ই কমার্স এর সুবিধা | যা জানলে আপনি নিশ্চিত ই-কমার্সের প্রেমে পড়বেন|



একেবারে সহজ অর্থে ই-কমার্স বলতে আমরা যা বুঝি সেটা হলঃ ইন্টারনেটকে কাজে লাগে আমাদের নিত্য
প্রয়োজনীয় পণ্য গুলো ঘরে বসে আপনার হাতের নাগালে নিয়ে আসা।

আর এই ই-কমার্সের মাধ্যমে যেহেতু আপনি ইন্টারনেট কে কাজে লাগিয়ে আপনার পণ্য গুলো নিজের কাছে নিয়ে আসবেন তাই এখান থেকে অনেক ভাল রকমের সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

আর এ ই কমার্স এর সুবিধা নিয়ে আজকের এই পোষ্টটি খুব ভালো ভাবে সাজানো হয়েছে আশা করি আপনার কাজে আসবে।

ই-কমার্স এর নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা রয়েছে যে সুযোগ-সুবিধা গুলোর মধ্যে অন্যতম কয়েকটি সুযোগ সুবিধা নিয়ে আজকের এই পোস্টটি সাজানো হয়েছে।

ই-কমার্স এর সুবিধা:


আপনি যদি ই কমার্স ব্যবহার করেন তাহলে ই কমার্স এর মাধ্যমে যে সমস্ত সর্বাপেক্ষা ভালো সুযোগ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো।

▪  সময় সাশ্রয়
▪ অর্থের অপচয় রোধ
▪ সবচেয়ে ভালো প্রোডাক্ট পাওয়া
▪ নতুন উদ্ভাবিত প্রোডাক্ট
▪ ধোঁকাবাজি শিকার না হওয়া
▪ বিভিন্ন সময় অনেক বড় ডিসকাউন্ট পাওয়া ইত্যাদি

আর আপনি যদি এটা ব্যবহার করেন তাহলে মূলত যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন সেগুলোর মধ্যে সর্বাপেক্ষা উত্তম যে সুযোগ সুবিধা গুলো রয়েছে সেগুলো আংশিক আমি উপরে তুলে ধরেছি,  এবার  বর্ণনা করা যাক।

সময় সাশ্রয়


আপনি যদি কমার্স ব্যবহার করেন তাহলে আপনার কিভাবে সময় সাশ্রয় হয় এটা ডিটেইলে আলোচনা করলে আপনি বুঝতে পারবেন।

উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি এমনিতেই ভাল কোন মার্কেটপ্লেসের ধারে কাছে না থাকে না, আপনার বাড়িটা যদি কোন একটি উন্নতমানের মার্কেটপ্লেস থেকে খুব বেশী দূরে অবস্থান রত হয়ে থাকে। 

তাহলে আপনাকে আপনার পছন্দের যেকোনো ধরনের প্রোডাক্ট কিনতে হলে হয়তো বহুদূর জার্নি করে তারপর এখানে আসতে হয়।

তার পরেও আপনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে এখানে আপনি যদি ট্রাফিক জ্যামের মধ্যে একবার পড়ে যান, তাহলে ঘন্টার পর ঘন্টা এখানে আপনাকে আঙ্গুল চুষতে হবে, হঠাৎ এখান থেকে আপনি বের হবার কোন রাস্তায় খুঁজে পাবেনা।

ফলশ্রুতিতে কি হবে আপনাকে অবশ্যই প্রয়োজনের চেয়ে অধিক সময় খরচ করার পরে ওই নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে। 

তারপরে আপনার পছন্দের জিনিসটি কিনে আবার বাসায় ফিরে আসতে হবে, আপনি যদি ফিরতি পথে আবার কোন ট্রাফিক জামের মুখোমুখি হয়ে যান, তাহলে মনে করবেন যে আপনার জীবনের পাতা থেকে একটি  দিন শেষ হয়ে গেল।

আর আপনি যদি ই-কমার্স ব্যবহার করেন তাহলে কিন্তু আপনাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যামে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় না। 

আপনি শুধুমাত্র যেকোনো ধরনের একটি ট্রাস্টেড e-commerce প্লাটফর্ম এর কাছে আপনার পছন্দের পণ্যটি চেক আউট করার জন্য পাঠিয়ে দিতে পারেন, এবং তার পরে তারা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই পণ্যটি আপনার ঘরের সামনে নিয়ে হাজির হবে।

আর এভাবে খুব সহজেই আপনি আপনার সময় সাশ্রয় করার মাধ্যমে ই-কমার্স ব্যবহার করতে পারবেন।


অর্থের অপচয় রোধ


ই-কমার্স আপনার অর্থের অপচয় রোধ করে এই অর্থের অপচয় রোধের ব্যাপারটা আসে সাধারণত আপনার গাড়ি ভাড়ার খরচের হিসাব থেকে, ওখান থেকেই আপনার অর্থের অপচয় রোধের সমীকরণটা শুরু হয়।

আপনি যদি এক ই কমার্স এর কোন একটি প্ল্যাটফরম ব্যবহার করেন তাহলে আপনি এখান থেকে ক্রয় কৃত যে কোন একটি প্রোডাক্ট এর সঠিক মূল্য নির্বাচন করে তারপরে আপনি আপনার প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি যখনই একটি ইকমার্স প্লাটফর্ম এর কাছ থেকে যে কোন একটি প্রোডাক্ট কেনার ক্ষেত্রে একটি অ্যামাউন্ট থাকবে, তখনই আপনি অন্য আরেকটি ই কমার্স সাইটের অ্যামাউন্টের সাথে মিলিয়ে এর ব্যবধানটা খুব ভালোভাবে  উপলব্ধি করতে পারবে।

এছাড়াও আপনি যদি এমনিতেই কোনো শপিং মল থেকে কোন একটি পোশাক কিংবা যে কোন একটি প্রোডাক্ট ক্রয় করেন, তখনই হয়তো আপনার কাছ থেকে ওই ব্যক্তিবর্গ প্রয়োজনের অধিক টাকা নিয়ে নিতে পারে যা মোটেও কাম্য নয়।

তাই আপনি আপনার অর্থের অপচয় রোধ করার জন্য এবং নির্দিষ্ট মূল্যে যেকোনো একটি প্রোডাক্ট কয় করার জন্য এ কমার্স সাইট এর সুবিধা গুলো ব্যবহার করুন।

সবচেয়ে ভালো প্রোডাক্ট পাওয়া:


আপনি যদি একটি অরিজিনাল প্রডাক্ট নিজের কাছে নিয়ে আসতে চান এবং প্রোডাক্ট ক্রয় করার ক্ষেত্রে যাতে কোনরকম ধোঁকাবাজি শিকার হতে না চান তাহলে আপনি ই-কমার্স সাইটগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি যদি কমার্স সাইট গুলো ব্যবহার করেন তাহলে আপনার পছন্দের পণ্যটির অরিজিনাল কপি আপনার নিজের হাতে নিয়ে আসতে পারবেন।

কিন্তু আপনি যদি  যেকোনো ধরনের শপিংমলে যান তাহলে ডুপ্লিকেট কপি নিজের হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।

এছাড়াও প্রোডাক্ট ক্রয় করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো প্রোডাক্ট আপনি যদি নিজের কাছে নিয়ে আসতে চান তাহলে ই-কমার্স সাইটগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

নতুন উদ্ভাবিত প্রোডাক্ট


আপনি যদি সবেমাত্র রিলিজ হওয়া প্রোডাক্টগুলো নিজের কাছে পেতে চান এছাড়া এরকম প্রোডাক্ট আপনি পেতে চান যেগুলো অন্যান্য প্রোডাক্ট এর তুলনায় অনেকটা ভিন্ন। 

এবং কম ব্যবহারকৃত মনে হয় তাহলে আপনি ই কমার্স সাইট গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

ই-কমার্সের সুবিধা যতগুলো রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এই সাইট গুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি সবচেয়ে নতুন উদ্ভাবিত প্রোডাক্ট গুলো দেখতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি গুগলে সার্চ করার মাধ্যমে নতুন প্রোডাক্ট গুলোর নাম কপি করে এনে তারপরেও ই-কমার্স সাইটে সার্চ বক্সে ব্যবহার করে খুঁজে নিতে পারেন।

এবং অনেকে কমার্স সাইট এ আপনি এই সুযোগ সুবিধা পাবেন যে নতুন প্রবেশ করা প্রোডাক্টগুলো আসলে কি?  এবং সবশেষে আপনি এগুলো বাছাই করে নিজের কাছে নিয়ে আসতে পারবেন।

ধোঁকাবাজি শিকার না হওয়া


আপনি যদি এমনিতেই যেকোনো ধরনের শপিং মল থেকে কোন একটি প্রোডাক্ট করেন তাহলে অরিজিনাল প্রোডাক্ট হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বৃদ্ধি পায়।

অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় আপনি যখন শপিং  মল ব্যবহার করে কোন একটি প্রোডাক্ট নিজের কাছে নিয়ে আসেন এবং তারপরে বাড়ি অবধি পৌঁছে দেখেন যে আপনি যা ক্রয় করে নিয়েছেন সেটি আসলে ডুপ্লিকেট প্রোডাক্ট। 

পরবর্তী সময়ে আপনি যদি এই প্রোডাক্ট পরিবর্তন করার জন্য ওই শপিংমলে আবার যান তাহলে তারা অস্বীকার করতে পারে।

ফলশ্রুতিতে আপনি আপনার টাকা অপচয় হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই বাড়িয়ে ফেলেন, এবং অনেকটা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে যান।

তবে আপনি যদি কমার্স সাইট ব্যবহার করেন তাহলে এই সমস্ত ধোঁকাবাজি আপনাকে কখনোই হতে হবে না কারণ আপনি প্রথমে যখন একটি প্রোডাক্ট করবেন তখনই এর সত্যতা যাচাই করে নিতে পারবেন।

আর উপরে উল্লেখিত সমস্ত বিষয়গুলি কমার্সের সুযোগ-সুবিধা গুলোর মধ্যে অন্যতম, এছাড়াও আপনি ই-কমার্স সাইট ব্যবহার করে আরো নানামুখী সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। 

আর এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ইকমার্স সাইট আপনি ব্যবহার করার পরে উপলব্ধি করতে পারবেন।

ভয়েস চেঞ্জার | মেয়ে কন্ঠে কথা বলার apps |

আপনি যদি কথা বলার সময় আপনার ভয়েস চেঞ্জ করতে চান, অর্থাৎ আপনি যদি কথা বলার সময় এটা অনুভব করেন যে আপনার বর্তমান ভয়েস পরিবর্তন করা খুবই দরকার তাহলে এই পোস্টটি আপনি দেখতে পারেন।

অনেক সময় আমাদের ভয়েস পরিবর্তন করার দরকার ঘটে, এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় হলো আপনি যদি ফেসবুকে ফেক আইডি ব্যবহার করেন এবং আপনার বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে খুব ভালো পরিমাণে মজা নিতে চান।

তাহলে এই আইডি দিয়ে যে কারো সাথে কথা বলার কোন এক মুহূর্তে ওই ব্যক্তিটি আপনাকে যাচাই করার জন্য হয়তো কল দিয়ে এটা যাচাই করতে চাইবে।

ঠিক ওই মুহূর্তে আপনি যদি বিপরীত লিঙ্গের হওয়া সত্ত্বেও অপর লিঙ্গের ভয়েসের ( ছেলে হয়ে মেয়েদের ভয়েসে কথা)  সাথে কথা বলতে চান তাহলে আপনাকে ভয়েস চেঞ্জ করতে হয়। 

শুধু এক্ষেত্রে নয়, আপনি যদি কোন একটি ইসলামিক সংগীত পরিবেশন করতে চান, কিংবা গান কবিতা ইত্যাদি পরিবেশন করতে চান তাহলে আপনার ভয়েস পরিবর্তন করে এটিকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করেন।

এতে অনেক কার্যকরী ভয়েস চেঞ্জ অ্যাপস রয়েছে, যেগুলো সহযোগিতা আপনি খুব সহজেই আপনার ভয়েস চেঞ্জ করতে পারেন এবং আপনার বয়স চেঞ্জ করার মাধ্যমে এটিকে আরও ভালোভাবে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন।

ভয়েস চেঞ্জার করার উপায়ঃ


আপনি যদি আপনার আপনার ভয়েস পরিবর্তন করতে চান তাহলে প্রথমে নিচের অ্যাপস ডাউনলোড করে নিন। অ্যাপসটি ডাউনলোড করা হয়ে গেলে এতে প্রবেশ করার মাধ্যমে আপনি আপনার ভয়েস কতটুকু পরিবর্তন হয়েছে তার একটি ভালো ধারণা পেয়ে যাবেন।


মূলত উপরোক্ত অ্যাপসের দ্বারা আপনার ভয়েসের পরিবর্তিত রূপ দেখলে আপনি নিজেই চমকে যাবেন, এবং এই বয়সে যাদের সহযোগিতায় আপনি খুব সহজেই আপনার ভয়েস এর চমকপ্রদ উপস্থাপন করতে পারবেন।

ভয়েস চেঞ্জার | মেয়ে কন্ঠে কথা বলার apps |


তাই আর দেরি না করে এখনি উপরের অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিন, আর উপভোগ করুন এটি।

মেয়ে কন্ঠে কথা বলার apps


আপনি যদি ছেলে হন, এবং আপনার বয়স পরিবর্তন করার মাধ্যমেই বয়স থেকে মেয়েদের ভয়েস হিসেবে অন্যদের কাছে মূল্যায়ন করতে চান তাহলে একটি চমৎকার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ব্যবহার করতে পারেন।

একটি লিঙ্ক আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।


অ্যাপসটি ডাউনলোড করা হয়ে গেলে এতে প্রবেশ করুন এবং তারপরে আপনার ভয়েসে পরিবর্তন করার মাধ্যমে এটিকে মেয়েদের ভয়েসে রুপান্তর করুন।

visa card কিভাবে করব? (সর্বোৎকৃষ্ট দুইটি উপায় জেনে নিন)



একটিমাত্র ভিসা কার্ডের দ্বারা আপনি চাইলে আপনার বিভিন্ন ধরনের কার্যাদি সম্পাদন করতে পারেন। 

আপনি চাইলে অনলাইন থেকে বিভিন্ন ধরনের কেনাকাটার ক্ষেত্রে ভিসা কার্ড ব্যবহার করতে পারেন এ ভিসা কার্ড ব্যবহার করা খুবই সহজ হওয়ার কারনে আপনার সাধারণত ঝুঁকির সম্মুখীন হওয়া লাগে না।

তবে ব্যাপারটা এরকম যে আপনি কিভাবে ভিসা কার্ড পাবেন এই সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আপনার মনের মধ্যে উদ্ভাবন ঘটে যার সঠিক সমাধান আপনি আসলে খুঁজে পেতে মরিয়া হয়ে যান।

তাহলে আর দেরি কেন আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি জেনে নিতে পারবেন Visa card আপনি কিভাবে পাবেন? 

ভিসা কার্ড আসলে কি? 


ভিসা কার্ড হলো এমন একটি বহুবিধ সুবিধা সম্পন্ন কার্ড যে কার্ডের মাধ্যমে আপনি চাইলে অনলাইনে কেনাকাটা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ সহ যে কোন ধরনের কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারেন।

এই কার্ডটি সাধারণত যে কোন ধরনের এটিএম বুথে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। 

এবং এগুলোতে গিয়ে আপনি কাজটি প্রবেশ করানোর পর আপনার নির্দিষ্ট ডকুমেন্ট এবং টাকার পরিমাণ লিখে আপনি যখনই তাদেরকে পেমেন্ট রিকোয়েস্ট করবেন, তখনই আপনি আপনার হাতের কাছে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে টাকা গুলো পেয়ে যাবেন।

এছাড়াও শুধু এটিএম বুথ নয়, আপনি চাইলে ভিসা কার্ড সাপোর্ট এর যেকোনো ধরনের নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মের কার্ড থেকে আপনি টাকা উত্তোলন করতে পারবেন এবং আপনার কার্যাদি সম্পন্ন করতে পারবেন।

শুধু তা নয় আপনি চাইলেই ভিসা কার্ড যেকোনো ধরনের অনলাইন কেনাকাটা যুক্ত ওয়েবসাইটে সমস্ত সেই সমস্ত ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে পারবেন।

এছাড়া আপনি চাইলে দেশের যেকোনো ধরনের অনলাইন শপিং মল থেকে ভিসা কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটা এর কাজ সম্পাদন করতে পারবেন।

Visa card কিভাবে করব? 


এবার মূল প্রশ্নে চলে আসা যাক আপনি আসলেই ভিসা কার্ড কিভাবে হবেন এবং কোথায় পাবেন এই প্রশ্নের উত্তরে।

ভিসা কার্ড আপনার হাতে পাওয়ার জন্য প্রথমে আপনি নিচের দেয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।


ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পরে আপনাকে প্রথমে এখানে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে। অ্যাকাউন্ট তৈরি করার জন্য আপনাকে Create Your account এই অপশনটির উপর ক্লিক করলে নিচের মত একটি পেজ পেয়ে যাবেন।

এখানে যে সমস্ত বিষয় গুলো আপনার কাছ থেকে তারা চাচ্ছে সে সমস্ত বিষয় গুলো যথাযথ এবং সঠিক তথ্য সহকারে দিয়ে দিন।

Full name: এখানে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের যে পুরো নামটি রয়েছে সেই পুরো নাম কি দিয়ে দিন।

Email Address: আপনি যে ইমেইলটি সর্বাধিক ব্যবহার করেন এবং জিমেইল সবচেয়ে বেশি একটিভ সেই মেইলটি এখানে দিয়ে দিন।

Phone : এখানে অবশ্যই আপনার ফোন নাম্বার দিতে হবে এবং ফোন নাম্বার দেয়ার সময় আপনার কান্ট্রি কোড +880 এটি সহকারে দিতে হবে।

Select Country: এখানে আপনি যে দেশের বাসিন্দা সেই  দেশটি সিলেক্ট করে নিতে হবে, আপনি যদি বাংলাদেশের বাসিন্দা হন তাহলে বাংলাদেশের সিলেক্ট করে নিন।

Address: এখানে আপনার সমস্ত এড্রেসের কথা বললে করতে হবে অর্থাৎ আপনি কোন গ্রামের কোন উপজেলা কোন জেলায় বসবাস করেন তার একটি বর্ণনা।

Password &Confirm password: এই দুইটি অপশনে আপনাকে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।

Visa card কিভাবে পাবেন? (সর্বোৎকৃষ্ট দুইটি উপায় জেনে নিন)


উপরে উল্লেখিত ডকুমেন্টগুলো যথাযথভাবে দেয়ার পরে আপনাকে Register অপশনটিতে ক্লিক করার মাধ্যমে রেজিস্টার সম্পন্ন করতে হবে।

রেজিস্টার করার পর আপনার জিমেইল এড্রেস আপনি এখানে দিয়েছিলেন, সেই মেইল এড্রেস একটি কনফার্মেশন লিঙ্ক যাবে সেই লিংকে ক্লিক করার মাধ্যমে আপনার একাউন্ট কনফার্ম করে নিতে হবে।

আপনি যখনই আপনার একাউন্ট কনফার্ম করে নিবেন, তখন আপনি এই ওয়েবসাইটে চলে যেতে পারবেন, এবং এর হোম পেইজে আপনি বামপাশের আইকন গুলোতে যখন ক্লিক করবেন তখন একটি অপশন দেখতে পারবেন সেটি হল Buy card। 

আপনি যখনই এতে ক্লিক করবেন তখন এখান থেকে কিছু ডলার খরচ করার মাধ্যমে একটি ভিসা কার্ড ক্রয় করে নিতে পারবেন।

Visa card কিভাবে পাবেন? (সর্বোৎকৃষ্ট দুইটি উপায় জেনে নিন)


মূলত আপনি এখান থেকে যে ভিসা কার্ড পাবেন সেটি আপনার হাত অবধি নিয়ে আসতে পারবেন না, অর্থাৎ এক্ষেত্রে আপনাকে ওই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এ ভিসা কার্ড ব্যবহার করতে হবে।

বিষয়টা এরকম যে, আপনি এই ভিসা কার্ডের মাধ্যমে যেকোনো ধরনের কাজ সম্পাদন করতে পারবেন অর্থাৎ ফেসবুক পেজ বুস্ট কিংবা কেনাকাটা সহ কোনো কিছু।

কিভাবে টাকা যুক্ত করবেন?


আপনি যদি আপনার ভিসা কার্ডের টাকা যুক্ত করতে চান তাহলে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে ওই ওয়েবসাইটে চলে যেতে হবে, এবং তারপরে বামপাশের আইকনগুলো থেকে Add fund অপশনে ক্লিক করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মেথড সহকারে আপনার ওয়েবসাইটে টাকা যুক্ত করতে পারবেন।

Visa card কিভাবে পাবেন? (সর্বোৎকৃষ্ট দুইটি উপায় জেনে নিন)


এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হলো বিটকয়েন, স্ক্রিল কিংবা ব্যাংক একাউন্ট, আপনি এই সমস্ত পেমেন্ট মেথড গুলো সহযোগিতা খুব সহজেই আপনার ভিসা কার্ডে টাকা যুক্ত করে নিতে পারবেন।

আরেকটি উপায় Visa card যেভাবে পাবেন:


এছাড়াও আরেকটি উপায় খুব সহজেই আপনি যদি ভিসা কার্ড পেতে চান, এবং এটি খুব সহজেই আপনার হাতের নাগালে নিয়ে আনতে চান তাহলে আপনি যেকোন ধরনের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারেন এই ব্যাংক একাউন্ট সাধারণত ভিসা কার্ড সাপোর্টেড।

আপনি চাইলে ভিসা কার্ড পাওয়ার জন্য ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং এর অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারেন,  আপনি যখন ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং এর সেভিং অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন তখন আপনি তাদের কাছ থেকে ফ্রিতে বিনামূল্যে একটি ভিসা কার্ড পাবেন।

আর এই ভিসা কার্ডের কিছু চার্জ রয়েছে, যেগুলো আপনাকে প্রতিমাসে কিংবা বছরে পরিশোধ করে নিতে হবে, আর এই পরিশোধের পরিমাণ সাধারণত আপনার একাউন্ট থেকে কেটে নেয়া হবে।

অর্থাৎ এখানে কথাটি স্পষ্ট যে আপনি যদি ভিসা কার্ড পেতে চান তাহলে আপনাকে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি যেটি রয়েছে, তা হলো একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি করা আরেকটি ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং এর অধীনে তৈরি করলে সবচেয়ে ভালো হয়।

আর এভাবেই মূলত আপনি খুব সহজে ভিসা কার্ড আপনার হাতের নাগালে পেয়ে যেতে পারেন, আশাকরি Visa card কিভাবে করব এই সংক্রান্ত সমস্যার সম্মুখীন আপনি আর কখনো হবে না।

অনলাইন টাইপিং জব | অনলাইন টাইপিং করে অনলাইন জব এর কিছু সাইট |


আপনি যদি চান ঘরে বসেই টাইপিং করার মাধ্যমে অনলাইনে আয় করতে তাহলে আপনি এটা খুব সহজেই করতে পারবেন বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট এর সহযোগিতায়।

অর্থাৎ আপনি যদি বেকার হন এবং ঘরে  বসে কোন কাজ না পান তাহলে আপনি অনলাইন টাইপিং করার মাধ্যমে খুব সহজেই খুব বেশি পরিমাণে ডলার আয় করতে পারবেন।

তবে এক্ষেত্রে আপনার ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে আপনার মধ্যে সৃজনশীল মেধা শক্তি থাকতে হবে, অর্থাৎ নতুন কিছু নিয়ে লেখার চিন্তাভাবনা আপনার মধ্যে থাকতে পারে।

অনলাইন টাইপিং জব মধ্যে যেগুলো সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য তা হলোঃ আপনিt অন্যান্য সমস্ত ব্লগ সাইট রয়েছে কিংবা ওয়েবসাইট রয়েছে সেই সাইটগুলোর মধ্যে নিজস্ব মেধা আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন ধরনের ট্রেন্ডিং টপিক নিয়ে ওই সমস্ত ওয়েবসাইটগুলোতে আলোচনা করার মাধ্যমে খুব ভালো পরিমানে আয় করতে পারবেন।

আর এতে আপনার সময় এবং মেধার কোনো রকম অপচয় হবে না, কারন আপনার যদি সময়ের অপচয় হয় তাহলে আপনি এটি টাকা নিয়ে শুধরে নিবেন।

কারণ অনলাইন টাইপিং জব যেগুলো আপনি করবেন সেগুলো হয়তো আপনার অবসর সময়ে খুব ভালো পরিমাণে টাকা রোজগারের সহায়তা করতে পারে।

এছাড়াও এরকম অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যে ব্যবসা গুলো টাইপিং জব এর ক্ষেত্রে আপনার ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারে।

অর্থাৎ যেখানে আপনি অন্যান্যদের ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করে এত বেশি পরিমাণ ডলার আয় করতে পারবেন যা আপনার কল্পনার বাইরে।

আর এই সমস্ত সাইটগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যে সাইটে রয়েছে সে হলো Fiverr Typing Job যার লিংক আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি।


এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে উপরের দেয়া ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে হবে এবং তারপরে এখানে রেজিস্ট্রেশন করলেই আপনি নানা ধরনের কাজ পেয়ে যাবেন।

অনলাইন টাইপিং জব | অনলাইন টাইপিং করে অনলাইন জব এর কিছু সাইট |

এছাড়াও আপনি যখন থেকে টাইপিং  জব এর সাথে এই সাইটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবেন তখন আপনি চাইলে এখান থেকে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

কারণ আপনি এখানে থাকা যে কোন একটি কাজের সাথে যখন নিজেকে সংযুক্ত করতে চাইবেন, তখন আপনি এই কাজটি করার মাধ্যমে ঠিক কত ডলার আয় করতে পারবেন তার একটি সীমা এখানে দেখতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনি সর্বনিম্ন পাঁচ ডলার থেকে আপনার কাজ শুরু করতে পারবেন, এবং এরপরে এর হিসাব সমীকরণ আরো বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে যা আপনার আয় করার একটি অন্যতম উৎস হিসেবে বিবেচিত হবে।

এছাড়া আপনি চাইলে নিচে দিয়ে আরও কয়েকটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লেখালেখি করার মাধ্যমে খুব সহজেই আয় করতে পারবেন।

Listverse: এই ওয়েবসাইটে আপনি বিভিন্ন ধরনের জীবন রিলেটেড আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে প্রতি আর্টিকেল 100 ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।

Theartistunleashed: যে কোনো রকমের রিলেটেড আর্টিকেল আপনি এখানে চাইলে পাবলিশ করতে পারবেন এবং আয় করতে পারবেন।

এগুলো হলো আন্তর্জাতিক ভিত্তিক একটি অনলাইন টাইপিং জব সার্ভিস সেন্টার, এছাড়াও বাংলাদেশ থেকে আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট এর সহযোগিতায় লেখালেখি করে আয় করতে পারবেন।

আর আপনি যদি বাংলা ভাষায় লেখালেখি করে আয় করতে চান তাহলে এক্ষেত্রে যে সমস্ত ওয়েবসাইটগুলোকে আপনি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিবেন সেই সমস্ত ওয়েব সাইটের লিস্ট আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি।

এখানে থাকা দুইটি ওয়েবসাইটে আপনি লেখালেখি করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।


উপরে উল্লেখিত ওয়েবসাইটগুলোর মাধ্যমে আপনি চাইলে আর্টিকেল লিখে খুব সহজেই আয় করতে পারবেন, এছাড়া মজার ব্যাপার হলো এই সাইটগুলোতে আপনি আপনার নিজস্ব মাতৃভাষা অর্থাৎ বাংলায় আর্টিকেল লিখতে পারবেন।

তাহলে আর দেরি না করে এখুনি উপরে উল্লেখিত ওয়েবসাইটগুলো সহযোগিতায় অনলাইন টাইপিং জব এর শরণাপন্ন হয়ে যান। 

লাইভ ভিডিও সফটওয়্যার | সকল জনপ্রিয় লাইভ ভিডিও সফটওয়্যার |

লাইভ ভিডিও সফটওয়্যার | সকল জনপ্রিয় লাইভ ভিডিও সফটওয়্যার |

আপনি যদি লাইভ ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন, এবং লাইভ ভিডিও তৈরি করার জন্য জনপ্রিয় সফটওয়্যার গুলোর সন্ধান করে থাকেন তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন।

আপনি চাইলে আজকের এই পোষ্টটির মাধ্যমে সমস্ত ধরনের লাইভ ভিডিও সফটওয়্যার গুলো একসাথে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন, এবং তারপরে এই সমস্ত সফটওয়্যার গুলো সহযোগিতায় আপনি চাইলে অন্য কিছু করতে পারবেন।

যেমন আপনি যদি চান তাহলে এই সমস্ত লাইভ ভিডিও সফটওয়্যার এর সাহায্যে অনেক বেশি ইনজয় করতে পারেন।

ইনজয় করতে পারেন বলতে আপনি চাইলে আপনার নিজের মনোবাসনা অনুযায়ী যেকোনো ধরনের ভিডিও ক্লিপ তৈরি করতে পারেন, এবং এগুলো বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করার মাধ্যমে খুব বেশি পরিমাণ আনন্দ-ফূর্তি উপভোগ করতে পারেন।

তবে এরকম লাইভ ভিডিও সফটওয়্যার এর ক্ষেত্রে আমরা যেটি সবচেয়ে ভালো  অনেক সময় খুজে পাইনা। 

আপনি যদি লাইভ ভিডিও সফটওয়্যার খুঁজতে খুঁজতে মরিয়া হয়ে যান, তাহলে এখানে দেয়া কয়েকটি সফটওয়্যার এর সাথে নিজেকে যুক্ত করে রাখতে পারেন যেগুলোতে তৈরি করা ভিডিও গুলো আপনার ঘন্টার পর ঘন্টা সময় দিতে সক্ষম।

কয়েকটি জনপ্রিয় লাইভ ভিডিও সফটওয়্যারঃ


Likee
Periscope
Vigo Live
Live Video
Tiktok
Tango

এই সমস্ত সফটওয়্যার মধ্যে থেকে যেকোন একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করার পরে আপনাকে কিছু ইনফরমেশন দিয়ে সাইনআপ করতে হবে নতুন একটি একাউন্ট তৈরি করতে হবে.।

তারপরে আপনি যখন লগইন করে নিবেন তখন একদম ফ্রিতে নানা ধরনের ভিডিও স্ট্রিমিং উপভোগ করতে পারবেন একদম ফ্রিতে।

তাই আর দেরি না করে এখনি উপরে উল্লেখিত যে সমস্ত লিংক দেয়া হয়েছে সেগুলো থেকে আপনার পছন্দের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।

আর উপভোগ করতে থাকুন লাইভ স্ট্রিমিং ভিডিও তৈরি করতে থাকুন মনমুগ্ধকর ভিডিওগুলো।

Skrill বাংলাদেশ | কিভাবে খুব সহজে একটা অ্যাকাউন্ট তৈরি করবে |

Skrill বাংলাদেশ | কিভাবে খুব সহজে একটা অ্যাকাউন্ট তৈরি করবে |

আপনি যদি ফরেক্স ট্রেডিং করে আয় করেন এবং ওই জমানো টাকাগুলো কি বাংলাদেশ থেকে নিতে চান তাহলে আপনি খুব সহজ এবং সর্বোত্তম ব্যবহার করে এই টাকাগুলো খুব সহজে উত্তোলন করতে পারেন। 

আর টাকা উত্তোলন করার জন্য যে সমস্ত প্রেমেন্ট মেথড রয়েছে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো একটি পেমেন্ট মেথড হলোঃ skrill' 

কারণ অনেক ট্রেডার্স তাদের বিনিয়োগকৃত টাকা গুলোকে নিজের কাছে আনার জন্য বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট মেথড সম্মুখীন হয়।

 তবে অনেক ক্ষেত্রেই তারা এই সম্পর্কে দুশ্চিন্তায় থাকেন যে কিভাবে এই টাকাগুলো কে তাদের নিজের কাছে নিয়ে আসবেন।

বাংলাদেশে অনেক ট্রেডার্স রয়েছেন যারা আসলে এটা ভেবে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান কিভাবে তাদের টাকা গুলো কে বাংলাদেশ থেকে উত্তোলন করবেন।। 

আর তাদের এই দুশ্চিন্তা গুলোকে শেষ করে দিতে একটি অসাধারন টুলস আবিষ্কার হয়েছে সেটি হল skrill'.

আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে এটি ব্যবহার করতে চান তাহলে এটি সাধারণত হবে skrill বাংলাদেশ  এর আওতাধীন এ।

আর কিভাবে আপনি বাংলাদেশ থেকে skrill বাংলাদেশ এর একটি অ্যাকাউন্ট সহজে খুলতে পারবেন এটা নিয়ে আজকের এই পোস্টটি।

তবে শুধুমাত্র আপনি যে skrill বাংলাদেশ অ্যাকাউন্ট খোলার পরেই নিশ্চিত হয়ে যাবেন তা কিন্তু নয় আপনাকে অবশ্যই এদিকে বাংলাদেশ থেকে ভেরিফাই করে নিতে হবে।

আপনি চাইলে এটি দুইটি ভিন্ন উপায়ে করতে পারেন একটি হলো তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আর অন্যটি হলো তাদের অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস থেকে।

আপনি চাইলে তাদের অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন অথবা নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
অ্যাপস ডাউনলোড করা ছাড়া তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ফ্রিতে একটি একাউন্ট খোলার জন্য প্রথমে নিচের লিংক এ ভিজিট করুন।

একাউন্ট খুলুন

লিংকটিতে প্রবেশ করার পরে আপনি নিচের মত একটি স্ক্রিনশট দেখতে পারবেন আবার আপনাকে যথাযথভাবে ফিলাপ করতে হবে।

Skrill বাংলাদেশ | কিভাবে খুব সহজে একটা অ্যাকাউন্ট তৈরি করবে |

First name: এখানে আপনি যে একাউন্ট খুলতে চান, এবং ওই অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করার জন্য আপনার নামের প্রথম অংশটি দিন।

Last name: এখানে আপনার নামের দ্বিতীয় অংশটি দিন।

Country: এই জায়গায় আপনি যেহেতু বাংলাদেশ থেকে Skrill বাংলাদেশ একাউন্ট খুলতে চান যেহেতু আপনার দেশ হিসেবে এখানে Bangladesh সিলেক্ট করে নিন।

Currency: এই অপশনটি যে অপশন সিলেক্ট করা আছে সেটি থাকতে দিন।

Email: এখানে আপনাকে একটি ইমেইল এড্রেস দিতে হবে যে আপনি সর্বাধিক ব্যবহার করেন।

Password: এই জায়গাতে আপনাকে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিতে হবে।

এবং সর্বশেষে আপনাকে Register বাটনটিতে ক্লিক করতে হবে।

তাহলে আপনার Skrill বাংলাদেশ এর একটি একাউন্ট তৈরি করা  হয়েগেছে, এবং আপনি চাইলেই অ্যাপসটির সাহায্যে লেনদেন করতে পারবে।

Skrill বাংলাদেশ | কিভাবে খুব সহজে একটা অ্যাকাউন্ট তৈরি করবে |

তাহলে আজকে এই পর্যন্ত অসংখ্য ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।

ই কমার্স বাংলাদেশ | বাংলাদেশে ই কমার্স এর ব্যবহার |

ই কমার্স বাংলাদেশ | বাংলাদেশে ই কমার্স  এর ব্যবহার |

বর্তমান দুনিয়া অনেকটাই ইন্টারনেট নির্ভর হয়ে পড়েছে, বিশ্ববাসীরা তারা তাদের সমস্ত কাজগুলোকে ইন্টারনেটের সাথে মানিয়ে নিয়ে নিতে চায়। যাতে তারা কাজে আনন্দভোগ করতে পারে।

যুগের সাথে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশে বর্তমানে অনেকটাই ইন্টারনেট নির্ভর হয়ে পড়েছে, পূর্বের মত এখন আর আপনি চাইলে ইন্টারনেট কে এড়িয়ে চলে আপনার জীবনের পরিপূর্ণ তৃপ্তি কখনোই পাবেন না।

আর এরই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে ই-কমার্স এর পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে। বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজসহ যেকোনো ধরনের বয়সের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এদিকে খুব বেশি একটু নজর আরোপ করছে। 

কারণ পূর্বে আপনি যে কোন প্রোডাক্ট কিংবা পণ্য কিনতে হলে আপনাকে এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়াতে হতো, এবং এর জন্য আপনাকে পণ্য ক্রয় করার পরেও এক্সট্রা অনেক টাকা পরিশোধ করতে হতো গাড়ি ভাড়ার জন্য। 

যা আপনি কোন ক্ষেত্রে চাইতেন না, এছাড়াও আপনি যদি কোন প্রোডাক্ট কেনার জন্য অন্যত্র ঘুরে বেড়ানোকে বেছে নেন তাহলে আপনার জন্য অনেকটাই রিস্ক হয়ে যায়। 

কারণ বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নানা ধরনের ত্রুটি বিদ্যমান রয়েছে।

ব্যাপারটা এরকমই যে আপনি যদি দীর্ঘপথে যাত্রাবাড়ী দিয়ে আপনার পছন্দের পণ্যটি ক্রয় করতে চান তাহলে এটা করে বাড়ি অব্দি ফিরে আসবেন তার নিশ্চয়তা দেয়া খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার।

তাছাড়া আপনি এত কষ্ট কেন করবেন?  কেনইবা জ্যামে আটকে থাকবেন ঘণ্টার পর ঘন্টা? আপনার কাজ গুলোকে বর্তমান সময়ের বাংলাদেশি ই-কমার্স অনেক সহজ করে দিয়েছে।

আপনি চাইলে ঘরে বসেই আপনার নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো খুব সহজেই করতে পারেন।

ই-কমার্স বাংলাদেশের যাত্রা খুব বেশি দিনের না হলেও বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বাধিক ব্যবহার পরিলক্ষিত হচ্ছে।

বর্তমান সময়ে একটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে যে কেউ মার্কেটে গিয়ে তাদের পণ্য ক্রয় করার চেয়ে অনলাইনের মাধ্যমে তাদের পণ্যগুলোকে ক্রয় করাকে বেশি মূল্যায়ন করছে।

এরই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের রয়েছে কয়েকটি জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেগুলো সহযোগিতায় আপনি চাইলে খুব সহজেই প্রোডাক্ট করতে পারেন।

বাংলাদেশে ই-কমার্স এর কয়েকটি সাইটঃ


Daraz
Evaly
Rokomari
Ajkerdeal

উপরে উল্লেখিত সাইটগুলো হল বাংলাদেশ ই কমার্স সাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সাইট গুলোর মধ্যে অন্যতম কয়েকটি।

এছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে ই-কমার্স সাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে এদেশের জনগণের ভোগান্তির পরিমাণ আগের চেয়ে অনেকটা কমিয়ে দিয়েছে।

ওটা দেখা যাচ্ছে যে অনেকেই তাদের পছন্দের জিনিস ক্রয়  করার জন্য লম্বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়না।

পূর্বে বাংলাদেশে ই-কমার্সের ব্যবহারঃ


শুধু বাংলাদেশেই এর ব্যবহার তেমন একটি পরিলক্ষিত হয়নি, পূর্বের সময়ে বাংলাদেশের মানুষেরা এটাকে অনেকটা ভুয়া মনে করত। 

অর্থাৎ তারা কোনমতেই এটা কি বিশ্বাস করতে পারত না যে এর মাধ্যমে তারা ঘরে বসেই তাদের পণ্য গুলো পেয়ে যাবে।

তারা এটা মনে করত যে যদি তারা এখানে কোন টাকা পয়সা দিয়ে দেয়, তাহলে ওই ভুক্তভোগীরা টাকাগুলো মেরে খেয়ে যাবে।, তাই পূর্বের সময়ে বাংলাদেশে ই-কমার্স তেমন একটি ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়নি।

বর্তমান সময়ে এই কমার্স বাংলাদেশের ব্যবহারঃ


বর্তমান সময়ে, ই কমার্স বাংলাদেশ নানাবিধ ব্যবহার করা হচ্ছে, এছাড়াও এই সময়টাতে যখন পুরো বিশ্ব করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত,  তখন যে কেউ ঘরের বাইরে না গিয়ে তাদের ঘরের ভিতরে বসে তাদের পণ্যগুলোকে হাতের নাগালে পেয়ে যাচ্ছে।

শুধু বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করলে ভুল হবে, বেশ কিছু বছর ধরে বাংলাদেশের নানাবিধ ব্যবহার পরিলক্ষিত হচ্ছে তা দেখা যাচ্ছে যে বাংলাদেশ অনেকেই এটাকে বিশ্বাসের সাথে দেখছেন এবং এর সঠিক ব্যবহার করছেন।

আশা করা যায় দিন দিন এক মাস বাংলাদেশের খুব বেশি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং এদেশের জনগণের একটি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হবে।