Translate English to Bangla| কঠিন শব্দ/প্যারাগ্রাফ ট্রান্সলেট করুন|


Translate English to Bangla| কঠিন শব্দ/প্যারাগ্রাফ ট্রান্সলেট করুন|
বর্তমানে আপনি চাইলে ইন্টারনেট কে কাজে লাগিয়ে ইংরেজি সম্পর্কে আপনার যতগুলো ভুল ধারণা আছে সবগুলো ভাঙ্গাতে পারেন।


যখনই আপনি এরকম কোন কঠিন ইংরেজি বাক্যের সম্মুখীন হবেন যার অর্থ খুঁজে বের করা আপনার দ্বারা সম্ভব নয়, এই বাক্যটিকে আপনি translate english to bangla করে খুব সহজেই সমাধান করতে পারবেন।

আর আপনি যখন সঠিক জায়গা নির্বাচন করবেন এরকম কঠিন ইংরেজি শব্দ গুলোকে ট্রান্সলেট করার ক্ষেত্রে তাহলে ইংরেজি সম্বন্ধে আপনার আর কোন সমস্যা থাকবেনা।

আর আজকের এই পোস্টটিতে আমি সম্পূর্ণ আলোচনা করব কিভাবে আপনি খুব সহজেই কয়েকটি ফ্রী টুলস এবং সাইটের সহযোগিতায় translate english to bangla করতে পারবেন?

প্রথমেই শুরু করা যাক যেকোনো ট্রান্সলেশনের ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত গুগল ট্রান্সলেটর ব্যবহার দিয়ে।

আপনি চাইলে খুব সহজেই গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপ অফিশিয়াল অ্যাপস কিংবা ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করার মাধ্যমে খুব সহজেই  translate English to Bangla  করতে পারবেন।

প্রথমেই দেখা যাক কিভাবে আপনি ওয়েব ব্রাউজারে translate English to Bangla  করতে পারবেন?

এ জন্য প্রথমেই আপনাকে নিচের দেয়া লিঙ্কে ভিজিট করতে হবে। এবং তারপর এখানে দেয়া প্রথম বক্সে আপনার যে ইংরেজি শব্দ বাংলা  করতে অসুবিধা হচ্ছে তা বসিয়ে দিলে আপনার কাজ হয়ে যাবে।


Translate English to Bangla| কঠিন শব্দ/প্যারাগ্রাফ ট্রান্সলেট করুন|

শুধু যে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ইংরেজি ওয়ার্ড তারা বাংলা করাতে এই গুগল ট্রান্সলেটের কাজ সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে তা কিন্তু নয়।

আপনি যখনই আপনার কাঙ্খিত ওয়ার্ড কে translate English to Bangla করবেন তখন এই শব্দটির নিচের দিকে আপনি দেখতে পারবেন Adjective।

যা আপনাকে ওই একই রিলেটেড সমস্ত ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপ দেখাতে সাহায্য করবে।

এবং যে ইংরেজি শব্দে আপনার সমস্যা থাকবে ঠিক একই রকম শব্দের অনুরূপ আরো কতগুলো ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপ দেখলে, আপনার আর কোন সমস্যা থাকবে না।

Translate English to Bangla| কঠিন শব্দ/প্যারাগ্রাফ ট্রান্সলেট করুন|

এভাবে আপনি ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে যেকোনো কঠিন শব্দের translate English to Bangla করতে পারবেন খুব সহজেই।

তবে উপরে দেয়া ওয়েব ব্রাউজারের লিংক অনুযায়ী আপনাকে ট্রান্সলেট করতে হলে প্রত্যেকবার যেকোন ব্রাউজারে পদার্পণ করতে হবে।

যা প্রায় সময়ই আমাদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়ায়, তবে আপনি যদি গুগল ট্রান্সলেটের অফিশিয়াল অ্যাপস ডাউনলোড করে নেন তাহলে এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেটিং করে নিলেই তা এক নিমিষেই আপনি করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে প্রথমে আপনি নিচে দেয়া লিঙ্ক থেকে গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপস টি ডাউনলোড করে নিন।


গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপস টি ডাউনলোড করা হয়ে গেলে এবার আপনাকে অ্যাপসটিতে কিছু সেটিং করতে হবে, যে সেটিং গুলো আপনাকে বারবার যে কোন কিছুকে translate English to Bangla করতে অ্যাপসটিতে প্রবেশ করতে হবে না।

এক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপসটিতে প্রবেশ করতে হবে। এবং এর পরে আপনাকে একদম বেসিক যে কাজটি অর্থাৎ আপনি কোন ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে অন্য কোন ল্যাঙ্গুয়েজে ট্রান্সলেট করতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে।

Translate English to Bangla| কঠিন শব্দ/প্যারাগ্রাফ ট্রান্সলেট করুন|


এরপর আপনাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটিং করতে হবে যা আপনাকে বারবার ট্রান্সলেট করার ক্ষেত্রে এই অ্যাপসটিতে প্রবেশ করাতে বাধ্য করবে না।

এক্ষেত্রে গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপসটিতে প্রবেশ করার পর আপনি বামদিকে মেনুবার দেখতে পারবেন। এবং তারপর সেটিং অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

সেটিং অপশনটিতে ক্লিক করার পরে আপনি অনেকগুলো অপশন দেখতে পারবেন এখান থেকে Tap to translate ক্লিক করে তারপর এটিকে Enable করে দিতে হবে।

Translate English to Bangla| কঠিন শব্দ/প্যারাগ্রাফ ট্রান্সলেট করুন|

এবার যখনই আপনি কোন কঠিন ইংরেজি শব্দের সম্মুখীন হবেন আপনি translate English to Bangla করার জন্য কপি করবেন তখনি আপনার ফোনের স্ক্রিনে গুগল ট্রান্সলেট এর আইকন ভেসে উঠবে।

আর আপনি যখনই এতে ক্লিক করবেন তখনই আপনার কাঙ্খিত লক্ষ্যে আপনি পৌছে যাবেন। এর মানে হলো সেটিং  দ্বারা আপনি আপনার কাজটি আরও খুব সহজেই করতে পারবেন।

Translate English to Bangla  করার জন্য কয়েকটি অসাধারণ টুলস-


এখন আমি আপনাদেরকে কয়েকটি ফ্রি টুলস এর লিংক দেবো যে টুলস গুলোর  সহায়তায় আপনি খুব সহজেই translate English to Bangla করতে পারবেন।

ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেটর -এটি একটি অবিস্মরণীয় টুলস যার সহযোগিতায় আপনি খুব সহজেই 90 টি ভাষাকে ট্রান্সলেট করতে পারবেন।

এটি 2011 সালে ইন্টারনেটের জগতে বিচরণ করে। শুধু তাই নয় আপনি চাইলে এর অফিশিয়াল অ্যাপস ডাউনলোড করার মাধ্যমে খুব সহজে ট্রান্সলেট এর কাজ করতে পারবেন।


I translate - এই টুলসটি অসাধারণ ডিজাইন এবং 100 টি ভাষা ট্রান্সলেশন সিস্টেম অবশ্যই আপনার মন কাড়বে।

আপনি যে শুধুমাত্র কিছু লেখার মাধ্যমে ট্রান্সলেট করতে পারবেন তা কিন্তু নয়। আপনি চাইলে ভয়েস টাইপিং ইমেজ এর ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপ দিতে পারবেন।

তাই সবচেয়ে ভালো এক্সপেরিয়েন্স এর জন্য আপনি চাইলে নিচে দেয়া লিঙ্ক থেকে ওই টুলসটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।


Bing ট্রান্সলেটর অ্যাপস: আপনি হয়তো Bing নামক সার্চ ইঞ্জিনের নাম শুনেছেন। যে সার্চ ইঞ্জিন ধারা আপনি আপনার অনেক ধরনের কার্যসিদ্ধি করেছেন।

তবে আপনি কি জানেন এটিকে একটি পাওয়ারফুল ট্রান্সলেটর টুলস হিসেবে আপনি ব্যবহার করতে পারেন? হয়তো জানেন না।

এই ট্রান্সলেটর টুইসডে দ্বারা আপনি নয় বিভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজে কথা বলার মাধ্যমে আপনার বাক্যগুলোকে ট্রান্সলেট করতে পারবে।

শুধু তা নয় আপনি যে কাজটির জন্য আজকের এই পোস্টটি পড়ছেন অর্থাৎ translate English to Bangla করতে পারবেন খুব সহজেই।

সবচেয়ে ভালো ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এর জন্য আপনি চাইলে এর অফিশিয়াল অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

এই অ্যাপসটির সাইজ কিছুটা বড় তবে এর কার্যক্রম দেখলে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন। আর তাই অবশ্যই আপনি এই অ্যাপসটি ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন translate English to Bangla করার জন্য।


আর উপরে দেয়া টুলসগুলো সহযোগিতার আপনি ফ্রিতে ইংরেজি সম্পর্কিত যেকোন সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন।

Translate English to Bangla এপস গুলোর লিস্ট-


এবার জেনে নিন translate English to Bangla করার জন্য আপনার কাজটিকে আরও সহজ করে দিতে পারে যে অ্যাপস গুলো সেই অ্যাপস গুলোর লিস্ট।

অ্যাপস গুলোর মধ্যে প্রায় অধিকাংশ কার্যকরী অ্যাপস বাংলাদেশী ডেভেলপারদের তৈরি। এক্ষেত্রে আপনার কাজে কোন সমস্যা হবে না।


উপরের দেয়া অ্যাপস গুলো ব্যবহার করা খুবই সহজ। আপনি শুধুমাত্র লিংক থেকে এ অ্যাপসগুলোকে ফ্রিতে ডাউনলোড করে তারপরে এগুলো আপনার কাজে লাগিয়ে দিতে পারবে।

Translate English to Bangla যার মাধ্যমে আপনি সহজেই করতে পারবেন-


translate English to Bangla করার ক্ষেত্রে হয়তো অনেক সময় নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তাছাড়া আপনি পরীক্ষা কিংবা অন্য কোন সিচুয়েশনে যখন পড়বেন, যখন আপনার কাছে ফোন থাকবে না তখন কি করবেন?

এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এই শব্দগুলোকে ভালোভাবে শিখতে হবে। আর এটা শিখার জন্য সর্বাপেক্ষা উত্তম একটি অ্যাপস এর লিঙ্ক আমি দিয়ে দেবো, এবং এটি দ্বারা কিভাবে কাজ করবেন তাও আমি শিখিয়ে দেবো।

এক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে অ্যাপস টি কে ডাউনলোড করে নিন।


যখনই আপনি উপরে দেওয়া লিঙ্ক থেকে অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিবেন তখনই 
ইংরেজি সমস্ত কঠিন শব্দের বাংলা অর্থ আপনি অফলাইনে সমাধান করতে পারবেন।

Translate English to Bangla| কঠিন শব্দ/প্যারাগ্রাফ ট্রান্সলেট করুন|

শুধু তা নয় যেকোনো একটি ইংরেজী শব্দ লেখার পর ওই শব্দের পারিভাষিক যতগুলো শব্দ আছে সবগুলোর সঠিক অর্থ যে একই রূপে প্রকাশ পায় তা আপনি শিখতে পারবেন।

সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো এই যে এই অ্যাপসটি সহযোগিতায় আপনি যদি translate English to Bangla করতে চান তাহলে আপনার কোন ডাটা চার্জ প্রযোজ্য হবে না।

এর মানে হলো এটা যে আপনি ওই অ্যাপসটির সহযোগিতায় অনলাইন কিংবা অফলাইন যে কোন অবস্থাতেই আপনার ইংরেজি সম্বন্ধে যতগুলো খারাপ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার সমাধান পেয়ে যাবেন।

আর এভাবে আপনি খুব সহজেই উপরের দেয় একটু সহযোগিতা ইংরেজি সম্পর্কিত আপনার যত ভুল ধারণা আছে তার সমাধান পাবেন।

বড় প্যারাগ্রাফ কিংবা বাক্যের জন্য কিভাবে করবেন translate English to Bangla?

আপনি যদি অনেক বড় বড় প্যারাগ্রাফ কিংবা বাক্যের জন্য translate English to Bangla করতে চান কিংবা তার উল্টোটা তাহলে আপনি ব্যবহার করতে পারেন গুগোল ট্রান্সলেট অ্যাপসটি।

এই অ্যাপসটি সহযোগিতায় আপনি যত বড় প্যারাগ্রাফ এর সঠিক বাংলা অর্থ জানতে চান, সেই লক্ষ্যে আপনি পৌঁছাতে পারবেন।

আর কিভাবে এটি দ্বারা কাজ করবেন আমি কিছু উপরে আলোচনা করেছি।

এক্ষেত্রে আপনি যদি Bangla to English translate করতে চান এবং ওই বাংলা পেরাগ্রাফ এর আকার অনেক বেশি বড় হয় তাহলে এর সঠিক গ্রামাটিক্যাল পয়েন্টসহ ট্রান্সলেট করতে হবে আপনাকে একটি ছোট টিপস অবলম্বন করতে হবে।

কারণ আপনি যখন অনেক বেশি বড় প্যারাগ্রাফের বাংলা থেকে ইংরেজি রূপ ধারণ করতে চাইবেন, তখনই লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন- অনেক ক্ষেত্রে এর গ্রামাটিকাল পয়েন্টের সমস্যা হয়েছে।

আর এই সমস্যাগুলো দূর করে একেবারে নির্ভুল উপায় কিভাবে আপনি তা করতে সক্ষম হবেন, এটা আপনি কিছু পরেই জানতে পারবেন।

এজন্য আপনাকে গুগল প্লে স্টোর থেকে একটি অ্যাপস ডাউনলোড করতে হবে যেটি আপনি ফ্রিতে পেয়ে যাবেন।


অ্যাপসটি ডাউনলোড করা হয়ে গেলে এটিকে আপনার কিবোর্ড হিসেবে যুক্ত করুন। এটি যেহেতু একটি কিবোর্ড অ্যাপস তাই আপনি যখনই এটি ডাউনলোড করে প্রবেশ করবেন তখনই তা কিভাবে আপনার কীবোর্ড হিসেবে যুক্ত করবেন তার একটি পরিপূর্ণ গাইড পেয়ে যাবে।

এটিকে যখনই আপনার কিবোর্ড হিসেবে যুক্ত করবেন তখন যেকোন একটি প্যারাগ্রাফ এ নিয়ে এটি এডিট করার মুডে চলে যান।

এতে করে যে সমস্ত গ্রামাটিক্যাল প্রবলেম আপনার প্যারাগ্রাফে হয়েছে তা এই অ্যাপসটি সহযোগিতায় আপনি খুব সহজেই দূরীকরণ করতে পারবেন।

Translate English to Bangla| কঠিন শব্দ/প্যারাগ্রাফ ট্রান্সলেট করুন|

আর এভাবেই আপনি একেবারে নির্ভুলভাবে যেকোনো বড় বড় বাংলা প্যারাগ্রাফ ইংরেজি রূপ দিতে পারবেন।

তবে একটি বিষয় অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন আপনার বড় কোনো প্যারাগ্রাফের ইংরেজি রূপ দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্য গুগল ট্রান্সলেট এর অফিশিয়াল অ্যাপসটি ব্যবহার করুন।

কারন গুগল ট্রান্সলেটর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট মাধ্যমে আপনি অনেক বড় বড় পেরাগ্রাফ কিংবা রচনা ইংরেজি রূপ খুব সহজেই দিতে পারবেন।

আর উপরে দেয়া পরিপূর্ণ গাইড টি হল translate English to Bangla করার জন্য।

তাহলে এবার জেনে নিন ইংরেজি কয়েকটি প্রবাদ বাক্যের ট্রান্সলেশন রূপ-


To keep counsel - পেটের কথা পেটে রাখা

To kill to bird with one stone -  এক ঢিলে দুই পাখি শিকার

To leave one on the lurch- গাছে তুলে মই কেড়ে নেয়া

To beggar can't be bankrupt- মাথা নেই যার তার আবার মাথা ব্যাথা"

A bad penny always turns up-অপদার্থ যেখান থেকে শুরু করে সেখানেই ফিরে আসে।

A rotten sheep infects the flock- অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ । 

 Do not exchange your substance for shadow-অনিশ্চিতের আশায় নিশ্চিত ত্যাগ করিও না। 

Fools rush in where angels fear to tread-হাতি ঘোড়া গেল তল, পিপড়া বলে কত জল। 

Weal and weo come by turns.-হাসির পরে আসে কান্না। 

All our sweetest hours fly fastest .-সুখের সময়গুলো দ্রুত চলে যায় । 

Children and fools tell the truth .-
শিশু এবং বোকারাই সত্য বলে । 

To try to hush something up, when it already known to many.-শাক দিয়ে মাছ ঢাকা। 

A full purse never lacks friends.-ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না। 

Google Drive কি?গুগল ড্রাইভ কিভাবে ব্যবহার করব?

Google Drive কি?গুগল ড্রাইভ কিভাবে ব্যবহার করব?

গুগল ড্রাইভ এর নাম কখনো শুনেছেন? গুগল ড্রাইভ আসলে কি এটা কিভাবে ব্যবহার করা যায়? এরকম প্রশ্ন কি কখনো মাথায় ঘুরপাক খেয়েছে?

আপনি যদি গুগল ড্রাইভ কি এবং এটা কিভাবে ব্যবহার করে এই সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা অর্জন করতে চান, তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য।


Google Drive কি?


গুগল ড্রাইভ হলো গুগলের একটি প্রোডাক্ট। এর মাধ্যমে আপনি অনলাইনে আপনারা সমস্ত ডকুমেন্টগুলো গুগোল সিকিউরিটি সহকারে রাখতে পারবেন।

এতে আপনি যদি কোন ডকুমেন্ট ছবি কিংবা ভিডিও রাখেন, তাহলে তা এই গুগল ড্রাইভের স্টোরেজে জমা হয়ে যাবে।

এতে করে যদি আপনার ফোন কোথাও হারিয়ে যায় কিংবা আপনার স্টোরেজ থেকে এই সমস্ত ডাটা গুলো ডিলিট হয়ে যায়, তাহলে আপনি তা খুব সহজেই খুজে পাবেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো- গুগোল ড্রাইভ এ আপনি যখন আপনার গুগোল একাউন্ট দিয়ে লগইন করবেন তখন এতে আপনি প্রায় 16 জিবি স্পেস ফ্রিতে পাবেন।

আর এই 16 জিবি স্পেস এর মধ্যে আপনি চাইলে আপনার প্রয়োজনীয় সমস্ত ডাটা সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন।

আপনার যতগুলো গুগোল একাউন্ট থাকবে আপনি প্রত্যেকটি গুগল একাউন্টে এরকম 16 জিবি ফ্রী স্পেস আপনারা সমস্ত ডকুমেন্ট সেভ করে রাখতে পারবেন।

 গুগল ড্রাইভ কিভাবে ব্যবহার করব?


আপনি যখনই এটা জেনে গেছেন যে Google drive আসলে কি তখনই হয়তো আপনার মনের মধ্যে এটা তোলপাড় খাচ্ছে, যে কিভাবে আপনি গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করবেন?

এক্ষেত্রে সর্বপ্রথম আপনাকে আপনার ডিভাইসে গুগোল ড্রাইভ এর অফিশিয়াল অ্যাপসটি ডাউনলোড করতে হবে।

গুগল ড্রাইভ

আপনি যখনই গুগল ড্রাইভে লেটেস্ট ভার্সন ডাউনলোড করবেন তখনই নিচের স্ক্রিণশটের মত একটি পেইজ এর ড্যাশবোর্ডে দেখতে পারবেন।

এতে আপনার প্রয়োজনীয় ডাটা যেমন ছবি ভিডিও যুক্ত করতে হলে আপনাকে অবশ্যই (+) বাটনে ক্লিক করতে হবে। এবং এরপর আপনি যখন Upload এ ক্লিক করবেন তখন এটা আপনাকে আপনার ফাইল ম্যানেজারে নিয়ে যাবে।


Google Drive কি?গুগল ড্রাইভ কিভাবে ব্যবহার করব?

ফাইল ম্যানেজারে চলে যাওয়ার পর আপনি যে ফোল্ডারের অডিও ভিডিও ছবি ব্যাকআপ করে রাখতে চান তা সিলেক্ট করুন।

এবং যখনি আপনি আপনার ছবি ভিডিও সিলেক্ট করে নিবেন তখনই তা আপলোড হওয়া শুরু হয়ে যাবে। এবং ওই ফাইলের সাইজ অনুযায়ী এটি আপলোড হবে এবং ডাটা চার্জ প্রযোজ্য হবে।

আর এভাবে আপনি আপনার যতগুলো ফাইল কিংবা ফোল্ডার দরকারী হিসেবে আপনি মনে করেন এবং ওকে গুগল ড্রাইভে বাক্সবন্দি করে রাখতে পারবেন।


অফলাইনে ফাইল গুলো কিভাবে দেখবেন?


ইতিপূর্বে আপনি গুগল ড্রাইভে ফাইল কিংবা ফটো যুক্ত করেছেন তা দেখতে হলে অবশ্যই আপনাকে ডাটা চার্জ প্রযোজ্য করা হবে।

এটা অনেক বিরক্তিকর যে প্রায় সময় আমাদের অনিচ্ছাসত্ত্বেও ডাটা অন করে তারপরে ফাইলগুলোকেAccess নিতে হয়। তাছাড়াও প্রায় সময় আমাদের ফোনে অনেক মেগাবাইট থাকেনা।

ফলে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট দেখার জন্য আপনাকে ততক্ষণ অবদি অপেক্ষা করতে হয় যতক্ষণ আপনাআপনি সামর্থ্যবান হয় ফোনে মেগাবাইট ঢোকাতে পারবেন।

তাহলে সময় থাকতে কিভাবে আপনার প্রয়োজনীয় ফাইলটির অফলাইনে দেখার উপযোগী করে রাখবেন? যাতে করে কোন টাকা খরচ করতে হবে না এই ফাইলটি কে দেখার জন্য।

এক্ষেত্রে যে ফাইলটি আপনি অনলাইনে বা অফলাইনে দেখতে চান তাতে ক্লিক করুন, এবং এরপর Make Available offline এই অপশনটিতে ক্লিক করলেই আপনার ফাইলটি অফলাইনে দেখার উপযোগী হয়ে যাবে।

Google Drive কি?গুগল ড্রাইভ কিভাবে ব্যবহার করব?

আর এভাবে যে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ফটো গুলোকে আপনি অফলাইনে দেখতে চান তা অনলাইনে দেখার উপযোগী করতে পারবেন।

আর আপনি হয়তো এখন জেনে নিয়েছেন, Google drive কি? এবং উপরুক্ত উপায়ে আপনি খুব সহজেই গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করতে পারবেন।

কিভাবে গুগল ম্যাপে ঠিকানা যোগ করব?


গুগল ম্যাপের সাহায্যে আপনি চাইলে আপনার অজানা গন্তব্যে খুব সহজেই পৌঁছে যেতে পারেন।

আপনি যদি এরকম কোন গন্তব্যে পৌঁছাতে চান যেখানে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আপনার আগে কখনো হয়নি সেই সমস্ত ঠিকানা গুগল ম্যাপ আপনাকে পৌঁছে দেবে।

আপনি যে শুধুমাত্র গুগল ম্যাপের মাধ্যমে ওই গন্তব্যে পৌঁছাবে না তা কিন্তু নয়, এছাড়াও আপনি যেকোনো জায়গায় পরিভ্রমনে আপনার কতটুকু সময় খরচ হবে তার সঠিক হিসাব পেয়ে যাবেন।

আপনি যদি আপনার গাড়ি করে সেই স্থানে পৌঁছাতে চান তাহলে কত সময় খরচ হবে এবং আপনি যদি হেঁটে হেঁটে যেতে চান তাহলে কত সময় খরচ হবে তার সঠিক সমীকরণ পেয়ে যাবেন।

কখনো কি ভেবে দেখেছেন এই গুগল ম্যাপে ঠিকানা কিভাবে যোগ করা হয়েছে? হয়তো আপনি আগে ভাবেন নি এই নিয়েই সম্পর্কে। আর যদি ভেবে থাকেন তাহলে হয়তো উত্তর খোঁজা সম্ভব হয়নি।

গুগল ম্যাপে যে কোন ঠিকানা যোগ করা হয় স্যাটেলাইট কিংবা আশেপাশে থাকা কোন প্রযুক্তি প্রিয় মানুষের দ্বারা।

এক্ষেত্রে এর পুরোটা স্যাটেলাইট এর মাধ্যমে কন্ট্রোল করা হয়। যার ফলে আপনি অচেনা গন্তব্যে সহজেই পাড়ি জমাতে পারেন।

আপনার কাছে যদি কখনো এরকম মনে হয় কে গুগল ম্যাপে এরকম কোন ঠিকানা যুক্ত করা নেই যার সম্পর্কে আপনি অবহিত আছেন। এটা মনে করেন যে এই ঠিকানা যুক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তাহলে আপনি কিভাবে গুগল ম্যাপে ঠিকানা যোগ করবেন? আরে ঠিকানা যুক্ত করার মাধ্যমে মানুষদের তাদের সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবেন?

এক্ষেত্রে আপনাকে একটি সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। প্রথমে আপনার ফোনে যদি গুগল ম্যাপস অ্যাপসটি ডাউনলোড করে না থাকে তাহলে ডাউনলোড করে নিন।

গুগল ম্যাপ ডাউনলোড

গুগল ম্যাপ অ্যাপস টি ডাউনলোড করা হয়ে গেলে আপনাকে বামপাশে দেয়া 3 ডট আইকনে ক্লিক করতে হবে। এরপর পেইজটিকে একটু নিচের দিকে স্ক্রল করলে আপনি দেখতে পারবেন "Add a missing business" এটাতে ক্লিক করুন।

কিভাবে গুগল ম্যাপে ঠিকানা যোগ করব?

এবার আপনি গুগল ম্যাপে ঠিকানা যুক্ত করতে চান তার যথাযথ ইনফরমেশন দিয়ে তারপর তাদের কাছে সেন্ড করতে হবে।

Name: অপশনটিতে গুগল ম্যাপ থেকে যে ঠিকানা বাদ পড়েছে তার একটি সঠিক নাম দিতে হবে। অর্থাৎ আপনি গুগল ম্যাপে যে ঠিকানা যুক্ত করতে চান এই ঠিকানা নাম দিতে হবে।

Address: এই জায়গাটিতে অবশ্যই আপনাকে যে অ্যাড্রেস যুক্ত করতে চান সেই এড্রেস দিতে হবে। আপনি যদি এরকম জায়গায় বর্তমানে অবস্থান করেন যা যুক্ত করতে চান তাহলে Address এর নিচে ম্যাপ দেখতে পারবেন তাতে ক্লিক করুন।

লোকেশন এ ক্লিক করে তারপর Done বাটনে ক্লিক করলেই আপনি বর্তমানে যে জায়গায় অবস্থান করছেন তার সঠিক এড্রেস পেয়ে যাবেন।
কিভাবে গুগল ম্যাপে ঠিকানা যোগ করব?

Category: আপনি যে ঠিকানা গুগল ম্যাপে যুক্ত করতে ইচ্ছা পোষণ করেছেন সেটি  কোন ক্যাটাগরির রিলেটেড তা এখানে যুক্ত করতে হবে।

বুঝার সুবিধার্থে: আপনি যদি এমন কোনো ঠিকানা যুক্ত করতে চান যদি কোন স্কুল-মাদ্রাসা হয়,তাহলে ক্যাটাগরি হিসেবে আপনাকে School/Madrasha যুক্ত করতে হবে।

কিভাবে গুগল ম্যাপে ঠিকানা যোগ করব?

অ্যাড্রেস যুক্ত করা হয়ে গেলে আপনাকে উপরে দেয়া আইকনে ক্লিক করে এটি গুগলের কাছে সেন্ড করতে হবে।

কিছু সময় পরে আপনার দেয়া অ্যাড্রেস এর যথার্থতা যাচাই করে গুগল ম্যাপস এর অথরিটি আপনার দেয়া ঠিকানা গুগল ম্যাপে যুক্ত করে নেবে।

কিভাবে গুগল ম্যাপে ঠিকানা যোগ করব?

আর এভাবে আপনি চাইলে খুব সহজেই গুগল ম্যাপে বাদ পড়ে যাওয়া ঠিকানা যুক্ত করতে পারবেন।

Paragraph লেখার নিয়ম শিখুন| কারো সাধ্য নেই নাম্বার কম দেয়ার |

Paragraph লেখার নিয়ম শিখুন| কারো সাধ্য নেই নাম্বার কম দেয়ার |

আপনি যে কোন লেভেলের স্টুডেন্ট হন না কেন  ইংরেজি পরীক্ষার সময় আপনাকে অবশ্যই একটি প্যারাগ্রাফ এর উত্তর দিতে হয়।

আর ইংরেজি পরীক্ষা ভালো করার জন্য একটি প্যারাগ্রাফ এর যথাযথ উত্তর দেয়ার গুরুত্ব অনেক।

আপনি যখন পরীক্ষা দিতে যাবেন তখন কোন একটি প্যারাগ্রাফ নির্দিষ্ট করে পরীক্ষার হলে গিয়ে এর আন্সার দিতে পারবেন না। এক্ষেত্রে আপনাকে আপনার মেধাকে কাজে লাগিয়ে কম করে হলেও 10 থেকে 15 টি প্যারাগ্রাফ শিখতে হয়।

যারা ইংরেজীতে একটু কম দক্ষ তার জন্য এই 15 টি প্যারাগ্রাফ শিখা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তবে এক্ষেত্রে আপনি যদি  Paragraph লেখার নিয়ম সম্পর্কে জানেন তাহলে তা সহজেই করতে সক্ষম হবেন।

প্যারাগ্রাফ লেখার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই কিছু টেকনিক ফলো করতে হবে যার দ্বারা আপনি যেকোন ধরনের প্যারাগ্রাফের যথাযথ উত্তর দিতে পারবেন।

প্যারাগ্রাফ লেখার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই কয়টি বিষয় লক্ষ রাখতে হবে।
এই বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো-

1. হাতের লেখা সুন্দর হতে
2. দুই লাইন পরে গ্যাপ দিতে হবে
3. প্যারাগ্রাফ টিপ স্পষ্ট হতে হবে
4. যথেষ্ট তথ্যবহুল হতে হবে

উপরের প্রত্যেকটি শর্ত যথাযথ পূরণ করতে হলে আপনাকে কমপক্ষে যেকোনো প্যারাগ্রাফের আট থেকে দশ লাইন নিজের আয়ত্তে আনতে হবে।

বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সংক্রান্ত paragraph লেখার নিয়ম-

এক্ষেত্রে আমি প্রথমে কয়েকটি সমস্যাযুক্ত প্যারাগ্রাফ মেনশন করবো যে প্যারাগ্রাফ গুলো আসলেই আপনি একটি মাত্র প্যারাগ্রাফ শেখার মাধ্যমে লিখতে পারবে।

প্রথমেই নিয়ে নিন 30 টি প্যারাগ্রাফ এর লিস্ট, যেগুলো আসলে আপনি শুধুমাত্র একটি প্যারাগ্রাফ কি সবগুলো প্যারাগ্রাফ লিখতে পারবেন।

সমস্ত প্যারাগ্রাফ হলো সামাজিক সমস্যার মধ্যে। সমাজে সংক্রান্ত যেকোন সমস্যা সম্পর্কে প্যারাগ্রাফ আসলে একটি মাত্র প্যারাগ্রাফ শিখে আপনি সমস্ত কিছুর উত্তর দিতে পারবেন।

Paragraph লেখার নিয়ম শিখুন| কারো সাধ্য নেই নাম্বার কম দেয়ার |
--
Paragraph লেখার নিয়ম শিখুন| কারো সাধ্য নেই নাম্বার কম দেয়ার |


তাহলে জেনে নিন উপরে দেয়া সামাজিক সমস্ত সমস্যা সম্পর্কিত paragraph লেখার নিয়ম শুধুমাত্র একটি প্যারাগ্রাফ শেখার মাধ্যমে।

Paragraph লেখার নিয়ম শিখুন| কারো সাধ্য নেই নাম্বার কম দেয়ার |

ভালো ব্যক্তিত্ত্ব সম্পর্কিত paragraph লেখার নিয়ম-

এবার জেনেনিন পরীক্ষায় যদি কোন ভালো ব্যক্তিত্ব লেখার জন্য কোন প্যারাগ্রাফ আসে তাহলে  একটিমাত্র প্যারাগ্রাফ শিখার মাধ্যমে কিভাবে এর যথাযথ উত্তর দিবেন।


Paragraph লেখার নিয়ম শিখুন| কারো সাধ্য নেই নাম্বার কম দেয়ার |

এ ক্ষেত্রে নিচের দেয়া প্যারাগ্রাফ টি সমস্ত শিখে নিন এবং এখানে দেয়ার নিয়মাবলী অনুযায়ী শুধুমাত্র (____) অংশটিতে ওই ভালো ব্যক্তিত্ত্ব এর নাম লিখে দিলেই প্যারাগ্রাফ লেখা হয়ে যাবে।


বৈজ্ঞানিক বিষয়ক paragraph লেখার নিয়ম-

পরীক্ষাতে অনেক সময় দেখা যায় বৈজ্ঞানিক রিলেটেড অনেক প্যারাগ্রাফ আসে। এগুলো মুখস্ত করা প্রায় সময়ই দুঃসাধ্য হয়ে যায়।

তবে আপনি চাইলে মাত্র একটি প্যারাগ্রাফ  শিক্ষার মাধ্যমে সমস্ত রকমের বৈজ্ঞানিক রিলেটেড প্যারাগ্রাফের যথাযথ উত্তর দিতে পারবেন।
Paragraph লেখার নিয়ম শিখুন| কারো সাধ্য নেই নাম্বার কম দেয়ার |

আর উপরে দেয়া প্যারাগ্রাফ এর মাধ্যমে আপনি বৈজ্ঞানিক রিলেটেড সমস্ত প্যারাগ্রাফের উত্তর দিতে পারবেন এক নিমিষেই।

আপনার hobby অথবা এরকম রিলেটেড প্যারাগ্রাফ লেখার নিয়ম-

এক্ষেত্রেও আপনি শুধুমাত্র একটি প্যারাগ্রাফ শেখার মাধ্যমে সমস্ত শখ রিলেটেড প্যারাগ্রাফের উত্তর দিতে পারবেন।

Paragraph লেখার নিয়ম শিখুন| কারো সাধ্য নেই নাম্বার কম দেয়ার |


তাহলে আর দেরি না করে প্যারাগ্রাফ এ সর্বোচ্চ নাম্বার নিশ্চিত করার জন্য উপরে দেয়া প্যারাগ্রাফ শিখে নিতে পারেন।

সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে ক্রয় করুন Robi Sms Pack|

সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে ক্রয় করুন Robi Sms Pack|

আপনার রবি সিমের জন্য এসএমএস ক্রয় করতে চান? এই পোস্টের মাধ্যমে জেনে নিন robi sim sms প্যাকের মেয়াদ এবং টাকার পরিমাণ সহকারে একটি পরিপূর্ণ গাইড।

যেকোনো অপারেটরে সেন্ড করার উপযোগী robi sms pack

▪ আপনি চাইলে মাত্র 10 টাকা খরচ করার মাধ্যমে যে কোন অপারেটরে পাঠানোর উপযোগী 100 Robi sms  ক্রয় করতে পারেন।

যার মেয়াদ থাকবে 1 দিন। এই Robi sms Pack অ্যাক্টিভ করতে হলে আপনার মুঠোফোন থেকে ডায়াল করুন- *8666*1000#

▪ 200 টি এসএমএস ক্রয় করুন মাত্র 5 টাকায়, 1 দিন মেয়াদের সাথে। একটি এক্টিভ করতে ডায়াল করুন- *123*6*5*5#

▪ 1দিন মেয়াদের জন্য 500 টি Robi sms pack কিনুন মাত্র 5 টাকায় যেকোন অপারেটরে প্রেরণের জন্য।

▪ 200 টি এসএমএস কিনে 10 টাকায় মেয়াদ 2 দিন। কিনতে হলে ডায়াল করুন- *123*6*5*6#

▪ এবার 28 দিনের জন্য নিশ্চিত হন 1000 robi sms pack ক্রয় করার মাধ্যমে, কিন্তু হলে ডায়াল করুন *8666*2000#

এবার আপনি চাইলে পূর্বের গুলো ব্যবহার করতে পারেন Robi sms pack ক্রয় করার জন্য।

📣বিজ্ঞপ্তি: এই কোড গুলো পূরনো হওয়ার কারণে সবার ক্ষেত্রে কাজ নাও করতে পারে।

▪ 200 টি এসএমএস 10 টাকা মেয়াদ 3 দিন, কিনতে ডায়াল করুন *123*6*5*6# 

▪ 200 এসএমএস 5 টাকায় মেয়াদ 1 দিন, কিনতে ডায়াল করুন *123*6*5*5#

▪ 500 এসএমএস কিনুন মাত্র 10 টাকায় মেয়াদ 1 দিন, ডায়াল করুন *123*6*5*7#

আর উপরে দেয়া কোডগুলো মাধ্যমে আপনি চাইলে রবি সিম দিয়ে যেকোনো অপারেটরের কাছে পাঠানোর উপযোগী Robi sms pack ক্রয় করতে পারবেন।

এবার জেনে নিন আপনার রবি সিম দিয়ে আরেকজন রবি সিম গ্রাহকের কাছে এসএমএস পাঠানোর জন্য কত টাকা দিয়ে কিভাবে ক্রয় করবেন Robi sms pack? 

রবি টু রবি Sms প্যাক ক্রয় করুন-

▪ 100 টি এসএমএস মাত্র 5 টাকায় মেয়াদ 2 দিন কিনতে ডায়াল করুন *8666*5555#

▪ 1000 এসএমএস মেয়াদ 3 দিন মাত্র 10 টাকা। *123*6*5*8#

▪ 7 দিন মেয়াদের জন্য 250 টি এস এম এস 15 টাকা। *8666*07#

▪ 28 দিন মেয়াদে 2000 এম এস 130.43 টাকায়। *8666*1500#

▪ 1000 এসএমএস মেয়াদ 2 দিন পেতে হলে আপনার স্মার্টফোনে রবি সিমের ব্যালেন্স 10 টাকা রেখে ডায়াল করুন-*123*6*5*8#

উপরে দেয়া কোডগুলো আপনার হ্যান্ডসেটে ডায়াল করে উপরোক্ত টাকার এসএমএস কিনতে চান, তা খরচ করার মাধ্যমে আপনি Robi sms pack সফলভাবে ক্রয় করতে পারবেন।

এবার আপনি যদি উপরের এসএমএস প্যাক গুলোতে সন্তুষ্ট না হন এবং আপনি ইচ্ছামত টাকা এবং মেয়াদে robi sms pack ক্রয় করতে চান তাহলে আপনার জন্য ব্যবস্থা আছে।

এক্ষেত্রে আপনাকে রবি সিম অপারেটরের অফিশিয়াল অ্যাপস ডাউনলোড করতে হবে যার মাধ্যমে আপনি অফুরন্ত সুবিধা ভোগ করবেন।

মাই রবি অ্যাপস

মাই রবি অ্যাপ ডাউনলোড করা হয়ে গেলে এবার আপনাকে ওয়েবসিতে প্রবেশ করে আপনার রবি নাম্বার দিয়ে লগইন করতে হবে।

তাহলে আপনি অ্যাপসটির হোমপেইজে অনেকগুলো অপশন পেয়ে যাবেন এর মধ্যে থেকে আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে My plan নামক অপশনটি।


সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে ক্রয় করুন Robi Sms Pack|


এত যখন আপনি ক্লিক করবেন তখন আপনি চাইলে আপনার রবি সিমের জন্য ইন্টারনেট প্যাক সহ Robi sms pack ক্রয় করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে আপনার প্রয়োজনীয় মেয়াদ এবং এসএমএস এর পরিমাণ লিখে দিলেই তা ক্রয় করতে কত টাকা খরচ হবে তার পরিমান পেয়ে যাবে।


সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে ক্রয় করুন Robi Sms Pack|


এক্ষেত্রে যখনই আপনি Buy now অপশনটিতে ক্লিক করবেন তখন আপনার একাউন্ট থেকে ওই পরিমাণ টাকা চলে যাবে এবং আপনার জন্য Robi sms pack সফলভাবে ক্রয় করা হয়ে যাবে।