বাংলাদেশ অনলাইন শপিং | অনলাইনে কেনাকাটার ওয়েবসাইট |


যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে প্রায় অনেকটাই ইন্টারনেটনির্ভর হয়েছে। 

অর্থাৎ বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের কার্যকলাপ ইন্টারনেটের মাধ্যমে সম্পাদন করতে গ্রাহককে উদ্ভুদ্ধ করছে।

বিষয়টা এরকম যে আপনি পূর্বে যখন আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করতেন, তখন বাধ্যতামূলকভাবে আপনাকে মার্কেটে গিয়ে সময় এবং থাকা দুটি এক্সট্রা খরচ করার মাধ্যমে তা নিজের আয়ত্বে নিয়ে আনতে হতো কিন্তু বর্তমান সময়ে এটা মোটেও হচ্ছে না।

অর্থাৎ বর্তমান সময় আপনি চাইলে বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের ই কমার্স প্রতিষ্ঠানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে ঘরে বসেই অনলাইন শপিং করতে পারবেন, আর এক্ষেত্রে আপনার সময় এবং টাকা দুটি অপচয় রোধ হবে।

অনলাইন শপিং কি?


অনলাইন শপিং হল মূলত সেই শপিং ব্যবস্থা যার মাধ্যমে আপনি ঘরে বসেই আপনার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য গুলো আপনার কাছে নিয়ে আসতে পারেন।

অর্থাৎ এক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর সহযোগিতায় ঘরে বসেই আপনার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য গুলো নিজের কাছে নিয়ে আসতে পারেন।

শুধু তারা নয় আপনি যদি অনলাইন শপিং এর মাধ্যমে আপনার নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো ক্রয় করেন, তাহলে আপনি নানা সময় অনেক বড় অংকের ডিসকাউন্ট এর সাথে পণ্যগুলো ক্রয় করতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো সহযোগিতায় আপনার প্রোডাক্ট গুলো একদম সুলভ মূল্যে ক্রয় করা ছাড়াও একটি প্রোডাক্ট ক্রয় করলে আরেকটি প্রোডাক্ট একদম বিনামূল্যে পাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

তাছাড়াও বাংলাদেশ এরকম অনেক অনলাইন শপিং সেন্টার রয়েছে যেগুলো আপনাকে খুবই কম মূল্যে এবং ডেলিভারি চার্জ এর ক্ষেত্রে খুব কম মূল্য পরিশোধ করার মাধ্যমে আপনার পন্য আপনার কাছে পৌঁছে দেবে।

বাংলাদেশ অনলাইন শপিং এর সুবিধাঃ


আপনি যদি মার্কেটে গিয়ে এমন তেমন একটি ভালো অনুভব না করেন, অর্থাৎ আপনি যদি মার্কেটে যাওয়ার পরে যেকোনো জায়গায় নতুন হন এবং আপনার কাছ থেকে তারা হয়তো তখন এক্সট্রা টাকা নিতে পারে।

বিষয়টা এরকম অনেক জায়গায় আপনি 
যেকোনো ধরনের একটি প্রোডাক্ট কিনতে আপনার বেশি টাকা খরচ হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি বাধ্যতামূলক ওই প্রোডাক্ট কম টাকার হওয়া সত্ত্বেও তা বেশি টাকার বিনিময় করতে হয়।

তবে আপনি যদি বাংলাদেশ অনলাইন শপিং যে সমস্ত সেন্টারগুলো রয়েছে সেগুলো সাহায্য নেন তাহলে আপনি আপনার পছন্দের প্রোডাক্ট এর সঠিক মূল্য অন্যান্য যে সমস্ত ওয়েবসাইট রয়েছে সে সমস্ত ওয়েবসাইট রয়েছে সেই ওয়েবসাইটগুলো সহযোগিতায় জেনে নিতে পারবেন।

এতে করে যেকোনো ধরনের বাংলাদেশের অনলাইন শপিং সেন্টার আপনার কাছ থেকে বেশি টাকা নেয়া থেকে কম হলেও 100 হাত দূরে অবস্থান করবে। 

কারণ আপনি তখন ওই প্রোডাক্টের সঠিক দাম পূর্ব থেকে জেনে নিতে পারবেন।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অনলাইন শপিং সেন্টার যেগুলো রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম কয়েকটি শপিং সেন্টারের সহযোগিতা আপনি চাইলে নিতে পারেন যার লিংক আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি।


এই সমস্ত শপিং সেন্টার গুলোর মধ্যে যে কোনো একটিতে প্রবেশ করার পরে যখনই আপনি আপনার পছন্দের প্রোডাক্ট এর নাম লিখে সার্চ করবেন তখনই আপনি তা পেয়ে যাবেন। 

এবং এর পরে আপনি এই সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে যখন নতুন একটি একাউন্ট খুলে ফেলবেন, তখন আপনি এর সহযোগিতায় ক্যাশ অন ডেলিভারি অথবা প্রথমে টাকা প্রদানের মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট আপনার কাছে নিয়ে আসতে পারবেন।

বাংলাদেশ অনলাইন শপিং | অনলাইনে কেনাকাটার ওয়েবসাইট |

আপনি যখন আপনার পছন্দের শপিংয়ের জিনিসটি আপনার চ্যার্টে যোগ করে নিবেন, তখন আপনি কয়েক দিন অথবা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এটা আপনার নিজের কাছে নিয়ে আসতে পারবেন।

উপরে উল্লেখিত যে সমস্ত ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক আমি দিয়েছি সেই ওয়েবসাইটগুলো থেকে বাংলাদেশে বসেই আপনি খুব সহজে অনলাইন শপিং পরিচালনা করতে পারবেন।

অথবা আপনার যদি কোন প্রিয় জন থাকে এবং আপনি যদি ঘরে বসে আর মাধ্যমে তাকে গিফট করতে চান এবং তার বাড়ি অব্দি এই শপিং এর জিনিসটি পৌঁছে দিতে চান তাহলে আপনি বাংলাদেশের অনলাইন শপিং যে সমস্ত সাইট গুলো রয়েছে সেগুলো সহযোগিতা নিতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনি যখনই আপনার পছন্দের প্রোডাক্ট বেছে নিবেন, তখন আপনি তাদেরকে আপনার লোকেশন এর এড্রেস দিতে হবে। 

তারপরে আপনি যদি প্রেমেন্ট করে দেন অথবা আপনি এটা চার্জ ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমে এটা আপনার কাছে তারা পৌঁছে দেয় তাহলে আপনি সেটা পারবেন।

মোটকথা হলোঃ এটা যে আপনি বাংলাদেশের অনলাইন শপিং সেন্টার গুলো সহযোগিতায় ঘরে বসেই আপনার পছন্দের জিনিসপত্র আপনার নিজের আয়ত্তে নিয়ে আসতে পারবেন এতে আপনার সময় এবং খরচ দুটি কম লাগবে।

তাই আর দেরি না করে এখনি উপরে উল্লেখিত পন্থা ব্যবহার করার মাধ্যমে বাংলাদেশের অনলাইন শপিং সেন্টার গুলোর সহযোগিতা নিয়ে ঘরে বসেই কেনাকাটা করুন।

এছাড়াও যেহেতু আপনি  ক্যাশ অন ডেলিভারি মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট নিজের কাছে নিয়ে আসতে পারবেন সেখানে দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নেই।

জীবনের মানে কি?

জীবনের মানে কি?

জীবন মানে কি এর সঠিক সংজ্ঞা দেয়া মোটেও সম্ভব নয়। তবুও এটা বলা যায় যে আপনি মাত্র একবারই এই পৃথিবীতে আসতে পারবেন। 

আর এই পৃথিবী থেকে যদি আপনি একেবারে চিরতরে বিদায় হয়ে যান তাহলে আপনি আর কখনো এই পৃথিবীতে আসতে পারবেন না।

অনেকে এটা মনে করেন যে জীবন মানে একটি প্রেম মরন খেলা, যা দাড়ায় এরকম- প্রেমে ব্যর্থ হয়েছেন তো গলায় দড়ি দিয়ে মরে যান কিংবা ইদুরের ঔষধ খেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ুন- মূলত এটা কতটা  যৌক্তিক?

আপনি একটা জিনিস লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন যে আজকে আপনার কাছে যে জিনিসটা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে। 

এই জিনিসটার বদৌলতে আপনি এটা ভাবছেন যে পুরো পৃথিবী টিকে যদি বিক্রি করেও এই জিনিসটা করার করা যায় তাহলে আমি খুশি, কিন্তু একটা সময়ে এসে আপনি একটা লক্ষ্য করবেন যে এই অতি পছন্দের জিনিসটা আপনার কাছে বিষাদ লাগছে। 

আপনি পূর্বে যে জিনিসটার জন্য পুরো পৃথিবীটা বিক্রি করে দিতেও একটুও দ্বিধাগ্রস্থ হননি এখন আপনি এই বিষয়টির কথা শুনে হাসতে হাসতে একেবারে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন,  কি ভাই এই জিনিসগুলো? 

এখানে একটি বিষয় কাজ করেছে সেটা কি জানেন - এই বিষয়টি হলো "সময়" অর্থাৎ সময় সবকিছু পরিবর্তন করে দেয়।

আপনার অতি পছন্দের জিনিসও কোন একটা সময়ে এসে এগুলোকে হাস্যকর করে তোলে। 

তাই আপনার জীবনের মূল্য অনেক, এক্ষেত্রে আপনি যখনই কোন কিছুর বদৌলতে একটি ডিসিশন নিতে চাইবেন তখন একটু সময় করে ভাববেন। 

আপনি যা করতে চাইছেন সেটা কি আদৌ বৈধ?  এটা কি আপনার জীবনে সুখ স্বাচ্ছন্দ নিয়ে আসতে পারে? কিংবা এটা কি আপনার জীবনের জন্য উত্তম সমাধান? 

বিশ্বাস করেন এই জিনিসগুলো যদি আপনি একবার ভাবেন তাহলে আপনি মোটেও ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না।

জীবন মানে কি? 


"জীবন মানে একটাই সুযোগ পৃথিবীতে আপনার একটি অস্থিত্ব রেখে যাওয়ার"

"জীবন মানে একটাই সুযোগ নিজেকে সবার সামনে ভালো ভাবে তুলে ধরার!"

"জীবন মানে একটাই সুযোগ এই কর্কট আকীর্ণ পৃথিবীতে নিজের আস্তরণ করে তোলার!"

"জীবন মানে একটাই সুযোগ হার না মেনে এগিয়ে চলার!"

অর্থাৎ আপনাকে জীবনে হেরে গেলে চলবে না, আপনাকে অবশ্যই যেকোনো ধরনের খারাপ মুহূর্তে মাথাচাড়া দিয়ে দাঁড়াতে হবে। 

ভুলে যেতে হবে আপনি খারাপ সময়ে ছিলেন, এটা সবসময় মনে রাখবেন খারাপ সময় গুলো ক্ষণিকের জন্য আর এর থেকে শিক্ষা নেওয়া বিষয়গুলো সারাজীবন আপনার সফলতার চাবিকাঠি হিসেবে থেকে যায়।

জীবন মানে কি শুধুই কষ্ট?


অনেকেই এটা মনে করেন যে জীবন মানে শুধু কষ্ট? কষ্টের জীবন রেখে আর কি লাভ কি দরকার শুধু শুধু এত কষ্টের স্বাদ ভোগ করা?

আপনি তো মনে করেন যে আপনার জীবন কষ্টের আঁধারে ডুবে গেছে, আপনিই ধামাচাপা জীবনে শুধু কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছেন, সুখের আকাশের নীড় যেন আপনার জীবনে ধরাই দিচ্ছে না।

এটা আসলে ভুল ধারণা, কষ্টের পরে সুখ আসে, আর সুখের পরে দুঃখ জীবনটা এরকমই। 

আপনি যখনই অতি দুঃখের মধ্যে জীবন যাপন করবেন তখন এটা ভুলে যাবেন যে সুখ আসলে কী?  ঠিক একই রকম ভাবে আপনি যখন অতি বিলাসিতা এবং সুখের মধ্যে জীবন যাপন করবেন তখন এটা ভুলেই যাবেন যে দুঃখ জিনিসটা আসলে কি?

এটাই জীবনের নিয়ম জীবনটা হলো সুখ-দুঃখের মধ্যে গড়ে ওঠা একটি ক্ষনিকের প্রান ভোমরা ভোমরা। যা ঠিকে থাকবে যতক্ষণ আপনার শ্বাস থাকবে ততক্ষণই।'

তাই দুঃখে কখনো হেরে যাবেন না, দুঃখগুলোকে বুক চেপে রাখুন এবং শত কষ্ট বুকে রেখে মুখ দিয়ে এক ফালি হাসি বের করে বলুন: এইতো বেশ ভালোই আছি।'

আর এটাই জীবন, জীবনের মানে কি তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ।

Paypal কি? বাংলাদেশে কি Paypal সাপোর্ট করে?

Paypal কি? বাংলাদেশে কি Paypal সাপোর্ট করে?

আমাদের অনেকেরই মনের মধ্যে প্রশ্ন জাগে পেপাল আসলে কি এটি দিয়ে কি করে?  বাংলাদেশ থেকে পেপাল একাউন্ট কি তৈরি করা যায়।

এই সমস্ত নানা ধরনের হিসাব সমীকরণে আমরা হিমশিম খেয়ে যাই, তবে আজকের এই পোস্টটিতে আমি এ সমস্ত সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যা অবশ্যই আপনার কাজে আসবে।

Paypal কি? 


আপনি যখন ইন্টারনেট কে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন ওয়েবসাইট থেকে কিছু ডলার আয় করেন। 

এবং সেই ওয়েবসাইটের লোকেশন যদি ভিন্ন দেশের হয় তাহলে আপনাকে ওই ডলার টুকু নিজের কাছে আনতে বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট মেথড এর সহযোগিতা নিতে হয়। 

অথবা আপনি যদি বাইরের কোন দেশ থেকে কোন কিছু ক্রয় করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ওই দেশের কিছু পেমেন্ট মেথড অথবা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট মেথড হিসেবে বেশ কয়েকটি পেমেন্ট মেথড এর সম্মুখীন হতে হয়। 

যার মধ্যে পেপাল অন্যতম। আপনি চাইলে পেপালের মাধ্যমে যেকোনো দেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে ডলার ভাগাভাগি করতে পারেন। 

অথবা আপনার আয়কৃত ডলার গুলোকে নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসতে পারেন।

সবকিছু মিলিয়ে পেপাল হলো এমন একটি সেবাদানকারী ভার্চুয়াল পেমেন্ট মেথড যার মাধ্যমে আপনি চাইলে আন্তর্জাতিকভাবে যে কারো সাথে টাকা লেনদেন করতে পারেন। 

এবং এটি একদম সহজ উপায়ে আপনি করতে পারবেন পুরোপুরি সিকিউরিটির সাথে।

আশা করি এবার আপনি Paypal কি?  এই প্রশ্নটি যথাযথ উত্তর পেয়েছেন।

Paypal কি এ প্রশ্নটি যথাযথ উত্তর পাওয়ার পরে আপনার মনের অগোচরে হয়তো আরেকটি প্রশ্ন বাসা বেধেছে আর সেটি হলোঃ বাংলাদেশে কি Paypal সাপোর্ট করে? 

এই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর পেতে হলে আপনি পোস্টটি কন্টিনিউ পড়ে যান, আশা করি পোস্ট এর যেকোনো একটি অংশে আপনি এর যথাযথ উত্তর পেয়ে যাবেন।

বাংলাদেশে কি Paypal সাপোর্ট করে? 


পূর্বের কিছু সময় আপনি বাংলাদেশ থেকে পেপাল এর সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে না পারলেও এখন আপনি নানা ধরনের ট্রিক ফলো করার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে পেপাল একাউন্ট তৈরী করতে পারেন। 

এবং তারপরে এটিকে বাংলাদেশ ব্যবহারযোগ্য গড়ে তুলতে পারেন এক্ষেত্রে আপনাকে সর্বপ্রথম কিছু টিপস এবং ট্রিক ফলো করার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে একটি পেপাল একাউন্ট তৈরী করতে হবে। 

এবং তারপরে আপনাকে একাউন্ট ভেরিফাই করার মাধ্যমে আপনার ডেবিট কার্ড ক্রেডিট কার্ডের লিঙ্ক যুক্ত করার মাধ্যমে এটিকে পুরোপুরি বাংলাদেশের জন্য উপযোগী করে তুলতে হবে। 

আপনি চাইলে আপনার পেপাল অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো ধরনের প্রতিষ্ঠানের সাথে লেনদেন করতে পারবেন এবং এটি খুব সহজেই করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে সর্ব প্রথমে যে কাজটি করতে হয় সেটি হলো আপনাকে অবশ্যই একটি পেপাল একাউন্ট তৈরী করতে হয়।

আর কিভাবে একটি পেপাল একাউন্ট তৈরী করতে হয়?  এটা নিয়ে এই ব্লগে একটি আর্টিকেল লেখা হয়েছে। 

আশাকরি আপনি নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে আর্টিকেলটি পড়ে আপনার জীবনের প্রথম ইন্টার্নেশনাল পেমেন্ট মেথড পেপাল একাউন্ট তৈরী করতে পারবেন।

Paypal Account কিভাবে খুলতে হয়?

উপরে উল্লেখিত উপায় আপনি যদি পেপাল একাউন্ট তৈরী করেন তাহলে আপনি এটি যেকোনো দেশে ব্যবহার করতে পারবেন। 

এবং অনলাইন থেকে আয়কৃত আপনার টাকা গুলো কে পেমেন্ট মেথড হিসেবে পেপাল দ্বারা পরিশোধ করতে পারবেন অথবা নিজের কাছে আনতে পারবেন।

তাই বিষয়টি এখন হয়তো স্পষ্ট যে বাংলাদেশে কি paypal সাপোর্ট করে?  এই প্রশ্নের জবাবটি আপনি পেয়ে গেছেন। 

অর্থাৎ বাংলাদেশের অবশ্যই পেপাল সাপোর্ট করে এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয় যা অনেকেই জানেনা বলে এটা মেনে নিয়েছে বাংলাদেশে পেপাল সাপোর্ট করে না।

তবে বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করার ক্ষেত্রে আপনাকে নানান সময়ে বিভিন্ন ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হয় যেগুলোর আংশিক চিত্র আমি নিচে তুলে ধরছিঃ

▪ আপনি যদি ভুয়া ইনফরমেশন দ্বারা একটি পেপাল একাউন্ট খুলেন এবং এগুলোকে যথাযথভাবে ভেরিফাই না করেন। তাহলে যখন আপনি মোটা অংকের টাকা এর মাধ্যমে লেনদেন করবেন তখন আপনি নানা ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন।

আপনি যখনই দেখবেন মোটা অংকের টাকা পেপালের মাধ্যমে নিজের আয়ত্তে আনতে চাইছেন তখনই তারা সাধারণত আপনার ফটো স্ক্যান করতে পারে। 

তবে আপনি যদি ভুয়া ইনফরমেশন দিয়ে একটি পেপাল একাউন্ট তৈরী করেন তাহলে আপনি কোথায় রিয়াল ইনফরমেশন যুক্ত ফটো পাবেন? আর এটি স্ক্যান করার ক্ষেত্রে কিভাবে তাদেরকে সাহায্য করবেন?

এই সমস্যাটি হওয়ার মূল কারণ হলো এখনো বাংলাদেশ থেকে পুরোপুরি ভাবে পেপাল এর গ্রহণযোগ্যতা আমলে নেয়া হয়নি। তাই আপনি বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

তবে এক্ষেত্রে যে বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করা পুরোপুরি বিপদের কারণ হবে তা কিন্তু নয় এগুলো আংশিক চিত্র হলেও হতে পারে।

তাহলে এবার আশা করা যায় আপনি পেপার সংক্রান্ত যে বিষয়গুলো নিয়ে শঙ্কিত অবস্থায় ছিলেন সেগুলো সঠিক জবাব পেয়ে গেছেন। 

আপনি এ সম্পর্কে পুরোপুরি জেনে গেছেন Paypal কি? এবং বাংলাদেশে কি paypal সাপোর্ট করে? 

শেয়ার মার্কেট | শেয়ার বাজারের নিয়ম কানুন |

শেয়ার মার্কেট | শেয়ার বাজারের নিয়ম কানুন |

শেয়ার মার্কেট আসলে কি? শেয়ার বাজারের নিয়ম গুলো কি এর সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে প্রতিনিয়ত এদিক থেকে ওদিক ঘুরতে হয়।

আপনি হয়তো এখনও শেয়ার মার্কেট এর আসল সমীকরণ সম্পর্কে জানতে পারেননি, যা মোটেও কাম্য নয়। 

তবে আপনি চাইলে আজকের এই পোস্ট এর মাধ্যমে শেয়ার মার্কেট কি? এবং শেয়ার মার্কেটে নিয়মকানুনগুলো কি কি? সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা নিতে পারবেন।

শেয়ার মার্কেট কি?


শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমত আপনাকে পাঁচটি বিষয়ে অবশ্যই জানতে হবে সেগুলো হলো:

▪ কোম্পানি
▪ IPO
▪ স্টক এক্সচেঞ্জ
▪ সেকেন্ডারি মার্কেট
▪ ইন্ডেক্স বা সূচক

কোম্পানিঃ


প্রথমে আপনাকে একটি কোম্পানির নাম সিলেক্ট করতে হয়। তবে এখানে এই বিষয়টি অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে, আপনি কখনোই এককভাবে কোনো কোম্পানির তৈরি করতে পারবেন না।

এক্ষেত্রে আপনাকে কমপক্ষে দুইজন থেকে সর্বোচ্চ 50 জন নিয়ে একটি কোম্পানি তৈরি করতে পারেন।

এছাড়াও আপনার কোম্পানীর জন্য একটি ছাড়পত্র নিতে হবে অর্থাৎ আপনাকে এটা প্রমাণ করতে হবে যে আপনার আর অন্য কোন কোম্পানি নেই।

এটা যখন নিশ্চিত হয়ে যাবেন তখন আপনি আপনার কোম্পানির জীবন বৃত্তান্ত করতে পারবেন।

এরপর আপনার কোম্পানির কাজের ধারা বর্ণনা করতে হবে অর্থাৎ কোন কোন কাজে আপনার কোম্পানি ইনভেস্ট করবে কত পারসেন্ট ইনভেস্ট করবে সহ আরো নানা যাবতীয় বিষয়গুলো।

এরপরে আপনাকে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই বর্ণনা করতে হয় আর সেটা হলো আপনি সর্বনিম্ন কত টাকা অব্দি ইনভেস্ট করতে পারবেন। 

এবং সর্বোচ্চ কত টাকা ইনভেস্ট করতে পারবেন যাকে বলা হয় অথরাইজড ক্যাপিটাল।

IPO:


আপনি যদি আপনার ব্যাংক থেকে 10 পার্সেন্ট টাকা উঠাতে চান এবং এটা বাজারে ছেড়ে দেন তাহলে এতে যদি কোন সাধারণ ভুক্তভোগী গ্রহণ করে তাহলে এটাকে বলা হয় IPO. 

যার মানে হলঃ Initial Public offering"

তবে বিষয়টা এরকম না যে আপনি আজকেই চাইছেন আর আজকে টাকাগুলো উঠাতে পারবেন। এটি সাধারণত ছয় মাস থেকে তিন বছর অব্দি লেগে যেতে পারে।

যখন তারা এটা বলবে যে আপনি আইপিও ছাড়ার জন্য উপযুক্ত তখনই আপনি আইপিও ছাড়তে পারবেন।

স্টক এক্সচেঞ্জ:


স্টক এক্সচেঞ্জ  একদা ছিল বিভিন্ন কোম্পানির ‘স্টক’ ব্যবসার কেন্দ্র। কিন্তু বর্তমানে স্টক এক্সচেঞ্জ কম্পিউটার নির্ভর স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাসম্পন্ন শেয়ার ব্যবসার একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে। 

সেকেন্ডারি মার্কেট:


সেকেন্ডারি মার্কেট সাধারণত একটি অর্থনৈতিক অবস্থা পরিমাপের সাহায্য করে, এটি শেয়ার বাজারের দাম বৃদ্ধি কিংবা কমে যাওয়ার ইশারা-ইঙ্গিত করে।

এর মাধ্যমে স্টক সহজেই বিক্রয় এবং ক্রয় করা যেতে পারে।

তাহলে আশা করা যায় শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে আপনি যথাযথ ধারণা পেয়েছেন যা আপনি আগে জানতেন না।

শেয়ার মার্কেটে নিয়ম কানুনঃ


যেকোনো কিছু ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট নিয়মকানুন রয়েছে তেমনি শেয়ার মার্কেটের নিয়ম-কানুন রয়েছে। 

এগুলো অবশ্যই আপনাকে মানতে হবে অন্যথায় আপনি শেয়ার মার্কেটে প্রবেশ করতে পারবেন না।

▪ আপনাকে অবশ্যই বিশ্লেষণ করতে শিখতে হবে
▪ কোম্পানির হিসাব যাচাই করতে হবে
▪ শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে কোম্পানির মূলভিত্তি দেখে কিনা
▪ EPS দেখুন। যে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বেশি এবং নেট অ্যাসেট ভ্যালু বেশি।
▪ মোট শেয়ারের সংখ্যা দেখুন আর দেখুন এটি কতজন পাবলিকের হাতে
▪ যেকোনো ধরনের গুজব এড়িয়ে চলতে হবে গুজবে কান দিলে চলবে না

তাহলে আশা করা যায় উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো থেকে আপনি সহজেই জেনে নিয়েছেন শেয়ার মার্কেট কি? এবং  শেয়ার বাজারের এর নিয়ম কানুন গুলো সম্পর্কে যতেষ্ট সচেষ্ট হয়েছেন।

হ্যালো গুগল | গুগল কিভাবে কাজ করে? জানুন পরিপূর্ণ গাইড |

হ্যালো গুগল | গুগল কিভাবে কাজ করে? জানুন পরিপূর্ণ গাইড |

গুগলে আপনি যে কোন কিছু সার্চ করার পরেও আপনি ওই সম্পর্কিত অনেকগুলো তথ্য পেয়ে যান। 

গুগল এগুলো কিভাবে দেয়?  বা গুগল কিভাবে  আপনার ওই রিলেটিভ সমস্যাগুলো সমাধান হিসেবে এই সম্পর্কিত তথ্যাদি আপনার সামনে উপস্থাপন করে। 

গুগলের কাছে কি কোন সুপার পাওয়ার রয়েছে নাকি?  গুগল জাদু জানে?  বিষয়টা এরকম যে আপনার যে কোন ধরনের সমস্যার সমাধান হিসেবে গুগল সর্বোত্তম চেষ্টা করে যাচ্ছে। 

গুগল কি এই রিলেটেড আর্টিকেলগুলো লিখে কিংবা আপনার যেকোনো সমস্যার জন্য গুগল কে সমস্ত আর্টিকেল পাবলিশ করার জন্য সব সময় নষ্ট করে?

গুগল কিভাবে কাজ করে?  জানতে চান তাহলে আজকের এই পোস্টটি একদম শেষ পর্যন্ত দেখুন।

গুগল প্ল্যাটফর্ম টি আসলে এরকম যে সমস্যা আপনার, সমাধান তাদের। আপনি যখনই যেকোনো ধরনের সমস্যা নিয়ে গুগলের সার্চ বক্সে কিছু টাইপ করেন তখনই আপনি ওই সম্পর্কিত নানা ধরনের তথ্যাদি পেয়ে যান। 

এখান থেকে আপনি দেখতে পারেন কিছু তথ্যাদি একেবারে উপরের দিকে শো করছে এবং একই রিলেটেড আর্টিকেলগুলো যথাক্রমে অন্যান্য পেজগুলো-  দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি পেইজে শো করছে।

কেন হয় এরকম?  কেনইবা দ্বিতীয় পেইজে থাকা একই সম্পর্কিত আর্টিকেলটি প্রথম পেইজে শো করছে না? 

এটা নিয়ে আমাদের প্রায় অনেকের মধ্যে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর অবস্থা সৃষ্টি হয় কিভাবে কাজ করে গুগল? 

গুগল কিভাবে কাজ করে?


গুগল আসলে নিজে থেকে কোন আর্টিকেল ক্রিয়েট করে না তারা অন্যান্য ওয়েবসাইটে লেখা আর্টিকেল গুলোকে নানা ধরনের শর্তাদি অনুসরণ করার মাধ্যমে পেইজ গুলোকে আপনার সামনে উপস্থাপন করে। 

আর গুগলের প্রায় 200 টিরও বেশি রেংকিং ফ্যাক্টর রয়েছে যেগুলো যে কোন পেইজ রেংক করাতে সহযোগিতা করে।

যার মানে হল আপনার কোন পেইজ যদি গুগল রেঙ্কিং ফেক্টরের নিয়মগুলো মেনে চলে এবং এসইও ফ্রেন্ডলি হয়।

তাহলে আপনার যে আর্টিকেলটি আপনি আপনার সাইটে পাবলিশ করেছেন সেই আর্টিকেল রিলেটেড কেউ কিছু লিখে গুগলে সার্চ করলে তারা আপনার আর্টিকেলটি দেখতে পাবে।

গুগলের দ্বিতীয় তৃতীয় পেজে একই কীওয়ার্ড রিলেটেড আর্টিকেল কেন দেখায়?


আপনি হয়তো লক্ষ্য করলে দেখতে পারেন আপনার  সমস্যাটি যখন গুগলে সার্চ করেন তখন ওই রিলেটেড অনেকগুলো আর্টিকেল দেখতে পারেন।

যার মধ্যে থেকে প্রায় অনেক আর্টিকেল গুগলের প্রথম পেজে করে এবং ঠিক একই রিলেটেড আর্টিকেল গুগলের অন্যান্য সমস্ত পেজে শো করে। যেগুলোর ওপর অনেক ক্ষেত্রে কোন ক্লিক পড়ে না।

কেন হয় এরকমটা? যারা গুগলের প্রথম পেজে তাদের কীওয়ার্ড রিলেটেড আর্টিকেল নিয়ে রেঙ্ক করেছে তারা সাধারণত গুগলের রেংকিং ফ্যাক্টরগুলো মেনে চলেছে।

যারা গুগলের রেংকিং ফেক্টরগুলো সবচেয়ে বেশি মান্য করবে এবং তাদের আর্টিকেলগুলো এসইও ফ্রেন্ডলি করে গড়ে তুলবে তারাই গুগলের প্রথম পেইজে তাদের আর্টিকেল নিয়ে অবস্থান করতে পারবে।

আপনার আর্টিকেল কেন গুগলে দেখায় না?


আপনি হয়তো নানা ধরনের আর্টিকেল আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করছেন কিন্তু ওই আর্টিকেল ডিলিট এর টাইটেল যখন কেউ গুগলে সার্চ করে কিংবা আপনিও যখন সার্চ করেন তখন আপনার আর্টিকেলটি আর খুঁজে পান না।


কেনো এরকমটা হয়?  কেনই বা আপনার আর্টিকেলটি আপনার ওয়েবসাইটে সীমাবদ্ধ থাকে?  এগুলো কেন গুগোল সার্চ ইঞ্জিনে খুঁজে পাওয়া যায় না?  কেন এগুলো গুগলের রেঙ্ক করে না? 

এবং আপনার সাইটের কে কোন ক্যাপাবিলিটি আছে যে ওই রিলেটেড কিওয়ার্ড নিয়ে গুগোল এর প্রথম পেইজে অবস্থান করার।

আপনি যদি গুগলের প্রথম পেইজ রেংক করতে চান তাহলে আপনাকে কি কি কাজ করতে হবে? 


এজন্য আপনাকে শুধুমাত্র গুগলে সার্চ দিয়ে গুগলের সমস্ত রেংকিং সেক্টরগুলো ভালোভাবে দেখে নিতে হবে। এবং তারপর ওই রেঙ্কিং ফ্যাক্টরগুলো সহায়তায় আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করুন এবং এতে আর্টিকেল পাবলিশ করুন। 

তারপরে এতে গুটিকয়েক ব্যাকলিংক তৈরী করুন এবং আর্টিকেলগুলো কে কোন রকমের কপিরাইট করা ছাড়াই পাবলিশ করুন।

এরপর গুগলে ইনডেক্স করুন তাহলেই আপনার আর্টিকেল গুগলে অবশ্যই রেঙ্ক করবে আজ নয়তো কাল।

আর প্রকৃতপক্ষে সাধারণত গুগল উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো অর্থাৎ তাদের 200 টিরও অধিক রেংকিং ফেক্টর পর্যালোচনা করে যেকোনো ওয়েবসাইট কে প্রথম পেইজে কিংবা অন্যান্য পেজ সরানোর কাজে ব্যস্ত থাকে।

আর গুগল এভাবেই কাজ করে এবং আপনার ওয়েবসাইটগুলোকে রেঙ্ক করাতে সহযোগিতা করে।

ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনে যে মারাত্মক ভুলগুলো আমরা করি |

ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনে যে মারাত্মক ভুলগুলো আমরা করি |

আপনার ফেসবুক আইডি কতক্ষণ আপনার কাছে থাকবে তার প্রায় শতভাগ নির্ভর করে আপনার ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড এর উপর।

অর্থাৎ আপনার ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড যদি খুব বেশি শক্তিশালী হয় তাহলে আপনি আপনার আইডি নিয়ে ফেসবুকে প্লাটফর্মে অনেক দিন টিকে থাকতে পারবেন।

কারণ যে কেউ যখনই আপনার ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড জেনে যাবে তখনই তার কাছে আপনার আইডির সাথে যাওয়া সময়ের হিসাব মাত্র।

কারণ যেকোনো ধরনের ওয়েব ব্রাউজার থেকে আপনি কোন ধরনের ইমেইল এড্রেস ফোন নাম্বার ব্যবহার করেছেন তার সঠিক তথ্য না পেয়ে যাওয়া যায়।

অথবা এরকমটা যদি নাও হয় তাহলেও সে আপনার ফেসবুক আইডির লিংক কোড থেকে আপনার আইডিতে লগইন করতে পারবে যদি আপনার পাসওয়ার্ড পেয়ে যায়।

আর অনেকেই এই ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিরাট রকমের ভুল করে থাকেন, যার মাশুল হিসেবে তাদেরকে তাদের ফেসবুক আইডি হারাতে হয়।

কারণ আপনি যদি একদম সহজ একটি ফেসবুক পাসওয়ার্ড দিয়ে দেন তাহলে এটি বিভিন্ন রকমের ফ্রি হ্যাকিং টুলস এর সহযোগিতায় হ্যাকাররা তাদের নিজের দখলে নিয়ে নিতে পারে।

আবার আপনি যদি একেবারে কমন কোন পাসওয়ার্ড দিয়ে দেন যা প্রায় সবাই ব্যবহার করে তাহলে এটি আপনার জন্য মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনতে পারেন।

কারণ অনেক রকমের কমন পাসওয়ার্ড এর দ্বারা যে কোন হ্যাকার চাইলে অথবা যে কোন সাধারন ফেসবুক ইউজার যারা বিভিন্ন কার্যকলাপে আপনার চেয়ে অসাধারণ ফেসবুক ব্রুস ফোর্স অ্যাটাক এর মাধ্যমে আপনার ফেসবুক আইডি নিয়ে নিতে পারে।

তাহলে আপনার ফেসবুক আইডির জন্য কিরকম পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা যাবে? এবং ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে ভুলগুলো কখনোই করা যাবে না সে সম্পর্কে জানতে হলে এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।

ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনে ভুলগুলো

ফেসবুকের জন্য একটি পাসওয়ার্ড যখন আমরা নির্বাচন করি তখন আমরা নানামুখী ভুল করে থাকি। এগুলো মধ্যে অনেক ভুল আমাদের মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

কিরকম সেই ভুলগুলো?

অনেকেই আছেন ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনের সময় বিভিন্ন রকমের কমন পাসওয়ার্ড যেমন -224400  123456,00000,768900, ইত্যাদি এই টাইপের পাসওয়ার্ডগুলো ব্যবহার করেন।

এ সম্পর্কে আপনি নিজেই বলেন তো দেখি, আপনার ব্যবহৃত এই সমস্ত ফেসবুক পাসওয়ার্ড এর আইডিয়া এর সাথে অন্যান্যদের ধ্যান-ধারণা কি মিলবে না?

অবশ্যই মিলবে ভাই, এক্ষেত্রে প্রায় একশত মুখের মধ্যে কম করে হলেও 30 শতাংশ মানুষ কে আপনি এরকম কমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে দেখবেন। যেগুলো পরিণতি হিসেবে তাদের ফেসবুক আইডি হারাতে হয়।

তাই অবশ্যই আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচাতে হলে, আপনাকে অবশ্যই এরকম কোন পাসওয়ার্ড দেয়ার চিন্তাভাবনা করতে হবে যা অন্যদের ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড এর চেয়ে আলাদা হবে।

যেগুলো আপনাকে আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাকিং এর ভয়াবহ পরিণতি থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি দিতে পারবে।

কিরকম ফেসবুক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন?


ফেসবুক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার ক্ষেত্রে আপনার পাসওয়ার্ডটি কে শক্তিশালী করার জন্য কোন রকমের বিভ্রান্তিকর অবস্থা পৌঁছাতে হবে না।

এক্ষেত্রে আপনি শুধুমাত্র ফেসবুক পাসওয়ার্ড এর মধ্যে কিছু স্পেশল চারাক্টার্স সহ নাম্বার এবং অন্যান্য জটিল জিনিস গুলোর মিক্স করে দিলেই তা শক্তিশালী হয়ে যাবে।

পাসওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনি যদি এরকম কোন পাসওয়ার্ড নির্বাচন করে ফেলেন তাতে শুধুমাত্র একই রকমের শব্দ বহন করে, (638208) তাহলে এটা ভুল হবে।

এক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি এবং শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নির্বাচন এক্ষেত্রে আপনাকে ঐ সমস্ত শব্দগুলোর মধ্যে আরো কিছু কাজ করতে হবে।

যেমনি পূর্বের পাসওয়ার্ডটি কে যদি আপনি একটু ভালোভাবে কাস্টমাইজ করে শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের পরিণত করতে চান তাহলে কিছু স্পেশাল কারেক্টর ব্যবহার করুন।

যেমন পাসওয়ার্ডটি কে আপনি যদি কিছুটা শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে চান তাহলে এটি কিছুটা হলে এরকম হবে - 
(@#$AvBs<638208] )  ঠিক এরকমটাই করে দিলে আপনার পাসওয়ার্ড অনেকটা শক্তিশালী হয়ে যাবে।

যা হ্যাকারদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে। এবং বিভিন্ন ধরনের পাসওয়ার্ড হ্যাকিং টুলস সহযোগিতায় কখনোই আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক পড়তে পারবে না।

ফেসবুক পাসওয়ার্ড চেকিং টুলস


আপনি কি আপনার ব্যবহৃত ফেসবুক পাসওয়ার্ড নিয়ে নিয়ে চিন্তিত থাকেন? আপনি কি এটা বুঝে উঠতে পারেন না যে আপনার ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড আসলেই শক্তিশালী কিনা?

তাহলে আপনি চাইলে একটি ফ্রী ওয়েবসাইট এর সহযোগিতায় আপনার ব্যবহৃত ফেসবুক পাসওয়ার্ড কতটা সিকিওর এ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনার পাসওয়ার্ডটি সম্পর্কে নিশ্চয়তার জন্য প্রথমে আপনার পাসওয়ার্ডটি নির্বাচন করে ফেলুন। এবং তারপর নিচের দেয়া ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

Howsecureismypassword

এই ওয়েবসাইটে ভিজিট করার পর আপনি যে পাসওয়ার্ড নির্বাচন করেছেন সেই পাসওয়ার্ড সেখানে পেস্ট করে দিন। তাহলেই আপনি দেখতে পারবেন এই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার জন্য হ্যাকারদের কত সময় লাগতে পারে।

ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনে যে মারাত্মক ভুলগুলো আমরা করি |

আর এভাবেই আপনি যেকোন ধরনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার আগে এই ফ্রী ওয়েবসাইট এর সহযোগিতায় আপনার পাসওয়ার্ড সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা নিতে পারবেন।

আর উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনের আগে অবশ্যই মাথায় রাখবেন। অন্যতায় আপনাকে এর মাশুল গুনতে হবে তিলে তিলে।

এই সমস্ত ফেসবুক ব্যবহার ডেকে আনতে পারে আপনার বিপদ |

এই সমস্ত ফেসবুক ব্যবহার ডেকে আনতে পারে আপনার বিপদ |

বাংলাদেশে বর্তমানে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক দ্রুততার সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাতে স্মার্টফোন আছে কিন্তু ফেসবুকের কথা জানেনা এরকম মানুষ আপনি একজনও খুঁজে পাবেন না।

তবে আপনি কি জানেন ফেসবুক ব্যবহার এর অনেক খারাপ দিক রয়েছে যেগুলো আপনার বিপদ ডেকে আনতে পারে?

ফেসবুক ব্যবহার এর খারাপ এক্সপেরিয়েন্স এ কারণে হতে পারে আপনার জেল কিংবা কয়েক মেয়াদের সাজা? কি জানেন তো আপনি?

আজকের এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা করবো ফেসবুক ব্যবহার এর কিছু ক্ষতিকারক দিক যা আপনার বিপদ ডেকে আনতে পারে।

গুজব ছড়ানো


গুজব নামক শব্দটি বর্তমানে বাংলাদেশের একটি মারাত্মক শব্দ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। যা আপনার মনোভাবকে পরিবর্তন করার জন্য যথেষ্ট।

আপনি ফেসবুকের টাইমলাইন খুললেই হয়তো যেকোনো একটি বিষয় নিয়ে বহু সংখ্যক খারাপ এবং উদ্ভট মনোভাবের ব্যক্তিদের বিভিন্ন মতামত দেখতে পায়।

অনেকেই এটাকে নিজের মনগড়া উক্তি দ্বারা সম্বোধন করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করে। যা সাধারণ মানুষের জীবনে ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনতে পারে।

তবে এটি যখন অতিমাত্রায় লোকসমাগমের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে তখন সেটাকে  গুজব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের আইনের একটি সেক্টর এসমস্ত নিধনের জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আর যারা এদের মধ্যে জড়িত আছে কিংবা তাদেরকে সন্দেহ করা হয় তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

এবং আপনিও যদি এই সমস্ত গুজব ছড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত হন তাহলে আপনিও ওই সমস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই প্রবল।

তাই এসব গুজব সংক্রান্ত জটিলতা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ফেসবুকে এরকম কিছু কখনোই শেয়ার করবেননা যে সম্পর্কে আপনি বিন্দুমাত্র ধারণা রাখেন না।

আর শেয়ার করার আগে অবশ্যই আপনাকে এটি সম্পর্কে খতিয়ে দেখতে হবে এবং তারপরে এটিকে শেয়ার করার উপযুক্ত মনে করলে তা করতে হবে।

হ্যাকিং হুমকি


ফেসবুকে কাউকে একদম প্রকাশ্যে তার আইডি হ্যাক করার মত হুমকি দেয়ার দুঃসাধ্য কখনো করবেন না। কারণ এগুলো আপনার ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ: আপনার বিন্দুমাত্র ফেসবুক হ্যাকিং সংক্রান্ত ধারণা না থাকা সত্ত্বেও আপনি কাউকে তার ফেসবুক আইডি হেকিং করার হুমকি দিয়ে দিলেন।

এবং পরবর্তীতে দেখা গেল যে ওই ব্যক্তি ফেসবুক আইডি হ্যাকিং হয়ে গেছে কিন্তু আপনি এ সম্পর্কে কিছুই জানেন না। অর্থাৎ আপনি তার ফেসবুক আইডি হ্যাকিং এর ভূমিকা পালন করেননি।

তখন ওই ব্যক্তি যদি আপনাকে অভিযুক্ত করে কোন থানায় এন্ট্রি করে তাহলে আপনার কোন দশা হতে পারে সেটা কি কখনও ভেবে দেখেছেন?

কারণ আপনি যতই তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেন না কেন যে আপনি তার ফেসবুক আইডি হ্যাকিং করেন নি, তারা কিন্তু তা কখনোই বিশ্বাস করবে না।

জার্মান এটা দাঁড়ায় যে আপনি কোন ধরনের হ্যাকিং এর সাথে যুক্ত না হওয়ার পরেও ওই ব্যক্তিকে তার আইডি হ্যাকিং করার হুমকি দেয়ার ফলস্বরূপ বিনামূল্যে সাজা ভোগ করবেন।

তাই ভুলেও কখনো ফেসবুকে কাউকে তার একাউন্ট হুমকি দেয়ার মত বোকামির কাজ কখনো করবেন না।

নেশাদ্রব্য বিক্রি বা জড়িত থাকা


ফেসবুকে এরকম অনেক গ্রুপ কিংবা পেইজ রয়েছে যেগুলো থেকে আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের নেশা দ্রব্য ক্রয় করতে পারেন।

তবে যে বা যারা এধরনের ফেসবুক গ্রুপ ডিলিট করেছে তাদের কি দশা হতে পারে এটা কি আপনি কখনো ভেবে দেখেছেন?

অনেক সময়ই এটা দেখা যায় যে তাদের দুষ্কৃতী চক্র কে আইনের আওতায় আনা হয় এবং বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়। আপনি কখনোই আইনের চেয়ে বড় নয়।

তাই ঐ সমস্ত গ্রুপে জয়েন করা কিংবা পেইজে লাইক দেয়া থেকে নিজে বিরত থাকুন এবং অন্যদেরকে বিরত রাখুন। এছাড়াও ঠিক একই রকমভাবে সমস্ত গ্রুপ পেজ খোলা থেকে বিরত থাকুন।

মোটকথা এটাই এই সমস্ত ফেসবুক ব্যবহার আপনার অস্তিত্বের উপর হুমকি স্বরূপ। যা আপনার ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

আর উপরের উল্লেখিত বিষয়গুলো অর্থাৎ উপরে উল্লেখিত উপায়ে আপনি যদি ফেসবুক ব্যবহার করেন তাহলে এগুলো আপনার চরম পরিণতি ডেকে আনতে পারে।