তাছাড়াও এটা ব্যক্তিত্ববান মানুষের সবচেয়ে ভালো গুণ গুলোর মধ্যে একটি। ব্যক্তিত্ববান মানুষেরা অবশ্যই অন্যের বিপদে পাশে দাঁড়ায়,এবং সে ওই মানুষটিকে বিপদ থেকে মুক্তি হওয়ার পথ বেছে দেয়।

আপনাকেও এরকম করতে হবে, অন্যের বিপদে আপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।


 আপনার কথার মুল্য

 এরকম অনেক বাচাল বিদ্যমান যারা প্রতিনিয়ত অবাঞ্ছিত টপিক নিয়ে কথা বলা শুরু করে এবং অন্যের কথার মধ্যে নিজেরা তাদের মতামতকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

এটা আসলে খুবই খারাপ একটি বিষয়।  অন্যান্য মানুষেরা যে বিষয়গুলোকে সবচেয়ে বেশি খারাপ নজরে দেখে তার মধ্যে একটি হলো অযথা কথাবার্তা বলা।

ব্যক্তিত্ববান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হলে আপনাকে অবশ্যই আপনার কথার মূল্য বুঝতে হবে, যত্রতত্র যেকোনো কথা বললেই চলবে না।

কারণ তারা হুট করে কোন কথা বলে না এবং অযথা যেকোনো ধরনের মন্তব্য থেকে তারা বিরত থাকে।

আর উপরের প্রত্যেকটি বিষয় যখন আপনার রক্তের সাথে মিশে যাবে, তখনই আপনি এটা মনে করবেন যে আপনি ব্যক্তিত্ববান মানুষ হয়ে গড়ে উঠেছেন।