ইউটিউব চ্যানেল সেটিং | জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |



আপনার ইউটিউব চ্যানেলের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য কিংবা এই চ্যানেলটিকে খুব তাড়াতাড়ি রেংক করার জন্য আপনার ইউটিউব চ্যানেলের কিছু সেটিং করতে হয়।

এটি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিজিটর বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে, এবং এই চ্যানেল খুব সহজেই যেকোনো ধরনের ভিজিটরের কাছে পরিবেশন করতে সাহায্য করে।

এটিকে সাধারণত বলা হয় ইউটিউব চ্যানেলটিকে এসইও ফ্রেন্ডলি করে গড়ে তোলার জন্য ইউটিউব এর কিছু সেটিং।

এসইও ফ্রেন্ডলি বলতে আপনি যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেল রেংক করাতে চান এবং এটি তাড়াতাড়ি যেকোনো ভিজিটরের কাছে পৌঁছে দিতে চান তাহলে আপনাকে এই ইউটিউব ওয়েবসাইট এসইও ফ্রেন্ডলি করে গড়ে তুলতে হয়।

আর এটা করতে হলে আপনাকে ইউটিউব এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং করতে হয়, যা আসলে আমরা অনেকেই জানিনা, আর আপনিও যদি ইউটিউব চ্যানেল সেটিং সম্পর্কে না জানেন তাহলে এই পোস্টটি দেখতে পারেন।

আপনার দেশ নির্বাচন করাঃ


এই বিষয়টা আসলে এরকম যে আপনি কোন দেশ থেকে ইউটিউব ব্যবহার করছেন এবং এই দেশের সুযোগ সুবিধা কি কি এই সম্পর্কে আপনি ইউটিউবে একটি ধারণা দিতে পারেন। 

আপনার বর্তমান লোকেশন এর কান্ট্রি থেকে আপনি যে ইউটিউব ব্যবহার করছেন সেই সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই ইউটিউব চ্যানেল সেটিং এর মধ্যে আপনার কান্ট্রি সিলেক্ট করে নিতে হয়।

এটি সিলেক্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে Your YouTube Channel অপশনে ক্লিক করতে হবে, এবং এতে ক্লিক করার পরে আপনাকে  customize অপশনটিতে ক্লিক করে নিতে হবে।

আর আপনি যখনই কাস্টমাইজড সেকশনের ক্লিক করবেন অথবা না আপনি আপনার লোকেশন টি সিলেক্ট করে নিতে পারবেন, ঠিক আছে আপনি যে দেশের অধিবাসী সেই দেশের নাম টি সিলেক্ট করে তারপর সেটিং সেভ করে নিন। 

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং |  জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |


আর এভাবেই মূলত আপনি যে দেশের অধিবাসী এবং যে দেশ থেকে ইউটিউব ব্যবহার করছেন সেই দেশের লোকেশন সিলেক্ট করে নিতে পারেন।

কিইওয়ার্ডঃ


এই বিষয়টি বলতে মূলত আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল কোন ধরনের কিওয়ার্ড নির্ভর চ্যানেল হিসেবে গড়ে তুলেছেন সেটা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন।

বিষয়টা এরকম যে আপনি ইউটিউব চ্যানেলে সবসময় যে রিলেটেড কনটেন্ট আপলোড দিয়ে থাকেন, সেই রিলেটেড কিওয়ার্ড এখানে আপনি সেভ করে রেখে দিতে পারেন যা আপনার ইউটিউব চ্যানেল সেটিং এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন।

কিওয়ার্ড বলতে সাধারণত আপনি যদি ফেসবুক সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল এখানে পাবলিশ করেন তাহলে আপনি কিওয়ার্ড হিসেবে এই সেকশনে Facebook লিখে তারপরে সেভ করে দিতে পারেন।

এছাড়াও আপনি যখন আপনার চ্যানেলে একটি কীওয়ার্ডস সিলেক্ট করে নিবেন তখন সার্চ ইঞ্জিন এটি খুব সহজেই ইনডেক্স করে নিতে পারবে, এবং আপনার ওয়েবসাইটের রেংকিং বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং |  জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |


আর এভাবেই আপনি চাইলে খুব সহজেই আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য একটি কি ওয়ার্ড সিলেক্ট করে নিতে পারবেন।

একটি ওয়েবসাইট যুক্ত করাঃ


আপনার যদি নিজস্ব কোন ওয়েব সাইট থাকে তাহলে আপনি এটি ইউটিউবে খুব সহজেই যুক্ত করে নিতে পারেন, আর  যুক্ত করার মাধ্যমে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেতে পারে।

এছাড়াও একটি ওয়েবসাইটে সফলতা অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিনে খুব ভালো রেঙ্ক করানোর জন্য গুগলের যেই 200 টিরও অধিক ফ্যাক্টর রয়েছে সেই ফ্যাক্টর গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ব্যাকলিংক তৈরি করা। 

আর আপনি যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেল আপনার ওয়েবসাইট যুক্ত করে নেন তাহলে আপনি এখান থেকে খুব সহজেই একটি ডুফলো ব্যাকলিংক পেয়ে যাবেন।

যে ব্যাকলিংক আসলে অনেকটা পাওয়ারফুল হবে এবং এটি আপনার সার্চ রেংকিং বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।

ওয়েবসাইট যুক্ত করার পর আপনাকে অবশ্যই সাইট ভেরিফাই করে নিতে হবে তারপরে আপনার ওয়েবসাইট এখানে প্রদর্শন করবে।

আপনার আরো ইউটিউব চ্যানেল যুক্ত করাঃ


আপনি যদি এটা চান যে আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেলে আপনি যে সমস্ত ইউটিউব চ্যানেল মালিক সেই সমস্ত ইউটিউব চ্যানেল গুলো কে যুক্ত করার তাহলে আপনি তা খুব সহজেই করতে পারবেন।

এতে করে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা খুব সহজেই বৃদ্ধি পাবে, এবং আপনার অন্যান্য চ্যানেল প্রমোট খুব সহজেই আপনি করতে পারবেন। 

এজন্য শুধুমাত্র আপনাকে আপনার ইউটিউব চ্যানেল সেটিং অপশনে যেতে হবে এবং তারপরে ক্লিক করতে হবে Discussion নামের অপশন এরমধ্যে।

তাহলে আপনি এর ডান পাশের বিভিন্ন ধরনের চ্যানেল যুক্ত করার জন্য একটি অপশন পেয়ে যাবেন এই অপশনটির উপরে ক্লিক করুন,  Featured Channel অপশনের ওপর ক্লিক করুন।

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং |  জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |


এরপর আপনাকে আপনার যেকোনো ধরনের ইউটিউব চ্যানেলের বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট দেয়ার মাধ্যমে এখানে অ্যাড করে নিতে পারবেন। 

আপনাকে প্রথমে ইউটিউব চ্যানেলের নাম অথবা ইউআরএল দিয়ে যাচাই করে তারপর এখানে যুক্ত করে নিতে হবে।

এই অপশনটি তে আপনার যতগুলো ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে সমস্ত ইউটিউব চ্যানেল যুক্ত করে নিতে পারবেন এবং ওই চ্যানেলগুলো সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা বৃদ্ধি করে নিতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং |  জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |


আর এভাবে আপনি খুব সহজেই আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেলে বিভিন্ন ধরনের ইউটিউব চ্যানেল যুক্ত করে নিতে পারবেন এবং চ্যানেলগুলো প্রমোটের কাজ সহজ ভাবে করতে পারবেন।

আর মূলত উপরে উল্লেখিত সেটিং গুলো  একটি ইউটিউব চ্যানেল সেটিং গুলোর মধ্যে অন্যতম কিছু সেটিং, আশা করি এগুলো আপনার কাজে আসবে।

ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইন | যা অবশ্যই মানতে হবে |



যেকোনো প্লাটফ্রম আপনি যখন ব্যবহার করবেন তখন আপনাকে অবশ্যই সেই প্ল্যাটফর্মের কমিউনিটি গাইডলাইন সম্পর্কে যথাযথ ধারণা রাখতে হবে এবং তারপর এখানে বিচরণ করতে হবে অন্যতায় প্ল্যাটফর্ম আপনার জন্য মোটেও ঠিক নয়।

ঠিক একই রকম ভাবে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও প্ল্যাটফর্ম হল ইউটিউব, ইউটিউব এর কিছু কমিউনিটি গাইডলাইন করেছে যেগুলো আপনাকে অবশ্যই মান্য করতে হয়। 

যদি আপনি ইউটিউব যথাযথভাবে ব্যবহার করতে চান তাহলে এগুলা মানতে হবে, কি সেই ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইন গুলো? জানতে হলে অবশ্যই কন্টিনিউ করতে থাকুন।

ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইন এর মধ্যে যে সমস্ত বিষয়বস্তু উল্লেখ করা হয়েছে সেই সমস্ত বিষয় গুলো মানা আপনার জন্য বাঞ্ছনীয়।

অন্যথায় আপনি যদি এখানে কোন ধরনের ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে আয় করার ইচ্ছা পোষণ করেন তাহলে আপনি এতে ব্যর্থ হবেন। 

আপনি এখানে বিচরণ করার মূল উদ্দেশ্যই হবে তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড কে সম্মান করা অর্থাৎ এগুলো বাইরে আপনার কাজগুলো সম্পাদন না করা।

ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইনঃ

ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইন এর মধ্যে যে বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেই বিষয়গুলো নিয়ে এখানে আলোচনা করা হবে।

তবে বিষয়টা মোটেও সেরকম নয় যে এখানে উল্লেখিত বিষয়বস্তু শুধু মানলেই হবে, আর তাদের দেয়ার পরবর্তী নির্দেশনা অর্থাৎ যে সমস্ত বিষয় গুলো আমি এখানে বর্ণনা করি নি সেগুলো মানবেন না, আপনাকে অবশ্যই তাদের দেয়া প্রত্যেকটি পলিসি মান্য করতে হবে।
 
এগুলোর প্রতি সম্মান দেখাতে হবে তাহলে আপনি এখানে স্বাভাবিকভাবে বিচরণ করার জন্য যথেষ্ট।

নগ্নতা বা যৌন সামগ্রীঃ


আপনি যখন একটি নতুন ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন এবং এতে যদি আপনি যেকোনো ধরনের ভিডিও পাবলিশ করেন।

এক্ষেত্রে ভিডিও পাবলিশ করার আগে আপনাকে অবশ্যই এই ভিডিওর মধ্যে কোন ধরনের সেক্সুয়াল বিষয় গুলো যদি একটিভ থাকে সেগুলো কে রিমুভ করে নিতে হবে।

কারণ ইউটিউব যৌন সামগ্রী কিংবা নগ্নতা প্রদর্শনের সাইট নয়, আর আপনি যদি এখানে আপনার নিজের সম্পর্কে কিংবা যেকোনো ধরনের ভিডিওর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন তাহলে এখান থেকে আপনি ব্যান হয় যেতে পারেন।

এছাড়াও আপনাকে অবশ্যই এখানে আইনের যাবতীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেষ্ট থাকতে হবে এবং শিশু নির্যাতনের বিষয়গুলো সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে হবে।

ক্ষতিকারক বা বিপজ্জনক সামগ্রীঃ


আপনি এখানে এরকম কোন কনটেন্ট শেয়ার করতে পারবেন না, যে সমস্ত কন্টেন্ট গুলোতে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের বিপদজনক দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে আর যা দেখলে যে কোন ইউজার বিভ্রান্ত হতে পারে।

এই সমস্ত ক্ষতিকারক বা বিপদজনক সামগ্রীর মধ্যে অন্যতম হলো আপনি যদি এখানে কোন ভিডিও পাবলিশ করেন এই ভিডিওতে যদি কোন ধরনের ক্ষত স্থানের দৃশ্য স্পষ্ট দেখা যায়। 

এবং একমাত্র স্থান এর মাত্রা যদি বেশি হয় এখান থেকে যদি রক্ত পড়তে থাকে তাহলে এটা ঐ সমস্ত ক্ষতিকারক বা বিপদজনক সামগ্রীর মধ্যে পড়বে।

এছাড়া আপনি ভিডিও আপলোডের সময় যেকোনো ধরনের বিপজ্জনক বিষয়বস্তু আপনার ভিডিওর মধ্যে ফুটিয়ে তোলে এটি সাধারণত ইউটিউবে পলিসি স্ট্যান্ডার্ড এর পরিপন্থী হয়ে যাবে, আর তাহলে আপনার চ্যানেল থেকে রিমুভ হয়ে যাবে।

স্প্যাম, বিভ্রান্তকারী মেটাডেটা এবং স্ক্যামঃ


যে কোন ব্যক্তি সাধারণত spam জিনিসগুলোকে সবচেয়ে বেশি ঘৃনার চোখে দেখে।

 আর ইউটিউবে spam বলতে সাধারণত, আপনি যদি বেশি ভিউ বাড়ানোর জন্য আপনার টাইটেলটা কিংবা মেটা ডেসক্রিপশন অথবা আপনার ইউটিউব ভিডিও এর থাম্বনাইল মধ্যে এমন কিছু বিষয় আকৃষ্ট করে নেন যার সাথে সাধারণত আপনার ভিডিও কোনোভাবেই জড়িত নয়।

আর আপনি যদি এই কাজগুলো সম্পাদন করেন শুধুমাত্র আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিউ বাড়ানোর জন্য তাহলে আপনি ইউটিউব এর কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড এর বিরুদ্ধে অবস্থান করলেন।

গোপনীয়তাঃ


যদি কেউ আপনার অনুমতি ছাড়াই আপনার সমস্ত পার্সোনাল ডকুমেন্টগুলো ইউটিউবে পাবলিশ করে নেয়, এবং আপনি যদি এই সম্পর্কে তার সাথে একমত না হন। 

আপনি যদি এটা চান যে এটা এখানে কেউ না দেখে তাহলে আপনি ইউটিউব এর কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ প্রদান করতে পারেন।

কারণ আপনি যদি এই বিষয়ে ইউটিউব এর কাছে অভিযোগ প্রদান করেন তাহলে ইউটিউব খুব শীঘ্রই সমস্ত প্রমাণের ভিত্তিতে এখান থেকে এই হ্যারেজমেন্ট ভিডিওটি সরিয়ে নিবে।

এছাড়াও মাত্রাতিরিক্ত এটি ব্যবহারের ফলে যে চ্যানেলে এটি পাবলিশ হবে সেই চ্যানেলটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেয়া হতে পারে।

কপিরাইট বিষয়বস্তুঃ


আপনি যদি ইউটিউবে অন্য কারো ভিডিও পাবলিশ করেন অর্থাৎ অন্য কারো ডকুমেন্টগুলো চুরি করে এনে আপনার ভিডিওর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রেখে এটি পাবলিশ করে নেন তাহলে এটি কপিরাইট এর আওতাধীন হবে।

আর আপনি যদি আপনার ভিডিওর মধ্যে কপিরাইট এর আওতাধীন কিছু বিষয়বস্তু নিয়ে আসেন তাহলে আপনার ভিডিওটি ইউটিউব এর জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

ইউটিউব সাধারণত এই কপিরাইট বিষয়বস্তুকে সবচেয়ে বেশি ঘৃনার চোখে দেখে , এক্ষেত্রে শুধু ইউটিউব নয় যেকোনো ধরনের প্লাটফর্মে কপিরাইট বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দেয় না, আপনিও তো কপিরাইট বিষয়বস্তু স্বচক্ষে ঘৃণা করেন।

আর উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো ইউটিউব কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড এর আওতাধীন রয়েছে অর্থাৎ আপনি ইউটিউব ব্যবহার করার আগে এই বিষয়গুলো প্রতি প্রাধান্য দিতে হবে।

এছাড়াও আরো কিছু ইউটিউব এর কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা পেতে হলে নিচের দেয়া লিঙ্কে ক্লিক করার মাধ্যমে সরাসরি ইউটিউবে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড পলিসির হোমপেইজে চলে যান।


আশাকরি উপরে উল্লেখিত লিঙ্কে ভিজিট  করার মাধ্যমে আপনি ইউটিউবে কমিউনিটি গাইডলাইন সম্পর্কে পুরোপুরি জেনে নিতে পারবেন এবং সুরক্ষায় সাথে ইউটিউব ব্যবহার করতে পারবেন।

কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা তুলব?


ইউটিউবে একটি সফল চ্যানেল খোলার পর আপনি যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে মনিটাইজেশন পেয়ে যাবেন, তখন এখান থেকে আপনি প্রতিটি অ্যাডসেন্স এর অ্যাড ইউনিট এর উপর ক্লিক এর পরিবর্তে একটি কাঙ্খিত পরিমাণ ডলার আপনার একাউন্টে যুক্ত করে নিতে পারবেন।

তবে যখনই আপনার এডসেন্স একাউন্ট এ টাকা পরিমাণ 100 ডলার হয়ে যাবে তখন আপনি এই টাকাগুলো আপনার নিজের কাছে উইথড্র করে নিয়ে আসতে পারবেন।

যার মানে হল এডসেন্স থেকে টাকা তোলার জন্য আপনার এডসেন্স একাউন্টে সর্বনিম্ন 100 ডলার হতে হবে, এবং সর্বোচ্চ যতই হোক না কেন 100 ডলারের উপরে থাকলেই আপনি সেই ডলারগুলো উইথড্র করে নিজের কাছে নিয়ে আসতে পারবেন।

তবে এক্ষেত্রে আপনি যদি ইউটিউব থেকে টাকা তুলতে চান তাহলে আপনার কাছে মাত্র দুইটি রাস্তা খোলা থাকে একটি হল ব্যাংক ট্রান্সফার অন্যটি হল ব্যাংকের দেয়া চ্যাক ডিটেইলস এর মাধ্যমে নিজের কাছে নিয়ে আসা।

তবে আপনি এই দুইটি কাজ এর মধ্যে প্রথমটি অর্থাৎ ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে যদি নিজের কাছে টাকা নিয়ে আসতে চান তাহলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি অতি শীঘ্রই আপনার কাছে টাকা নিয়ে আসতে পারবেন।

 ইউটিউব এর কাছ থেকে টাকা পাওয়ার সময়সীমা ২দিন অর্থাৎ আপনি ২ দিন বা বেশি সময়ে ইউটিউব এর কাছ থেকে টাকা পেতে পারেন।

ইউটিউব কোন দিন টাকা দেয়? 


এটা সাধারণত প্রতি মাসের 21 তারিখে নির্ধারিত হয়, অর্থাৎ আপনি প্রতি মাসের 21 তারিখে তাদের কাছে অর্থাৎ গুগল এডসেন্স এর কাছে পেমেন্ট রিকুয়েস্ট পাঠাবেন তখন দুই তিন কার্যদিবসের মধ্যে কারা আপনার ব্যাংক একাউন্টে সেই টাকা গুলো জমা রেখে দিবে।

তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় আপনার টাকা গুলো আপনার কাছে আসতে প্রায় 27 তারিখ 28 তারিখ লেগে যেতে পারে, তবে অনেক সময়ই তার চেয়ে কম সময়ে আপনি ইউটিউব থেকে টাকা তুলতে পারবেন।

কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা তুলব?


আপনি যদি এটা জানতে চান যে কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা তুলবেন তাহলে এই পোস্টটি কন্টিনিউ করতে থাকুন।

 ইউটিউব থেকে টাকা তুলতে হলে প্রথমে আপনাকে আপনার গুগোল অ্যাডসেন্সে হোমপেইজে চলে যেতে হবে, অর্থাৎ আপনি যে গুগল এডসেন্স তারা আপনার চ্যানেলে মনিটাইজেশন নিয়েছেন সেই এডসেন্সের হোমপেইজে চলে যেতে হবে।

এরপর বামদিকে আপনি অনেকগুলো অপশন দেখতে পারবেন, অথবা এটা ছাড়াও আপনি হোমপেইজে ব্যালেন্স এর উপর একটি আইকন দেখতে পারবেন এখানে ক্লিক করার পর View Payment এই অপশন এর উপর ক্লিক করতে হবে।

কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা তুলব?


তাহলেই আপনি আরেকটি পেজে চলে আসতে পারবেন এবং এখানে আপনি কিসের মাধ্যমে টাকাগুলো নিজের কাছে নিয়ে আসতে চান সেগুলো সিলেক্ট করে নিতে পারবেন। 

এটা সিলেক্ট করার জন্য ক্লিক করুন Add payment method এই অপশনটির উপর।
 
কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা তুলব?


আপনি যখনই এই অপশনটির উপর ক্লিক করবেন তখন আপনি এখানে দুইটি অপশন দেখতে পারবেন যেগুলো হলো।

Add new wire transfer details
▪ Add new check details

এখান থেকে আপনাকে প্রথম অপশনটি বেছে নিতে হবে, এই অপশনটি বেছে নিলে আপনি মাত্র 2-3 দিনের মধ্যে পেমেন্ট পেতে পারেন। আর দ্বিতীয়টি যদি আপনি বেছে নেন তাহলে 15 দিন কিংবা তারচেয়েও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। 

এখানে আপনি যখনই প্রথম অপশনটির উপরে ক্লিক করবেন তখন আপনাকে আপনার ব্যাংক ডিটেইলস সহ সমস্ত ডিটেলস গুলো দিতে হবে।

কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা তুলব?


এবং সমস্ত ডিটেলস গুলো দেয়ার পরে আপনাকে save নামের অপশনটির উপর ক্লিক করতে হবে, তাহলেই 21 তারিখের পেমেন্ট রিকুয়েস্ট গুগল এডসেন্স এর কাছে যাবে এবং তারা দুই তিন কার্যদিবসের মধ্যে আপনার একাউন্টে টাকা গুলো পৌঁছে দিবে।

আর কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা তুলব এই সংক্রান্ত প্রশ্নের যথাযথ উত্তর আশাকরি আপনি উপরে উল্লেখিত বর্ণনা দ্বারা পেয়ে গেছেন।

ইউটিউব কিভাবে টাকা দেয়? ( বিস্তারিত জেনে নিন)


একটিমাত্র ইউটিউব চ্যানেলের দ্বারা আপনি চাইলে  জীবন নিশ্চিন্তে আয় করতে পারেন।

এক্ষেত্রে আমাদের অনেকের মনে প্রায় সবসময় একটি প্রশ্ন জাগে যে ইউটিউব কিভাবে টাকা দেয় বা ইউটিউব এর টাকা দেয়ার ধরন টা আসলে কী রকম সম্পর্কে আসলে অনেকেরই মনের প্রশ্নের উদ্ভব ঘটে।

ইউটিউব কিভাবে টাকা দেয় আপনি যদি এই সম্পর্কে পুরোপুরি জানতে চান তাহলে আজকের এই পোস্টটি একদম শেষ পর্যন্ত দেখুন। 

আশা করি এ সংক্রান্ত যে সমস্ত প্রশ্নের সম্মুখীন আপনি পূর্বে হয়েছিলেন সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর যথাযথভাবে পেয়ে যাবেন।

ইউটিউব থেকে কারা টাকা পাবেন? 


আমরা অনেকেই আসলে এটা জানি না যে ইউটিউব থেকে যারা টাকা পাবে, ইউটিউব থেকে টাকা পাওয়ার জন্য উপযোগী এর জন্য আমাদের আসলে কি করতে হয়?

ইউটিউব থেকে টাকা পেতে হলে, বা ইউটিউব থেকে যারা টাকা পায় তাদেরকে আসলে ইউটিউব থেকে দেয়া নির্দিষ্ট কিছু কাজ করতে হয় যা যখন তারা সফলভাবে করতে পারে তখনই তারা ইউটিউব থেকে টাকা পেতে পারে।

আর ইউটিউব থেকে টাকা পেতে হলে আপনাকে প্রথমে যে কাজগুলো করতে হয় তা হল।

▪ একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি
▪ মানসম্মত ভিডিও তৈরি
▪ ভিজিটরকে আকৃষ্ট করা

একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরিঃ


আপনি যদি ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই যে কাজটি করতে হবে তা হলো প্রথমত আপনাকে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে।

তবে এই ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার আগে আপনাকে অবশ্যই তাদের দেয়া সীমাবদ্ধ পলিসি মেনে চলতে হবে, এবং আপনাকে একটি ইউনিক চ্যানেল তৈরি করতে হবে।

মানসম্মত ভিডিও তৈরিঃ


ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার পরে আপনাকে অবশ্যই এই চ্যানেলে মানসম্মত ভিডিও আপলোড করতে হবে।

বিষয়টা এরকম যে, আপনি এখানে যে সমস্ত ভিডিও তৈরি করবেন যে সমস্ত ভিডিও গুলো অবশ্যই যেন আপনারই হয়, আপনি অন্য কোন চ্যানেল কিংবা স্থান থেকে ভিডিও গুলো কপি করে আপনার ভিডিওতে দেন তাহলে আপনি গ্রহণযোগ্য হবে না।

এছাড়াও ভিডিও তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ভিজিটরের সিগন্যাল হ্যাক করতে হবে, যার মানে হল এমন ভিডিও তৈরি করতে হবে যাতে ভিজিটররা এই ভিডিওতে উদ্বুদ্ধ হয়।

শুধু তা নয় আপনি যখন ভিডিও তৈরি করবেন তখন এই ভিডিওতে বিভিন্ন ধরনের প্রমাণ যুক্ত করে নিবেন যাতে করে আপনি ভিজিটরের কাছ থেকে ভালো ফিডব্যাক উপহার পান।

আর মূলত এভাবেই আপনি আপনার চ্যানেলের প্রতি আপনার সার্চ টার্গেটেড ভিজিটর দের আকৃষ্ট করে নিতে পারবেন।

ইউটিউব কিভাবে টাকা দেয়?


ইউটিউব কিভাবে টাকা দেয় এটা আসলে আমরা অনেকেই জানিনা, আমরা আসলে এটা মনে করি যে ইউটিউব তার নিজের সংগ্রহশালা থেকে ইউটিউব চ্যানেলের মালিকদের টাকা প্রদান করে থাকে।

আসলে বিষয়টা মোটেও সেরকম নয়, ইউটিউবে টাকা দেয়ার কিছু সীমাবদ্ধ নিয়ম রয়েছে এবং তারা বিভিন্ন ধরনের উৎসেচক এর সহায়তায় আপনাকে টাকা দিয়ে থাকে।

উৎসেচক আসলে কি? আপনি যখন একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করেন এবং ইউটিউব চ্যানেলে বিভিন্ন ধরনের মানসম্মত কন্টেন্ট আপলোড দিয়ে এটাকে অনেক বড় করে তোলেন, এছাড়াও সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা বৃদ্ধি করে নেন তখন আপনার একটাই লক্ষ্য থাকে আর সেটা হল adsense-এর মনিটাইজেশন।

আপনি ইউটিউব থেকে আয় করার আগে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টিকে প্রাধান্য দেন সেটা হল এডসেন্স থেকে এপ্রোভাল নেয়া।

আর আপনি যখন এডসেন্সের পলিসি গুলো আপনার ভিডিওতে অ্যাট্রাক্টিভ করেন, আর পরিশেষে আপনার চ্যানেল থেকে মনিটাইজেশন পেয়ে যান তখনই আপনি ইউটিউব থেকে আয় করতে পারেন।

ইউটিউব থেকে আয় করার একমাত্র লক্ষ্য বস্তু হ্যালো গুগল এডসেন্স; শুধু যে আপনি গুগল এডসেন্স থেকে আয় করতে পারবেন তা কিন্তু নয় আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট এর স্পন্সর করে ইউটিউব থেকে আয় করতে পারেন।

ইউটিউব কিভাবে টাকা দেয় এটা আসলে মোটেও ইউটিউব এর উপর নির্ভর করে না, বিষয়টাকে আরেকটু ক্লিয়ার করা যাক আপনি ইউটিউব থেকে কত টাকা আয় করবেন এর পরিমাণ ইউটিউব নির্ধারণ করবে না অর্থাৎ আপনার টাকা আয় করা থেকে ইউটিউব এর কোন দায়ভার নেই, এটা শুধুমাত্র একটি প্ল্যাটফরম মাত্র।

ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হলো গুগল এডসেন্স থেকে মনিটাইজেশন নিয়ে তারপরে ইউনিটগুলোকে আপনার ওয়েব সাইটে প্রদর্শন করা।

যা আপনি যখন সফলভাবে করতে পারবেন তখনই আপনি ইউটিউব থেকে ভালো পরিমানে আয় করতে পারবেন।

ইউটিউব ভিডিও তৈরি | ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার সাতকাহন |

ইউটিউব ভিডিও তৈরি | ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার সাতকাহন |

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা সবেমাত্র নতুন ইউটিউব চ্যানেল খুলতে চান অথবা এরকম অনেকেই আছেন ইউটিউব চ্যানেল খোলার পরে কিভাবে ইউটিউব ভিডিও তৈরি করে সেই সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা নেই।

ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার ক্ষেত্রে যে সমস্ত জিনিসের প্রয়োজন সে সম্পর্কে বেশামাল।

এছাড়াও অনেকে এটা দেখে উদ্ভূত হয়েছে অনেক বড় বড় ইউটিউব চ্যানেল খুব সুন্দর ভিডিও তৈরি করে? 

আর আপনার মনের মধ্যে  এই চিন্তাচেতনা আসে ইশ  যদি এরকম ভিডিও আমিও তৈরি করতে পারতাম, এবং তারা কিভাবে তৈরি করে কিভাবে ভিডিও তৈরি করার আইডিয়া খুঁজে বের করে? 

এসমস্ত সকল প্রশ্নের জবাব আপনি এই পোষ্টের মাধ্যমে পেয়ে যাবেন।

ইউটিউব ভিডিও তৈরিঃ


আপনি যদি একটি মানসম্মত ইউটিউব ভিডিও তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে যে সমস্ত জিনিস গুলো মাথায় রাখতে হবে সেগুলো হলো।

▪ মানসম্মত ভিডিও
▪ ট্রেন্ডিং টপিক
▪ যা সবাই ইউটিউবে সার্চ করে

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন উপরের উল্লেখিত বিষয়গুলো ফলো না করে একটি ভিডিও তৈরি করেছেন। 

যেকোনো ধরনের একটি টপিক এর উপর ভিডিও তৈরি করে নেন যা মোটেও কাম্য নয়।

আপনি যদি একটি ভিডিও তৈরি করেন এবং এই ভিডিও এর মাধ্যমে যদি অর্গানিক ট্রাফিক অর্থাৎ সার্চ ট্রাফিক না আসে তাহলে আপনার চ্যানেল টি কিভাবে গ্রো আপ করবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এরকম একটি ট্রেন্ডিং টপিক নির্বাচন করতে হবে যার দ্বারা আপনি বুঝতে পারবেন যে ইউটিউবে আসলে কি ধরনের কিইওয়ার্ড সার্চ হয়। 

এবং এই সম্পর্কিত কী-ওয়ার্ড নিয়ে আপনি খুব সহজে একটি ভিডিও তৈরি করতে পারবেন, এবং এই কীবোর্ড দ্বারা আপনার চ্যানেলের ভিডিও রেঙ্ক করলেই আপনি আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়াতে পারবেন।

ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার আগে আইডিয়াঃ


ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার আগে অনেকেই ভালো আইডিয়া খুঁজে পান না, যে কি সম্পর্কিত একটি ইউটিউব ভিডিও তৈরি করা যায়। 

আর আপনি যদি তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হন কিভাবে একটি ইউটিউব ভিডিও তৈরি করবেন? তার আইডি খুজে না পান তাহলে আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের কিওয়ার্ড রিসার্চের সহযোগিতা নিতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনি যখন ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস সহযোগিতা নিবেন তখন আপনি চাইলে ওই সমস্ত কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস এর সাহায্যে ইউটিউবে একটি কী-ওয়ার্ড কতবার সার্চ হয় তারা সঠিক তথ্য পেয়ে যেতে পারবেন। 

এবং এটি দিয়ে আপনি যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের রেঙ্ক করতে চান তাহলে আপনাকে কতটুকু খাটনি করতে হবে তার একটি সীমাবদ্ধতা পেয়ে যাবেন।

আর এই সমস্ত ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস এর মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম রয়েছে তা হলঃ

ভিডিও তৈরীর আইডিয়া

উপরে দেয়া ওয়েবসাইটের লিংকে যখন আপনি প্রবেশ করবেন তখন আপনি চাইলে আপনার দেশের লোকেশন এবং ভাষা সিলেক্ট করার মাধ্যমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন।

ইউটিউব ভিডিও তৈরি | ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার সাতকাহন |

আর এভাবেই আপনি খুব সহজেই ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার জন্য জমজমাট আইডিয়া খুঁজে পাবেন একদম ফ্রিতে।

ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার ক্লিপঃ


আমরা অনেক সময় নানা ধরনের ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওতে নানা ধরনের ক্লিপ সংযোগ করতে দেখি।

যে ক্লিপগুলো সাধারণত ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওর মান সম্মত অর্থাৎ গুনাগুন বাড়িয়ে তুলে।

এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ক্লিপ দেখে থাকে যেগুলো আমাদের ভিডিওতে যুক্ত করার ইচ্ছা আমাদের প্রায় জাগে। আমাদের মনে এটা হয় যে তারা কিভাবে ভিডিও ক্লিপগুলো তাদের ভিডিওতে সংযুক্ত করে আমরা কেন পারি না?

আর আপনিও যদি ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার ক্ষেত্রে এ সমস্ত ক্লিপগুলো কে আপনার  ইউটিউব ভিডিও তে সংযুক্ত করতে চান তাহলে আপনাকে কয়েকটি ওয়েবসাইটের সহযোগিতা নিতে হবে।

যেগুলো থেকে আপনি চাইলে হাজার হাজার কিংবা লক্ষাধিক ফ্রি ভিডিও ক্লিপ পেতে পারেন।

তবে এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই যে সমস্ত ক্লিপগুলো কে ফ্রিতে তারা আপনাকে দিবে সেই সমস্ত ক্লিপগুলো ডাউনলোড করে আপনার ভিডিওতে সংযুক্ত করতে হবে। 

অন্যথায় আপনি যদি পেইড ভিডিওগুলোকে ফ্রিতে আপনার ভিডিওতে সংযুক্ত করে নেন, তাহলে আপনার ভিডিও কপিরাইট এর আওতাধীন হতে পারে।

এই সমস্ত কয়েকটি ফ্রি ভিডিও ক্লিপ সংগ্রহ করার জন্য কয়েকটি ওয়েবসাইটের লিঙ্ক আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি:

Pixabay Videos
Pexels Videos

আর উপরে উল্লেখিত ওয়েবসাইটগুলোর সহযোগিতায় আপনি খুব সহজেই যেকোনো ধরনের ভিডিও ক্লিপ সংগ্রহ করে আপনার ভিডিওতে সংযুক্ত করা মাধ্যমে এর কোয়ালিটি আরো বেশি বাড়িয়ে তুলতে পারবেন।

তবে ভিডিও ক্লিপগুলো সংগ্রহ করার আগে আপনাকে অবশ্যই কপিরাইট মেইনটেন্স করতে হবে।

এখানে দেওয়া ভিডিও গুলোর মধ্যে ফ্রি ভিডিও যেগুলো রয়েছে সে গুলোকে আপনার ভিডিওতে সংযুক্ত করতে হবে।

ইউটিউব ভিডিওতে যে সমস্ত ভুল করা কখনই যাবে নাঃ


আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার সময় নানামুখী ভুল করে থাকেন যেগুলোর কারণে তাদের বড় পরিসরে বৃদ্ধি হয় না।

এবং এই ইউটিউব চ্যানেল দ্বারা এডসেন্স এর মনিটাইজেশন পাওয়ার পরেও এখান থেকে খুব বেশি পরিমাণে আয় করা সম্ভব হয়না।

আর তারা ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার সময় যে ভুলগুলো করে থাকে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলোঃ

▪ অন্যের কন্টেন্ট কপি করা
▪ ভিডিওর কোয়ালিটি যাচাই না করা
▪ যেকোনো টপিকের উপর ভিডিও তৈরি
▪ ভিডিও তৈরিতে ভুয়া ইনফর্মেশন ব্যবহার করা
▪  যে সমস্ত ভিডিও শেষ করার সময় প্রুফ দেয়া দরকার সেগুলো স্কিপ করে এড়িয়ে চলা

আর আপনার ইউটিউব চ্যানেল যদি উপরোক্ত বিষয়গুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে আপনি খুব বেশি পরিমাণে সফলতা অর্জন করতে পারবেন না।

এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই যে বিষয়গুলোকে সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হবে সেগুলো হলো উপযুক্ত বিষয়গুলোকে এড়িয়ে চলে সব সময় মানসম্মত ভিডিও তৈরি করা যাতে করে আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অনুভব করে।

আর ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার জন্য যে সমস্ত বিষয়গুলো আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হয় সেগুলো আমি উপরে বর্ণনা করেছি।

ভিডিও তৈরি করার সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে |

ভিডিও তৈরি করার সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে |

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বিভিন্ন ধরনের ভিডিও প্ল্যাটফর্মের সাথে সংযুক্ত থাকেন, এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ইউটিউব।

এই ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করার সফটওয়্যার নিয়ে আমাদের অনেক চিন্তা-ভাবনা করতে হয়।

এটা প্রতিনিয়ত ভাবতে হয় যে কোন ধরনের ভিডিও তৈরি করার সফটওয়্যার গুলো সবচেয়ে ভালো হবে। 

আপনি যদি আপনার মোবাইল ফোন দিয়ে ভিডিও তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে কয়েকটি মানসম্মত ভিডিও তৈরি করার সফটওয়্যার এর দিকে লক্ষ্য রাখতে হয়। যা আপনার কাজকে আরও সহজতর করে তুলবে।

ভিডিও এর স্ক্রিন রেকর্ডঃ


আপনি যদি আপনার মোবাইল ফোন দিয়ে যেকোনো ধরনের ভিডিও তৈরি করতে চান এবং সেই ভিডিওটি ধারণ করতে চান তাহলে এই অ্যাপসটি ব্যবহার করার জন্য আমি রিকমেন্ড করব।

এটি অসাধারণ একটি অ্যাপ যার মাধ্যমে আপনি আপনার এন্ড্রয়েড ফোনের স্ক্রীন রেকর্ডের কোয়ালিটি খুব ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন। 

অর্থাৎ আপনি যখন আপনার এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে স্ক্রিন রেকর্ড করবেন তখন অন্যান্য যে সমস্ত স্ক্রিন রেকর্ডার এপস রয়েছে সেগুলো থেকে আপনি খুব ভালো পরিমাণ ফল নাও পেতে পারেন।

দেখা যায় যে আপনার ভিডিও এর কোয়ালিটি অনেক নষ্ট হয়ে যায় যা মোটেও কাম্য নয়।

আর আপনি যদি এই সমস্ত সকল ধরনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আপনার ফোনের স্ক্রিন রেকর্ড এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো কোন অ্যাপস এর সন্ধান করে থাকেন তাহলে আপনার জন্য এই অ্যাপসটি অন্যতম একটি অ্যাপস হতে চলেছে।

Screen Recorder

অ্যাপসটি ডাউনলোড করার পরে আপনি চাইলে আমাকে যাচাই করার জন্য এখন ছোটখাটো একটি স্ক্রিন রেকর্ড করতে পারেন এবং এর কোয়ালিটি দেখতে পারেন, যা অবশ্যই আপনাকে মুগ্ধ করবে।

স্ক্রিপ্ট লেখাঃ


আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ভিডিও তৈরি করার সময় মুখ দিয়ে কিছু বের করতে পারে না, অর্থাৎ দর্শকদের সামনে কি বলতে হয় তা আসলে ভুলে যান।

এক্ষেত্রে এটা পরিলক্ষিত হয় যখন তারা ভিডিও তৈরি করে এবং ক্যামেরার সামনে এসে দাঁড়ায় তখন তারা হতভম্ব হয়ে যায়। আসলে এখন আর পরবর্তী সময়ের ভিডিও ক্লিপগুলো তে কি বলতে হবে এটা নিয়ে।

তবে আপনি যদি একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডাউনলোড করে নেন তাহলে আপনি এখানে প্রথমে যে যে কথাগুলো বলবেন সেগুলো রেকর্ড হয়ে যাবে। 

এবং তারপরে অন্য আরেকটি ফোনের দ্বারা আপনি এটি দর্শকের সামনে দেখে দেখে উপস্থাপন করতে পারবেন।

Transcribe

অ্যাপসটি ডাউনলোড করা হয়ে গেলে আপনাকে এই অ্যাপস এর ভাষা পরিবর্তন করতে হবে'।

আপনি যে ভাষার আওতাধীন রয়েছেন অর্থাৎ বাংলা ভাষা হলে এখান থেকে "Bengali" সিলেক্ট করে নিতে হবে

ভিডিও তৈরি করার সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে |

আর আপনি চাইলে এই অ্যাপসটি সহযোগিতার যেকোনো ধরনের স্ক্রিপ্ট  মুখে মুখে বলে তারপরে এটিকে আপনার দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে পারবেন।

আর ভিডিও তৈরি করার জন্য নিঃসন্দেহে এটি একটি অসাধারণ অ্যাপস।

ভিডিও এর ক্লিপ এডিটঃ


আপনি যদি ভিডিও ধারণ করার পরে এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে ভিডিও এডিট করতে চান, তাহলে অ্যান্ড্রয়েডের অনেক ধরনের অ্যাপস পেয়ে যাবেন।

তবে এগুলোর মধ্যে অনেক ভিডিও এডিটিং অ্যাপস মানসম্মত না হওয়ার কারণে আপনি আপনার ভিডিও ভালোভাবে এডিট করতে পারেননা।

এক্ষেত্রে আমি রিকমেন্ড করব আপনার ভিডিওকে আপনার দর্শকের ভালোভাবে তুলে ধরার জন্য কিনেমাস্টার অ্যাপস টি ব্যবহার করতে পারেন।

Kinemaster

অ্যাপসটি ডাউনলোড করার পরে আপনি এতে প্রবেশ করার পরে খুবই সহজ ভাবে আপনার ভিডিওগুলো কে এডিট করতে  করতে পারবেন। 

এবং আপনার পছন্দমত স্ক্রিপ্ট গুলোকে আপনার ভিডিওর মধ্যে যুক্ত করতে পারবেন।

তাহলে আর ভিডিও তৈরি করার জন্য এবং ভিডিও এডিট করার জন্য আপনাকে আর কোন জায়গায় যেতে হবে না শুধুমাত্র এই তিনটি আপনার ফোনে রেখে দিন।

আর এগুলোই হল সবচেয়ে সেরা ভিডিও তৈরি করার সফটওয়্যার যা আপনার অবশ্যই কাজে আসবে।

ইউটিউব প্রতি ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয়?

ইউটিউব প্রতি ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয়?

বর্তমানে ইন্টারনেট জগতে যে সমস্ত প্ল্যাটফর্ম রয়েছে সেগুলো কে আপনি যদি স্তরে স্তরে বিভক্ত করে কম্পিটিশনের মত স্থান নির্বাচন করেন, 

তাহলে এই সমস্ত ভিডিও প্ল্যাটফর্ম গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ স্থানে যে জানেন অবস্থান করবে সেটি হল 'ইউটিউব।

ইন্টারনেটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছেন অথচ ইউটিউব সম্পর্কে জানেন না এরকম মানুষ আপনি হাজারে একজন খুঁজে পাবেন না।

অনেক নন-ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ও ইউটিউব সম্পর্কে খুব ভালোভাবে ধারণা রাখেন, আসলেই এমন একটি প্ল্যাটফরম যেখানে আপনি আপনার সমস্যাগুলোর পুরোপুরি সমাধান পেয়ে যাবেন কিছু জ্ঞানী ইউটিউবারদের ভিডিও এর দ্বারা।

আপনাকে কোন টাকা খরচ করতে হয় না, শুধুমাত্র কিছু মেগাবাইট ইন্টারনেট প্যাক করার মাধ্যমে আপনি আপনার যেকোনো সমস্যার সমাধান পেতে পারেন।

তবে যারা আপনাকে আপনার সমস্যা রিলেটেড ভিডিও তৈরী করে সার্বক্ষণিক সাহায্য-সহযোগিতা করে তারা আসলে এর বিনিময় কত টাকা পায়?

এটা নিয়ে আমাদের জানার শেষ নেই, ইউটিউবে সাধারণত অনেকেই মনে করেন টাকার হিসাব আসলে ওই চ্যানেলে মনিটাইজেশন পাওয়ার পরে যখন প্রতি হাজার লোকজন ভিডিওটি দেখে তখন এটি কাউন্ট হয়।

আসলেই বিষয়টি তাই, তবে অনেকেই এ সম্পর্কে একটু জানেন না যে ইউটিউব প্রতি ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয়? 

আসলে এটা একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং যারা নতুন ইউটিউবার এছাড়াও যারা নতুন ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার চিন্তাভাবনা করছেন তারাও এ প্রশ্নটিই প্রায় করে থাকে।

কারণ এই টাকা পয়সার বিষয়গুলো আমাদের কাছে সব সময় একটি রহস্যের, কারণ আমরা জানতে চাই ইউটিউবাররা কত টাকা আয় করে এবং এই বিষয়গুলো থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আমরাও ইউটিউবে যাত্রা শুরু করতে চাই। 


ইউটিউব প্রতি ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয়? 



এই প্রশ্নটির উত্তর সম্পর্কে ইউটিউব এর অ্যালগরিদম এ কোন ব্যাখ্যা নেই, অর্থাৎ প্রতি 1000 ভিউতে ইউটিউব চ্যানেলের মালিক কে কত টাকা দিবে তার কোন সঠিক সমীকরন উল্লেখ নেই। 

এটা আসলে বিভিন্ন ধরনের বিষয় দেখে নির্দিষ্ট হয়ে থাকে, ওই ব্যক্তিটি আসলে প্রতি হাজার ভিউতে কত টাকা করে পাবে আর এই বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলোঃ

▪ টার্গেটেড ট্রাফিক
▪ হাই কোয়ালিটি কিওয়ার্ড
▪ ইউনিক কনটেন্ট
▪ ভিডিও এর কোয়ালিটি


টার্গেটেড ট্রাফিক: 



ইউটিউব প্রতি ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয় এই টাকা সমীকরণের কমবেশি নির্ধারিত হয় সাধারণত আপনার ইউটিউব চ্যানেলে কোন কোন দেশ থেকে বেশি ভিউ হচ্ছে সেটার উপর। 

কারন প্রত্যেক দেশ থেকে গুগল এডসেন্স সমপরিমাণ টাকা পে করে না,কিছু কিছু দেশ রয়েছে যে দেশ থেকে আপনি চাইলে খুব বেশি পরিমাণ আয় করতে পারবেন। 

প্রতি 1000 ভিউতে আর এরকম অনেক দেশ রয়েছে, যেগুলো থেকে আপনি প্রতি 1000 ভিউতে কত টাকা আয় করতে পারবেন সেগুলো আপনার কাজ করার মানসিকতা একদম নষ্ট করে দেবে। 

এ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বাংলাদেশ, কারণ বাংলাদেশে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট এর রেট একদম কম বললেই মোটেও ভুল হবে না। 

তবে এক্ষেত্রে প্রতি হাজার ভিজিটর যখন আপনার ইউটিউব ভিডিও ভিউ করবে তখন আপনি সবচেয়ে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন যদি আপনার ভিজিটর গুলো ব্র্যান্ডেড কান্ট্রি থেকে আসে। 

যে দেশগুলো গুগল অ্যাডসেন্সে খুব বেশি টাকা করে এ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছেঃ ইউনাইটেড স্টেটস, ইউনাইটেড কিংডম, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া সহ আরো নানা ধরণের উচ্চ আয়ের দেশগুলোর।

এক্ষেত্রে আপনি কোন কোন ক্ষেত্রে প্রতি হাজার ভিউ তে প্রায় 100$ আয় করতে পারেন,  আবার কোন কোন প্রতি হাজার ভিউতে আপনি 1$ আয় করতে পারবেন না।

তাই এটা স্পষ্ট প্রতীয়মান যে ইউটিউব প্রতি ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয় এর সিংহভাগ নির্ভর করে আপনি কোন কোন দেশ থেকে আপনি কোন কোন দেশ থেকে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ট্রাফিক আনতে সক্ষম হয়েছেন সেটির উপর।


হাই কোয়ালিটি কিওয়ার্ডঃ



আপনি যেহেতু গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের মনিটাইজেশন করবেন সেহেতু আপনাকে গুগোল অ্যাডসেন্সে পলিসি গুলোকে যতেষ্ট মুল্যায়ন করতে হবে। 

আপনি যদি প্রতি হাজার ভিউতে বেশি পরিমাণ ডলার আয় করতে চান তাহলে আপনাকে হাই কোয়ালিটি কী-ওয়ার্ড নিয়ে ইউটিউবে প্রথম পজিশনে রেঙ্ক করতে হবে।

আরো অনেকেই আছেন এই কী-ওয়ার্ড সিলেকশনের বেলায় নানামুখী ভুল করার কারণে ইউটিউব চ্যানেল নিয়ে তারা ব্যর্থ হয়। 

অর্থাৎ দেখা যায় যে অনেক হাজার হাজার ভিউ হওয়ার পরেও তাদের কোন ধরনের ডলার অ্যাড হয় না, আর যে কারণেই সমস্যা কি হয় সেটি হলো কিওয়ার্ড রিসার্চের ভুল করা।

এক্ষেত্রে আপনাকে বিভিন্ন ধরনের ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস ব্যবহার করার মাধ্যমে একটি হাই কোয়ালিটি কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে হবে যে কীওয়ার্ডের সিপিসি রেট খুবই বেশি।

অর্থাৎ আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় আপনার নির্দিষ্ট নিচ নিয়ে যখন আপনি ওই টুলসটি তে সার্চ করবেন তখন ওই রিলেটেড কিওয়ার্ড পেয়ে যাবেন। 

এবং এর সাথে ঐ কী-ওয়ার্ড এর মাধ্যমে প্রতি ক্লিকে আপনি কত ডলার আয় করতে পারবেন তারও একটি সঠিক সমীকরণ হয়ে যাবেন।

তাই অবশ্যই আপনাকে যেকোন ধরনের ভিডিও তৈরি করার আগে একটি ভালো হাই ব্র্যান্ডেড কি ওয়ার্ড বেছে নিতে হবে।

আর আপনি যদি ভাল  কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে পারেন তাহলে আপনি ইউটিউব প্রতি ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয় এই প্রশ্নটির উত্তর নিজেই পেয়ে যাবেন।


ইউনিক কনটেন্টঃ



অনেকেই আছেন একই রিলেটেড ভিডিও বারবার তৈরি করেন এবং অন্যান্য ভিডিও থেকে কপি করে বিভিন্ন ধরনের ইমেজ পিকচার কিংবা এনিমেশন যুক্ত করে তাদের ভিডিও তৈরি করে নেন। 

যা তাদের ভিডিও গুলোকে ইউনিক করে তুলতে সহযোগিতা করে না।

আর আপনার ভিডিও থেকে খুব ভালো পরিমানে আয় করার জন্যে অবশ্যই আপনার ভিডিওগুলো কে ইউনিক করে গড়ে তুলতে হবে। 

আর ভিডিও ভিডিও ইউনিক করে গড়ে তুলতে হলে আপনাকে সমস্ত কনটেন্ট গুলো নিজে থেকে পাবলিশ করতে হবে, এবং এগুলোতে ব্যবহৃত ইনফরমেশন গুলো নিজের জ্ঞান অনুযায়ী তৈরী করতে হবে। 

এছাড়াও আপনি যেকোনো ধরনের ভিডিও তৈরি করার ক্ষেত্রে সবসময় সঠিক তথ্য দিয়ে ভিডিও তৈরি করবেন কোন ধরনের ভিজিটরের বিভ্রান্তির কারণ হবে না কখনো।

আর আপনি যখন কারো বিভ্রান্তির কারণ হবেন না অর্থাৎ ভুল তথ্য দিয়ে ভিডিও তৈরি করবেন না এবং ভিজিটর এর ভালো ভালো ফিডব্যাক পাবেন, তখনই আপনি প্রতি হাজার ভিউতে আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে খুব বেশি পরিমাণ আয় করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনি যখন যেকোনো ধরনের প্লাটফর্ম দ্বারা আপনার ভিডিওতে এ্যানিমেশন যুক্ত করবেন অর্থাৎ ছোট ছোট ক্লিপ যুক্ত করবেন তখন এটা নিশ্চিত করবেন যে আপনি যে ক্লিপ সংগ্রহ করছেন সেটি আসলে ফ্রী কিনা।

এক্ষেত্রে আপনার ভিডিওতে নিযুক্ত করার জন্য কিছু ওয়েবসাইটের লিঙ্ক আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি।

Pixabay Free Videos

Pexels free Videos

উপরে উল্লেখিত দুটি ওয়েবসাইট দ্বারা আপনি যে ভিডিওগুলো কালেক্ট করতে পারবেন সেগুলো কপিরাইট ফ্রি অর্থাৎ এগুলো আপনি আপনার ইউটিউব ভিডিওতে যুক্ত করতে পারবেন নিঃসন্দেহে।


ইউটিউব প্রতি ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয়?

আর এভাবেই আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ইউনিট ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করতে পারবেন।


ভিডিও এর কোয়ালিটিঃ


ভিডিও এর কোয়ালিটি বলতে আপনি যখন কোন ভিডিও তৈরি করবেন তখন আপনাকে অবশ্যই হাই এনিমেশন গ্রাফিক্স দিয়ে ভিডিওগুলো কে তৈরি করতে হবে।

আপনি যখন ভিডিও তৈরি করবেন, তখন আপনাকে এইচডি কোয়ালিটি যে কোন ছবি কিংবা এনিমেশন যুক্ত করতে হবে এবং এটিকে পাবলিশ করার পরে এই সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি যে ভিডিও তৈরি করেছেন এতে যুক্ত করা বিভিন্ন ধরনের গুলো কপিরাইট এর আওতাধীন হয়নি।

এছাড়াও আপনি যদি এন্ড্রয়েড কিংবা পিসি ব্যবহার করেন তাহলে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস এর সহযোগিতায় আপনি আপনার কাজ গুলোকে আরো বেশি সহজে করতে পারবেন।

এবং ভিডিওগুলো কে সমস্ত  হাই গ্রাফিক্স এর সমন্বয়ে মানোন্নয়ন করলেই আপনি নিজেই জেনে যাবেন ইউটিউব প্রতি ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয়?

পরিশেষে একটি কথা বলতে চাই ইউটিউব প্রতি ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয় এটি সাধারণত নির্বাচিত হয় উপরের দেয়া বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে, এই সম্পর্কে ইউটিউবে অ্যালগোরিদমে কোন ধরনের সঠিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

আপনি এর সম্পর্কে কখনো নিশ্চিত হতে পারবেন না যে প্রথমে আপনি প্রতি 1000 ভিউতে 100 ডলার পেয়েছেন পরবর্তী সময়ে আবার ওই 1000 ভিউতে 100 ডলার পাবেন।